28/04/2026
সোহিনী আর অরিজিতের জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে—তারা প্রথমবার বাবা-মা হতে চলেছেন। আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে ছিল অনেক অজানা ভয়, দুশ্চিন্তা আর হাজারটা প্রশ্ন। ঠিক সেই সময়ই তারা ডা. তনুকা দাশগুপ্তার কাছে যান।প্রথম দিন থেকেই ডাক্তারের শান্ত, কোমল ব্যবহার আর ধৈর্যের সঙ্গে কথা শোনার অভ্যাস তাদের মনে এক অদ্ভুত ভরসা এনে দেয়। সোহিনীর মনে হয়েছিল—তিনি যেন শুধু একজন ডাক্তার নন, বরং নিজের পরিবারের একজন মানুষ, এক বড় দিদির মতো।গর্ভাবস্থার প্রতিটি ধাপে ডা. দাশগুপ্তা তাদের পাশে থেকেছেন। কখনও কোনো ছোট সমস্যা, কখনও হঠাৎ উদ্বেগ—সব কিছুতেই তিনি সময় নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তাঁর সহজ ব্যাখ্যা আর আশ্বাসে সোহিনী ও অরিজিত ধীরে ধীরে সব ভয় কাটিয়ে উঠতে পেরেছিলেন।মাসের পর মাস কেটে যায়, আর সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে অপেক্ষা—একটি নতুন জীবনের আগমনের জন্য। অবশেষে সেই বিশেষ দিনটি আসে। ডা. দাশগুপ্তার তত্ত্বাবধানে সোহিনীর ডেলিভারি হয়। সব কিছু খুব সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়।যখন ছোট্ট কন্যাশিশুটিকে প্রথমবার সোহিনীর কোলে তুলে দেওয়া হয়, সেই মুহূর্তটা যেন তাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি হয়ে থাকে। আনন্দে, আবেগে, কৃতজ্ঞতায় ভরে ওঠে তাদের মন।আজ সোহিনী আর অরিজিত যখন তাদের মেয়ের দিকে তাকান, তখন তারা শুধু নিজেদের সন্তানকেই দেখেন না—দেখেন সেই পুরো যাত্রাটাকে, যেখানে ডা. তনুকা দাশগুপ্তা ছিলেন তাদের ভরসার জায়গা।তাদের কাছে ডা. দাশগুপ্তা শুধু একজন দক্ষ চিকিৎসক নন, তিনি এমন একজন মানুষ যিনি ভালোবাসা, সহানুভূতি আর যত্ন দিয়ে মাতৃত্বের এই পথটাকে সহজ ও সুন্দর করে তুলেছেন।এই গল্পটা শুধু একটি সন্তানের জন্মের নয়—এটি ভরসা, যত্ন আর ভালোবাসায় ভরা এক অনন্য যাত্রার গল্প, যা সারাজীবন মনে থাকবে।