Tantrik Sadesh Acharya

Tantrik Sadesh Acharya শ্মশানসিদ্ধ চিতা হোমে পারদর্শী অঘোরী তান্ত্রিক সদেশ আচার্য্য

 # অষ্টবসু: বৈদিক ও পৌরাণিক ঐতিহ্যে প্রকৃতির আট দ্যুতিময় দেবশক্তির বিস্তৃত পরিচয়অষ্টবসু হিন্দু বৈদিক ও পৌরাণিক সাহিত্য...
21/02/2026

# অষ্টবসু: বৈদিক ও পৌরাণিক ঐতিহ্যে প্রকৃতির আট দ্যুতিময় দেবশক্তির বিস্তৃত পরিচয়

অষ্টবসু হিন্দু বৈদিক ও পৌরাণিক সাহিত্যে উল্লেখিত আটজন মহাশক্তিশালী দেবতা, যাঁরা মূলত প্রকৃতির মৌলিক উপাদান ও জাগতিক শক্তির প্রতীক। “বসু” শব্দের অর্থ ধন, ঐশ্বর্য বা প্রাকৃতিক সম্পদ—অর্থাৎ যাঁদের মাধ্যমে বিশ্বজগত সমৃদ্ধ ও সঞ্জীবিত। ঋগ্বেদসহ বিভিন্ন বৈদিক গ্রন্থে তাঁদের উল্লেখ আছে, পরে পুরাণ ও মহাকাব্যে তাঁদের কাহিনি আরও বিস্তৃত হয়েছে। অষ্টবসুগণ দেবরাজ ইন্দ্র-এর সহচর হিসেবে দেবলোকের কার্যসম্পাদনে অংশ নিতেন।

পৌরাণিক বংশপরিচয় অনুযায়ী, সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা-এর মানসপুত্রদের বংশধারায় মনু, প্রজাপতি প্রমুখের মাধ্যমে অষ্টবসুর উদ্ভবের কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন পুরাণে বংশতালিকায় সামান্য ভিন্নতা থাকলেও আট বসুর নাম সাধারণত এক ও অভিন্ন।

অষ্টবসুর নাম ও তাঁদের প্রতীকী তাৎপর্য নিম্নরূপ—

১. আপ (অপ) — জলের দেবতা। নদী, সমুদ্র ও জীবনধারণের মৌলিক উপাদান জল তাঁর আধিপত্যে। কখনও তাঁকে গঙ্গার সঙ্গেও যুক্ত করা হয়।
২. ধর (ধরা) — পৃথিবীর প্রতীক। স্থিতি, স্থায়িত্ব ও ভৌত জগতের দৃঢ়তার রূপ।
৩. ধ্রুব — নক্ষত্র বা ধ্রুবতারা-সদৃশ অচল স্থিতির প্রতীক। আকাশে চিরস্থায়ী অবস্থানের কারণে স্থায়িত্বের চিহ্ন।
৪. সোম — চন্দ্রদেব ও অমৃতের আধার। যজ্ঞীয় সোমরসের অধিষ্ঠাত্রী শক্তি হিসেবেও পরিচিত।
৫. অনিল — বায়ুর দেবতা। প্রাণশক্তি ও গতি তাঁর মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
৬. অনল — অগ্নির প্রতীক। তাপ, শক্তি ও রূপান্তরের দেবতা।
৭. প্রত্যূষ — ভোর বা ঊষার সূচনা। নতুন দিনের আলো ও সম্ভাবনার প্রতীক।
৮. প্রভাস — জ্যোতি বা আলোকের দেবতা। দীপ্তি, উজ্জ্বলতা ও আভা তাঁর আধিপত্যে।

অষ্টবসুর সঙ্গে জড়িত সবচেয়ে প্রসিদ্ধ কাহিনি পাওয়া যায় মহাকাব্য মহাভারত-এ। একবার বসুগণের একজনের স্ত্রী ঋষি বশিষ্ঠ-এর আশ্রমে থাকা কামধেনু গাভী নন্দিনীকে লোভবশত চুরি করতে উৎসাহিত করেন। বসুগণ সম্মিলিতভাবে সেই গাভী হরণ করলে বশিষ্ঠ ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁদের মর্ত্যলোকে জন্ম নেওয়ার অভিশাপ দেন।

