Dr Indranil Saha

Dr Indranil Saha Dr. Indranil Saha’s focus is on providing the best medical care for hopeful couples.
(2)

প্রেগনেন্সি #ইন্দ্রনীলকিছু বিজ্ঞাপণের মাথামুন্ডু থাকে না। পেটে হাত দিয়ে বেবী বাম্প দেখাচ্ছে, এদিকে কিট দিয়ে প্রেগনেন্স...
07/02/2026

প্রেগনেন্সি
#ইন্দ্রনীল

কিছু বিজ্ঞাপণের মাথামুন্ডু থাকে না। পেটে হাত দিয়ে বেবী বাম্প দেখাচ্ছে, এদিকে কিট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করছে! আরে বাবা, মা মাসীদের সামনে দাঁড়েলেই তো বলে দেবে, ও মা তুই পোয়াতি!

একবার এক পেশেন্ট এসেছিল, চার মাসের প্রেগন্যান্ট। প্রেগনেন্সি নিয়ে নানা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলো। আমি জিজ্ঞেস কোনও অসুবিধে আছে? না স্যার, শুধু পিরিয়ড চার মাস বন্ধ।

প্রেগনেন্সি হচ্ছে একমাত্র সময় যখন জল ভাঙ্গে। পেশেন্ট দের সাথে আমার ফোনালাপ শুনে আমার মেয়ে এক সময় ভাবতো,তার বাবাই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী বাবা যে জলও ভাঙতে পারে।

একবার ইমার্জেন্সী সিজার করবো, হবু মাকে বিটাডিন ( betadine) দিয়ে অপারেশনের জায়গাটা পরিষ্কার করছি, নজরে পড়লো পুরো পেটটা লাল। আমরা সবাই মহা চিন্তিত। কোন ওষুধের রিয়াকশন হলো ভাবছি। আমাদের ওই অসহায় অবস্থা দেখে মা জানাল, ' আজ নতুন লাল শায়া পরে সাধ খেয়েছি তাই মনে হয় রং উঠে পেটটা লাল হয়ে গেছে।

কনগ্রাচুলেশন, তোর ছেলে হয়েছে। মা একগাল হেসে বললো, ' আমি জানতাম। আপনি ভগবানের কাছে কত প্রার্থনা করলেন বেটা দিন, বেটা দিন।' কিছুক্ষন পরে ব্যাপারটা পরিষ্কার হলো। আমি নার্সের কাছে বিটাডিন ( beta din) চাইছিলাম।
প্রেগনেন্সি নিয়ে আপনার ভাঁড়ারে মজার কিছু থাকলে জানান।

07/02/2026
রোজ ডে।যে রোজ মনে রাখে। অনেক দূর চলে গেলেও।💕ছবি: Jayanta Biswas
07/02/2026

রোজ ডে।যে রোজ মনে রাখে। অনেক দূর চলে গেলেও।💕

ছবি: Jayanta Biswas

06/02/2026

গর্ভপাত বা হলে যে কোন মহিলা নিজেকে দায়ী করতে শুরু করেন। বাড়ির লোকজন ও তার দিকে আঙুল তোলে। কিন্তু...

পরিবার তৈরী করাই আমাদের কাজ।
05/02/2026

পরিবার তৈরী করাই আমাদের কাজ।

05/02/2026

এক টুকরো নারী কথা

ডাঃ সেবন্তি গোস্বামী

গতকাল একটি নববিবাহিত দম্পতি আমার চেম্বারে আসেন ভদ্রলোকের বয়স ৩৫ মেয়েটি কুড়ি। এসেই ভদ্রলোক বলেন আমরা সদ্যবিবাহিত তাই এখন বাচ্চা নিতে চাই না। কি ব্যবস্থা নিতে পারি?
আমাদের দেশে খুব কম লোকই এই পরামর্শের জন্য আসেন। এলে আমাদের জনসংখ্যা এমন বিপুল হতো না। তা যাই হোক দু-একটা কথা এগোনোর পরে ভদ্রলোক বলেন কেন চাইনা সেটা বলে দিই। এটি আমার দ্বিতীয় বিবাহ। আমার প্রথম স্ত্রী দুমাস আগে সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যান। একটু থেমে আবার বলেন ইনি আমার প্রথম স্ত্রীর ছোট বোন। দিদির মৃত্যুর পর সবাই ভাবল বাচ্চাটাকে কে দেখবে ?আমারই বা কি হবে এবং মায়ের সবথেকে ভালো রিপ্লেসমেন্ট মাসী ই হতে পারে।
তাই এই কুড়ি বছরের সদ্য ফোটা যুবতী মেয়েটি তার পড়াশোনা ছেড়ে সদ্যোজাতর মায়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন। সবেমাত্র বছর খানেক ইংলিশ অনার্স নিয়ে পড়তে শুরু করেছিলেন। কিন্তু এমনই আমাদের সমাজের চাপ যে তাকে তার পাঠ্য বইয়ের শিকড় থেকে উপরে নিয়ে একটি সদ্যোজাতর মায়ের ভূমিকা পালন করার জন্য এবং প্রাক্তন জামাইবাবুর জৈবিক সমস্যার সমাধানের জন্য নিযুক্ত করা হলো ।এই সমস্যার আর কোন ভালো সমাধান পাওয়া যায়নি। তাছাড়া সবাই নাকি বললেন এমন ভালো বর হঠাৎ করে আর কোথায় বা পাওয়া যাবে?
মেয়েটি সদ্য বিয়ের নতুন পাঠভাঙ্গা শাড়িতে প্রায় ১৫ বছরের বড় স্বামী ওরফে প্রাক্তন জামাইবাবুর পাশে জড়োসড় হয়ে সারাক্ষণ বসে রইল। মাঝে মাঝে করুণ মুখে ছলছল চোখে আমার দিকে তাকালো ।তার কোন বক্তব্যই ছিল না।

