Dr. Rajib Bhattacharjee, Cancer Specialist, MD, ECMO

Dr. Rajib Bhattacharjee, Cancer Specialist, MD, ECMO I am a medical oncologist. This page is for cancer awareness generation

ক্যান্সার আর শেষ কথা নয়: ২০২৫ যা শিখিয়েছে, ২০২৬ যা আনছেএকটা সময় ছিল, ক্যান্সার ধরা পড়লেই মনে হতো—সব শেষ। রোগী ভেঙে প...
02/01/2026

ক্যান্সার আর শেষ কথা নয়: ২০২৫ যা শিখিয়েছে, ২০২৬ যা আনছে

একটা সময় ছিল, ক্যান্সার ধরা পড়লেই মনে হতো—সব শেষ। রোগী ভেঙে পড়তেন, পরিবার আতঙ্কে থাকত, আর চিকিৎসার রাস্তা খুব সীমিত ছিল।
কিন্তু ২০২৫ সাল আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে—
ক্যান্সার মানেই আর অন্ধকার নয়। এই বছরটা ক্যান্সার চিকিৎসায় একেবারে অন্যরকম ছিল।
কারণ চিকিৎসা শুধু শক্তিশালী হয়নি, হয়েছে বুদ্ধিমান।

ইমিউনোথেরাপি: শরীরই এবার যোদ্ধা

২০২৫ সালে ইমিউনোথেরাপি অনেক রোগীর জীবনে নতুন দিগন্ত খুলেছেl Pembrolizumab, Nivolumab—এই ওষুধগুলো শরীরের নিজের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে জাগিয়ে তোলে। ফুসফুস, কিডনি, ব্লাডার, মাথা-ঘাড়—অনেক ক্যান্সারে রোগীরা শুধু বেঁচে থাকছেন না ভালোভাবে বেঁচে থাকছেন। সবচেয়ে বড় কথা—এই ওষুধগুলো এখন ভারতে সহজলভ্য।

স্মার্ট ওষুধ: ক্যান্সারকে চিনে আঘাত

আগে কেমোথেরাপি মানেই ছিল—চুল পড়া, বমি, দুর্বলতা। এখন এসেছে নতুন ধরনের ওষুধ— Trastuzumab Deruxtecan, Enfortumab Vedotin—এরা ক্যান্সার কোষকে চিনে নিয়ে ঠিক সেখানেই ওষুধ পৌঁছে দেয়। ফলে কাজ বেশি, কষ্ট তুলনায় কম।২০২৫-এ এই ওষুধগুলো বহু স্তন ও ব্লাডার ক্যান্সারের রোগীর জীবনে সত্যিকারের পরিবর্তন এনেছে।

জিন দেখে চিকিৎসা: সবাই এক রকম নয়

২০২৫ আমাদের শিখিয়েছে—সব ক্যান্সার এক নয়। একই নামের ক্যান্সার হলেও ভিতরের চরিত্র আলাদা হতে পারে। তাই এখন জিন পরীক্ষা করে চিকিৎসা দেওয়া হয়— ফুসফুস ক্যান্সারে Osimertinib, ব্লাড ক্যান্সারে Venetoclax, স্তন ক্যান্সারে CDK inhibitors—সবই এখন বাস্তব।

ctDNA: রক্তেই ধরা পড়ছে ভবিষ্যৎ

২০২৫-এর সবচেয়ে উত্তেজক নতুন ধারণা হলো ctDNA। সহজভাবে বললে— রক্ত পরীক্ষা করেই বোঝা যাচ্ছে, শরীরে ক্যান্সার আবার ফিরে আসছে কি না। স্ক্যানের আগেই ধরা পড়ছে বিপদের ইঙ্গিত। মানে—চিকিৎসা আরও আগেভাগে, আরও নিখুঁত।

সামনে ২০২৬: আশা আরও বড়
২০২৫ আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে। কিন্তু ২০২৬ আরও বড় সম্ভাবনা নিয়ে দাঁড়িয়ে।
আরও উন্নত ওষুধ, আরও সহজ পরীক্ষা, আরও কম কষ্টে চিকিৎসা—সবই আসছে।
আজ ক্যান্সার মানেই ভয় নয়। আজ ক্যান্সার মানেই - লড়াই, আশা আর বিজ্ঞান পাশে।
আর এই বিশ্বাস নিয়েই আমরা এগিয়ে চলেছি
২০২৬-এর দিকে, আরও ভালো দিনের আশায়।

২০২৬ সালে পা রাখার মুহূর্তে, আমার সহকর্মী সকল ডাক্তার বন্ধুদের সঙ্গে একটি একান্ত ব্যক্তিগত ভাবনা ভাগ করে নিতে চাই।আমরা স...
01/01/2026

২০২৬ সালে পা রাখার মুহূর্তে, আমার সহকর্মী সকল ডাক্তার বন্ধুদের সঙ্গে একটি একান্ত ব্যক্তিগত ভাবনা ভাগ করে নিতে চাই।

আমরা সারাজীবন অন্যদের যত্ন নিতে নিতে কাটিয়ে দিই—রোগীর কথা শোনা, তাঁদের দুশ্চিন্তা বোঝা, কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া, আর তাঁদের ও পরিবারের পাশে থাকা। এই করতে গিয়ে অনেক সময় নিজের কথাই ভুলে যাই। ঠিকমতো খাওয়া হয় না, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো পিছিয়ে যায়, বিশ্রাম নেওয়াও “পরে হবে” ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু সেই “পরে”টা অনেক সময় আর আসে না।

