ডাক্তার শিউলি মণ্ডল

ডাক্তার শিউলি মণ্ডল বিনামূল্যে চিকিৎসা পেতে পেজে লাইক দি?

22/08/2021
ডার্ক মোড: চোখের জন্য ভালো নাকি ক্ষতির কারণ?একটি  নতুন প্রযুক্তি আমাদের কাছে আসার পর শুরুতেই আমরা তার সব ভালো-মন্দ দিক ব...
14/08/2021

ডার্ক মোড: চোখের জন্য ভালো নাকি ক্ষতির কারণ?
একটি নতুন প্রযুক্তি আমাদের কাছে আসার পর শুরুতেই আমরা তার সব ভালো-মন্দ দিক বুঝতে পারি না। যতদিনে বুঝতে পারি, ততদিনে হয়ত অনেক দেরি হয়ে যায়
বর্তমানে স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেমগুলো তাদের ইউজার ইন্টারফেসে “ডার্ক মোড” ফিচারটি বেশ ফলাও করে প্রচার করছে। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড এবং অ্যাপলের আইওএস-এ নতুন করে ব্যবহারকারীদের মধ্যে এই ফিচারটি নতুন করে
জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু “ডার্ক মোড” নতুন কোনো ফিচার নয়। অনেক আগে থেকেই উইন্ডোজ ফোন, লিনাক্স ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেমে এই ফিচারটি ছিল। নতুন করে এটি জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হলো এখন স্মার্টফোন সবার হাতে হাতে। আর রাতে আলো নিভিয়ে শুয়ে শুয়ে স্মার্টফোন চালাতে সবাই অভ্যস্ত। আলো নেভানোর পর
অনেকেই “ডার্ক মোড” চালু করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কারণ সেটা বিশেষ ধরনের অ্যামোলেড ডিসপ্লেতে ব্যাটারি সেভিংয়ের পাশাপাশি সাময়িকভাবে চোখের প্রশান্তি দেয়।
কিন্তু টানা কয়েকদিন এই “ডার্ক মোড” ব্যবহার করলেই শুরু হতে পারে চোখ থেকে শুরু করে শরীরের নানান রোগ।
চলুন দেখে নেওয়া যাক-
নিদ্রাহীনতা
শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন কেমিক্যাল সিগনাল কাজ করে। যেমন- ঘুম কখন আসবে, সেটা নিয়ন্ত্রণ করে মেলাটোনিন নামের হরমোন। যা মস্তিষ্কের ভেতরের পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। এই হরমোনটি দিনের আলো, রাতের অন্ধকার অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে নিঃসৃত হয়ে রাতের অন্ধকারে আমাদের দেহকে বলে দেয় যে এখন ঘুমানোর সময়। তখন শরীর সকল কাজকর্ম গুটিয়ে নিয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নেয়। দেখা গেছে, নিয়মিত ডার্ক মোড ব্যবহার করলে চোখ ব্রেইনকে সিগন্যাল দেয় যে সে অন্ধকারেই আছে। তখন মেলাটোনিনের অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। ফলে নিদ্রাহীনতা রোগ দেখা দেয়।
সার্কাদিয়ান রিদম নষ্ট
ঘুমের সময় উল্টাপাল্টা হলে আমাদের সার্কাদিয়ান রিদম বা দেহঘড়ি বিগড়ে যায়। ফলে সার্বিকভাবে অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এছাড়াও পরিমিত ঘুম আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। কারণ ঘুমের সময় আমাদের শরীর ক্ষতিপূরণ ও বৃদ্ধিসাধন হয়ে থাকে
গ্লুকোমা
দীর্ঘদিন অন্ধকারে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে তার আলো চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়িয়ে গ্লুকোমা নামের রোগের জন্ম দিতে পারে।
বিষমদৃষ্টি
ডার্ক মোড ব্যবহার করলে যাদের অ্যাস্টিগম্যাটিজম নামক দৃষ্টিত্রুটি আছে, তাদের চোখে চাপ পড়ে। যদি আপনার ডার্ক মোড ব্যবহার করতে বেশি কষ্ট হয়, তাহলে দেরি না করে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত
আইরিশের প্রদাহ
চোখের ভেতরে আইরিশে পেশী আছে। যারা সঙ্কোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে আলোর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। ডার্ক ব্যাকগ্রাউন্ডে লাইট কনটেন্ট পড়তে গেলে আইরিশের ওপর চাপ পড়ে। ফলে আইরিশের প্রদাহ হতে পরে।
দৃষ্টিভ্রম
অনেক সময় ডার্ক মোড ব্যবহার করে দৃষ্টিভ্রমও হতে পারে।
পরিশেষে বলা যায়, একটি নতুন প্রযুক্তি আমাদের কাছে আসার পর শুরুতেই আমরা তার সব ভালো-মন্দ দিক বুঝতে পারি না। যতদিনে বুঝতে পারি, ততদিনে হয়ত অনেক দেরি হয়ে যায়। তাই আমাদের উচিৎ সতর্কভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার করা।
©dhakatribune