এই হঠাৎ মাতৃভূমিকা এবং সংসারের যাবতীয় দায়িত্বের মধ্যে ফেলে দেবার আগে কি কেউ তাকে জিজ্ঞেস করেছিল সে এই মুহূর্তে পড়াশোনা ছেড়ে এই জীবন চায় কিনা? সে আদৌ এই বিয়েটা করতে চায় কিনা? তার মনে অন্য কেউ অলরেডি জায়গা করে নিয়েছে কিনা?
মেয়েটির মুখ ও ভাব ভঙ্গিমা দেখে তো মনে হলো না এগুলো কেউ তাকে জিজ্ঞেস করেছে।

আর কদিন বাদেই আমাদের সগর্বে নামাঙ্কিত নারী দিবস। সেদিন উইমেন এমপাওয়ারমেন্টের ধ্বজা উড়িয়ে জ্বালাময়ী ও উদ্দীপক বহু বক্তৃতা শুনবো, গোলাপে গোলাপে হয়তো আমার টেবিলও ছেয়ে যাবে। কেউ ভাববে না যে কত কত জায়গায় আজও নারীদের প্রাথমিক সম্মতির ব্যাপারটা কতটা অবহেলিত!

আজকের এই দম্পতিকে দেখে আমার ৯০ এর দশকের একটি বলিউড ব্লক বাস্টার 'দিদি তেরা দেওয়ার দিওয়ানার' কথা মনে পড়ে গেল ।এই ছবিটা যখন দেখি তখন আমি হাউজ সার্জেন। কৈশোর পেরিয়ে যৌবনের কোঠায় পা রেখেছি, সমাজচিন্তার ভারে মন তখনো এত ভারাক্রান্ত হয়নি। (আপনারা যারা যারা এই সিনেমা দেখেছেন নিশ্চয়ই মনে আছে) আমারও মনে হয়েছিল কেউ কি মাধুরী দীক্ষিতকে জিজ্ঞেস করছে না সে এরকম একটা বিয়ে অবস্থার চাপে পড়ে করতে চায় কিনা? শেষমেষ মাধুরি অবশ্যই রক্ষা পেয়েছিল তার বিশাল হৃদয় জামাইবাবুর মধ্যস্থতায় তবে এই মেয়েটি পায়নি।

সব সিনেমাই জীবন থেকে তৈরি হয়। তবে সব জীবন তো সিনেমা হয় না!

04/02/2026


আমার ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকে

অর্কপ্রভ সিনহা

চিকিৎসা শাস্ত্রে পদার্পণ করার দিনটা এক যুগ পার করলেও মূলত কর্কটশাস্ত্রে হাতে খড়ি আমার, নিতান্তই হালের। এই তো বছর চারেক আগে, যখন স্নাতকোত্তর রেডিয়েশন অনকোলজি পড়ার সুযোগ এসেছিল প্রথম, সেই তখন থেকেই এই ভাবনাটা কেমন যেন জুড়ে গিয়েছিল মনের ভিতর। ক্যান্সার হওয়া মানেই, মানুষটা এক ভিনগ্রহের প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়। তার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনদের চোখে তার প্রথম পরিচয় হয়ে দাঁড়ায়, সে ক্যান্সার পেসেন্ট। এ কথা হার্ট ডিজিস, লাং ডিজিস, কিডনি বা লিভারের সমস্যার ক্ষেত্রে খাটে না। তাই রোগীদের সাথে মিশতে মিশতে কবে কিভাবে কেজানে, এই কর্কট রোগাক্রান্ত মানুষদের আমিও একটু অন্য চোখে দেখা শুরু করি। দে নিড স্পেশাল কেয়ার, স্পেশাল আ্যটেনশন, লাইফটাইম রিহ্যাবিলিটেশন.. এসব শুনতে শুনতে কিকরে কিজানি ওঁরা একজন মানুষের চেয়ে বেশি পেসেন্ট হিসেবেই আমার কাছে বেশি ধরা পড়তে থাকেন। কিন্তু ওই যে বলে, জীবন বা বিধাতা বা অদৃষ্ট আগে ঘটনার সম্মুখীন করে। তারপর শিক্ষা দেয়। আমার ক্ষেত্রেও হলো ঠিক তাই।