এই নতুন বছরে, নিজের প্রতি একটু ভালোবাসা দেখাতে শিখি—কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই। নিজের শরীর, মন আর মানসিক শান্তির যত্ন নেওয়া মানে দায়িত্ব এড়ানো নয়। বরং এতে আমরা আরও ভালো, আরও মানবিক ডাক্তার হতে পারি।

পরিবারের জন্যও একটু সময় বের করি—যাঁরা নীরবে আমাদের জন্য চিন্তা করেন, যাঁরা রাতের পর রাত আমাদের পাশে থাকেন, আর যাঁরা প্রতিদিন আমাদের ফেরার অপেক্ষায় থাকেন। আমাদের পেশা কঠিন, কিন্তু পরিবারই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

২০২৬ সালে যেন আমরা মাঝে মাঝে থামতে শিখি, গভীর শ্বাস নিই, একটু বেশি হাসি, আর সবসময় নিখুঁত হতে না পারার জন্য নিজেকে ক্ষমা করি। আমরা ডাক্তার ঠিকই, কিন্তু আমরা আগে মানুষ।

আপনাদের সবার জন্য কামনা করি—ভালো স্বাস্থ্য, মানসিক শান্তি, কাজের তৃপ্তি আর প্রিয়জনদের সঙ্গে সুন্দর সময়।

শুভ নববর্ষ ২০২৬।

As we step into 2026, I want to share a small, personal thought with my fellow doctors.

We spend our lives taking care of others—listening, worrying, deciding, standing by patients and families at their most vulnerable moments. In that process, many times we forget ourselves. We skip meals, miss family moments, postpone rest, and tell ourselves, “Later… after this patient, after this case.” But later often never comes.

This new year, I hope we can show a little self-love—without guilt. Taking care of our own health, our mental peace, and our emotional well-being does not make us less dedicated doctors. It makes us better, more humane, and more present.

Let us also make some space for family—for parents who worry silently, for partners who stand beside us through long nights, and for children who wait for us to come home. Our profession is demanding, but our families are our biggest source of strength.

In 2026, may we learn to pause sometimes, breathe deeply, laugh a little more, and forgive ourselves for not being perfect. We are doctors, but we are also human beings.

Wishing you good health, peace of mind, professional fulfillment, and precious moments with your loved ones.

Happy New Year 2026.

নতুন বছর ২০২৬-এর শুরুতে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ফার্মা প্রতিনিধিদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকা...
01/01/2026

নতুন বছর ২০২৬-এর শুরুতে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ফার্মা প্রতিনিধিদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

আপনাদের জন্য নতুন বছরটি যেন ভালো কাজ, নতুন সুযোগ আর সাফল্যে ভরে ওঠে—এই কামনা করি। চিকিৎসার জগতে ফার্মা প্রতিনিধিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ওষুধের তথ্য, বৈজ্ঞানিক আপডেট এবং সৎ আলোচনা আমাদের রোগীদের আরও উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসা দিতে সাহায্য করে।

ডাক্তার আর ফার্মা প্রতিনিধিরা যখন একসঙ্গে সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতা নিয়ে কাজ করি, তখন তার আসল সুফলটা পৌঁছে যায় রোগীর কাছে। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই—রোগীর জীবনকে একটু ভালো করা, একটু স্বস্তি দেওয়া।

২০২৬ সালে আমাদের এই সহযোগিতা আরও শক্ত হোক, আরও অর্থবহ হোক।
আপনার জন্য রইল সুস্বাস্থ্য, মানসিক শান্তি এবং একটি সুন্দর, সফল ও ইতিবাচক নতুন বছরের শুভকামনা।

শুভ নববর্ষ ২০২৬।

Warm New Year 2026 wishes to our pharma representatives, who are an important part of the healthcare system.

May the new year bring you good work, new opportunities, and success in every step. The role of pharma representatives is extremely important in modern medical practice. Sharing scientific updates, new drug information, and engaging in honest discussions help us doctors provide better and more advanced care to our patients.

When doctors and pharma representatives work together with sincerity, responsibility, and humanity, the real benefit reaches the patient. Our common goal is the same—to make patients’ lives a little better and give them some relief and hope.

May our collaboration grow stronger and more meaningful in 2026.
Wishing you good health, peace of mind, and a happy, successful, and positive year ahead.

Happy New Year 2026.

নতুন বছর ২০২৬ আসছে। নতুন বছরের শুরু মানেই নতুন আশা, নতুন শক্তি, আর নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। ২০২৬-এর শুরুতে আপনাদের ...
01/01/2026

নতুন বছর ২০২৬ আসছে। নতুন বছরের শুরু মানেই নতুন আশা, নতুন শক্তি, আর নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। ২০২৬-এর শুরুতে আপনাদের সবার সঙ্গে মন থেকে কিছু কথা ভাগ করে নিতে চাই।

যাঁরা ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন — আপনাদের সাহস, ধৈর্য আর লড়াই করার মানসিকতা আমাদের প্রতিদিন নতুন করে অনুপ্রেরণা দেয়। প্রতিটি দিন বাঁচা, প্রতিটি ছোট হাসি, প্রতিটি আশার আলো—সবই একেকটা জয়। নতুন বছরে আপনাদের জন্য থাকুক আরও শক্তি, আরও ভরসা আর আরও ভালো দিন।

যাঁরা পাশে আছেন—পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুরা — আপনাদের নিঃশব্দ ত্যাগ, ভালোবাসা আর নিরন্তর উপস্থিতি ছাড়া এই লড়াই অসম্পূর্ণ। আপনাদের ধৈর্য ও সহমর্মিতাই রোগীর সবচেয়ে বড় ওষুধ। ২০২৬ আপনাদের জীবনে শান্তি ও মানসিক শক্তি নিয়ে আসুক।

