Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness

Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness This page to connect people who seek medical guidance on cancer

গত কয়েক বছরে অনকোলজি জগতে একটা পরিবর্তন খুব স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে—👉 কম বয়সীদের মধ্যে ক্যান্সার বেড়ে চলেছে।এক সময় col...
17/05/2026

গত কয়েক বছরে অনকোলজি জগতে একটা পরিবর্তন খুব স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে—

👉 কম বয়সীদের মধ্যে ক্যান্সার বেড়ে চলেছে।

এক সময় colorectal, pancreatic, stomach বা breast cancer-কে মূলত বেশি বয়সের রোগ বলেই ধরা হত।
কিন্তু এখন প্রায়ই ৩০–৪০ বছরের রোগীদের মধ্যেও এই ক্যান্সারগুলো ধরা পড়ছে… কখনও কখনও আরও কম বয়সেও।

সম্প্রতি U.S. National Cancer Institute (NCI)-ও তাদের একটি প্রতিবেদনে “Early-Onset Cancer” বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সবচেয়ে চিন্তার বিষয় শুধু সংখ্যাটা নয়।
চিন্তার বিষয় হল—অনেক তরুণ-তরুণী এখনও ভাবেন—

“এই বয়সে ক্যান্সার হওয়ার কথা নয়।”

আর সেই ভুল ধারণার জন্যই diagnosis অনেক দেরিতে হয়।

গবেষকরা এখন বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ নিয়ে কাজ করছেন—
processed food, obesity, stress, sedentary lifestyle, poor sleep, pollution, gut microbiome-এর পরিবর্তনসহ আরও অনেক lifestyle-related factor নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

Science এখনও সব উত্তর খুঁজে পায়নি।
কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার—

👉 আজকের lifestyle আমাদের আগামী দিনের cancer risk অনেকটাই নির্ধারণ করছে।

Cancer awareness নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করতে গিয়ে আমি একটা বিষয় খুব অনুভব করি—

এখন সময় এসেছে “আমি এখনও ছোট, বেশি বয়স হয় নি, আমার কিছু হবে না” এই ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসার।

অনুগ্রহ করে এই লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না—
• দীর্ঘদিন পেটের সমস্যা বা bowel habit change
• অকারণে ওজন কমে যাওয়া
• দীর্ঘদিন acidity বা stomach discomfort
• অস্বাভাবিক bleeding
• দীর্ঘদিন ক্লান্তি বা দুর্বলতা

সব symptom মানেই cancer নয়।
কিন্তু সবকিছু ignore করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

ভালো খবর হল—
অনেক ক্যান্সারই early stage-এ ধরা পড়লে সফলভাবে চিকিৎসা সম্ভব।

আজ awareness আর optional বিষয় নয়…
এটা ধীরে ধীরে survival tool হয়ে উঠছে।

📚 তথ্যসূত্র:
U.S. National Cancer Institute (NCI) – “Why Is Early-Onset Cancer On the Rise?”

ধন্যবাদ।

ক্যান্সার ফাইটার রানা

সাপোর্ট লাইন : +91 090511 32231

আজকের গল্প বাঙালির বোধহীন CMC প্রীতি  নিয়ে। CMC যাওয়া সব ক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ নয় কেনো ! আমি আমার দিক থেকে সংক্ষেপ...
06/05/2026

আজকের গল্প বাঙালির বোধহীন CMC প্রীতি নিয়ে।

CMC যাওয়া সব ক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ নয় কেনো !

আমি আমার দিক থেকে সংক্ষেপে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি। কারোর পড়ে ভালো লাগতে পারে বা নাও লাগতে পারে, সেটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার, কিন্তু সত্যি এটাই।

CMC একটা সময়ে ভালো ছিলো, তখন অন্য কোথাও আর কম খরচে সেই রকম ভালো চিকিৎসা ছিল না। এটা আজ থেকে 40 বছর আগেকার ফ্যাক্ট। কিন্তু বিগত 25 বছরে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন হাসপাতাল অনেক বেশি দক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সেবা মানে সার্টিফায়েড হয়ে চলে এসেছে।

তাও CMC মানুষকে আকর্ষণ করতো কারণ চিকিৎসা খরচ কম ছিলো কারণ খৃস্টান ট্রাস্টের ভর্তুকি তে চলতো। কিন্তু একটাই অসুবিধা যে সাধারণ চিকিৎসা করতে গিয়েও রুগী কে মাসের পর মাস থাকতে হতো।