অভিশাপপ্রাপ্ত বসুগণ অনুতপ্ত হয়ে ঋষির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তখন বশিষ্ঠ জানান, তাঁদের মধ্যে সাতজন পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে অল্পকালেই মুক্তি পাবেন; কিন্তু যিনি মূল অপরাধে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, তাঁকে দীর্ঘকাল মানবজীবন যাপন করতে হবে।

এই অভিশাপের ফলেই বসুগণ মর্ত্যে অবতীর্ণ হন। হস্তিনাপুরের রাজা শান্তনু ও দেবী গঙ্গা-এর গর্ভে তাঁদের জন্ম হয়। গঙ্গা দেবী প্রতিটি নবজাতক সন্তানকে জন্মের পরপরই জলে বিসর্জন দেন, যাতে তারা দ্রুত শাপমুক্ত হয়ে দেবলোকে প্রত্যাবর্তন করতে পারে। কিন্তু অষ্টম সন্তানকে তিনি বিসর্জন দিতে গেলে শান্তনু বাধা দেন। সেই সন্তানই পরবর্তীকালে মহাবীর ভীষ্ম নামে খ্যাত হন।

ভীষ্ম ছিলেন সেই বসু, যাঁকে দীর্ঘকাল মানবজীবনে অবস্থান করতে হয়েছিল। তাঁর পূর্বনাম ছিল দেবব্রত। আজীবন ব্রহ্মচর্য পালন ও পিতার সুখের জন্য রাজসিংহাসনের দাবি ত্যাগের ভীষণ প্রতিজ্ঞার কারণে তিনি “ভীষ্ম” উপাধি লাভ করেন। তিনি কুরুক্ষেত্রের মহাযুদ্ধে এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে অমর হয়ে আছেন।

অষ্টবসুর কাহিনি কেবল দেবতাদের শাস্তি ও মুক্তির গল্প নয়; এটি নৈতিক শিক্ষা ও কর্মফলের দর্শনও বহন করে। লোভ, কর্তব্য, অনুশোচনা ও প্রতিজ্ঞার মতো মানবীয় গুণাবলি এই পৌরাণিক আখ্যানের মাধ্যমে গভীর তাৎপর্য লাভ করেছে। বৈদিক দর্শনে বসুগণ প্রকৃতির মৌলিক শক্তির প্রতীক—জল, অগ্নি, বায়ু, আলো, পৃথিবী, চন্দ্র, নক্ষত্র ও প্রভাত—যাঁদের সমন্বয়ে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের স্থিতি ও সামঞ্জস্য রক্ষিত হয়।

অতএব, অষ্টবসু কেবল পৌরাণিক চরিত্র নন; তাঁরা প্রকৃতির চিরন্তন শক্তির প্রতীক, যাঁদের মাধ্যমে সৃষ্টির ভারসাম্য ও ঐশ্বর্য প্রকাশিত হয়েছে।

Tantrik Sadesh Acharya

হর হর মহাদেব! সকলের জীবন হোক শুভ ও পবিত্র।
14/02/2026

হর হর মহাদেব! সকলের জীবন হোক শুভ ও পবিত্র।

🔱 মহাশিবরাত্রি ২০২৬: পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও পালন বিধি 🔱(কাশী বিশ্বনাথ ধাম ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে)ওঁ নমঃ শিবায়। আগা...
14/02/2026

🔱 মহাশিবরাত্রি ২০২৬: পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও পালন বিধি 🔱
(কাশী বিশ্বনাথ ধাম ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে)

ওঁ নমঃ শিবায়। আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি, রবিবার পালিত হবে মহাপুণ্যলগ্নের মহাশিবরাত্রি ব্রত। ভক্তদের সুবিধার জন্য কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের সময় এবং পঞ্জিকা মিলিয়ে নির্ঘণ্ট দেওয়া হলো।

📅 তারিখ ও তিথি:
▪️ ইংরেজি তারিখ: ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (রবিবার)
▪️ বাংলা তারিখ: ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
▪️ চতুর্দশী তিথি শুরু: ১৫ই ফেব্রুয়ারি, বিকেল ০৫:০৪ মিনিট
▪️ চতুর্দশী তিথি শেষ: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, বিকেল ০৫:৩৪ মিনিট