আমার সেই বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের জন্য, যাঁরা ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা ছড়াচ্ছেন, ভয় ভাঙছেন, ভুল ধারণার বিরুদ্ধে লড়ছেন—আপনাদের কাজ অমূল্য। আপনারা হয়তো জানেন না, কিন্তু আপনাদের কথায়, লেখায়, উদ্যোগে অনেক মানুষ সময়মতো সঠিক পথে আসছেন।

আর যাঁদের আমরা গত বছরে হারিয়েছি, ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করতে করতে—তাঁদের স্মৃতির প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা। তাঁরা আমাদের শিখিয়ে গেছেন সাহস কী, মর্যাদা নিয়ে লড়াই কী। তাঁদের পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য নতুন বছরে থাকুক শান্তি, শক্তি আর ধীরে ধীরে এগিয়ে চলার সাহস।

২০২৬ আমাদের সবাইকে একটা কথাই মনে করিয়ে দিক—
জীবন অনিশ্চিত, কিন্তু আশার শেষ নেই।
ক্যান্সার মানেই শেষ নয়।
মানুষ হিসেবে একে অন্যের পাশে থাকাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

নতুন বছর ২০২৬ আপনাদের সকলের জীবনে নিয়ে আসুক আশা, সুস্থতা, সহমর্মিতা আর জীবনের প্রতি নতুন ভালোবাসা।
শুভ নববর্ষ।

এক চিকিৎসক, এক অসম্ভব সিদ্ধান্ত — এবং এক বিপ্লবের শুরুজুলিয়াস ওয়াগনার-ইয়ারেগ, মালারিওথেরাপি ও ক্যানসার ইমিউনোথেরাপিবিশ শ...
31/12/2025

এক চিকিৎসক, এক অসম্ভব সিদ্ধান্ত — এবং এক বিপ্লবের শুরু
জুলিয়াস ওয়াগনার-ইয়ারেগ, মালারিওথেরাপি ও ক্যানসার ইমিউনোথেরাপি

বিশ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপের মানসিক হাসপাতালগুলো ছিল এক ধরনের ধীর মৃত্যুকক্ষ। ওয়ার্ডে ভর্তি মানুষগুলো শ্বাস নিচ্ছিল, হাঁটছিল, কিন্তু প্রতিদিন একটু একটু করে তারা নিজেকে হারাচ্ছিল। স্মৃতি ভেঙে পড়ছিল, বিচারবোধ নষ্ট হচ্ছিল, মানুষ ধীরে ধীরে নিজের ছায়া হয়ে যাচ্ছিল। রোগের নাম ছিল নিউরোসিফিলিস। সেই সময় চিকিৎসকেরা জানতেন—এই রোগ শুরু হলে, তার শেষটা প্রায় নিশ্চিত। ওষুধ ছিল না, বিকল্প ছিল না, শুধু অপেক্ষা ছিল।

এই বাস্তবতার মাঝেই কাজ করছিলেন একজন চিকিৎসক—Julius Wagner-Jauregg। প্রতিদিন রোগীদের অবনতি দেখতে দেখতে তাঁর মনে এক ধরনের অস্বস্তি জমে উঠছিল। তিনি শুধু রোগের পরিণতি মেনে নিতে পারছিলেন না। আর ঠিক এই অস্বস্তির মধ্যেই তিনি লক্ষ্য করলেন এমন কিছু, যা অন্যরা গুরুত্ব দিয়ে দেখেননি। কিছু নিউরোসিফিলিস রোগী, যারা অন্য কোনো কারণে তীব্র জ্বরে ভুগেছিল, তাদের মধ্যে সামান্য হলেও উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তারা কিছুটা পরিষ্কারভাবে কথা বলছিল, আচরণে স্বাভাবিকতার আভাস ফিরছিল। প্রশ্নটা তখন তাঁর মাথায় আঘাত করল—জ্বর কি কেবল উপসর্গ, নাকি সে নিজেই একটি অস্ত্র?

এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা মানে ছিল প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। ওয়াগনার-ইয়ারেগ বুঝতে পারছিলেন, তিনি যদি এই পথে এগোন, তবে সহকর্মীদের বিরোধিতা, প্রশাসনের সন্দেহ, এমনকি পেশাগত ধ্বংস—সবই তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে। তবু তিনি ভাবলেন, যদি জ্বর সিফিলিসের জীবাণুকে দুর্বল করে, তাহলে ইচ্ছাকৃতভাবে সেই জ্বর তৈরি করা যায় কি না। এখানেই এল সবচেয়ে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত—ম্যালেরিয়া। ইচ্ছাকৃতভাবে একজন নিউরোসিফিলিস রোগীর শরীরে ম্যালেরিয়া সংক্রমণ ঘটানো।

যেদিন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলো, সেদিন ওয়ার্ডে ছিল চাপা আতঙ্ক। কয়েক দিনের মধ্যেই জ্বর এলো—তীব্র, নির্মম, ৪০ থেকে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোগী কাঁপছিল, ঘামে ভিজে যাচ্ছিল, কখনো অচেতন হয়ে পড়ছিল। চারদিকে ফিসফাস চলছিল—এই চিকিৎসা ভুল হলে রোগী মারা যাবে, আর দায় যাবে এক জন মানুষের ঘাড়ে। ওয়াগনার-ইয়ারেগ জানতেন, এই পরীক্ষায় তাঁর নিজের ভবিষ্যৎও ঝুলে আছে।