কিন্তু বিগত 5 বছরে CMC এর ম্যানেজমেন্ট লেভেলে ও দর্শনে পরিবর্তন এসেছে। এখন আর সেই ভর্তুকি নেই। তাই ইনকাম বাড়ানোর জন্য ও এতো হিউজ সংখ্যক রুগীকে জায়গা দেবার জন্য তাদের নতুন নতুন বিল্ডিং বাড়িয়ে বেড সংখ্যা বাড়াতে হয়েছে। এর ফলে দৈনিক হাসপাতাল অপারেশন খরচ বেড়েছে ফলে সেই অপারেশন খরচের মোকাবিলা করতে গিয়ে তাদেরকেও খরচ বাড়াতে হয়েছে এবং এই মুহূর্তে তাদের ওখানে চিকিৎসার খরচ কোনো 250/ 300 বেডের হাসপাতালের থেকে কম নয়। কিন্তু সেটা মহাজ্ঞানী বাঙালিরা এখনো ধর্তব্যের মধ্যে ধরে নি। তাই পশ্চিম বঙ্গ, অসম ও বাংলাদেশের বাঙালিরা এখনো লাইন লাগিয়ে যায় , যখন বোঝে খরচ বেশি হচ্ছে, তখন কেউ কেউ বেরিয়ে অন্যান্য হাসপাতালে চলে যায়, আর অধিকাংশই যেতে পারে না কারণ তাদের কাছে ইতিমধ্যেই করে ফেলা রিপোর্টের কপি থাকে না কারণ হাসপাতাল থেকে দেওয়া হয় না।

অগত্যা যে চিকিৎসা উচ্চমানের বা সমমানের হাসপাতালে 10 দিন শেষ করে কেউ ফিরে যেতে পারে সেই চিকিৎসাই মোটামুটি একই খরচে করার জন্য তাদের দুই থেকে তিন মাস থেকে যেতে হয়, সাথে যোগ হয় বাসা ভাড়া, যাতায়াত, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদির খরচ।

এর পূর্ণ সুবিধা পায় আশেপাশের প্রাইভেট হাসপাতালগুলো, যেখানে চিকিৎসা অতিরিক্ত কমার্শিয়াল কিন্তু কিছু ডক্টর তাদের পূর্ব সময়কালে CMC তে কাজ করে আসার ফলে রুগী স্বভাবতই সেই দিকে আকর্ষিত হয়।

CMC এখন একটি বাজার ছাড়া আর কিছুই নয়। আর সেই বাজারের মালিক সমান ভাবে বাংলাদেশি ও ইন্ডিয়ান মধ্যভোগী কিছু মানুষ। ওখানে কেউ গিয়ে কমপক্ষে মাস তিন চার এর আগে ফিরতে পারবে না যদি চিকিৎসা শেষ করে আসতে হয়, আর এই সময়টা হোটেল ও লজের ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়ে। শুধু লজ নয়, খাবার হোটেল, টিকেটিং এজেন্ট, ওষুধের দোকান, ছোটখাট ডায়াগনস্টিক ল্যাব প্রত্যেকে কমিশন দেয় আর সেই কমিশন মাসোহারার মতো চলে যায় লোকাল ইন্ডিয়ান ব্যবসায়ীর ( রুগী বন্ধু রুপী দালাল ) কাছে, তারা সেটা যে যার হিসেব মতো ভাগ করে নেন বাংলাদেশে বসে CMC বুঝিয়ে পাঠানো ব্যবসা পার্টনার দের সাথে যারা কেউ রুগীর চাচা, বন্ধু, প্রতিবেশী হিসেবে তাদের প্রভাবিত করেছেন সেখানে যাবার জন্য।

এ এক বিশাল চক্র। স্বাভাবিক ভাবেই আমার এই পোস্ট অধিকাংশ মানুষের ই পছন্দ হবে না এবং বেশ কয়েকটি বাজে কমেন্ট ও পড়বে, কিন্তু আমি চাই মানুষ সত্যি টা জানুন, আমার বক্তব্যের যুক্তি গুলো একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখুন।

যে রোগ গুলির জন্য ওখানে কখনোই যাবেন না , সেগুলি হলো -
১. ক্যান্সার
২. বোন ম্যারো ও অন্য যেকোনো ট্রান্সপ্ল্যান্ট
৩. স্পাইন অপারেশন
৪. জরুরী চিকিৎসা প্রয়োজন এমন রোগ নিয়ে

তাই CMC যাবার আগে চোদ্দোবার ভাবুন যে আপনার টাকা ও সময়, উভয়েই সস্তা কি না ! "

ধন্যবাদ।

ক্যান্সার ফাইটার রানা রানা ক্যান্সার ফাইটার
Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness

Support : +91 9051132231

" সবার জ্ঞাতার্থে নিচের এই লেখাটি সম্পূর্ণ নতুন একটা পোস্ট হিসাবে তুলে দিলাম , যাতে বাঙালি একটু পড়ে বোঝার চেষ্টা করতে প...
06/05/2026

" সবার জ্ঞাতার্থে নিচের এই লেখাটি সম্পূর্ণ নতুন একটা পোস্ট হিসাবে তুলে দিলাম , যাতে বাঙালি একটু পড়ে বোঝার চেষ্টা করতে পারে। একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে টাটা যাওয়া সব ক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ নয় কেনো ! আমি আমার দিক থেকে সংক্ষেপে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি। কারোর পড়ে ভালো লাগতে পারে বা নাও লাগতে পারে, সেটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার, কিন্তু সত্যি এটাই।