🕰️ চার প্রহর পূজার সময়সূচি (রাত্রি জাগরণ):
শিবরাত্রির মূল পূজা রাতে চার প্রহরে করতে হয়।
১️⃣ প্রথম প্রহর: সন্ধ্যা ০৫:৫২ – রাত ০৯:০২
👉 অভিষেক: দুধ দিয়ে। (মন্ত্র: ওঁ হ্রী ঈশানায় নমঃ)
২️⃣ দ্বিতীয় প্রহর: রাত ০৯:০২ – রাত ১২:১২
👉 অভিষেক: দই দিয়ে। (মন্ত্র: ওঁ হ্রী অঘোরায় নমঃ)
৩️⃣ তৃতীয় প্রহর: রাত ১২:১২ – ভোর ০৩:২২
👉 অভিষেক: ঘি দিয়ে। (মন্ত্র: ওঁ হ্রী বামদেবায় নমঃ)
৪️⃣ চতুর্থ প্রহর: ভোর ০৩:২২ – সকাল ০৬:৩২
👉 অভিষেক: মধু দিয়ে। (মন্ত্র: ওঁ হ্রী সদ্যোজাতায় নমঃ)
🔥 মহানিশি পূজা (নিশিতা কাল):
রাত ১২:০৯ থেকে রাত ০১:০১ পর্যন্ত (বিশেষ শুভ লগ্ন)
🙏 পারণ (উপবাস ভঙ্গ):
১৬ই ফেব্রুয়ারি (সোমবার), সকাল ০৬:৩২ থেকে দুপুর ০৩:২৪-এর মধ্যে।

🏠 ঘরে বসে পালনের নিয়ম:
১. সারাদিন ও সারারাত উপবাস (নির্জলা বা ফলাহারী থাকলে ভালো ) থাকুন।
২. রাতে চার প্রহরে শিবলিঙ্গে জল ও নির্দিষ্ট দ্রব্য দিয়ে স্নান করান।
৩. প্রতি প্রহরে ৩টি পাতাযুক্ত নিখুঁত বেলপাতা অর্পণ করুন।
৪. ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ মন্ত্র জপ করুন।

⚛️ বৈজ্ঞানিক মাহাত্ম্য:
এই রাতে গ্রহমণ্ডলীয় অবস্থানের কারণে মানুষের শরীরে শক্তির প্রাকৃতিকভাবেই ঊর্ধ্বগতি (Upward surge of energy) ঘটে। তাই সারারাত মেরুদণ্ড সোজা করে বসে থাকলে (জাগরণ করলে) সেই শক্তি মস্তিষ্কের দিকে ধাবিত হয়, যা আধ্যাত্মিক ও মানসিক চেতনা বৃদ্ধি করে।
সকলে ভক্তিভরে বাবা বিশ্বনাথের আরাধনা করুন। পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে সঠিক সময় জানতে সাহায্য করুন।
হর হর মহাদেব! 🙏🔱🕉️

Tantrik Sadesh Acharya

সকলকে জানাই প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জয় হিন্দ 🫡🇮🇳🙏🏻
25/01/2026

সকলকে জানাই প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জয় হিন্দ 🫡🇮🇳🙏🏻

সকলকে জানাই সরস্বতী পুজা ও নেতাজী জয়ন্তীর শুভেচ্ছা 🙏🏻
22/01/2026

সকলকে জানাই সরস্বতী পুজা ও নেতাজী জয়ন্তীর শুভেচ্ছা 🙏🏻

ঋক্ বেদে দেবী সরস্বতীর স্তুতি পাওয়া যায় । ঋগবেদের প্রথম মণ্ডলের তৃতীয় সুক্তের দশম , একাদশ, দ্বাদশ ঋকে বিশ্বামিত্রতনয় মুধ...
18/01/2026

ঋক্ বেদে দেবী সরস্বতীর স্তুতি পাওয়া যায় । ঋগবেদের প্রথম মণ্ডলের তৃতীয় সুক্তের দশম , একাদশ, দ্বাদশ ঋকে বিশ্বামিত্রতনয় মুধছন্দা ঋষি গায়ত্রী ছন্দে স্তুতি করেছেন- যথা