কিন্তু তিনি অপেক্ষা করলেন। এক দফা জ্বর, তারপর আরেক দফা। আর ঠিক তখনই ধীরে ধীরে দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করল। রোগী, যে নিজের পরিচয় ভুলে গিয়েছিল, সে আবার নিজের নাম বলতে পারল। যার চোখে ছিল ফাঁকা শূন্যতা, সেখানে ফিরে এলো চিন্তার স্পষ্টতা। এই পরিবর্তন কোনো অলৌকিক ঘটনা ছিল না। শরীরের ভেতরে ইমিউন সিস্টেম প্রবলভাবে সক্রিয় হয়ে সিফিলিসের জীবাণুকে দমন করছিল। ঠিক এই মুহূর্তে ওয়াগনার-ইয়ারেগ আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন—ম্যালেরিয়াকে থামাতে হবে। কুইনিন দেওয়া হলো। জ্বর নামল। ম্যালেরিয়া সেরে গেল। কিন্তু নিউরোসিফিলিস আর আগের মতো ফিরে এলো না।

এই পদ্ধতির নাম দেওয়া হলো মালারিওথেরাপি। ঝুঁকি ছিল, মৃত্যুও ঘটেছে, সমালোচনাও ছিল তীব্র। তবু প্রথমবার চিকিৎসাবিজ্ঞান দেখল, শরীরের নিজের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে চরমভাবে সক্রিয় করলে এমন একটি রোগকেও দমন করা সম্ভব, যাকে এতদিন অজেয় বলা হতো। এই যুগান্তকারী অবদানের জন্যই পরে জুলিয়াস ওয়াগনার-ইয়ারেগ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি ছিল শুধু একজন মানুষের স্বীকৃতি নয়, বরং একটি নতুন ধারণার স্বীকৃতি—রোগ সারানোর জন্য শরীরের ইমিউন সিস্টেমকেই প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

এই জায়গাতেই মালারিওথেরাপির সঙ্গে আধুনিক ক্যানসার ইমিউনোথেরাপির গভীর মিলটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মালারিওথেরাপিতে কোনো ওষুধ সরাসরি সিফিলিসের জীবাণুকে মারেনি। জ্বর তৈরি করে শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে জাগিয়ে তোলা হয়েছিল, যাতে শরীর নিজেই শত্রুকে দমন করে। আধুনিক ক্যানসার ইমিউনোথেরাপিতেও মূল দর্শন ঠিক একই। এখানে কেমোথেরাপির মতো সরাসরি ক্যানসার কোষ মারাই লক্ষ্য নয়। বরং checkpoint inhibitor দিয়ে ইমিউন সিস্টেমের উপর চেপে বসা “ব্রেক” খুলে দেওয়া হয়, যাতে শরীরের T-cell আবার ক্যানসারকে চিনে আক্রমণ করতে পারে।

একশো বছর আগে, ওয়াগনার-ইয়ারেগ জ্বরের মাধ্যমে ইমিউন সিস্টেমকে অন্ধভাবে কিন্তু শক্তিশালীভাবে জাগিয়েছিলেন। আজ, বিজ্ঞান সেই একই কাজ করছে অনেক বেশি নিয়ন্ত্রিত ও সূক্ষ্মভাবে—অ্যান্টিবডি, রিসেপ্টর আর কোষের স্তরে। শত্রু বদলেছে—সিফিলিসের জায়গায় ক্যানসার। প্রযুক্তি বদলেছে। কিন্তু মূল ধারণা একদম একই রয়ে গেছে—রোগ সারানোর সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষমতা লুকিয়ে আছে মানুষের নিজের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার ভেতরেই।

পরে পেনিসিলিন আবিষ্কৃত হলো, নিউরোসিফিলিস সহজে সারানো সম্ভব হলো, আর মালারিওথেরাপি ইতিহাসের পাতায় চলে গেল। কিন্তু ওয়াগনার-ইয়ারেগের সেই কঠিন সিদ্ধান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের চিন্তাধারাকে চিরতরে বদলে দিল। কারণ সেই সিদ্ধান্তই প্রথম প্রমাণ করেছিল, আজ যে ক্যানসার ইমিউনোথেরাপিকে আমরা আধুনিক চিকিৎসার শিখর বলে দেখি, তার বীজ বপন হয়েছিল বহু আগেই—একজন চিকিৎসকের সাহসী, বিতর্কিত এবং প্রায় অসম্ভব সিদ্ধান্তের মধ্যে।

আনন্দ সংবাদ। টাইমস গ্রুপ পিয়ারলেস হাসপাতালকে মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালগুলোর মধ্যে সেরা ক্যান্সার হাসপাতালের শিরোপা দিয়...
21/12/2025

আনন্দ সংবাদ। টাইমস গ্রুপ পিয়ারলেস হাসপাতালকে মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালগুলোর মধ্যে সেরা ক্যান্সার হাসপাতালের শিরোপা দিয়েছে। পিয়ারলেসের ক্যান্সার ডিপার্টমেন্টকে রিপ্রেজেন্ট করতে ডাঃ অয়ন বসু, ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর এবং আমি গিয়েছিলাম। ফুকরে ও ছিছোরে খ্যাত অভিনেতা বরুণ শর্মার হাত থেকে পুরস্কার নিলাম। গ্লিটজ ও গ্ল্যামারের মধ্যে ফাইভ স্টার হোটেলে সন্ধ্যেটা বেশ ভালোই কাটল। বিভিন্ন হাসপাতালের পুরনো আলাপিদের সঙ্গে দেখা হলো। আড্ডা হলো। এক কথায় খুব রিফ্রেশিং একটা সন্ধ্যে।