10/08/2021

#গরম পানির উপকারীতা
একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ
০১. মাইগ্রেন
০২. উচ্চ রক্তচাপ
০৩. নিম্ন রক্তচাপ
০৪. জয়েন্ট এর ব্যথা
০৫. হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি এবং হ্রাস
০৭. কোলেস্টেরলের মাত্রা
০৮. কাশি
০৯. শারীরিক অস্বস্তি
১০. গাটের ব্যথা
১১. হাঁপানি
১২. কাশি
১৩. শিরায় বাধা
১৪. জরায়ু ও মূত্র সম্পর্কিত রোগ
১৫. পেটের সমস্যা
১৬. ক্ষুধার সমস্যা
১৭. মাথা ব্যথা
*কীভাবে গরম পানি পান করবেন?*
নিয়মিত রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে, প্রথম দিকে ২ গ্লাস পানি পান করতে সক্ষম নাও হতে পারে কেউ তবে আস্তে আস্তে এটি করতে পারবে।
*বিঃদ্রঃ: গরম পানি পান করার পরে ৪৫ মিনিট কোনো কিছুই খাওয়া যাবে না।*
গরম পানি থেরাপি যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে যে সমস্ত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির সমাধান করবে, নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো : -
৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস
৩০ দিনের মধ্যে রক্তচাপ
১০ দিনের মধ্যে পেটের সমস্যা
০৯ মাসের মধ্যে সমস্ত ধরণের ক্যান্সার
০৬ মাসের মধ্যে শিরার বাধার সমস্যা
১০ দিনের মধ্যে ক্ষুধা জাতীয় সমস্যা
১০ দিনের মধ্যে জরায়ু এবং এর সম্পর্কিত রোগগুলি
১০ দিনের মধ্যে নাক, কান এবং গলার সমস্যা
১৫ দিনের মধ্যে মহিলাদের সমস্যা
৩০ দিনের মধ্যে হৃদরোগ জাতীয় সমস্যা
০৩ দিনর মধ্যে মাথা ব্যাথা / মাইগ্রেন সমস্যা
০৪ মাসের মধ্যে কোলেস্টেরল সমস্যা
০৯ মাসের মধ্যে মৃগী এবং পক্ষাঘাত সমস্যা
০৪ মাসের মধ্যে হাঁপানি সমস্যা
*ঠান্ডা পানি পান করা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! যদি অল্প বয়সে ঠাণ্ডা পানি প্রভাবিত না করে, তবে এটি বৃদ্ধ বয়সে ক্ষতি করবেই।*
*ঠান্ডা পানি হার্টের ৪টি শিরা বন্ধ করে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ হ'ল কোল্ড ড্রিঙ্কস।
*এটি লিভারেও সমস্যা তৈরি করে। এটি লিভারের সাথে ফ্যাট আটকে রাখে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা পানি পান করার কারণে এর শিকার হয়েছেন।
*ঠান্ডা পানি পেটের অভ্যন্তরীণ দেয়ালকে প্রভাবিত করে। এটি বৃহত অন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ফলস্বরূপ ক্যান্সারে রুপ নেয়।
*দয়া করে এই তথ্যটি নিজের কাছে রাখবেন না কাউকে বলুন, এটি কারওর জীবন বাঁচাতে পারে।
লিখাঃ ডা. জাহাঙ্গীর কবির(লাইফ স্টাইল মোডিফায়ার)।

09/08/2021
 #ভ্যাকসিন নেয়ার পরেও  #কোভিড - কেন হচ্ছে? এই ৮৫% কার্যকারিতার মানে কি? আদৌ ভ্যাকসিন নেব কি?৫টা প্রশ্ন ও উত্তরসম্প্রতি দ...
01/08/2021