পাবকাঃ নঃ সরস্বতী বাজেভির্বাজিনীবতী ।
যজ্ঞং বষ্টু ধিয়াবসুঃ ।।
দয়িত্রী সূনৃতাঙ্গাং চেতন্তী সুমতীনাং ।
যজ্ঞং দধে সরস্বতী ।।
মহও অর্ণঃ সরস্বতী প্রচেতয়তি কেতুনা ।
ধিয়ো বিশ্বা বিরাজতি ।।
( ঋক বেদ- প্রথম মণ্ডল- তৃতীয় সুক্ত- শ্লোক ১০-১২ )

অর্থাৎ - পবিত্রা, অন্নযুক্তযজ্ঞবিশিষ্টা ও যজ্ঞফলরূপ ও যজ্ঞফলরূপধনদাত্রী সরস্বতী আমাদের অন্ন বিশিষ্ট যজ্ঞ কামনা করুন । সুনৃত বাক্যের উৎপাদয়িত্রী, সুমতি লোকেদের শিক্ষয়িত্রী সরস্বতী আমাদের যজ্ঞ গ্রহণ করেছেন । সরস্বতী প্রবাহিত হয়ে প্রভূত জল সৃজন করেছেন , এবং সকল জ্ঞান উদ্দীপন করেছেন।

দেবী সরস্বতীকে এখানে “পাবকা” বলা হয়েছে । অর্থাৎ যিনি মানব হৃদয়ের পাপ নাশ করে শুদ্ধ ও নিষ্কলুষ করেন । আর নদীরূপে সরস্বতীর জল স্বচ্ছ, পবিত্র , নির্মল। সরস্বতীকে বলা হয়েছে- “বাজিনীবতী” । এখানে সায়নদেব এই নামকে “অন্নবতী” ধরেছেন । অন্ন উৎপন্ন হয় বর্ষণের দ্বারা , বর্ষণের সৃষ্টি মেঘের দ্বারা, মেঘের সৃষ্টি যজ্ঞের দ্বারা। অপরদিকে নদীরূপে সরস্বতীর জলধারা সেচ মারফৎ কৃষিকর্মে উন্নতি সাধন করে । দেবীকে “ধিয়াবসুঃ” বলা হয়েছে । এর অর্থ যজ্ঞাদি অনুষ্ঠানের ফলস্বরূপ যিনি বাঞ্ছিত ধন দান করেন। এছাড়া নদী রূপে ব্যাবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে ধন সম্পদ বৃদ্ধির কারণ । এছারা দেবীকে “ বাজেভীঃ নঃ যজ্ঞং বষ্টু” বলা হয়েছে। সায়নদেবের ভাষ্য মতে দেবী সরস্বতী অন্ন ও ধনসম্ভার নিয়েই আমাদের যজ্ঞে উপস্থিত হোন , আমাদের হবিঃ গ্রহণ করুন ।

অপরদিকে ঋক বেদে দ্বিতীয় মণ্ডলের একটি সূত্রে ঋষি গৃৎসমদ সরস্বতী দেবীকে নদীগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠা বলে স্তুতি করেছেন। যথা-

অম্বিতমে নদীতমে দেবীতমে সরস্বতী ।
অপ্রশস্তা উব স্মসি প্রশস্তিমম্ব নস্কৃদ্ধি ।।

( ঋকবেদ – দ্বিতীয় মণ্ডল... ৪১ সুক্ত ... শ্লোক- ১৬ )

অর্থাৎ- হে মাতৃগণের মধ্যে শেষ্ঠা, নদীগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠা , দেবীগণের মধ্যে শেষ্ঠা হে সরস্বতী ! আমরা অসমৃদ্ধের মধ্যে রূয়েছি। আমাদের সমৃদ্ধশালী কর।

ঋকবেদের প্রথম মণ্ডলে ঋষি কণ্বের পুত্র ঋষি মেধাতিথি দ্বারা দেবী সরস্বতীর আহ্বান মন্ত্র দেখা যায়। যথা-

ইলা সরস্বতী মহী তিস্রো দেবীর্ময়োভূবঃ ।
বর্হিঃ সীদস্ত্বস্রিধঃ ।।

( ঋক বেদ- প্রথম মণ্ডল- ১৩ সুক্ত... শ্লোক ৯ )

অর্থাৎ- ইলা, সরস্বতী ও মহীকে একত্রে আহ্বান করা হইয়াছে । ইলা- চেতয়িত্রী, সরস্বতী- বেদরূপে বাক, মহী – মহতী ভারতী বৃহতী- এই তিন দীপ্যমানা দেবী যজ্ঞে অধিষ্ঠাত্রী হউন ।