কিন্তু এসবের পর একটা ভাবনা মাথায় এলো। এই যে “সেরা ক্যান্সার হাসপাতাল”-এর শিরোপা—এর মানে কী? কেন আমরা সেরা? কোন দিক থেকে? সত্যি বলতে গেলে, গত তিন বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের একটা স্বীকৃতি পেতে খারাপ লাগে না। কিন্তু অবজেক্টিভভাবে হিসেব করতে বসলে মনে হয়, “সেরা হাসপাতাল” বাছার ব্যাপারটা অনেকটাই সাবজেক্টিভ।

তাই ভাবতে বসলাম—কোন দিক থেকে আমার প্রিয় পিয়ারলেস হাসপাতালকে অন্য ক্যান্সার সেন্টারগুলোর থেকে এগিয়ে রাখা যায়। ইনফ্রাস্ট্রাকচারের দিক থেকে পিয়ারলেস সেরার দিকে এগোচ্ছে। ২০২৬-এর গোড়া থেকেই পিয়ারলেসে বসছে অত্যাধুনিক রেডিওথেরাপি মেশিন—থার্ড জেনারেশন ভেরিয়ান ট্রুবিম লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর। জটিল সার্জারি করার জন্য আসছে রোবট। তার সঙ্গে বসছে অত্যাধুনিক পেট স্ক্যান মেশিন।

কিন্তু ক্যান্সারের চিকিৎসায় যন্ত্রই কি সব? এই অত্যাধুনিক যন্ত্রগুলো তো অন্য ক্যান্সার হাসপাতালেও আছে। তাহলে পিয়ারলেস অন্যদের থেকে আলাদা কীভাবে?

“হীরক রাজা দেশে়” ছবির গুপী গাইনের সেই গানটা মনে আছে—“নহি যন্ত্র, নহি যন্ত্র… আমি প্রাণী…”। রোগীর চিকিৎসা যন্ত্র করে না। করে রক্ত-মাংসের মানুষ। ক্যান্সারের চিকিৎসা যেকোনো ভালো ক্যান্সার হাসপাতালে প্রোটোকলভিত্তিকই হয়। যেটা আলাদা, সেটা হলো রোগী এবং তার পরিজনের সঙ্গে মানবিক ব্যবহার। আমি খেয়াল করেছি, অধিকাংশ রোগী ও তাঁদের পরিবারের নালিশ—ডাক্তারবাবু তাঁদের কথা ভালো করে শোনেন না, প্রশ্নের উত্তর দেন না। আমার মনে হয়, এই জায়গাটায় পিয়ারলেস হাসপাতাল আলাদা হতে পারে।

আমাদের হাসপাতালের প্রতিটি ক্যান্সার ডাক্তার রোগীর সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমরা শুরুতেই রোগীকে একটা রোডম্যাপ দিয়ে দিই—কোন চিকিৎসা কখন, কেন করা হচ্ছে। এটা জানা রোগীর অধিকার। আমরা সেটা শুরুতেই জানিয়ে দিই। প্রতিদিন চেষ্টা করি রোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে, রোগীর অবস্থা বোঝাতে। চিকিৎসার খরচ যেন হাতের বাইরে না চলে যায়—সেটাও আমি ক্যান্সার চিকিৎসকের দায়িত্ব বলে মনে করি। রোগী যেন তাঁর বাজেট অনুযায়ী চিকিৎসা সম্পূর্ণ করতে পারেন, সেটাও দেখার চেষ্টা করি। একটা অসাধারণ চিকিৎসা পরিকল্পনা করে রোগী যদি দু’টো সাইকেল নেওয়ার পর খরচের জন্য চিকিৎসা বন্ধ করতে বাধ্য হন—এরকম কাজ আমরা করি না। অনেক অসচ্ছল মানুষকে আমরা নিজেরাই সরকারি হাসপাতালে রেফার করে দিই, যাতে তাঁদের চিকিৎসা সম্পূর্ণভাবে হয়—আধাখেঁচড়া ভাবে নয়।

তাই সব ভেবে মনে হলো, পিয়ারলেস হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগকে “সেরা” হিসেবে বেছে নেওয়া—হয়তো এক দিক থেকে ঠিকই আছে।

তবে কী জানেন তো—কোনো সংবাদপত্র আমাদের কী পুরস্কার দিল, তাতে সত্যি বলতে আমার খুব একটা কিছু যায় আসে না। ক্যান্সার আক্রান্ত, নিরাশ রোগীর মুখে আমি যদি একটুখানি হাসি ফোটাতে পারি—সেটাই আমার সর্বোচ্চ পুরস্কার। বাকি সবকিছুই এর কাছে তুচ্ছ।

জামশেদপুর থেকে ছেলেটি যখন প্রথম আমার কাছে এসেছিল, তখন তার মুখ ফুলে ঢোল হয়ে গিয়েছিল। শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। PET স্ক্যান করে ...
18/12/2025

জামশেদপুর থেকে ছেলেটি যখন প্রথম আমার কাছে এসেছিল, তখন তার মুখ ফুলে ঢোল হয়ে গিয়েছিল। শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। PET স্ক্যান করে দেখা গেল বুকের মাঝখানে, ফুটবলের আকারের একটা বড় টিউমার আছে। বায়োপসি করে জানা গেল, ওর একটি বিশেষ ধরনের লিম্ফোমা হয়েছে, যাকে বলে প্রাইমারি মিডিয়াস্টাইনাল বি-সেল লিম্ফোমা (Primary Mediastinal B-Cell Lymphoma বা PMBCL)।