#ভ্যাকসিন নেয়ার পরেও #কোভিড - কেন হচ্ছে?
এই ৮৫% কার্যকারিতার মানে কি? আদৌ ভ্যাকসিন নেব কি?
৫টা প্রশ্ন ও উত্তর
সম্প্রতি দেখা গিয়েছে যে ডাবল ভ্যাক্সিন নিয়েছে বা একটা ভ্যাক্সিন নিয়েছে কিন্তু তাও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছে, কিছু মানুষ মারাও গিয়েছে। এ নিয়ে কিছু কথা আমাদের বুঝা দরকার, বিশেষ করে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ও মহামারির সময় নিয়ে।
১। ভ্যাকসিন নেয়ার পরেও কি কোভিড হতে পারে?
জি সম্ভব। ভ্যাকসিন দুই ডোজ নেয়ার পর আরো ১৪ দিন সময় লাগে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে। এর আগ পর্যন্ত কাউকে ভ্যাকসিনেটেড ধরা যাবে না। কিন্তু এই সময়ের পরেও কোভিড আক্রান্ত হতে পারে - যাকে বলা হয় ব্রেকথ্রু ইনফেকশান। এ নিয়ে বেশ গবেষণা হচ্ছে এখন।
২। ভ্যাকসিন কি তাও কার্যকরি?
আমি বারবার বলেছিলাম আগেও যে কোন কিছুই দুনিয়াতে ১০০% না, এটা সম্ভব নয়। অন্য অনেকে ১০০% বলেছিল যখন তখন ও আমি তাদের সাথে সম্মানের সাথে দ্বিমত করে বলেছি যে এটা সম্ভব নয়। এর উদাহরণ কিন্তু বাংলাদেশ নিজেও। বিসিজি টিকা অনেকের দেয়া হলেও যক্ষা এখনো হয়। কিন্ত যক্ষার কারণে হাসপাতাল সিস্টেম ব্রেকডাউন কিন্তু এখন আর হয়না। ওষুধ আর টিকা মিলিয়ে মোটামোটি ম্যানেজেবল একটা রোগে পরিনত করা হয়েছে। কোভিড ভ্যাকসিনও তাই - ১০০% কার্যকারিতা না দিলেও, অনেক কার্যকারিতা দেয়।
৩। কত পার্সেন্ট কার্যকরি এই ভ্যাকসিনগুলো?
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে এক ডোজ টিকা দেয়া থাকলে (যেই টিকাই হোক) প্রোটেকশান কম দেখা গিয়েছে - ৩০-৩৫%। কিন্তু দুই ডোজ টিকা থাকলে হাসপাতাল ভর্তি ও মৃত্যু ঠেকানোর ক্ষেত্রে ৮০-৯৫% দেখা গিয়েছে বিভিন্ন গবেষনায়। আস্ট্রা-জেনেকা, মডার্না ও ফাইজারের ডাটা এসেছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডা থেকে। ইসরাইলি কিছু ডাটা আছে ফাইজার নিয়ে এবং চিলি থেকে আছে সাইনোফার্ম এর ডাটা।
৪। এই পার্সেন্টেজের মানে কী?
এই পার্সেন্টেজটা অনেক ডাক্তার, এমন কি একাডেমিকরাও ভুল বুঝেছে। ৯০% মানে এই না যে আপনার কোভিড হওয়ার সম্ভাবনা ১০%। যখন এই গবেষনা করা হয়, তখন এক গ্রুপকে ভ্যাকসিন ও এক গ্রুপ কে ডামি দেয়া হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে কম্পেয়ার করে যে কোন গ্রুপে কত জনের কোভিড হয়েছে। এবার ৯০% মানে কি?
ধরুন ১০০ মানুষের কোভিড হলো এই গবেষনায়। যদি ভ্যাকসিন ৯০% কার্যকরি হয় তাহলে এর ৯০ জন হবে যারা ভ্যাকসিন পায়নি এবং ১০ জন হবে যারা ভ্যাকসিন পেয়েছে। তাই এই সংখ্যা যদি বড় হতে থাকে, যেমন প্রতিদিন এক লাখ মানুষের কোভিড যদি হয়, এর ৯০% তথা ৯০,০০০ মানুষ ভ্যাকসিন পায়নাই। কিন্তু এর মানে এটাও যে ১০,০০০ মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েও আক্রান্ত হয়েছে। তাই কোভিডের বিস্তার হতে থাকলে ভ্যাকসিনেটেড মানুষের কোভিড হওয়ার খবর বাড়লেও, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা আছে। হাসপাতালে এখনো অধিকাংশ মৃত্যু হচ্ছে যাদের তারা কেউ ভ্যাকসিন পায় নাই।
অবশ্যই রিয়েল ওয়ার্ল্ড একটু ভিন্ন, কারন বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন লেভেলের কোভিড সংক্রমণ হচ্ছে, এবং বিভিন্ন পার্সেন্টেজ মানুষেকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে।
এটা অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। যদিও দেশে মিজেলস এর বিরুদ্ধে বেশ অনেক মানুষের ভ্যাকসিন পাওয়া, তাও কার্যকারিতা ৯৪%, তাই সংক্রমণ বেড়ে গেলে কিছু ভ্যাকসিন পাওয়া বাচ্চাদেরও মিজেলস (হাম) হয়।
৫। ভ্যাকসিন দিয়ে কি সংক্রমণ কমানো যায়?
যুক্তরাজ্যের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে ভ্যাকসিন দেয়া থাকলে, বাসায় সংক্রমণের হার ৪০-৫০% কমে আসে। তাই ভ্যাকসিন শুধু নিজের জন্যে সিরিয়াস রোগ প্রতিরোধ করেনা শুধু, অন্যের কাছে রোগ দেয়াটাও কমায়। তাই ভ্যাকসিন যত বেশি দেয়া যাবে সমাজে, তত সংক্রমণ কমে আসবে।
৬। ভ্যাকসিনেশান বাড়ালে কি মৃত্যুর হার কমে?
জি অবশ্যই। এই বছর যুক্তরাজ্যের গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে মৃত্যুর হার কমে এসে এখন মাত্র ০.০৮৫%, যার কারণে ব্যাপক সংক্রমন হলেও হাসপাতাল গুলো ওভারলোড হচ্ছে না যেহেতু সিরিয়াস রোগী কমে এসেছে। উল্লেখ্য জানুয়ারির পিকে মৃত্যুর হার ২০ গুন বেশি ছিল (প্রায় ১.৫%)
তাইওয়ানের এক গবেষণায় আরো দেখিয়েছে যে, যদি ভ্যাকসিন কাভারেজ ১০% বাড়াতে পারেন জনগণের মধ্যে, তাহলে মৃত্যুর হার ৭.৫% করে কমতে থাকে। এটাই দেখা গিয়েছে যুক্তরাজ্যে যেখানে মৃত্যুর হার ১.৫% থেকে কমতে কমতে এখন ০.০৮৫% এ নেমে এসেছে।
৭। ভ্যাকসিন পাওয়ার পরেও কাদের কোভিড হওয়ার সম্ভাবনা বেশি?
- যে কোন দেশ যেখানে ব্যাপক সংক্রমণ হচ্ছে সেখানেই ব্রেকথ্রু ইনফেকশান হবে। তাই দেশে এখন সংক্রমের হার ৩০% এর কাছাকাছি হওয়ায় এমন হতেই পারে।
- অনেক মানুষের সমাগম যেখানে হয়, এস্পেশালি যদি মাস্ক পরা ও নিরাপদ দূরত্ব না বজায় রেখে মেলামেশা হয় তাহলে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি।
- স্বাস্থ্য-কর্মিদের ঝুঁকি বেশি যেহেতু অনেক অনেক পজিটিভ রোগীর স্পর্শে আসছে।
- যাদের বয়স ৬৫ এর বেশি।
- যাদের ইমিউন সিস্টেম কম কার্যকরি বিভিন্ন রোগের কারণে
৮। তো ভ্যাকসিন কি নেব? কোনটা নেব?
উপরে পার্সেন্টেজের হিসাব বোঝার পর বলতেই হবে যে প্রায় সব ভ্যাকসিনই কার্যকর। আস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মডার্না, সাইনোফার্ম যেটাই পাবেন, নিজেকে সুরক্ষিত করতে, পরিবারকে সুরক্ষিত করতে, সমাজে কোভিড কমিয়ে আনার জন্যে ভ্যাকসিন নিবেন। ভ্যাকসিন দেয়ার পর, শরীর এর একটা রিয়েকশান হয় যার জন্যে আমাদের কোভিডের বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি হয়*।
জুলাই এর ১৯ তারিখ পর্যন্ত ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষের কোভিড হয়েছে যুক্তরাজ্যে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারনে। এর ৮৭.৫% ভ্যাকসিন পায়নি। ভ্যাকসিনেশান যেখানেই বৃদ্ধি পাছে সেখানেই ব্যাপকভাবে মৃত্যুর হার কমছে। তাই নিজে নিন, অন্যকেও মোটিভেট করুন
Dr. Raiiq Ridwan
Specialty Registrar, Emergency Medicine
Cambridge University Hospital@