( কপি নিষিদ্ধ। শেয়ার করুন।)


Tantrik Sadesh Acharya

Wishing you strength and success in 2026.
31/12/2025

Wishing you strength and success in 2026.

 fansTantrik Sadesh Acharya
02/12/2025

fans
Tantrik Sadesh Acharya

বাবা তুমিও শরীর ছেড়ে দিলে ?? ভেবেছিলাম এবারে কুম্ভতে দেখা হবে ।। আমাদের ছেলেদের আর কে অঘোর মার্গে শিক্ষা দেবে বাবা ?? অ...
01/12/2025

বাবা তুমিও শরীর ছেড়ে দিলে ?? ভেবেছিলাম এবারে কুম্ভতে দেখা হবে ।। আমাদের ছেলেদের আর কে অঘোর মার্গে শিক্ষা দেবে বাবা ?? অঘোর মার্গে তোমার থেকে বড় শিক্ষক আমি আর কোথাও পাইনি বাবা ।।

আমাদের ছেলেদের ভৈরব তুমি ছাড়া আর কে বানাবে ?? তুমি ছাড়া আমাদের ছেলেদের কে আসন জাগানোর বিদ্যা শেখাবে বাবা ?? অঘোর মার্গে ত্রিশুলের বিদ্যা আমাদের ছেলেদের তুমি ছাড়া আর কে শেখাবে ??
হে নাথ তুমি কৃপা করো ।।
দোহাই লাগে তুমি মুক্তি নিও না বাবা ।। তোমার কণ্ঠে আরো একবার গলা মেলানোর সুযোগ দিলে না বাবা ?? সেই হুংকার যে এখনো কানে বাজে বাবা ।।

" জাগ যাও রে হিন্দুও
সনাতন ধর্ম কি রক্ষা করো " ।।

আজ আমাদের অঘোর মার্গের শিক্ষক ,, সাক্ষাৎ স্বয়ং ভৈরবনাথ বাবা বমবমনাথ অঘোরী মহারাজ তিনি ব্রহ্মলীন হয়েছেন ।।

শ্রীনাথজি কো সতনম আদেশ ।।
অলখ নিরঞ্জন
আদেশ আদেশ আদেশ ।।
Tantrik Sadesh Acharya
fans

💀 মশান সাধনা : মৃত্যু ও অমরত্বের মধ্যবর্তী গোপনতম রহস্য 💀☠️☠️☠️☠️☠️☠️☠️রাত্রির নিস্তব্ধ অন্ধকার…ঠান্ডা হাওয়ায় ভেসে আসা...
30/11/2025

💀 মশান সাধনা : মৃত্যু ও অমরত্বের মধ্যবর্তী গোপনতম রহস্য 💀

☠️☠️☠️☠️☠️☠️☠️

রাত্রির নিস্তব্ধ অন্ধকার…
ঠান্ডা হাওয়ায় ভেসে আসা রহস্যময় গন্ধ…
শ্মশানের নিভু–নিভু জ্বলন্ত চিতা…
আকাশে ঘুরে বেড়ানো অদৃশ্য সূক্ষ্মলোক…

এই ভয়হীন ছায়া-প্রদেশগুলোর মাঝেই জন্ম হয় মশান সাধনা,
যেখানে সাধক “মৃত্যু”-কেই শক্তির রূপে ধারণ করেন।

🪷 মশান : শুধু শ্মশান নয়, শক্তির দ্বার

তন্ত্র-পরম্পরায় বলা হয়—
‘চৌরাশি প্রকারের মশান’ আছে,
এবং প্রতিটি মশানই একটি জীবন্ত শক্তিক্ষেত্র:

• নিজের চেতনা
• নিজস্ব সত্তা
• নিজস্ব ক্ষমতা
• নিজস্ব রহস্য

যখন সাধক মশান-শক্তিকে জাগ্রত করেন, তখন তিনি শুধু কোনো আনুষ্ঠানিকতা করেন না—
তিনি নিজের মধ্যে এক অদৃশ্য শক্তি–স्रोतকে গ্রহণ করেন।

🔥 মশান সাধনা এত দুষ্প্রাপ্য কেন?