PMBCL একটি আগ্রাসী (aggressive) ধরনের রক্তের ক্যান্সার। এটি সাধারণত অল্পবয়সী মানুষের মধ্যে দেখা যায় এবং খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে। বুকের মাঝখানে বড় টিউমার হওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট, মুখ ফুলে যাওয়া, গলার শিরা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। রোগটা ভয়ংকর মনে হলেও, সুখের কথা হলো—সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা শুরু করলে এই রোগের ফলাফল অনেক ক্ষেত্রে খুবই ভালো হয়।

ছেলেটিকে CHOP নামের কেমোথেরাপি দেওয়া হয়, সঙ্গে ছিল Rituximab নামের একটি টার্গেটেড থেরাপি। মোট ৬টি সাইকেল কেমোথেরাপি সম্পূর্ণ করার পর আবার PET স্ক্যান করা হয়। তখন দেখা গেল, এত বড় রোগটা আর দেখা যাচ্ছে না—যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে।

এই ঘটনাটা আবারও প্রমাণ করে, ক্যান্সার যতই আগ্রাসী হোক না কেন, সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পেলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।

একটি স্মরণীয় সন্ধ্যা – পিয়ারলেস হাসপাতালের উদ্যোগে ফুসফুস ক্যান্সার নিয়ে আলোচনাগতকাল সন্ধ্যায় পিয়ারলেস হাসপাতালের উ...
14/12/2025

একটি স্মরণীয় সন্ধ্যা – পিয়ারলেস হাসপাতালের উদ্যোগে ফুসফুস ক্যান্সার নিয়ে আলোচনা

গতকাল সন্ধ্যায় পিয়ারলেস হাসপাতালের উদ্যোগে তাজ ভিভান্তায় একটি খুবই অর্থবহ ও শিক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে শহরের বহু জেনারেল প্র্যাকটিশনার ডাক্তারদের সঙ্গে আমরা ফুসফুস ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করি।

অনুষ্ঠানের সূচনা করেন ডা. ভি. আর. রামানন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, পিয়ারলেস গ্রুপ অব হসপিটালস। তিনি খুব সুন্দরভাবে বোঝান, ক্যান্সারের সঠিক চিকিৎসার জন্য প্রাইমারি চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মধ্যে সমন্বয় কতটা জরুরি।

এরপর ডা. অয়ন বসু, পিয়ারলেস হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের প্রধান ও একজন বিশিষ্ট রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট, ফুসফুস ক্যান্সারে রেডিয়েশনের ভূমিকা ও আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি জানান, পিয়ারলেস হাসপাতালে অত্যাধুনিক রেডিয়েশন মেশিন রয়েছে, যা রোগীদের নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা দিতে সাহায্য করে।

এরপর বক্তব্য রাখেন ডা. শাওনি পারাই, কনসালট্যান্ট মেডিক্যাল অনকোলজিস্ট। তিনি ফুসফুস ক্যান্সারে ইমিউনোথেরাপির নতুন দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি একটি অনুপ্রেরণামূলক বাস্তব ঘটনা শেয়ার করেন—একজন স্টেজ ৪ স্মল সেল লাং ক্যান্সারের রোগী, যিনি দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে রোগ না বাড়িয়ে ভালোভাবে আছেন। এই উদাহরণটি উপস্থিত সকলের মনে নতুন আশা জাগায়।

সবশেষে একটি প্রাণবন্ত প্যানেল আলোচনা হয়, যেখানে একটি ফুসফুস ক্যান্সারের কেস নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই আলোচনাটি পরিচালনার সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন ডা. আদিত্য সতপথী (ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজিস্ট), ডা. অয়ন বসু, ডা. দেবমাল্য ব্যানার্জি, ডা. প্রীতম রায় (অঙ্কোপ্যাথোলজি) এবং ডা. শাওনি পারাই। আলোচনায় ফুসফুস ক্যান্সার চিকিৎসার নানা জটিল ও ধূসর দিক উঠে আসে, এবং উপস্থিত ডাক্তারদের সঙ্গে প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর হয়।

সামগ্রিকভাবে এই বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ। জেনারেল প্র্যাকটিশনারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং তাঁদের প্রশ্ন প্রমাণ করে, তাঁরা আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসা সম্পর্কে আপডেট থাকতে কতটা আগ্রহী।

এই ধরনের বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ক্যান্সারে দ্রুত সন্দেহ করা, সময়মতো সঠিক জায়গায় রেফার করা এবং দলগত চিকিৎসা রোগীর ভবিষ্যৎ অনেকটাই বদলে দিতে পারে। প্রাইমারি চিকিৎসক ও ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এই সেতুবন্ধন রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রতিদিন এগিয়ে চলেছে। নতুন ওষুধ, নতুন প্রযুক্তি আসছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য নিয়মিত শেখা ও দলগত কাজ খুবই প্রয়োজন। পিয়ারলেস হাসপাতালে আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছি—জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া, নিজেদের দক্ষতা বাড়ানো এবং সর্বোপরি রোগীদের পাশে থাকা।

আগামীতেও এ ধরনের আরও অনেক শিক্ষামূলক ও আন্তরিক বৈঠকের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে, একটাই উদ্দেশ্য—ক্যান্সার চিকিৎসাকে আরও উন্নত করা এবং রোগী ও তাঁদের পরিবারকে নতুন আশা দেওয়া।
....................

A Night to Remember – Lung Cancer Update Meeting at Taj Vivanta, organised by Peerless Hospital

Yesterday evening, 13th December, 2025, we had a truly memorable academic meeting. The Oncology team of Peerless Hospital came together with general practitioners to share the latest updates in lung cancer treatment.