" Tata Hospital ক্যান্সারের জন্য যথেষ্ট ভাল একটি হাসপাতাল এবং ভারতবর্ষের প্রথম ক্যান্সার বিশেষ হাসপাতাল এই হাসপাতালটি হোমি অ্যাটোমিক রিসার্চ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে এবং টাটা ট্রাস্টের আন্ডারে চালিত হয়।।
টাটা হাসপাতাল আমাদের দেশে এসেছে প্রায় অর্ধ শতকেরও বেশি সময় আগে সেই সময় ক্যান্সার হাসপাতাল কোন না থাকার কারণে প্রথম থেকেই টাটা সবার কাছেই পরিচিত। কিন্তু এখন 2026 শে দাঁড়িয়ে বহু ক্যান্সার হাসপাতাল অবশ্যই প্রাইভেট সমান ভালোভাবে চিকিৎসা করছে এবং অনেক কম ও এভারেজ খরচে ক্যান্সার চিকিৎসা করা যাচ্ছে। অবশ্যই দামি হাসপাতালেও আছে যেখানে একই চিকিৎসা বহুগুণ বেশি দামে মানুষ ক্রয় করছে।। সাধারণ মানুষ বিশেষ করে বাংলাদেশের তারা টাটা বা সিএমসির বাইরে কিছু জানেন না। সিএমসির ব্যাপারে না হয় অন্যদিন বলবো আজকে টাটার ব্যাপারে বলছি।। টাটা তে খুব কম খরচে চিকিৎসা হয় এই কথাটা একদিক দিয়ে সত্যিই আবার একদিক দিয়ে সত্যি নয়। কারণ কম খরচে চিকিৎসা হয় কেবলমাত্র ইন্ডিয়ানদের। বিদেশীদের নয়। বিদেশীদের সেখানে প্রাইভেট ওয়ার্ডে দেখাতে হয় এবং প্রথমেই লাখ দুয়েক টাকা জমা রেখে তবেই চিকিৎসা শুরু করতে হয় এবং মাঝপথে সব রিপোর্টও পাওয়া যায় না। তার ফলে আপনি ইচ্ছা থাকলেও বাইরে গিয়ে একটা সেকেন্ড ওপিনিয়ন নিতে পারবেন না। এরপরেও টাটাতে যাওয়ার পর তারা বাইরে রিপোর্ট একসেপ্ট করেন না ইন্টারনাল সমস্ত রিপোর্ট করতে করতে প্রায় ২৫-২৬ দিন লেগে যায় তারপরে সমস্ত রিপোর্ট এলে তারপর পরবর্তী স্পেশালিস্ট ডক্টর দেখেন এবং যদি সার্জারি লাগে তাহলে কম করে হলেও দেশ থেকে দু মাসের আগে ডেট পাওয়া যায় না আর কেমো বা রেডিয়েশন লাগলে সেই একই রকম দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে কয়েক মাস পরে তার ডেট পাওয়া যায়। সেই জন্যই অর্থনৈতিক সামর্থ্য থাকলে টাকা ভেতর থেকেই অন্যান্য প্রাইভেট হাসপাতালে রেফার করে দেন দ্রুত চিকিৎসা করানোর জন্য। কারণ ক্যান্সার কারো জন্য বসে থাকে না আপনি দেড় মাস বসে থাকতে পারেন রিপোর্টের জন্য কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে ক্যান্সার কিন্তু শরীরের মধ্যে ছড়াতে আরম্ভ করে। আর ক্যান্সার যত ছড়াবে তার চিকিৎসার খরচে তত বাড়বে এবং তার সাথে তার আউট কাম ও ততটাই কম ভালো হবে অর্থাৎ তার জীবনকাল ততটাই কমে আসবে এর পরেও আপনারা যারা টাটা - টাটা করেন বা যারা সি এম সি - সি এম সি করেন , আপনাদের রিকোয়েস্ট করব আপনারা বুদ্ধির গোড়ায় একটু সার দিন।
আপনার প্রিয়জনের ক্যান্সার তাকে মারবেন না কাটবেন না অর্ধমৃত করবেন সেটা অবশ্যই আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার কিন্তু মানুষ হিসাবে এবং একজন ক্যান্সার চিকিৎসা এবং ক্যান্সার এওয়ারনেস প্রচারক হিসেবে মানুষের অকাল মৃত্যু দেখতে দেখতে আমি সত্যিই বিধ্বস্ত হয়ে গেছি।

বিশ্বাস করুন আপনাকে এতোটুকু বাড়িয়ে বলছি না যে টাকায় টাটাতে ট্রিটমেন্ট করেন বিদেশীরা সেই টাকাতেই ভারতবর্ষের বেশ কিছু ভালো হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে আপনারা মাস দেড়েকের মধ্যে দেশে ফিরে যেতে পারেন যেখানে টাটা থেকে ফিরতে কম করে হলেও পাঁচ থেকে ছয় মাস লাগে। এবার আপনাদের ভাবার পালা ভাবুন।"।

রানা ক্যান্সার ফাইটার ক্যান্সার ফাইটার রানা
Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness

Support on + 91 9051132231

🔬 ক্যান্সার ধরা পড়ার ধরণ বদলাচ্ছে… আর এখানেই বড় আশা লুকিয়ে আছেআমরা বেশিরভাগ সময় কী করি?যখন শরীরে সমস্যা শুরু হয়, তখ...
06/04/2026