কারণ এই পথ কেবল তাঁদের জন্য, যাঁদের মধ্যে—

👉 অটল সাহস
👉 গুরু–দীক্ষা
👉 মন্ত্র–শক্তি
👉 সাধনার নিয়ম
👉 এবং ভৈরব–কৃপা

—পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকে।

এই পথে ভয়, সন্দেহ বা অস্থিরতার কোনো স্থান নেই।

🪷 মশান সাধনায় যে সকল শক্তি লাভ হয়

• ভূত–প্রেত–বাধা থেকে মুক্তি
• শত্রু–নাশ ও সুরক্ষা
• তান্ত্রিক দৃশ্য–অদৃশ্য লোকের উপর অধিকার
• তেজ, সাহস ও চেতনার বৃদ্ধি
• সিদ্ধির জাগরণ
• আত্মশক্তির বিস্তার
• সূক্ষ্মজ্ঞান লাভ

এই সাধনা সাধককে ভিতর থেকে সম্পূর্ণ রূপান্তরিত করে।

🪷 অধিপতি কে? — মহাকাল ভৈরব

ভৈরবের অনুমতি ছাড়া কোনো মশান–শক্তি সাধকের কাছে আসে না।
ভৈরবই মশানের দ্বার খোলেন।
ভৈরবই সাধনাকে পরিপূর্ণ করেন।

🪷 চৌরাশি মশান / চৌরাশি সিদ্ধ

এগুলো শুধুই নাম নয়—
এগুলো জাগ্রত শক্তি, সিদ্ধপুরুষ, তান্ত্রিক স্তম্ভ ও গুহ্যশক্তির বাহক:

অচিন্ত, অযোগ্য, অনঙ্গপা, আর্যদেব, বাবাহা, ভদ্রপা, ভাণ্ডেপা, ভিক্ষণপা, ভূষুকু,
চামারীپا, চম্পক, চর্বরীপা, চত্রপা, চৌরঙ্গীপা, চেলোরুক্পা, ডরিক্পা, ডেঙ্গক্পা,
ধহুলিপা, ধর্মপা, ধিলিপা, ধোবীپا, ধোকারিপা, ডোম্বীپا, দুখণ্ডি, ঘণ্টাপা,
ঘর্বরীপা, গোধুরিপা, গোরক্ষনাথ, ইন্দ্রভূতি, জলন্ধর, জয়নন্দ, জোগীপা, কলাপা,
কম্পাল, কম্বলপা, কনখলা, কনহপা, কঙ্কালিপা, কান্তলিপা, কপালপা, খড়্গপা,
কিলকিলপা, কির্পালপা, কোকিলিপা, কোঠলিপা, কুচিপা, কুক্কুরিপা, কুম্ভারিপা,
লক্ষ্মীঙ্করা, লীলাপা, লুচিক্পা, লুইপা, মাহীপা, মণিভদ্র, মেধিনীপা, মেখলা,
মীনপা, নাগবোধি, নাগার্জুন, নলিনপা, নির্গুণপা, নরোপা, পচারিপা, পঙ্কজপা,
রাহুল, সারহপা, সর্বভক্ষম, শবরিপা, শলিপা, তান্ত্রিপা, ঠগনপা, তিলোপা,
উধিলিপা, উপনহ, বিনাপা, বিরূপা, বিরবজ্র, পদ্মবজ্র, গুহ্যাক, গুহ্যপতি।

এই ৮৪ সিদ্ধের শক্তিই মশান–তন্ত্রের মূল ভিত্তি।

🌺 মশান সাধনা = মৃত্যুকে জয় করার পথ

এই সাধনা সাধককে শেখায়:

“মৃত্যুকে ভয় করো না—
মৃত্যুই অমরত্বের দ্বার।”

শ্মশানের ভস্ম যখন সাধকের কপালে স্পর্শ করে—
তখনই জীবন–মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য অন্তরে উদ্ভাসিত হয়।

“প্রচারে : বৈরাগ্য শৈব পীঠ।।

লেখিকা✍️ : দেবশী সরকার।।

শৈব দর্শনের গভীর তত্ত্ব, বৈরাগ্যের শক্তি ও শ্মশান–তত্ত্বের আধ্যাত্মিক সত্যকে সহজ ভাষায় তুলে ধরার এক ক্ষুদ্র প্রয়াস।”