The program was inaugurated by Dr. V. R. Ramanan, Managing Director, Peerless Group of Hospitals, who set the context of the meeting and highlighted the importance of collaboration between specialists and primary care physicians in delivering effective cancer care.

Dr. Ayan Basu, eminent Radiation Oncologist and Head of the Department of Radiotherapy at Peerless Hospital, delivered a detailed and insightful talk on the role and recent advances in radiotherapy in lung cancer. He emphasized that Peerless Hospital is equipped with state-of-the-art radiation technology, aimed at providing maximum benefit while ensuring safety for cancer patients.

This was followed by Dr. Shaoni Parai, Consultant Medical Oncologist at Peerless Hospital, who spoke on the latest advancements in immunotherapy for lung cancer. She shared an inspiring real-life case of a stage IV small cell lung cancer patient who has remained stable without disease progression for over two years. This remarkable outcome instilled great confidence among the audience regarding the evolving possibilities of modern cancer treatment and the quality of care being delivered at Peerless Hospital.

The session concluded with a lively and engaging panel discussion based on a lung cancer case. I had the privilege of moderating an excellent panel of super-specialists from Peerless Hospital, including Dr. Aditya Satpathy (Interventional Pulmonologist), Dr. Ayan Basu (Radiation Oncology), Dr. Devmalya Banerjee and Dr. Pritam Roy from the Oncopathology team, and Dr. Shaoni Parai (Medical Oncology). The discussion addressed several grey areas in lung cancer management and encouraged active interaction from the attending doctors.

Overall, the event was a great success in terms of academic exchange, collaboration, and awareness building. The enthusiastic participation of general practitioners and their thoughtful questions reflected a strong desire to stay updated in the rapidly evolving field of lung cancer treatment.

Such interactions are crucial, as early suspicion, timely referral, and coordinated multidisciplinary care can significantly improve patient outcomes. Programs like this help bridge the gap between primary care and specialty oncology, ensuring that patients receive the right treatment at the right time.

As oncology continues to evolve with newer therapies and technologies, continuous learning and teamwork remain essential. At Peerless Hospital, we remain committed to sharing knowledge, upgrading our expertise, and working together for the benefit of our patients.

We look forward to organizing many more such educational and interactive programs in the coming days, with the shared goal of improving cancer care and bringing hope to patients and their families.

নতুন বছর, নতুন অভ্যাস — ক্যান্সারকে বলুন, “বাপি বাড়ি যা।”আজকের আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত l............................
13/12/2025

নতুন বছর, নতুন অভ্যাস — ক্যান্সারকে বলুন, “বাপি বাড়ি যা।”

আজকের আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত l
........................................................

২০২৬ শুরু হয়েছে। নতুন বছর বললেই আমরা বড় বড় সিদ্ধান্ত নিই—“এবার ডায়েট করব”, “এবার জিমে যাব”, “এবার বদলাব”…
কিন্তু ১০–১৫ দিন পরে সেই সিদ্ধান্তগুলো ফ্রিজে রাখা পুরনো রসগোল্লার মতো হয়ে যায়— থাকে, কিন্তু খাওয়া হয় না।

তাই ভাবলাম, কঠিনভাবে নয়— একটু গল্পের মতো বলি, ক্যান্সার দূরে রাখতে আমরা বাস্তবে কী বদল আনতে পারি।

প্রথম বদল হলো, তামাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা। সিগারেট, গুটখা, পান — নাম যা-ই হোক, শরীর বলে একটাই কথা— “এটা আমাকে ধ্বংস করছে।”তামাক ছাড়া সবকিছুই চলবে, কিন্তু তামাক থাকলে জীবনই আর স্বাভাবিকভাবে চলবে না।

তারপর আসে ওজন। আমাদের সমাজে কেউ মোটা হলে বলে— “হেলদি ফিগার!”
কিন্তু শরীর ভিতরে ভিতরে কাঁদে— “ডায়াবেটিস, হরমোন সমস্যা আর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে।” জিমে না গেলেও চলবে— কিন্তু প্রতিদিন আধ ঘণ্টা হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার করা — এগুলো খুব বড় পরিবর্তন।

খাবারে যত রঙ, স্বাস্থ্য তত ভালো।
রং বলতে কেকের রঙ নয়— সবজি, ফল, ডাল, কম তেলে রান্না — এগুলো নিয়মিত হোক।

ও হ্যাঁ— রাস্তার মোড়ের তেলচপচপ সিঙ্গারা বা ফ্রাইড চিকেন? মাসে একবার — শপথ।

এবার আসে আরেক বড় বিষয়— অ্যালকোহল। অনেকে ভাবে— “মাঝে মাঝে একটু খেলে ক্ষতি কী?” কিন্তু বিজ্ঞান বলছে— অল্প হলেও অ্যালকোহল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। লিভার, স্তন, মুখগহ্বর, খাদ্যনালী— ঝুঁকি সব জায়গায়। তাই সিদ্ধান্ত আপনার— আনন্দ নাকি আস্তে আস্তে ক্ষতি?