🔬 ক্যান্সার ধরা পড়ার ধরণ বদলাচ্ছে… আর এখানেই বড় আশা লুকিয়ে আছে

আমরা বেশিরভাগ সময় কী করি?
যখন শরীরে সমস্যা শুরু হয়, তখন পরীক্ষা করি… তারপর ধরা পড়ে ক্যান্সার।
মানে, খেলা শুরু হওয়ার পর আমরা মাঠে নামি।

কিন্তু এখন বিজ্ঞান একটু অন্যভাবে ভাবছে—
ক্যান্সার শুরু হওয়ার আগেই, বা একদম শুরুর স্তরে ধরতে পারলে কেমন হয়?

সম্প্রতি Pharmabiz–এ প্রকাশিত একটি আপডেটে দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে colorectal cancer (পেটের ক্যান্সারের একটি ধরন)–এর ক্ষেত্রে এখন নতুন ধরনের টেস্ট আসছে, যেগুলো সরাসরি DNA লেভেলে পরিবর্তন ধরতে পারে।

আমার সহজ ভাষায় বলি—
👉 আগে আমরা লক্ষণ দেখে আন্দাজ করতাম
👉 এখন আমরা সমস্যার “মূল কোড”-টাই ধরার চেষ্টা করছি

আর এখানেই আসল পরিবর্তন।

ভারতের জন্য বিষয়টা আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ—

• colorectal cancer ধীরে ধীরে বাড়ছে
• অনেক ক্ষেত্রেই দেরিতে ধরা পড়ছে
• এখন কম বয়সীদের মধ্যেও (৪০-এর নিচে) বাড়ছে

সংখ্যাটা শুনলে একটু থমকে যাবেন—
👉 বছরে প্রায় ৬৪,০০০ নতুন কেস
👉 প্রায় ৩৮,০০০ মৃত্যু

কিন্তু ভালো খবরও আছে…

যদি শুরুতেই ধরা যায়, তাহলে ৯০% পর্যন্ত রোগী ভালো থাকার সম্ভাবনা থাকে।

ভাবুন তো—একই রোগ, কিন্তু সময়টাই সব পার্থক্য তৈরি করছে।

এখন নতুন যেসব পদ্ধতি আসছে—

✔️ রক্তের মাধ্যমে DNA টেস্ট
✔️ স্টুল DNA টেস্ট (আগের থেকে বেশি সেনসিটিভ)
✔️ জেনেটিক রিস্ক প্রোফাইলিং

শুনতে একটু হাই-টেক লাগছে, কিন্তু আসলে উদ্দেশ্য একটাই—
আগে ধরা, সহজে ধরা, আর জীবন বাঁচানো।

Cancer Fighter হিসেবে আমি একটা কথাই বারবার বলি—
চিকিৎসা যতই উন্নত হোক,
যদি আমরা সময়মতো পরীক্ষা না করি, তাহলে সেই উন্নতির লাভটাই মিস হয়ে যায়।

তাই লক্ষণ না থাকলেও, সচেতন হোন।
কারণ ক্যান্সার অনেক সময় চুপচাপ আসে… কিন্তু আমরা যদি আগে থেকেই প্রস্তুত থাকি, লড়াইটা অনেক সহজ হয়ে যায়।

সচেতন থাকুন, আগে ধরুন, ভালো থাকুন।

— Rana Bhattacharyya (Cancer Fighter)

📝 Source: Pharmabiz

কিছু খবর থাকে, যেগুলো পড়ে মনে হয়—হ্যাঁ, লড়াইটা এখনও চলছে, আর বিজ্ঞান চুপচাপ নিজের কাজ করে যাচ্ছে। প্যানক্রিয়াটিক ক্য...
25/02/2026

কিছু খবর থাকে, যেগুলো পড়ে মনে হয়—হ্যাঁ, লড়াইটা এখনও চলছে, আর বিজ্ঞান চুপচাপ নিজের কাজ করে যাচ্ছে। প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার নিয়ে এমনই একটা খবর সম্প্রতি সামনে এসেছে, যা আমার মতো মানুষকে একটু হলেও আশাবাদী করেছে।

আপনারা জানেন, এই ক্যান্সারটাকে আমরা অনেক সময় “king of cancers” বলি—কারণ ধরা পড়ে দেরিতে, অপারেশন অনেক সময় সম্ভব হয় না, আর চিকিৎসার অপশনও খুব সীমিত। তাই প্রায় ৩০ বছর ধরে বড় কোনও নতুন পথ না আসার পর যখন শুনলাম U.S. FDA নতুন একটি চিকিৎসা অনুমোদন দিয়েছে—নাম Optune Pax—তখন বললাম, “আচ্ছা, ব্যাপারটা একটু দেখে নেওয়া যাক তো!”

