Tantrik Sadesh Acharya

Tantrik Sadesh Acharya শ্মশানসিদ্ধ চিতা হোমে পারদর্শী অঘোরী তান্ত্রিক সদেশ আচার্য্য

শুভ অক্ষয় তৃতীয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই 🙏🏻
19/04/2026

শুভ অক্ষয় তৃতীয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই 🙏🏻

সকলকে জানাই শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা, ১৪৩৩ সকলের ভালো কাটুক 🙏🏻
14/04/2026

সকলকে জানাই শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা, ১৪৩৩ সকলের ভালো কাটুক 🙏🏻

হনুমান জয়ন্তীর শুভেচ্ছা, জয় বজরংবলী
02/04/2026

হনুমান জয়ন্তীর শুভেচ্ছা, জয় বজরংবলী

27/03/2026

Tantrik Sadesh Acharya

সকলকে জানাই রাম নবমীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, জয় শ্রী রাম 🪔🙏🏻🚩
26/03/2026

সকলকে জানাই রাম নবমীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, জয় শ্রী রাম 🪔🙏🏻🚩

19/03/2026
শুভ দোল পূর্ণিমা—ভালোবাসা ছড়িয়ে দিন চারদিকে।
02/03/2026

শুভ দোল পূর্ণিমা—ভালোবাসা ছড়িয়ে দিন চারদিকে।

 # অষ্টবসু: বৈদিক ও পৌরাণিক ঐতিহ্যে প্রকৃতির আট দ্যুতিময় দেবশক্তির বিস্তৃত পরিচয়অষ্টবসু হিন্দু বৈদিক ও পৌরাণিক সাহিত্য...
21/02/2026

# অষ্টবসু: বৈদিক ও পৌরাণিক ঐতিহ্যে প্রকৃতির আট দ্যুতিময় দেবশক্তির বিস্তৃত পরিচয়

অষ্টবসু হিন্দু বৈদিক ও পৌরাণিক সাহিত্যে উল্লেখিত আটজন মহাশক্তিশালী দেবতা, যাঁরা মূলত প্রকৃতির মৌলিক উপাদান ও জাগতিক শক্তির প্রতীক। “বসু” শব্দের অর্থ ধন, ঐশ্বর্য বা প্রাকৃতিক সম্পদ—অর্থাৎ যাঁদের মাধ্যমে বিশ্বজগত সমৃদ্ধ ও সঞ্জীবিত। ঋগ্বেদসহ বিভিন্ন বৈদিক গ্রন্থে তাঁদের উল্লেখ আছে, পরে পুরাণ ও মহাকাব্যে তাঁদের কাহিনি আরও বিস্তৃত হয়েছে। অষ্টবসুগণ দেবরাজ ইন্দ্র-এর সহচর হিসেবে দেবলোকের কার্যসম্পাদনে অংশ নিতেন।

পৌরাণিক বংশপরিচয় অনুযায়ী, সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা-এর মানসপুত্রদের বংশধারায় মনু, প্রজাপতি প্রমুখের মাধ্যমে অষ্টবসুর উদ্ভবের কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন পুরাণে বংশতালিকায় সামান্য ভিন্নতা থাকলেও আট বসুর নাম সাধারণত এক ও অভিন্ন।

অষ্টবসুর নাম ও তাঁদের প্রতীকী তাৎপর্য নিম্নরূপ—

১. আপ (অপ) — জলের দেবতা। নদী, সমুদ্র ও জীবনধারণের মৌলিক উপাদান জল তাঁর আধিপত্যে। কখনও তাঁকে গঙ্গার সঙ্গেও যুক্ত করা হয়।
২. ধর (ধরা) — পৃথিবীর প্রতীক। স্থিতি, স্থায়িত্ব ও ভৌত জগতের দৃঢ়তার রূপ।
৩. ধ্রুব — নক্ষত্র বা ধ্রুবতারা-সদৃশ অচল স্থিতির প্রতীক। আকাশে চিরস্থায়ী অবস্থানের কারণে স্থায়িত্বের চিহ্ন।
৪. সোম — চন্দ্রদেব ও অমৃতের আধার। যজ্ঞীয় সোমরসের অধিষ্ঠাত্রী শক্তি হিসেবেও পরিচিত।
৫. অনিল — বায়ুর দেবতা। প্রাণশক্তি ও গতি তাঁর মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
৬. অনল — অগ্নির প্রতীক। তাপ, শক্তি ও রূপান্তরের দেবতা।
৭. প্রত্যূষ — ভোর বা ঊষার সূচনা। নতুন দিনের আলো ও সম্ভাবনার প্রতীক।
৮. প্রভাস — জ্যোতি বা আলোকের দেবতা। দীপ্তি, উজ্জ্বলতা ও আভা তাঁর আধিপত্যে।

