04/02/2026
বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের এই পরিবর্তনগুলো মূলত বায়োলজিক্যাল ক্লক বা অভ্যন্তরীণ জৈবিক ঘড়ির পরিবর্তনের কারণে ঘটে।
কেন শরীর আগের মতো থাকে না, তার প্রধান কারণগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
১. কোষের পুনর্গঠন ক্ষমতা হ্রাস (Cellular Aging)
বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের শরীরের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। নতুন কোষ তৈরির চেয়ে পুরনো কোষের ক্ষয় বেশি হয়, যার ফলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে।
২. মেটাবলিজম বা বিপাক হার কমে যাওয়া
৩০ বছরের পর থেকে শরীরের বিসাল মেটাবলিক রেট (BMR) প্রতি দশকে প্রায় ২-৩% হারে কমতে থাকে। এর ফলে শরীর ক্যালোরি পোড়াতে কম সক্ষম হয়, যা ওজন বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
৩. হরমোনের পরিবর্তন
গ্রোথ হরমোন: এটি কমে যাওয়ায় পেশি পাতলা হয়ে যায় এবং চর্বি বাড়তে থাকে।
ইস্ট্রোজেন ও টেস্টোস্টেরন: নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়ায় হাড়ের ঘনত্ব কমে (Osteoporosis) এবং এনার্জি লেভেল হ্রাস পায়।
৪. পেশির ক্ষয় (Sarcopenia)
শারীরিক পরিশ্রম কম করলে এবং হরমোনের অভাবে শরীর তার পেশির ভর (Muscle Mass) হারাতে থাকে। পেশি যত কমবে, শরীর তত বেশি দুর্বল ও ক্লান্ত বোধ করবে।
৫. ঘুমের ধরণ পরিবর্তন
বয়স বাড়লে মেলাটোনিন হরমোন কমে যায়, যা গভীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে শরীরের টিস্যু মেরামত ঠিকমতো হয় না, ফলে ক্লান্তিবোধ স্থায়ী রূপ নেয়।
শরীরকে 'ইয়াং ফাংশনাল' রাখার কিছু কার্যকরী উপায়:
১. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: পেশি ক্ষয় রোধে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখুন। আপনি NHS-এর স্বাস্থ্যকর খাবার গাইড থেকে সঠিক ডায়েট চার্ট দেখে নিতে পারেন।
২. স্ট্রেন্থ ট্রেনিং: সপ্তাহে অন্তত ২ দিন হালকা ওজন তোলা বা পেশির ব্যায়াম করুন।
৩. পর্যাপ্ত হাইড্রেশন: বয়স বাড়লে তৃষ্ণা পাওয়ার অনুভূতি কমে যায়, তাই নিয়ম করে জল খান এবং নিজেকে হাইড্রেট রাখুন
৪. চেক-আপ: রক্তচাপ, সুগার এবং ভিটামিন-ডি এর মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা
৫. মানসিক প্রশান্তি: স্ট্রেস হরমোন 'কর্টিসল' নিয়ন্ত্রণ করতে ইয়োগা বা মেডিটেশন করুন।
মনে রাখবেন, বার্ধক্য একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, কিন্তু স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে আপনি আপনার জৈবিক বয়স (Biological Age) কমিয়ে রাখতে পারেন।
**Dr Nilanjan Paik- IVF Specialist
👉 যদি আপনাদের বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে এবং আপনারা যদি দীর্ঘদিন বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আমার সাথে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজের মাধ্যমে আপনার সমস্যাটি শেয়ার করতে পারেন এই নাম্বারে +919830923998
👉 WhatsApp at +91 9830923998
゚ Nilanjan Paik