আরেকটা বড় ভুল— অনেকে মনে করে টেস্ট করলে রোগ ধরা পড়বে, তাই না করাই ভালো। এটা ঠিক তেমনই— চোখ বুজলে সাপ নেই ধরে নেওয়ার মতো।
স্ক্রিনিং মানে রোগ আগে ধরা পড়বে, আর ক্যান্সার আগে ধরা পড়লে বাঁচার সম্ভাবনা অনেক অনেক বেশি।

শেষে জরুরি কথা— ভ্যাকসিন।
দুটি ভ্যাকসিন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে প্রমাণসহ সাহায্য করে—এইচপিভি ভ্যাকসিন (জরায়ুমুখ ও মুখ-গলা ক্যান্সার কমায়) আর হেপাটাইটিস–বি ভ্যাকসিন (লিভার ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে)।

শেষ কথা খুব সহজ—
ক্যান্সার একদিনে হয় না, তাই প্রতিরোধও একদিনে হবে না।
তাই ২০২৬-এ প্রতিজ্ঞা হোক— “আজ থেকে একটু ভালো, কাল আরও ভালো।”

ক্যান্সারকে ভয় নয় — আগেভাগেই প্রস্তুতিl কারণ জিততে হলে লড়াইটা শুরু করতে হবে আজ থেকেই।

এই পুঁচকে বাচ্চাটা হাসতে হাসতে ভ্যাকসিন নিচ্ছে আর আপনারা ভয় পাচ্ছেন!শিগগির নিয়ে ফেলুন…HPV আর হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন…জর...
09/12/2025

এই পুঁচকে বাচ্চাটা হাসতে হাসতে ভ্যাকসিন নিচ্ছে আর আপনারা ভয় পাচ্ছেন!

শিগগির নিয়ে ফেলুন…

HPV আর হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন…

জরায়ুমুখ ক্যান্সার আর লিভার ক্যান্সার পালাবে।

আমি একটা কথা বলতে চাই—অনেক সময় আপনাদের মেসেজ বা কমেন্টের উত্তর দিতে একটু দেরি হয়ে যায়। তার জন্য আমি সত্যি আন্তরিকভাবে...
06/12/2025

আমি একটা কথা বলতে চাই—অনেক সময় আপনাদের মেসেজ বা কমেন্টের উত্তর দিতে একটু দেরি হয়ে যায়। তার জন্য আমি সত্যি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।আপনার অনুভূতিটা আমি পুরোটা বুঝতে পারি — উত্তর দেরি হলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ লাগতে পারে, মনে হতে পারে “স্যার হয়তো দেখলেন না” বা “উত্তর দেবেন না।”
এটা একদম ঠিক অনুভূতি, এবং আমি সেটা সম্মান করি।

তবে দেরির একটা কারণ আছে। আমি চাই না যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরে তাড়াহুড়ো করে দু'লেখা লিখে দিই। আপনারা যখন প্রশ্ন করেন—সেটাতে থাকে দুশ্চিন্তা, কৌতূহল, ভয়, আশা… আর আমি বিশ্বাস করি, সেই প্রশ্নের উত্তরও হওয়া উচিত যত্ন নিয়ে, ভেবে, পরিষ্কারভাবে—যাতে সেটা সত্যিই আপনাদের কাজে লাগে।

সে কারণেই অনেক সময় একটু সময় নিয়ে লিখি—ডিটেইল দিয়ে, সহজ ভাষায়, যাতে আপনাদের পড়ে বোঝা যায় এবং ভুল তথ্য না যায়।
আমি চাই আমার প্রতিটা উত্তর আপনাদের সম্মানের যোগ্য হোক—“চলতি কথা” না।

আরেকটা কথা — আমি চেষ্টা করি প্রতিটা মেসেজ, প্রতিটা কমেন্ট পড়তে ও উত্তর দিতে। কিন্তু মাঝে মাঝে অসাবধানে কিছু চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। সেই জন্য অনুরোধ —
যদি দেখেন অনেকক্ষণ হয়ে গেছে, আর আমি উত্তর দিইনি, আরও একবার লিখে দিন। এটা বিরক্তিকর বা অসম্মানজনক নয়—বরং সাহায্য করে।

শেষে একটা ছোট কথা—
আপনারা প্রশ্ন করেন বলেই আমি লিখি।
আপনারা পড়েন বলেই আমি শিখছি।
আপনাদের ভরসা আমার কাছে দায়িত্ব—এবং সেটা আমি খুব গুরুত্ব দিয়ে রাখি।

ভালো থাকুন।
আমি আছি—সময় নিয়ে, কিন্তু মন দিয়ে।

I’m happy to share that I will be visiting Jamshedpur on 6th December 2025 (Saturday) for my Medical Oncology clinic. Ma...
04/12/2025

I’m happy to share that I will be visiting Jamshedpur on 6th December 2025 (Saturday) for my Medical Oncology clinic. Many patients from Jamshedpur and nearby areas have been requesting a dedicated consultation slot, and I truly look forward to meeting you in person.

If you or your loved ones are experiencing symptoms like unexplained weight loss, persistent swelling, breathing difficulty, unusual bleeding or bruising, skin/nevus changes, or if you are undergoing evaluation or treatment for cancer, I will be available for a thorough assessment and guidance. Patients already on chemotherapy or immunotherapy can also consult for treatment planning and follow-up.

📍 M/s Safal Path Lab, Sakchi
4:30 PM – 5:30 PM

📍 Steel City Clinic, Bistupur
5:30 PM – 7:30 PM

Patients can also access benefits under the Mukhyamantri Garib Gambheer Bimari Upchar Yojana for eligible cancer treatments.

For appointments or queries, please feel free to call 91635 83503.
I look forward to serving the people of Jamshedpur with compassionate, evidence-based cancer care.

Address

242, AJC Bose Road
Kolkata

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm

Telephone

+919674446399

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Rajib Bhattacharjee, Cancer Specialist, MD, ECMO posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Rajib Bhattacharjee, Cancer Specialist, MD, ECMO:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category