বাংলাদেশে সেলুনের দোকান থেকে হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস 'সি' ভাইরাস বেশি ছড়ায়।সেলুনে একটা ব্লেড কয়েক জনকে ব্যবহার করলে ও...
01/08/2021

বাংলাদেশে সেলুনের দোকান থেকে হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস 'সি' ভাইরাস বেশি ছড়ায়।
সেলুনে একটা ব্লেড কয়েক জনকে ব্যবহার করলে ও এক কাপড় দিয়ে অনেকের মুখ পরিস্কার করার কারনে হেপাটাইটিস ছড়ায়।
হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস 'সি' ভাইরাসের কারনে লিভার পচে যায়।

collected

খুব ট্যাস্ট 😂😂
31/07/2021

খুব ট্যাস্ট 😂😂

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম বাংলাদেশের প্রথম পেডিয়েট্রিক কার্ডিওলজিস্ট।৭ হাজার শিশুর হার্টের জন্মগত ...
30/07/2021

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম বাংলাদেশের প্রথম পেডিয়েট্রিক কার্ডিওলজিস্ট।
৭ হাজার শিশুর হার্টের জন্মগত রুগের (যেমন হার্টের ভেতর ছিদ্র) অপারেশন ( ইন্তটারভেনশন)ও অনান্য ইমার্জেন্সি ইন্টারভেনশন করেছেন।
২০১৯ সালে স্বাধীনতা পদক অর্জন করেন।
আমরা ভারতের দেবি শেটি কে চিনলেও ঘরের মানুষ ছিনিনা।
Dr. Nurun Nahar Fatema Begum is a Pediatrics Cardiologist doctor in Dhaka. Her qualification is MBBS, FCPS (PED), FRCP (EDIN), FACC (USA), FSCAI (USA).

একটা হরর স্টোরি বলি। সত্যিকারের হরর স্টোরি।  এ লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে কিংবা পোস্টে দেয়া লিঙ্ক ঘাঁটাঘাঁটি করলে নিজ দায়িত্ব ...
25/07/2021

