05/03/2026
*স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন*
*।। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন ।।*
গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার এক অনাড়ম্বর ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতি স্বাস্থ্যরক্ষা কেন্দ্রের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হল। ২০০৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারির কোনো এক শুভলগ্নে মাত্র দুইজন চিকিৎসককে নিয়ে অস্থায়ী ঠিকানায় পথ চলা শুরু করে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র। জন্মের পর থেকে তার বেড়ে ওঠা মোটেই সহজ, সুন্দর ছিল না। নানাবিধ বাধা-বিপত্তি সাহস ও ধৈর্য্যের সাথে অতিক্রম করে আজ সে চব্বিশ বছরের পূর্ণ যুবক। তার চলাফেরায়, কর্মে, ভবিষ্যৎ ভাবনায় প্রতিনিয়ত অনুভব করা যায় যৌবনের দৃপ্ত পদচারণা। আপন কর্মে সে আপনার করে নিয়েছে অসহায় রোগীকে। আন্তরিকতা ভালোবাসা দিয়ে কাছে টেনে নিয়ে চলেছে আর্ত, রোগগ্রস্ত মানুষকে। অঞ্চলের সকল শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সাহায্য সহযোগিতায় নিমতা ও পারিপার্শ্বিক এলাকাবাসীর কাছে সে এখন পরম ভরসা, নির্ভরতার এক জায়গা।
ডাঃ অমিতাভ বসু (মানিক) র আকস্মিক প্রয়াণের পর তাঁর আদর্শ, কর্মকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে নিমতা ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতিরক্ষা কমিটি গঠিত হয়েছিল - একথা সকলেরই জানা। স্মৃতিরক্ষা কমিটির দক্ষ পরিচালনায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র আজ তেইশ বছর অতিক্রম করে চব্বিশ বছরে পদার্পণ করলো। আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।
এদিন সকাল দশটায় স্মৃতিরক্ষা কমিটির সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষেরা একত্রিত হন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মূল ভবনের সামনে। ডাঃ অমিতাভ বসুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করেন সংগঠনের সভাপতি ডাঃ জ্যোতিপ্রসাদ ব্যানার্জি মহাশয়। এরপর একে একে উপস্থিত সকল সদস্য সদস্যা, ডাক্তারবাবুরা, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মীবৃন্দ, রোগী ও রোগীর পরিজনেরা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকলের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বক্তব্য রাখেন ডাঃ জ্যোতিপ্রসাদ ব্যানার্জি মহাশয়। তাঁর কথায়, একটা সময় নিমতা অঞ্চলে এই ধরনের প্রচুর চিকিৎসা কেন্দ্রিক সংগঠন গড়ে ওঠে এবং বেশ কয়েক বছর কাজ করার পরে সেই সমস্ত সংস্থার এখন কোন অস্তিত্ব নজরে পড়ে না। অথচ ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতি স্বাস্থ্যরক্ষা কেন্দ্র বিগত তেইশ বছর ধরে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। তবে এতেই আমাদের সন্তুষ্ট হলে চলবে না, থেমে থাকলে চলবে না। অনেক বাধা, অনেক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতি স্বাস্থ্যরক্ষা কেন্দ্র আজ চিকিৎসা পরিষেবায় এলাকার মানুষের কাছে এক গ্রহনযোগ্য বিকল্প। একে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সচেষ্ট হতে হবে। এরপর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
*।।স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠান।।*
গত ১ মার্চ ২০২৬, রবিবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিনের প্রধান অনুষ্ঠান সূচি ছিল প্রবীণ নাগরিকদের হাঁটা প্রতিযোগিতা, শিশু কিশোর কিশোরীদের বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা, স্বাস্থ্য শিবির, পুরস্কার বিতরণ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বর্ষ সেরা কর্মীকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে রক্তদাতাদের সম্মাননা প্রদান এবং প্রতি বছরের ন্যায় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির।
প্রবীণ নাগরিকদের হাঁটা প্রতিযোগিতা শুরু হয় ঠিক সকাল সাতটা বেজে পনেরো মিনিটে নিমতা হাই স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে। সংগঠনের সভাপতি শ্রী জ্যোতিপ্রসাদ ব্যানার্জী মহাশয় বাঁশি বাজিয়ে হাঁটা প্রতিযোগিতার শুভ সূচনা করেন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি সহ সংগঠনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ২০১ জন প্রবীণ প্রতিযোগী অংশ গ্রহণ করেন এবারের প্রতিযোগিতায়। হাঁটা প্রতিযোগিতা শেষ হয় উত্তর নিমতার অন্তর্গত 'নিমতা অশোক সমিতি' ক্লাবে। ক্লাবের পরিচালনায় সকল প্রতিযোগীকে সুন্দরভাবে আপ্যায়িত করা হয়। এরপর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তরফে সকল প্রতিযোগীর হাতে সামান্য উপহার তুলে দেওয়া হয়।
সকাল দশটায় সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করে মূল অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন সংগঠনের সভাপতি ডাঃ জ্যোতিপ্রসাদ ব্যানার্জী মহাশয়। এরপর ডাঃ অমিতাভ বসুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ। স্কুল প্রাঙ্গণের নিকটে স্থাপিত ছন্দের জাদুকর কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের মর্মর মূর্তিতেও মাল্যদান করা হয়।
সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয় ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। ৩৮৮ জন শিশু, কিশোর কিশোরী বয়স অনুযায়ী তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে আজকের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিযোগিতা শেষ হয় সাড়ে বারোটায়।
সকাল সাড়ে দশটায় একই সঙ্গে শুরু হয় স্বাস্থ্য শিবির। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী স্বাস্থ্য শিবিরে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা পরিষেবা, চক্ষু পরীক্ষা, রেটিনা ও গ্লুকোমা পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অধিকাংশ ডাক্তারবাবু তাঁদের মূল্যবান সময় ব্যয় করেন এই স্বাস্থ্য শিবিরে। প্রয়োজনে সুলভে ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা ও ছিল স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তরফে। সকল প্রকার রক্ত, মল-মূত্র পরীক্ষা, এক্স-রে, অডিওমেট্রিসহ কানের সকল প্রকার পরীক্ষা এবং পিএফটি, বিএমডি, এনসিভি, ইসিজি পরীক্ষায় পঞ্চাশ শতাংশ ছাড়, এছাড়া বিনামূল্যে বি এম আই (Body Mass Index) পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল এদিনের স্বাস্থ্য শিবিরে।
এখানে এদিন HbA1c, সুগার Fasting সহ সকল প্রকার রক্ত পরীক্ষা করা হয়। ১০৪ জন রোগী ডায়াবেটিকসহ বিভিন্ন ধরনের রক্ত পরীক্ষা করান। বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহন করেন ৫৪ জন রোগী। এদিন ৭২ জন রোগী এক্স-রে, ৪৩ জন USG, ২২ জন ECG, PFT করান ৪ জন, NCV ও EEG করান তিনজন রোগী। চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে ৭১ জন মানুষ চক্ষু পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে ৯৮ জন দাতা রক্তদান করে তাঁদের মহানুভবতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দেন। এবারে আমরা আমাদের রক্তদান অনুষ্ঠানে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে পারিনি কারণ হয়তোবা একই দিনে নিমতা অঞ্চলে আরো দুটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। তবুও যে সমস্ত রক্তদাতা আজকের শিবিরে রক্তদান করেছেন তাদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা। ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতি স্বাস্থ্যরক্ষা কেন্দ্র আয়োজিত প্রতিবারের রক্তদান অনুষ্ঠানে এক আশ্চর্য ঘটনা হলো একজন বিশেষভাবে সক্ষম যুবক হুইল চেয়ারে করে এসে আমাদের শিবিরে রক্তদান করে যান। এবারের শিবিরে তিনি প্রথমে ডাঃ অমিতাভ বসুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন এবং তারপর রক্ত দান করেন। এই মানুষটির জন্য কোন প্রশাংসাই যথেষ্ট নয় বলে আমরা মনে করি। আমরা সংগঠনের তরফ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই এই মহানুভব ব্যক্তিকে।
এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেন প্রখ্যাত নাট্যকার, পরিচালক ও অভিনেতা মাননীয় শ্রী সৌমিত্র বসু মহাশয়। শ্রী সৌমিত্র বসু মহাশয় তাঁর স্বল্প বক্তৃতায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভুয়সী প্রশংসা ও উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন। পরিশেষে তিনি কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি ছোট্ট কবিতাও আবৃত্তি করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন নিমতা হরদয়াল নাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্রখ্যাত নাট্যকার শ্রী সৌমেন পাল মহাশয়।
সকাল ১১ টায় শুরু হয় স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা 'মানসিক স্বাস্থ্য - মানবিক আবেদন'। অংশগ্রহণ করেন শ্রীমতি সংযুক্তা আচার্য, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, শ্রীমতি চিরশ্রী দত্ত, রিহ্যাবিলিটেশন সাইকোলজিস্ট ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ পলাশ দাশ। অনুষ্ঠানটি সংযোজনা করেন ডাঃ পলাশ দাশ। শ্রীমতি সংযুক্তা আচার্য এবং শ্রীমতি চিরশ্রী দত্ত তাঁদের বক্তব্যে বর্তমান সমাজে মোবাইল ফোনের ব্যবহার এবং ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের প্রতি তাদের অভিভাবকদের বিশেষভাবে দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ করেন। ডাঃ পলাশ দাশ তাঁর বক্তব্যে বর্তমান সময়ে মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার কথা বলেন এবং আজকের সভায় আলোচিত বিষয়গুলো সম্পর্কে সকলকে যত্নবান হতে বলেন।
গত ২২ নভেম্বর, ২০২৫ এ সারা রাজ্য জুড়ে রক্তের সংকট মোচনে খুব অল্প সময়ে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে যে ৫৫ জন সহৃদয় ব্যক্তি তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করেন তাদেরকে এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সম্বর্ধিত করা হয়। এরপর প্রবীণ নাগরিকদের হাঁটা প্রতিযোগিতা এবং ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
নিমতা ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতিরক্ষা কমিটি পরিচালিত ডাক্তার অমিতাভ বসু স্মৃতি স্বাস্থ্যরক্ষা কেন্দ্রের কর্মীদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বর্ষসেরা কর্মীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। শ্রীমতি মাধবী মজুমদার সর্বসম্মতিক্রমে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। শ্রীমতি মাধবী মজুমদারের হাতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পক্ষ থেকে প্রদেয় পুষ্পস্তবক, শংসাপত্র এবং নগদ অর্থ তুলে দেন স্থানীয় বিধায়ক শ্রীমতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মহাশয়া। শ্রীমতি ভট্টাচার্য শ্রীমতি মজুমদারের কর্ম দক্ষতার ভুয়সী প্রশংসা করেন।
এরপর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মকান্ডের খবরাখবর সম্বলিত নিজস্ব পত্রিকা 'দায়বদ্ধতার খন্ডচিত্র' এবং স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় পত্রিকা 'স্বাস্থ্যের সন্ধানে' র আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীমতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দায়বদ্ধতার খন্ডচিত্রে তাঁর শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেছেন।
বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও পৌরপ্রধান শ্রী বিধান বিশ্বাস এবং প্রধান অতিথি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, উত্তর দমদম বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মাননীয়া শ্রীমতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মহাশয়া, উত্তর দমদম পৌরসভার পৌরপিতা ও পৌরমাতাগণ উপস্থিত হন। শ্রী বিধান বিশ্বাস মহাশয় তাঁর বক্তৃতায় ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতি স্বাস্থ্যরক্ষা কেন্দ্র যে এলাকার মানুষের কাছে এক পরম নির্ভরতার জায়গা তা উল্লেখ করেন। শ্রীমতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তাঁর বক্তৃতায় সমাজ জীবনে ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতি স্বাস্থ্যরক্ষা কেন্দ্রের মতো সংগঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
প্রতি বছর এই দিনটা আসে একটি বছর করে বয়স বাড়ে সংগঠনের। আমরাও আরো পরিণত হই। নিমতা ডাঃ অমিতাভ বসু স্মৃতিরক্ষা কমিটি আরো অভিজ্ঞতা লাভ করে মানুষের কাছে পৌঁছয় প্রতিনিয়ত নতুন নতুন স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে। এলাকার মানুষকে আরো বেশি সুন্দর স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। সর্বসাধারণের কাছে আমাদের বিনীত আবেদন, আপনারা আমাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন, আমাদের বা আমাদের কর্মীদের ভুলত্রুটি, ভালো-মন্দ নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করুন যাতে আমরা আরো বেশি সংশোধিত হতে পারি এবং এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি ঘটাতে সক্ষম হই। আপনাদের সাহায্য সহযোগিতা আমাদের একমাত্র পাথেয়। 🙏