অষ্টবসুর সঙ্গে জড়িত সবচেয়ে প্রসিদ্ধ কাহিনি পাওয়া যায় মহাকাব্য মহাভারত-এ। একবার বসুগণের একজনের স্ত্রী ঋষি বশিষ্ঠ-এর আশ্রমে থাকা কামধেনু গাভী নন্দিনীকে লোভবশত চুরি করতে উৎসাহিত করেন। বসুগণ সম্মিলিতভাবে সেই গাভী হরণ করলে বশিষ্ঠ ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁদের মর্ত্যলোকে জন্ম নেওয়ার অভিশাপ দেন।

অভিশাপপ্রাপ্ত বসুগণ অনুতপ্ত হয়ে ঋষির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তখন বশিষ্ঠ জানান, তাঁদের মধ্যে সাতজন পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে অল্পকালেই মুক্তি পাবেন; কিন্তু যিনি মূল অপরাধে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, তাঁকে দীর্ঘকাল মানবজীবন যাপন করতে হবে।

এই অভিশাপের ফলেই বসুগণ মর্ত্যে অবতীর্ণ হন। হস্তিনাপুরের রাজা শান্তনু ও দেবী গঙ্গা-এর গর্ভে তাঁদের জন্ম হয়। গঙ্গা দেবী প্রতিটি নবজাতক সন্তানকে জন্মের পরপরই জলে বিসর্জন দেন, যাতে তারা দ্রুত শাপমুক্ত হয়ে দেবলোকে প্রত্যাবর্তন করতে পারে। কিন্তু অষ্টম সন্তানকে তিনি বিসর্জন দিতে গেলে শান্তনু বাধা দেন। সেই সন্তানই পরবর্তীকালে মহাবীর ভীষ্ম নামে খ্যাত হন।

ভীষ্ম ছিলেন সেই বসু, যাঁকে দীর্ঘকাল মানবজীবনে অবস্থান করতে হয়েছিল। তাঁর পূর্বনাম ছিল দেবব্রত। আজীবন ব্রহ্মচর্য পালন ও পিতার সুখের জন্য রাজসিংহাসনের দাবি ত্যাগের ভীষণ প্রতিজ্ঞার কারণে তিনি “ভীষ্ম” উপাধি লাভ করেন। তিনি কুরুক্ষেত্রের মহাযুদ্ধে এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে অমর হয়ে আছেন।

অষ্টবসুর কাহিনি কেবল দেবতাদের শাস্তি ও মুক্তির গল্প নয়; এটি নৈতিক শিক্ষা ও কর্মফলের দর্শনও বহন করে। লোভ, কর্তব্য, অনুশোচনা ও প্রতিজ্ঞার মতো মানবীয় গুণাবলি এই পৌরাণিক আখ্যানের মাধ্যমে গভীর তাৎপর্য লাভ করেছে। বৈদিক দর্শনে বসুগণ প্রকৃতির মৌলিক শক্তির প্রতীক—জল, অগ্নি, বায়ু, আলো, পৃথিবী, চন্দ্র, নক্ষত্র ও প্রভাত—যাঁদের সমন্বয়ে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের স্থিতি ও সামঞ্জস্য রক্ষিত হয়।

অতএব, অষ্টবসু কেবল পৌরাণিক চরিত্র নন; তাঁরা প্রকৃতির চিরন্তন শক্তির প্রতীক, যাঁদের মাধ্যমে সৃষ্টির ভারসাম্য ও ঐশ্বর্য প্রকাশিত হয়েছে।

Tantrik Sadesh Acharya

হর হর মহাদেব! সকলের জীবন হোক শুভ ও পবিত্র।
14/02/2026

হর হর মহাদেব! সকলের জীবন হোক শুভ ও পবিত্র।

🔱 মহাশিবরাত্রি ২০২৬: পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও পালন বিধি 🔱(কাশী বিশ্বনাথ ধাম ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে)ওঁ নমঃ শিবায়। আগা...
14/02/2026