#आध्यात्मिक #आध्यात्मिकता #ध्यान #भक्ति #प्रेरणा
#आध्यात्मिकज्ञान #आत्मज्ञान #शांति #धार्मिक #मुक्ति
#आध्यात्मिकगुरु #मंत्र #ध्यानधारणा #साधनाऔरआध्यात्मिक
#आध्यात्मिकयात्रा #शांतिऔरसमृद्धि #भक्तिभाव #आध्यात्मिकसुख
**ra

#गुप्तरहस्यमयतंत्रसाधना
Tantrik Sadesh Acharya

ব্রহ্ম ব্রহ্ম করতে থাকা নকল ব্রহ্মবাদী ব্যক্তিরা দাবী করে — “ শুধুমাত্র শিব কখনোই ব্রহ্ম নয়, শিব বিষ্ণু শক্তি সবাই হল ব...
22/11/2025

ব্রহ্ম ব্রহ্ম করতে থাকা নকল ব্রহ্মবাদী ব্যক্তিরা দাবী করে — “ শুধুমাত্র শিব কখনোই ব্রহ্ম নয়, শিব বিষ্ণু শক্তি সবাই হল ব্রহ্মের এক একটা রূপ। ব্রহ্ম এই বিভিন্ন রূপ ধারণ করেছেন”

অজ্ঞানী তথাকথিত নকল ব্রহ্মবাদী ব্যক্তি সারাক্ষণ ব্রহ্ম‌ই সব বলে মনে করে, কিন্তু কেউ যদি বলে - শিব‌ই সবকিছু, একথা শুনে নকল ব্রহ্মবাদী ব্যক্তিরা তখন শিবভক্তদের বলে তোমরা হলে সাম্প্রদায়িক, তোমরা এখনো ব্রহ্ম লাভ করতে পারোনি, তোমরা ব্রহ্মকে জানতে পারোনি, শিব ব্রহ্মের একটা রূপ মাত্র। আর শিব হল একটা রূপ ও নামমাত্র, ব্রহ্মের নাম রূপ নেই।

অথচ সনাতন ধর্মের শাস্ত্র বলছে......

শিব‌ই বিষ্ণু আদি সকল দেবতার রূপ ধারণ করেন (অথর্ববেদ/অথর্বশির উপনিষদ/২/১-৩২)

শিব‌ই নিরাকার, সাকার, ওমকার (ঋগ্বেদ/আশ্বলায়ণ শাখা/১০/১৭১)

দেবী হলেন শিবের‌ই প্রকাশিত শক্তি(দেব্যুথর্বশীর্ষ/১৫)

হিরণ্যবর্ণরূপের দিব্যদেহধারী শিব হলেন উমা/অম্বিকা দেবীর (শক্তির) স্বামী (কৃষ্ণ যজুর্বেদ/তৈত্তিরীয় আরণ্যক/১০ম প্রপাঠক/২২ তম অনুবাক)

দেবতাদের অহংকার চূর্ণ করেন স্বয়ং ব্রহ্ম যক্ষরূপে (কেন উপনিষদ) । সেই যক্ষ অবতার শিবের‌ই ছিল (শিবপুরাণ/শতরুদ্রিয় সংহিতা)

শিব একাই আছেন, আর কেহই নয়, শিব থেকে যা কিছু ভিন্ন মনে হয়, সেই সকল ভিন্নতা মিথ্যা, শিব‌ই একমাত্র ধ্যেয় (অথর্ববেদ/শরভ উপনিষদ/৩০)

পরমেশ্বর শিবের শাসনে থাকা দেবতাদের সাক্ষাৎ ব্রহ্ম বলা যায় না, একথা স্বয়ং বেদ বলছে, প্রমাণ দেখুন 👇
https://www.facebook.com/share/p/1K6MB8vFyx/

♦️ ব্রহ্মের সকল লক্ষণ একমাত্র প্রভু শিবের সাথেই মিলে যায়, সুতরাং ঐ ব্রহ্মটি একমাত্র শিব স্বয়ং নিজেই। প্রমাণ 👇
https://www.facebook.com/share/p/1BhiAV1ZF3/