মজার ব্যাপার কী জানেন? এটা কিন্তু কেমো নয়, ইনজেকশন নয়, এমনকি কোনও নতুন ওষুধও নয়। এটা একটা wearable ডিভাইস—মানে শরীরে প্যাচ লাগিয়ে ব্যবহার করতে হয়। Novocure নামের কোম্পানি এটি তৈরি করেছে। পেটের ওপর বিশেষ প্যাচ লাগানো হয়, আর সেখান থেকে হালকা ইলেকট্রিক সিগন্যাল যায় ক্যান্সারের দিকে।

আমার ভাষায় বললে—এটা ক্যান্সার সেলের মাথাটা একটু গুলিয়ে দেয়। 😌
সেলগুলো ঠিকমতো ভাগ হতে পারে না, ফলে তাদের বাড়বাড়ন্তে ব্রেক পড়ে। ভালো দিক হলো, সুস্থ কোষগুলো বেশিরভাগই এই ঝামেলা থেকে বেঁচে যায়। আর রোগীকে সারাক্ষণ হাসপাতালের বেডে পড়ে থাকতে হয় না—একটা ছোট ব্যাগে মেশিন নিয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক জীবন চালানো যায়।

এবার আসি ফলাফলে। বড় PANOVA-3 ট্রায়ালের ভিত্তিতে এই অনুমোদন এসেছে। সেখানে দেখা গেছে—যারা এই ডিভাইস কেমোর সঙ্গে ব্যবহার করেছেন, তারা গড়ে একটু বেশি দিন বেঁচেছেন, প্রায় ২ মাস মিডিয়ান সারভাইভাল বেড়েছে, আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—ব্যথা বাড়তে প্রায় ৬ মাস বেশি সময় লেগেছে। সারা শরীরে নতুন করে বড় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও তেমন বাড়েনি। সবচেয়ে বেশি যা দেখা গেছে, তা হলো প্যাচের নিচে হালকা স্কিন ইরিটেশন—যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সামলানো যায়।

এখন Cancer Fighter হিসেবে আমার সোজা কথা—এটা কোনও ম্যাজিক স্টিক নয় যে কাল লাগালাম আর ক্যান্সার উধাও। বাস্তবটা বাস্তবই। কিন্তু প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারের মতো কঠিন জায়গায় যেখানে বছরের পর বছর তেমন নতুন কিছু আসেনি, সেখানে এই ধরনের একেবারে ভিন্ন পদ্ধতির চিকিৎসা আসা অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখার মতো বিষয়।

বিশেষজ্ঞরাও একে গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন বলছেন। আমারও তাই মনে হয়—এটা হয়তো শেষ কথা নয়, কিন্তু নতুন দরজা খুলে দেওয়ার মতো একটা পদক্ষেপ।

তাই যদি আপনার বা আপনার প্রিয় কারও locally advanced pancreatic cancer ধরা পড়ে, ভয় পাওয়ার আগে অনকোলজিস্টের সঙ্গে বসে সব অপশন নিয়ে কথা বলুন। সবার জন্য এই চিকিৎসা নয়—ঠিক রোগী বাছাই খুবই জরুরি—কিন্তু জানা থাকাটা সবসময়ই শক্তি দেয়।

শেষে একটা কথাই বলি—ক্যান্সারের লড়াইটা ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়। আর এই দৌড়ে যখনই নতুন জুতো আসে, আমরা অন্তত তাকিয়ে দেখি… কারণ আশার গল্পগুলো অনেক সময় এভাবেই শুরু হয়।

সচেতন থাকুন, শক্ত থাকুন।
— Rana Bhattacharyya (Cancer Fighter)

Source: U.S. FDA, Pancreatic Cancer Action Network (PanCAN), Novocure

যারা আমাকে চেনেন, তারা জানেন—ক্যান্সার চিকিৎসার অগ্রগতি, বিশেষ করে ভারতের প্রেক্ষাপটে, আমি খুব কাছ থেকে অনুসরণ করি। সাম্...
21/02/2026

যারা আমাকে চেনেন, তারা জানেন—ক্যান্সার চিকিৎসার অগ্রগতি, বিশেষ করে ভারতের প্রেক্ষাপটে, আমি খুব কাছ থেকে অনুসরণ করি। সাম্প্রতিক সময়ে একটি বিষয় আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে—*CRS-HIPEC* নামের এই পদ্ধতি নিঃশব্দে অনেক অ্যাডভান্সড অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সার রোগীর জীবনে নতুন আলো এনে দিচ্ছে।

ভাবুন তো… একজন মানুষকে বলা হয়েছে, “এখন আর তেমন কিছু করার নেই।” আর ঠিক সেই সময়েই সামনে খুলে যাচ্ছে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা। এই বাস্তব আশাটাই তৈরি করছে *Cytoreductive Surgery (CRS)* এবং *Hyperthermic Intraperitoneal Chemotherapy (HIPEC)*–এর যুগলবন্দি—আমাদের দেশেই ।

প্রক্রিয়াটা কিন্তু খুবই সুপরিকল্পিত। অভিজ্ঞ সার্জিক্যাল টিম—প্রথমে পেটের ভেতরে যত দৃশ্যমান টিউমার আছে, সেগুলো যত্নসহকারে অপসারণ করেন। প্রয়োজনে অন্ত্রের অংশ, প্লীহা, গলব্লাডার, এমনকি ওভারি—যা দরকার, তাই করা হয়, যাতে পেরিটোনিয়ামের উপর ছড়িয়ে থাকা ক্যান্সারকে যতটা সম্ভব পরিষ্কার করা যায়।