🔱 মহাশিবরাত্রি ২০২৬: পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও পালন বিধি 🔱
(কাশী বিশ্বনাথ ধাম ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে)

ওঁ নমঃ শিবায়। আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি, রবিবার পালিত হবে মহাপুণ্যলগ্নের মহাশিবরাত্রি ব্রত। ভক্তদের সুবিধার জন্য কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের সময় এবং পঞ্জিকা মিলিয়ে নির্ঘণ্ট দেওয়া হলো।

📅 তারিখ ও তিথি:
▪️ ইংরেজি তারিখ: ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (রবিবার)
▪️ বাংলা তারিখ: ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
▪️ চতুর্দশী তিথি শুরু: ১৫ই ফেব্রুয়ারি, বিকেল ০৫:০৪ মিনিট
▪️ চতুর্দশী তিথি শেষ: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, বিকেল ০৫:৩৪ মিনিট

🕰️ চার প্রহর পূজার সময়সূচি (রাত্রি জাগরণ):
শিবরাত্রির মূল পূজা রাতে চার প্রহরে করতে হয়।
১️⃣ প্রথম প্রহর: সন্ধ্যা ০৫:৫২ – রাত ০৯:০২
👉 অভিষেক: দুধ দিয়ে। (মন্ত্র: ওঁ হ্রী ঈশানায় নমঃ)
২️⃣ দ্বিতীয় প্রহর: রাত ০৯:০২ – রাত ১২:১২
👉 অভিষেক: দই দিয়ে। (মন্ত্র: ওঁ হ্রী অঘোরায় নমঃ)
৩️⃣ তৃতীয় প্রহর: রাত ১২:১২ – ভোর ০৩:২২
👉 অভিষেক: ঘি দিয়ে। (মন্ত্র: ওঁ হ্রী বামদেবায় নমঃ)
৪️⃣ চতুর্থ প্রহর: ভোর ০৩:২২ – সকাল ০৬:৩২
👉 অভিষেক: মধু দিয়ে। (মন্ত্র: ওঁ হ্রী সদ্যোজাতায় নমঃ)
🔥 মহানিশি পূজা (নিশিতা কাল):
রাত ১২:০৯ থেকে রাত ০১:০১ পর্যন্ত (বিশেষ শুভ লগ্ন)
🙏 পারণ (উপবাস ভঙ্গ):
১৬ই ফেব্রুয়ারি (সোমবার), সকাল ০৬:৩২ থেকে দুপুর ০৩:২৪-এর মধ্যে।

🏠 ঘরে বসে পালনের নিয়ম:
১. সারাদিন ও সারারাত উপবাস (নির্জলা বা ফলাহারী থাকলে ভালো ) থাকুন।
২. রাতে চার প্রহরে শিবলিঙ্গে জল ও নির্দিষ্ট দ্রব্য দিয়ে স্নান করান।
৩. প্রতি প্রহরে ৩টি পাতাযুক্ত নিখুঁত বেলপাতা অর্পণ করুন।
৪. ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ মন্ত্র জপ করুন।

⚛️ বৈজ্ঞানিক মাহাত্ম্য:
এই রাতে গ্রহমণ্ডলীয় অবস্থানের কারণে মানুষের শরীরে শক্তির প্রাকৃতিকভাবেই ঊর্ধ্বগতি (Upward surge of energy) ঘটে। তাই সারারাত মেরুদণ্ড সোজা করে বসে থাকলে (জাগরণ করলে) সেই শক্তি মস্তিষ্কের দিকে ধাবিত হয়, যা আধ্যাত্মিক ও মানসিক চেতনা বৃদ্ধি করে।
সকলে ভক্তিভরে বাবা বিশ্বনাথের আরাধনা করুন। পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে সঠিক সময় জানতে সাহায্য করুন।
হর হর মহাদেব! 🙏🔱🕉️

Tantrik Sadesh Acharya

সকলকে জানাই প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জয় হিন্দ 🫡🇮🇳🙏🏻
25/01/2026

সকলকে জানাই প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জয় হিন্দ 🫡🇮🇳🙏🏻

Address

Kolkata
700020

Telephone

+918276973327

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tantrik Sadesh Acharya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share