🔴 শক্তি বা হরি কেউ‌ই সাক্ষাৎ ওমকার নন, নিরাকার নন। কারণ বেদে এমন কিছু উল্লেখ নেই। একমাত্র প্রভু শিব‌ই ওমকার, নিরাকার ও সাকার। তার‌ই প্রকাশিত রূপ হলেন শক্তিদেবী, বিষ্ণু ও অনান্য দেবদেবীগণ। তাই শিব‌ই মহাদেব, অনান্য রা সাক্ষাৎ স্বয়ং ব্রহ্ম নন, ব্যবহারিক জগতে তারা সবাই শিবের‌ই সীমিত পরিসরে অনিত্য রূপী দেবদেবী স্বরূপ মাত্র, কিন্তু স্বয়ং শিব হলেন নিত্য, তার সৃষ্টি বা নাশ নেই। অনান্য রূপগুলি শিব থেকে প্রকাশিত হয় কোন একটি নির্দিষ্ট কার্য করবার জন্য, সেই কার্য সম্পন্ন হয়ে গেলে সেই দেবী-দেবতার রূপ শিবের লীন হয়ে নাশ হয়ে যায়। তাই শিব ছাড়া আর কেউই সাক্ষাৎ ব্রহ্ম নন।

🟤 এবার খেয়াল করে দেখুন, ব্রহ্মের নাম নেই বলে দাবী করা নব্য ব্রহ্মবাদীরা তাকে “ব্রহ্ম” নামেই চিহ্নিত করে ব্রহ্মের অসীমতাকে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে।
নিজেদের যুক্তিতে নিজেরাই খণ্ডিত।

ব্রহ্মের রূপ যদি নাই থাকতো তাহলে বেদের উপর নির্ভর করে যে এত ব্রহ্ম ব্রহ্ম করে নব্য ব্রহ্মবাদীরা, সেই বেদ‌ স্বয়ংই তো বলেছে একমাত্র শিব‌ই নিরাকার হয়েও সাকাররূপে প্রকাশিত । সেই শিবের দেহ হিরণ্য বর্ণের।
তাহলে বেদবচনের প্রামাণিকতা অধিক নাকি কারোর মুখের কথাকেই সর্বোপরি বলে মানতে হবে ?
কখনোই কোনো ব্যক্তির নিজস্ব মস্তিষ্কপ্রসূত মতামত গ্রহণযোগ্য নয়।
শাস্ত্রের বচনের উপরেই আমাদের সনাতন ধর্ম টিকে আছে, সেই বচন স্বয়ং পরমেশ্বরের। তাই সেই বেদ বচন অনুসারে একমাত্র ব্রহ্ম নামটি পরমেশ্বর শিবের‌ই বলে প্রমাণিত হল। পরমেশ্বর শিবকেই একমাত্র ব্রহ্ম বলে জানা ব্যক্তিগণ‌ই হলেন‌ প্রকৃত ব্রহ্মবাদী। অন্যেরা নকল ব্রহ্মবাদী বা নব্য ব্রহ্মবাদী।

তাই শিবকে না জেনে ব্রহ্ম ব্রহ্ম করাটা শুধু অজ্ঞানতার পরিচয়‌ই নয়, বরং পতনের প্রথম পদক্ষেপ।

✅ নিজেকে সবজান্তা ভেবে নেওয়া ও নিজের মনমতো যা ইচ্ছে তাই মানতে থাকা ব্যক্তিদের পতন হবেন, একথা সর্বশাস্ত্রে রয়েছে। প্রমাণ 👇
https://www.facebook.com/share/p/19YF6nvY8Z/

তাই, ওহে সাধু ! সাবধান।

লেখনীতে : শ্রীগুরু নন্দীনাথ শৈব আচার্য গুরুদেব জী
কপিরাইট ও প্রচারে - International Shiva Shakti Gyan Tirtha - ISSGT (Shivalaya) 🔥

শৈব সনাতন ধর্ম সদা বিজয়তে 🚩
হর হর মহাদেব 🚩
#ব্রহ্ম #ব্রহ্মবাদ #ব্রহ্মবাদী #নব্যব্রহ্মবাদেরখণ্ডন

(নীচের ছবিটিতে একটি কাল্পনিক বচনের ভিত্তিতে নব্যব্রহ্মবাদী শিববিদ্বেষী ব্যক্তিদের ব্যঙ্গ করা হয়েছে মাত্র, যাতে সমাজ সহজে বিষয়টি বুঝতে পারেন)

[This post is only for public awareness.]

27/10/2025

Address

Kolkata
700020

Telephone

+918276973327

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tantrik Sadesh Acharya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram