22/10/2021
Communication?
Communication হল এমন একটি প্রসেস, যেখানে কোন একটা ইনফরমেশন,কেউ কাউকে দিলে,সে যখন সেটা বুঝতে পারে,এবং তার ফিডব্যাক দিতে পারে।
যেমন আমি যদি মেসেজ এ কিছু লিখি ,সেটা আপনারা পড়ছেন, এবং তার প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।
তাহলে কমিউনিকেশন হচ্ছে, ফেসবুক দিয়ে,এটা কি ভার্বাল, না,আমার মনের কথা লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারছি।
ধরুন কোন বাচ্চা কথা বলতে পারছে না , ভাষার মাধ্যমে, তখন যদি অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে নিজের মনের ভাষা প্রকাশ করতে পারে ,সেটাকেই অল্টারনেটিভ কমিউনিকেশন বলে।
কম্মুনিকেশন প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রাণীরা করতে পারে, যেমন কুকুরেরা একটা পার্টিকুলার ডাকের মাধ্যমে নিজেদের ভিতরে কমিউনিকেট করে।
সৃষ্টির আদিকাল থেকে, মানুষ প্রথমে খালি কম্মুনিকেশন করতে পারতো, তারপর ধীরে ধীরে , এই ভাষা বলা শিখল,প্রথমে কিছু সিম্বল দিয়ে,তারপর তার থাকে ভাষা সৃষ্ঠি হল, আর এই ভাষা সৃষ্টি হলো বলেই, মানবজাতি, অন্যান্য প্রাণী জগতের থেকে উন্নত হয়।
ভাষা কোথা থেকে শিখি?
পরিবেশ থেকে, শোনে, পড়ে।
অটিজমের একটি সিমটম হচ্ছে আত্মমগ্নতা, এই আত্মমগ্নতা কমবেশি সবার ভেতরেই রয়েছে, আমরা কেউ কেউ কখনো চিন্তা ভিতর এত ডুবে যাই, যে আমাদের সামনে দিইয়ে কে চলে গেল, তা বুঝতে পারি না, ঠিক এই জিনিসটা ওদের ভিতরে বেশি থাকে।
অনেক অভিভাবক জিজ্ঞাসা করছিলেন, বাচ্চা কথা বলে, কিন্তু কমিউনিকেট করে না?
পৃথিবীর কোন মানুষ ডিমান্ড ছাড়া, কমিউনিকেট করে না, তাই আবারো তার উদাহরণ দিলাম, শ্রীশ্রী পরমহংস রামকৃষ্ণ , মা কালীর সাথে যখনকমিউনিকেট করতেন, ইহ জগতের প্রতি তার কোন আওয়ারনেস থাকত না,মানুষের যেটা ভালো লাগে তার ভিতরে যদি সম্পূর্ণ পরিমাণে মগ্ন হয়ে যায়, তখন অন্য কিছু দিকে তার খেয়াল থাকে না, ঠিক এই কারণেই, asperger's বা হাই ফাংশনিং অটিজম হয়, তাদের যে কাজটা করতে ভালো লাগে, সেটাতে তারা শ্রেষ্ঠ হয়ে ওঠে।
এখন প্রশ্ন হলো, এই কমিউনিকেশন বাড়াবো কি করে, যারা কথা বলতে পারছে, কিন্তু বাড়ির লোকের সাথে কথা বলতে চাইছে না, নিজের ভিতর থাকতে চাইছে।
পৃথিবীতে সমস্ত মানুষেরই , কোন না কোন জায়গায়, সেটা মোবাইল ফোন ও হতে পারে,বা পছন্দসই কোনো খেলনা হতে পারে, যেখানে তার ডিমান্ড আছে, ঠিক সেই জায়গাটা খুঁজে বার করতে হবে, এবং সেটার মাধ্যমে, বাচ্চার ডিমান্ড বাড়িয়ে, প্রাথমিক পর্যায়ে ,বাচ্চার সাথে ভাষার মাধ্যমে কম্মুনিকেশন করা যেতে পারে, বাচ্চা এমনি কথায় সাড়া দেয় না, কিন্তু গান শুনতে পছন্দ করে, তখন সেই গানের মাধ্যমে, গানের সুরে, কথা বলে, বাচ্চার সাথে কমিউনিকেশন করা যেতে পারে।
তারপর ধীরে ধীরে ভাষার বিকাশের জন্য কাজ করা যেতে পারে।
***বাচ্চাকে সময় দেওয়াটা খুব জরুরি, বাচ্চা যদি পরিবারে র সদস্যদের সাথে, ইমোশনালি এটাচড না হয়, তাহলে কমিউনিকেশন করবে না*""""
Chandan Biswas ( MASLP)