একটা হরর স্টোরি বলি। সত্যিকারের হরর স্টোরি।
এ লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে কিংবা পোস্টে দেয়া লিঙ্ক ঘাঁটাঘাঁটি করলে নিজ দায়িত্ব করবেন। মজা করছি না, সিরিয়াসলি বললাম।
পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিতে দুই ধরণের মুরগীর প্রজনন করা হয়। ডিমের জন্য লেয়ার মুরগী, আর মাংসের জন্য ব্রয়লার। ব্রয়লার মুরগী ছয়-সাত সপ্তাহের মধ্যে বিশাল বড় হয়ে যায়। মাংশ হয় প্রচুর। আর লেয়ার মুরগীর স্পেশালিটি হল সাইযে বড় না হলেও এ জাতের মুরগী অনেক বেশি ডিম দেয়। তবে ডিম তো দেয় শুধু নারী মুরগী। পুরুষদের কী হয়?
মেরে ফেলা হয়।
জন্মের প্রথম দিনই ওদের মেরে ফেলা হয়। কারণ এ মুরগীগুলোর জীবন প্রফিটেবল না। পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রির কাছে এরা ‘সারপ্লাস’। পুরুষ হবার কারণে এদের কাছ থেকে ডিম পাওয়া যায় না। আর লেয়ার জাতের হবার কারণে পাওয়া যায় না ব্রয়লার মুরগীর মতো মাংসও তাই সবচেয়ে লাভজনক, সবচেয়ে ‘একোনমিক’ সমাধান হল এই বাচ্চাগুলোকে যতো দ্রুত সম্ভব মেরে ফেলা।
আর তাই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এক দিন বয়েসী ৭০০ কোটি পুরুষ শিশু মুরগী হত্যা করা হয়। হ্যাঁ, ৭০০ কোটি। ৭ বিলিয়ন।
এই মেরে ফেলার কাজটা কীভাবে করা হয় জানেন?
বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।
১। শ্বাসরোধ করা: বাচ্চাগুলোকে বিশাল বিশাল প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে আটকে দেয়া হয়। বাতাসের জন্য হাঁসফাঁস করতে করতে দমবন্ধ হয়ে মারা যায় ওরা।
২। ইলেক্ট্রোকিউশান: ডিম ফুটে বের হওয়া বাচ্চাদের ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে হত্যা করা হয়।
৩। সারভিকাল ডিসলোকেশান: সোজা বাংলায়, হাত দিয়ে টেনে মাথা ছিড়ে ফেলা হয় শরীর থেকে।
৪। গ্যাসিং: গ্যাস চেইম্বারে চালু করে দেয়া হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস। সদ্যজাত মুরগীগুলো একসময় জ্ঞান হারায় এবং মারা যায়।
৫। ম্যাসেরেইশান: পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে পছন্দের পদ্ধতি। বাচ্চাগুলোকে প্রথমে একটা কনভেয়ার বেল্টে ছুড়ে দেয়া হয়। কনভেয়ার বেল্ট জীবন্ত বাচ্চাগুলোকে নিয়ে ফেলে প্রচন্ড গতিতে ঘুরতে থাকা ধারালো ধাতব পাতের মধ্যে। মূহুর্তের মধ্যে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ওরা।
ব্লেন্ডার আছে না? একটা ঢাউস সাইযের ব্লেন্ডারের ভেতর একদিন বয়েসী মুরগীর বাচ্চাকে ছেড়ে দিলে কী হবে চিন্তা করুন। সেইম প্রসেস। তবে একটা না, শত শত কোটি মুরগীর বাচ্চাকে এভাবে হত্যা করা হয়। পুরো ব্যাপারটা পুঁজিবাদের ইউটিলিটারিয়ান সমীকরণ আর মডার্নিটির মনস্তত্ত্বের অসাধারণ এক দৃষ্টান্ত। আগাগোড়া পিওর মেশিন লজিক।
দুটা ভিডিও দিচ্ছি, ভিডিগুলো দেখেন। না দেখলে ভাব আসবে না –
[https://www.youtube.com/watch?v=mCmRwrwhz64
https://www.youtube.com/watch?v=7uw5c5kSVr4 [
এই ভয়ঙ্কর কাজটার একটা সুন্দর নাম আছে। Chick Culling বা Male Chick Culling। বাংলাদেশে কী হয় জানি না, কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় এটা পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস। এবং আমরা সবাই এই প্রক্রিয়ার অংশীদার।
হ্যাঁ, এই নৃশংসতা বন্ধ করতে গেলে নিশ্চিতভাবেই পোল্ট্রি প্রডাকশন কমবে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে, ফ্রাইড চিকেন হয়তো পাওয়া যাবে না। চালানো যাবে না কেএফসির মতো মাল্টিবিলিয়ন ডলার ফ্র্যাঞ্চচাইয। ফাস্ট ফুডের নেশা উপভোগ করা যাবে না যখন তখন। কিন্তু অবিশ্বাস্য মাত্রার এ নিষ্ঠুরতাকে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার বানিয়ে ফেলার চেয়ে কি তা খুব একটা খারাপ হবে?
আলহামুদলিল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের অনেক নিয়ামত দিয়েছেন। প্রানীজগত থেকে আমরা উপকৃত হতে পারি, এটাও একটা নিয়ামাহ। খাদ্যের জন্য হালালভাবে পশু হত্যা জায়েজ, এবং এটা মানবজাতির জন্য প্রয়োজন। কিন্তু এমন একটা প্রসেসকে কীভাবে সমর্থন করা যায়, যেটার অবশ্যাম্ভাবী সাইড ইফেক্ট হিসেবে বছরে ৭০০ কোটি সদ্যজাত মুরগীকে এতো বীভৎসভাবে হত্যা করা হয়? কীভাবে এখানে হুকুকুল ইবাদ (বান্দার হক) রক্ষিত হয়? কীভাবে রাহমাতুললি আলামীনের (ﷺ) এর শিক্ষার সাথে এমন আচরণকে মেলানো যায়?
মনে রাখবেন পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এই ৭০০ কোটি শিশু মুরগীকে কোন কাজে লাগাচ্ছে না। এরা স্রেফ সারপ্লাস। বিক্রিয়ার অপদ্রব্য। এর সাথে কুরবানীর অবস্থা মিলিয়ে দেখুন। কুরবানীর পশুর প্রায় প্রতিটি অংশ কাজে লাগে। শুধু একজন ব্যক্তি কিংবা পরিবার না, বরং পুরো সমাজ উপকৃত হয়। কুরবানীর পশুর মাংসের দুই-তৃতীয়াংশ বিলিয়ে দেয়া হয়। কুরবানীর সময় এমন অনেক মানুষ মাংস খেতে পায় বছরের অন্য সময় মাংস খাবার সুযোগ যাদের হয়তো হয় না। কুরবানী কেন্দ্রিক বেচাকেনাতে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এবং খামারীরা সুযোগ পায় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবার। এবং পুরো ব্যাপারটা করা হয় সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির জন্য।
ফাস্টফুডের নির্জীব আত্মকেন্দ্রিকতা, মাল্টিবিলিয়ন ডলার কর্পোরেইশানের নির্জলা প্রফিটমুখীর চিন্তা, আর সারপ্লাস হত্যার সাথে কতো আকাশপাতাল তফাৎ। তবু বছর বছর ইসলামের বিধান কুরবানীর বিরোধিতা করে হাজার হাজার শব্দ লেখা হয়। কিন্তু পুঁজিবাদী পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ আমরা বিনা প্রশ্নে সয়ে যাই। এক বিচিত্র মনস্তত্ত্ব আধুনিকতা আর আধুনিক মানুষের।
-আসিফ আদনান

নতুন কাপড় ছাড়াও ঈদ পালন করা যায় !!কিন্তু পরিবারের একজনের করোনা হলে কারও ঈদ হবে না !! 😭🙏
06/05/2021

নতুন কাপড় ছাড়াও ঈদ পালন করা যায় !!

কিন্তু পরিবারের একজনের করোনা হলে কারও ঈদ হবে না !! 😭🙏

01/05/2021

ইন্দোনেশিয়ার প্রতিটি স্কুলে, প্রতি বছর একটি অন্য রকম দিবস পালন করা হয়। ঐদিন সব মা কে
স্কুলে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
পরে সব ছাত্র-ছাত্রীকে স্কুল মাঠে নিজ নিজ মায়ের
দুই পা পানি দিয়ে পরিস্কার করে মুছে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। যেন ভবিষ্যতে তারা বাবা-মায়ের যত্ন
নিতে ভুল না করে।
ফল স্বরুপ ইন্দোনেশিয়ায় আজ পর্যন্ত কোন বৃদ্ধাশ্রম গড়ে উঠেনি।

আমাদেরও এরকম সুশিক্ষা খুব প্রয়োজন।

চারিদিকে হতাশা ও দুঃসংবাদের মধ্য একটা ভাল ও পজেটিভ খবর নিয়ে আসলো, ড.জাফর উল্লাহ চৌধুরীর গনস্বাস্হ্য কেন্দ্র। জানিনা তার ...
29/04/2021

চারিদিকে হতাশা ও দুঃসংবাদের মধ্য একটা ভাল ও পজেটিভ খবর নিয়ে আসলো, ড.জাফর উল্লাহ চৌধুরীর গনস্বাস্হ্য কেন্দ্র। জানিনা তার এই সুচিন্তা কোন দুষ্ট চক্রের দ্বারা বাধা গ্রস্হ্য হয় কি না....
আসুন জেনে নেই, গনস্বাস্হ্যের কি পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে...
বাসা বাড়িই হবে আপনার করোনা হাসপাতাল।
[১] আপনি বাসায় থাকবেন, শুধু একটা ফোন কল। ব্যস, আপনার বাসায় হাজির হয়ে যাবে 'গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র'র কোভিড ১৯ চিকিৎসক দল।
[২] 'গণস্বাস্থ কেন্দ্র'র ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লা চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে ঢাকার ভেতরে এই সেবা প্রদান করা হবে। গণস্বাস্থ্যের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম যে ওষুধ দেবে, তার জন্য কোনো টাকা নেবে না। এছাড়া করোনা পরীক্ষাসহ অন্যান্য যেসব পরীক্ষা করা হবে, সেগুলোর প্রায় অর্ধেক মূল্য নেবে তারা।
[৩] ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘ধরেন, কেউ একজন রাজধানীর কলাবাগান থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফোন করল কিংবা অ্যাপসের মাধ্যমে জানাল। তার বাড়িতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গাড়ি যাবে, এক্সরে মেশিন যাবে, ইসিজি যাবে, ভ্যান্টিলেটর যাবে- সব যাবে। প্রথমে পরীক্ষার জন্য রক্তসহ প্রয়োজনীয় স্যাম্পল নিয়ে চলে আসবে। আগে যদি পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ থাকে, তাহলে তার বাড়িতে গিয়ে আমরা ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে আসব। এছাড়া বুকের এক্স-রে, ইসিজিসহ যেসব টেস্ট করানো প্রয়োজন, তা করা হবে। মোট কথা একজন করোনা রোগীর বাড়িতে একটা হাসপাতাল চলে যাবে।’
[৪] তিনি জানান, করোনা রোগীকে ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হবে। আর বিভিন্ন পরীক্ষা করা হলে যে খরচ হবে, করোনা রোগীকে তার প্রায় অর্ধেক দিতে হবে। যেমন- বিভিন্ন পরীক্ষায় খরচ হলো ১০ হাজার টাকা, রোগীর পরিশোধ করতে হবে ৬ হাজার টাকা।
[৫] ডা. জাফরুল্লাহ আরও বলেন, ‘আমরা দু’টি নম্বর দিয়ে দিচ্ছি। সেবা নিতে আগ্রহীদের সেই নম্বরে কল করতে হবে। নম্বর দুটি হলো- ০১৭০৯-৬৬৩৯৯৪ এবং +৮৮০৯৬০২১১১৯৪০। এই দুই নম্বরে ফোন করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিমকে ডাকতে পারবেন। আর করোনায় আক্রান্ত রোগীর বাড়ির একজন লোককে প্রশিক্ষণ দেব আমরা। যাতে করোনা রোগীর দেখাশোনা করতে পারে ওই বাড়ির প্রশিক্ষণ পাওয়া লোকটি।’
[৬] তিনি আরও বলেন, ‘এখন যে কেউ গণস্বাস্থ্যের হাসপাতালে এসে করোনার চিকিৎসা নিতে পারবেন। ৪০ শয্যার একটা ইউনিট করেছি আমরা। তার মধ্যে ৫টি করোনা আইসিইউ, সেন্ট্রাল অক্সিজেন, কার্ডিয়াক মনিটর, ভ্যান্টিলেটর, ইসিজিসহ সব সুবিধা নিয়ে করোনা ইউনিট খোলা হয়েছে। ধানমণ্ডিতে এগুলো করা হয়েছে। তারপর করোনা আইসোলেশন সেন্টারও করা হয়েছে। এখানে এখনই যেকোনো লোক এসে ভর্তি হতে পারে।’..ডা. জাফরুল্লা চৌধুরীর মতো আর দশজন যদি এই মানবিক সেবা নিয়ে এগিয়ে আসতো তাহলে লকডাউন, মুভমেন্ট পাশের প্রয়োজন হতো না, রাস্তা ঘাটে পাবলিক, ডাক্তারদের নিগৃহীত হতে হতো না।
আসুন, এই মহৎ সেবার খবরটি সকলের কাছে পৌঁছে দিই।
Dr. Zohir Biswas- ( তথ্যসুত্র)..............................