তারপরই আসে HIPEC—অর্থাৎ প্রায় ৪২°C তাপমাত্রার গরম কেমোথেরাপি সরাসরি পেটের ভেতরে ৬০–৯০ মিনিট ধরে প্রবাহিত করা হয়। এই উষ্ণতা ক্যান্সার কোষকে আরও সংবেদনশীল করে তোলে, ফলে ওষুধ গভীরে পৌঁছে মাইক্রোস্কোপিক কোষগুলোকে ধ্বংস করতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা—সাধারণ IV কেমোর মতো সারা শরীরে অতটা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পড়ে না।

ডক্টর রা একে “significant breakthrough” বলছেন—এবং তথ্যও সেটাই বলছে। সঠিকভাবে বাছাই করা রোগীদের ক্ষেত্রে ৫-বছরের সারভাইভাল প্রায় ৫০% পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। **Pseudomyxoma peritonei**, অ্যাডভান্সড ওভারিয়ান ক্যান্সার, কিছু কোলোরেক্টাল বা গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের ক্ষেত্রে—এটা সত্যিই বড় পরিবর্তন।

তবে আমাকে সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে যায় এর মানবিক দিকটা। এটা শুধু সংখ্যার খেলা নয়—এটা মানুষকে আবার সময় ফিরিয়ে দেওয়ার গল্প। পরিবারের সঙ্গে আরও কিছু মুহূর্ত, স্বাভাবিক জীবনে ফেরার স্বাদ, ভয়ের জায়গায় আবার আশার আলো। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন অনেক রোগীর গল্প পড়েছি—যারা একসময় ভেঙে পড়েছিলেন, আর চিকিৎসার পর নতুন করে জীবনকে ধরেছেন।

অবশ্যই, এটা সবার জন্য নয়। রোগীর শারীরিক অবস্থা, রোগের বিস্তার, টিউমারের ধরন—সবকিছু বিচার করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সার্জারিটাও জটিল, রিকভারি সময়সাপেক্ষ, ঝুঁকিও আছে। কিন্তু ভারতের আরও বেশি সেন্টার যখন দক্ষতা বাড়াচ্ছে এবং ইমিউনোথেরাপির মতো নতুন চিকিৎসার সঙ্গে একে যুক্ত করছে—তখন বিষয়টা আর “শেষ চেষ্টা” বলে মনে হয় না; বরং এক নতুন টার্নিং পয়েন্ট বলেই মনে হয়।

আপনি বা আপনার প্রিয় কেউ যদি এমন কোনও অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সারের মুখোমুখি হন, যেখানে পরিস্থিতি আশাহীন মনে হচ্ছে—তাহলে অনকোলজিস্টের সঙ্গে অবশ্যই আলোচনা করুন, CRS-HIPEC কি একটি সম্ভাব্য অপশন হতে পারে।

লড়াই কঠিন—কিন্তু বিজ্ঞান আর মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি প্রতিদিন সীমা ভাঙছে।

*মনে রাখুন, আশা বদলাচ্ছে… আর আমরা তার সাথেই এগোচ্ছি।*

©️ক্যান্সার ফাইটার রানা



🤔 একটা কথা বলি…বেশিরভাগ মহিলা সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার স্ক্রিনিং এড়িয়ে যান—কারণ তাঁরা উদাসীন নন,কারণটা হলো… পুরো ব্যাপার...
19/02/2026

🤔 একটা কথা বলি…

বেশিরভাগ মহিলা সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার স্ক্রিনিং এড়িয়ে যান—
কারণ তাঁরা উদাসীন নন,
কারণটা হলো… পুরো ব্যাপারটাই তাঁদের জন্য খুব একটা কমফোর্টেবল করে তোলা হয়নি।

সত্যিটা একটু অস্বস্তিকর, কিন্তু মানতেই হবে।

আমরা বছরের পর বছর বলে যাচ্ছি — “স্ক্রিনিং করান, স্ক্রিনিং করান”…
কিন্তু বাস্তবে কী হচ্ছে?

লজ্জা আছে…
ভয় আছে…
ক্লিনিকে যাওয়ার ঝামেলা আছে…
আর আছে সেই চিরচেনা ডায়লগ — “আরে পরে করব…”

এভাবেই সময় কেটে যায়।
আর ক্যান্সার? সে কিন্তু বসে থাকে না।

তবে হ্যাঁ, হাওয়া একটু বদলাতে শুরু করেছে।

এখন HPV সেলফ-স্যাম্পলিং ধীরে ধীরে সামনে আসছে — যেখানে মহিলা নিজেই নিজের নমুনা সংগ্রহ করতে পারেন, অনেক বেশি প্রাইভেসি আর কম অস্বস্তির মধ্যে।

এর মাঝেই আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ খবর এসেছে।

🔬 Hubei University-র গবেষণায় ৩,০০০-এর বেশি মহিলাকে নিয়ে দেখা গেছে — বিশেষভাবে ডিজাইন করা প্যাডে সংগ্রহ করা মাসিকের রক্ত থেকেও হাই-রিস্ক HPV ধরা সম্ভব, প্রায় ক্লিনিকের স্যাম্পলের মতোই নির্ভুলভাবে।

মানে ভাবুন তো…

যদি ভবিষ্যতে স্ক্রিনিং এমন সহজ হয়ে যায় যে —
👉 বাড়িতেই করা যায়
👉 আলাদা করে অস্বস্তিতে পড়তে না হয়
👉 আর “কাল করব” বলে ফেলে রাখার অজুহাত কমে যায়…

খারাপ কি?