✅প্রসঙ্গ: খাবার স্যালাইন।✅✅সবাইকে মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইলো।"প্রচণ্ড গরম পড়েছে... পাশের সারির সিটে বসেছিল দুই ছেলে.....
28/03/2021

✅প্রসঙ্গ: খাবার স্যালাইন।

✅✅সবাইকে মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইলো।

"প্রচণ্ড গরম পড়েছে... পাশের সারির সিটে বসেছিল দুই ছেলে... দুজনই ছাত্র...

কৌতূহল নিয়ে দেখছি কী করে!!

হাফ লিটার (৫০০ মি.লি) পানির বোতলে প্রথমে এক প্যাকেট খাবার স্যালাইন ঢালল... একটু ঝাঁকি দিল... এরপর আরেক প্যাকেট স্যালাইন বের করল... সব মিলে দুই প্যাকেট স্যালাইন ঢালল ঐ হাফ লিটার পানির মধ্যেই...

জিজ্ঞাসা করলাম, ভাই দুই প্যাকেট কেন ঢাললেন?

- এক প্যাকেটে অত স্বাদ পাওয়া যায় না... তাছাড়া যে গরম পড়েছে, তাতে বেশি খাওয়াই ভালো।

এরকম ভুল প্রায় লোকই করে... সবাই ভাবে, স্যালাইনই তো... কী আর হবে!! কিন্তু এটা যে কত মারাত্মক ভুল, তা বেশিরভাগ লোকই জানে না... বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তো আরো বেশি বিপজ্জনক...

কয়েক মাস আগের কথা... ডায়রিয়া হওয়ার পর খিঁচুনি নিয়ে এক বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে।

একটু সন্দেহ হলো... জিজ্ঞাসা করলাম, কী খাইয়েছেন বাবুকে?

- কেন? স্যালাইন।

- বানিয়েছেন কীভাবে?

- হাফ গ্লাসের মতো পানিতে এক প্যাকেট স্যালাইন গুলিয়েছি।

- নিয়ম তো হাফ লিটার বা আধা সের পানিতে স্যালাইন গুলানো। কিন্তু হাফ গ্লাস পানিতে কেন?

- ছোট বাচ্চা, অত আর স্যালাইন খেতে পারবে?

তাড়াতাড়ি বাচ্চাকে মেডিকেলে রেফার করে দিলাম। অল্প পানিতে স্যালাইন গুলানোর কারণে বেশি ঘনত্বের লবণ শরীরের ভেতরে গিয়ে লবণের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে খিচুনি শুরু হয়েছে, যা খুবই মারাত্মক... কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এভাবে অনেক বাচ্চা মারা যায় ডায়রিয়ার কারণে নয়, ভুলভাবে স্যালাইন বানানোর কারণে।

মনে রাখা উচিত, খাবার স্যালাইন কোন সাধারণ পানীয় নয় যে ইচ্ছেমতো খাবেন। এটি ওষুধ... বমি, পাতলা পায়খানা বা গরমের ফলে প্রচণ্ডরকম ঘেমে শরীর থেকে যে পানি, লবণ বের হয়ে যায়, তা পূরণ করার জন্য এটি খাওয়া হয়।

এটি নির্দিষ্ট নিয়মেই গুলাতে হবে... ছোট-বড় সবার জন্য একই নিয়মে বানাতে হবে... আধা সের বা হাফ লিটার পানির মধ্যে পুরো এক প্যাকেট মিশিয়ে স্যালাইন দ্রবণ প্রস্তুত করতে হবে। তবেই তা শরীরে গিয়ে কাজ করবে।

এর কম পানিতে বানালে লবণের ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে কিডনির ক্ষতি করবে... বেশি পানিতে বানালে লবণের ঘনত্ব কমে গিয়ে সঠিকভাবে ঘাটতি পূরণ হবে না।

একবার স্যালাইন বানালে, তা সর্বোচ্চ বারো ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়, তবে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত রাখতেও অনেকে পরামর্শ দেন।

কখনো হাফ প্যাকেট স্যালাইন, এক গ্লাস পানি- এভাবে বানাবেন না... কিংবা পরবর্তিতে বানানোর জন্য প্যাকেটে কিছু স্যালাইন রেখেও দিবেন না... এক প্যাকেট দিয়ে একসাথে হাফ লিটারই বানাবেন...

একবার বানানোর পর, বয়স ও প্রয়োজনভেদে যতটুকু দরকার, সেখান থেকে নিয়ে সেভাবে খাবেন। শেষ হয়ে গেলে আবার হাফ লিটার পানিতে এক প্যাকেট গুলিয়ে নতুন করে বানাবেন।

ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, কিডনি-রোগ কিংবা হার্টের রুগীর ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে স্যালাইন খাবেন।

আর হ্যাঁ, বাজারে "টেস্টি স্যালাইন" নামক যা পাওয়া যায়, সেগুলো অবশ্যই খাওয়া যাবে না.. এগুলোতে মাত্রার কোন ঠিক তো নেই-ই, এর পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসনেরও কোনো অনুমোদন নেই। বরং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অনেক কোম্পানির টেস্টি স্যালাইনে স্যাকারিন ও কাপড়ের রং পর্যন্ত পাওয়া গেছে।"
© Dr.Taraki Hasan।।

#সংগৃহীত

এবারের কোভিডের ব্যতিক্রম চিত্রের নিম্নরূপঃকোভিড স্যাম্পল(RT-PCR) যেটাই আসুক এইচ আর সিটিস্ক্যানে(HR CT Scan of Chest) ১০-...
23/03/2021

এবারের কোভিডের ব্যতিক্রম চিত্রের নিম্নরূপঃ
কোভিড স্যাম্পল(RT-PCR) যেটাই আসুক এইচ আর সিটিস্ক্যানে(HR CT Scan of Chest) ১০-৭০% পর্যন্ত ফুসফুস ইতিমধ্যে আক্রান্ত
রোগীর শ্বাসকষ্ট বাহ্যিকভাবে বেশ কম,কিন্তু সেচুরেশন(SpO2) অস্বাভাবিকভাবে অনেক কম
অনেক রোগী মাত্র ১৫ মিনিট-২/৩ ঘন্টার মধ্যে রোগী আকস্মিকভাবে খারাপ হয়ে হচ্ছে্ন এবং কিছু বুঝে উঠার আগেই মারা যাচ্ছেন
ডায়েরিয়া এবং বমি অস্বাভাবিকভাবে বেশি, সাথে প্রচন্ড শারীরিক দূর্বলতা
কেউ কেউ এতই এলোমেলো আচরণ করছেন যে অক্সিজেন মাস্কও রাখতে চাচ্ছেন না।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে,এবারের অধিকাংশ রোগীই বয়সে তরুণ,পূর্বে জটিল রোগমুক্ত ছিলেন।
হঠাৎ কেমন জানি অস্বস্তিকর ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে,যার প্রতিফলন কিছুটা নিজের মাঝেও টের পাচ্ছি।তাই দয়া করে যারা পার্টি করছেন, বিভিন্ন জায়গায় মাস্তির ছবি দিচ্ছেন,দয়া করে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সৃষ্টিকর্তার দোহাই দিয়ে বলছি এগুলো বন্ধ করেন।
আমাদের হাসপাতালের পাচটি তলার ৩২৪টি বেড প্রায় পূর্ণ হওয়ার পথে,সামনে কেউ ওয়ার্ডেও ভর্তি হতে পারবেন না,আইসিইউ তো প্রায় অসম্ভব, ইতিমধ্যে আমাদের ডাক্তার ভাই-বোনদেরকে ভর্তি দেওয়াও কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।আমি গতকাল এবং আজ ২ টি মৃত্যু ডিক্লেয়ার করেছি,সময় পেয়েছি ৩০ মিনিট,আরো একটি মৃত্যুর অপেক্ষায় ছিলো,এছাড়া প্রতি শিফটিং ডিউটিতে ৮/১০টি রোগীর জন্যে আইসিইউর জন্যে রেফার করছি,কিন্তু তাদের অধিকাংশই সিট পাচ্ছেন না।
একেকটি ডিউটি শেষ করে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পরছি।তাই সবাই স্বাস্থ্য সচেতন হোন।
এবারে কোভিডের সিনারিও অত্যন্ত ভয়াবহ।গতবছরের শুরুর দিক থেকেও আপাতদৃষ্টিতে অধিকতর ভয়াবহ মনে হচ্ছে
আল্লাহ আমাদের সবাইকে মাফ করে দিন
Dr. Sayed Oli Md. Rasel
Assistant Surgeon ( BCS/Health)

25/11/2020

বাবা-মা হচ্ছে সকল ক্লান্তি আর অশান্তি দূর করার এক অমূল্য হাতিয়ার🥰
রাব্বির হামহুমা কামা রব্বায়ানিছ ছগিরা🤲

Address

Kolkata
700028

Telephone

+918555523604

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাক্তার শিউলি মণ্ডল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাক্তার শিউলি মণ্ডল:

Share