তবে একটা কথা কিন্তু পরিষ্কার করে বলি — একটু হাসি-ঠাট্টা করলাম বলে বিষয়টা হালকা নয়।

🔴 শুধু নতুন কিট এলেই হবে না
🔴 শুধু নতুন প্যাড বাজারে এলেই খেলা ঘুরবে না

আসল জিনিস তিনটে:

✔ সঠিক সচেতনতা
✔ সঠিক ডাক্তারের পরামর্শ
✔ আর রিপোর্ট পজিটিভ হলে ঠিকঠাক ফলো-আপ

কারণ, আগেভাগে ধরা পড়া মানেই বড় জয় ।

শেষে একটা সোজা প্রশ্ন রেখে গেলাম…

আমরা কি সত্যিই প্রস্তুত —
স্ক্রিনিংকে হাসপাতালের চার দেওয়াল থেকে বের করে
মহিলাদের বাস্তব জীবনের মধ্যে নিয়ে আসতে?

ভাবুন…
আর বাড়ির মহিলাদের একবার জিজ্ঞেস করেও দেখুন — ওরা আসলে কী চান।
__

Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness

🇮🇳 শুভ প্রজাতন্ত্র দিবস 🇮🇳আজ আমরা প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করি—সংবিধান, স্বাধীনতা আর দায়িত্বের কথা মনে করি।কিন্তু একটা শক্ত...
26/01/2026

🇮🇳 শুভ প্রজাতন্ত্র দিবস 🇮🇳

আজ আমরা প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করি—সংবিধান, স্বাধীনতা আর দায়িত্বের কথা মনে করি।
কিন্তু একটা শক্তিশালী দেশ শুধু আইন দিয়ে তৈরি হয় না,
তৈরি হয় সচেতন নাগরিক দিয়ে।

ক্যান্সার আজ আর অজানা রোগ নয়।
সময়মতো ধরা পড়লে, সঠিক চিকিৎসা নিলে—ক্যান্সারকে হারানো যায়।
তবু দুঃখের বিষয়, আজও অনেক মানুষ
সোশ্যাল মিডিয়ার ভুল পরামর্শে সময় নষ্ট করেন।

এই প্রজাতন্ত্র দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—
✔️ ভয় নয়, সচেতনতা ছড়াবো
✔️ গুজব নয়, মেডিক্যাল সায়েন্সে বিশ্বাস রাখবো
✔️ রোগী একা নয়—তার পাশে দাঁড়াবো

একটা সুস্থ ভারতই পারে একটা শক্তিশালী ভারত গড়তে।
স্বাধীনতার মানে শুধু অধিকার নয়,
নিজের ও অন্যের জীবনের প্রতি দায়িত্ব নেওয়াও।

🇮🇳 জয় হিন্দ | জয় সুস্থ ভারত 🇮🇳

— Rana Bhattacharyya
Cancer Awareness

🇮🇳 🎗️




নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, আমাদের ঘরোয়া ও পরিচিত একটি ওষুধ—লো-ডোজ অ্যাসপিরিন—হয়তো ক্যান্সারের ছড়িয়ে পড়া কমাতে সাহা...
12/12/2025

নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, আমাদের ঘরোয়া ও পরিচিত একটি ওষুধ—লো-ডোজ অ্যাসপিরিন—হয়তো ক্যান্সারের ছড়িয়ে পড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে। ব্যাপারটা শুনতে সাধারণ মনে হলেও, এর পেছনে রয়েছে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্ত করে তোলার এক চমৎকার বিজ্ঞান।

আমরা জানি, ক্যান্সার খুব চালাক। যখন সে শরীরে বাড়তে থাকে, তখন প্লেটলেটকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজের অবস্থান লুকিয়ে ফেলে। প্লেটলেট আবার বিশেষ কিছু রাসায়নিক সংকেত পাঠিয়ে T-cell—যারা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করা আসল সৈনিক—তাদের দুর্বল করে দেয়। ফলে টিউমার নিঃশব্দে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পায়।

কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার হল—অ্যাসপিরিন এই সংকেত পাঠানোর প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেয়। এমনকি খুব কম ডোজেও! ফলে T-cell গুলো চুপচাপ হয়ে না থেকে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে, সতর্ক থাকে, লড়াই চালিয়ে যেতে পারে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যান্সারে আক্রান্ত ইঁদুরদের লো-ডোজ অ্যাসপিরিন দেওয়া হলে তাদের শরীরে কম মেটাস্টেসিস হয়েছে এবং T-cell অনেক বেশি শক্তিশালীভাবে কাজ করেছে। অ্যাসপিরিন ক্যান্সারকে সরাসরি মারে না—বরং আমাদের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে তার কাজ আরও ভালভাবে করতে সাহায্য করে।

এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কারণ আজকের দিনে ইমিউনোথেরাপি ক্যান্সার চিকিৎসার একটি দ্রুত বাড়তে থাকা দিক, যেখানে T-cell এর ভূমিকা সবচেয়ে বড়। সেখানে যদি অ্যাসপিরিনের মতো সহজ আর কম খরচের ওষুধ এই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে পারে—তাহলে সেটা একটি বড় দিশা দেখায়।

গবেষকরা আরও বলছেন—যাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি, ভবিষ্যতে হয়তো তাদের জন্য অ্যাসপিরিন প্রতিরোধমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে এখনও অনেক গবেষণা বাকি।

অবশ্যই, অ্যাসপিরিন সবাই খেতে পারে না। এটি রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ বা যাদের অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা আছে। তাই কোনওভাবেই নিজে থেকে শুরু করা যাবে না—ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সব মিলিয়ে, এই গবেষণা একটা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়—ছোট ছোট পরিবর্তনও ক্যান্সার চিকিৎসায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে। হতে পারে, বহুদিনের পরিচিত একটি ট্যাবলেট ভবিষ্যতে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন অস্ত্র হয়ে উঠবে।

সম্প্রতি একটি প্রাথমিক পর্যায়ের ক্যান্সার গবেষণায় অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক তথ্য পাওয়া গেছে:মাত্র ২৮ দিন—অর্থাৎ চার সপ্তাহ—প...
01/12/2025

সম্প্রতি একটি প্রাথমিক পর্যায়ের ক্যান্সার গবেষণায় অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক তথ্য পাওয়া গেছে:

মাত্র ২৮ দিন—অর্থাৎ চার সপ্তাহ—প্যারাবেন ও ফ্যালেট ( Phthalates ) মুক্ত জীবনযাপন করলে স্তন টিস্যুতে ক্যান্সার-সংশ্লিষ্ট কিছু পরিবর্তন রিভার্স হতে পারে।

এই রাসায়নিকগুলো আমাদের প্রতিদিন ব্যবহৃত কসমেটিকস, পারফিউম, লোশন, শ্যাম্পু এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্যে থাকে। সুতরাং ছোট ছোট জীবনধারার পরিবর্তনও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে উপকার এনে দিতে পারে।

আসুন দেখা যাক যে গবেষণায় কি পাওয়া গেছে ।
গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে সম্মানজনক বৈজ্ঞানিক জার্নাল Chemosphere-এ।
গবেষকরা দেখেছেন, যখন নারীরা এক মাস ধরে প্যারাবেন ও ফ্যালেট যুক্ত পণ্য ব্যবহার বন্ধ করেন, তখন তাদের স্তন টিস্যুতে—

* মলিকুলার ও সেলুলার কার্যকলাপের পজিটিভ উন্নতি ঘটে

* টিউমার তৈরি হওয়ার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ সেলুলার মেটাবলিসম পাথ ওয়ে গুলোতে এ বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা কমে যায়।

এই সেলুলার পথগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে পরিবর্তন ঘটলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
প্যারাবেন এবং ফ্যালেট কে বলা হয় endocrine disruptors—যা শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মতো আচরণ করে।
ইস্ট্রোজেন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে বড় ভূমিকা রাখে।

অর্থাৎ, প্রতিদিনের ব্যবহারে ও এই রাসায়নিকগুলোর নিয়মিত এক্সপোজার স্তন টিস্যুর মলিকুলার স্তরের পরিবর্তনকে প্রভাবিত করতে পারে।

গবেষকরা এক মাসের "রাসায়নিক মুক্ত" সময়ের আগে ও পরে স্তন টিস্যু তুলনা করে দেখেছেন—

xenoestrogen exposure (ইস্ট্রোজেনের মতো আচরণকারী রাসায়নিক) স্তন টিস্যু পরিবর্তন করতে পারে – এর এর সপক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে

এই এক্সপোজার বন্ধ করলে পরিবর্তনগুলো আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারে। এটি বড় একটি অগ্রগতি, কারণ এটি প্রমাণ করে যে স্বাভাবিক ও সহজ পদ্ধতিতেও স্তন স্বাস্থ্য রক্ষা করা সম্ভব।

সুতরাং নিজের দৈনন্দিন জীবনে কতোটা সম্ভব রাসায়নিক যুক্ত পণ্য—বিশেষ করে parabens এবং phthalates—ব্যবহার কমিয়ে দিলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্তন টিস্যু স্বাস্থ্যের উন্নতি সম্ভব হতে পারে।

©️ ক্যান্সার ফাইটার রানা , রানা ক্যান্সার ফাইটার

Address

Kolkata
700036

Telephone

+919051132231

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness:

Share

Category