টাটা মেডিকাল সেন্টারের মেডিকাল অনকোলজির প্রাইভেট ওয়ার্ডে এক আটান্ন বছরের মহিলা ভর্তি হলেন। চতুর্থ স্টেজের ব্রেস্ট ক্যান্সারের রোগী। আগের কেমো তে কাজ হয়নি। রোগ ব্রেনে ছড়িয়েছে। তা থেকেই খিচুনি আর বমি। সেই কমপ্লেন নিয়েই ভর্তি। ঝাঁ চকচকে বিলাস বহুল প্রাইভেট কেবিনে এই অলমোস্ট পঙ্গু রোগিনীর অবস্থান বড্ড বেমানান। সঙ্গে একজন মাইনে প্রাপ্ত এটেন্ডেন্ট। বাড়ির লোক একজনও নেই। ভদ্রমহিলার সেন্স একটু ধুসর হলেও হিস্ট্রি কিন্তু তিনিই দিলেন। ব্রেন মেটাস্টেসিস। তবু স্মৃতিভ্রম হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানলাম, বাড়ির লোক একটু বেশিই ভালোভাবে কাউন্সেল্ড। তারা জানেন, রোগিনীর আয়ু বেশিদিন না। নিউটাউনেই বাড়ি, তবু উপস্থিত নাই থাকুন হসপিটালে। বিত্তবান পরিবার, টাটা মেডিকালের প্রাইভেট ওয়ার্ডে অনির্দিষ্ট কালের জন্য রুম বুক করে দিয়েছেন, সঙ্গে চব্বিশ ঘণ্টার এটেন্ডেন্ট রেখেছেন। আর কী চাই।

তো দিন গেলো, জানা গেলো পেটসিটিতে। ব্রেন না শুধু। বোন লিভার লাং, প্রায় সব অংশেই ছড়িয়েছে ক্যান্সার। আমি অনকোলজিস্ট। এই কেস শুনে যা অনেকের কাছে “গন্ কেস” হয়ে দাঁড়ায়, সেখানেই শুরু হয় আমাদের ভূমিকা। তাই, থার্ড লাইন কেমোর প্ল্যান করে ফেলি আমরা। কিন্তু সেখানেও নতুন এক বিপত্তি। কনসেন্ট দেওয়ার মতো কোনো ফ্যামিলি মেম্বার নেই। তাদের অনুপস্থিতিতে বা কনসেন্টের অভাবে কেমো দেওয়া যে মেডিকো লিগাল অপরাধ। বিরক্ত হলাম খুব, দিন যায় একের পর এক। জিজ্ঞেস করলাম, ছেলে কোথায় আপনার? তাকে আসতে বলুন। ভদ্রমহিলা হাসি মুখ করে বললেন, “আমার ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকে”। সেই হাসিতে দুঃখ যেন কিঞ্চিৎ কম, আত্মশ্লাঘা কিছু অংশে বেশি। ব্রেনে ক্যান্সার ছড়ালে কি হবে, ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকে, এই গর্ব যেন মারণরোগকেও হার মানায়। প্রতিদিন আমি চেষ্টা করি ওঁর বাড়ির লোককে কন্ট্যাক্ট করতে, আর রোজ শুনি আমার ছেলে অস্ট্রেলিয়া তে থাকে। একদিন জিজ্ঞেস করলাম, অস্ট্রেলিয়াতে কোথায় বলুন তো? ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন মহিলা। সেন্স একটু একটু করে লোপ পাচ্ছে বলে, নাকি অস্ট্রেলিয়ায় ছেলের থাকাটাই ওনার কাছে যথেষ্ট বলে জানিনা, এই প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর চেয়ে থাকেন। জানতে চাই, ফোনে বা ভিডিও কলে আমার সাথে কথা বলিয়ে দিতে পারবেন? এবার বিরক্ত হয়ে বলেন তিনি, ও খুব ব্যস্ত, ফোন করার সময় পায়না।
ওই যে বললাম, জীবন আগে পরিস্থিতির সম্মুখীন করে, পরে শিক্ষা দেয়। ঠিক এই কথা যে আমি দুদিন আগেই শুনেছি। রাগ করেছিলেন একজন, আমি সারাদিন ফোন করিনা বলে। আমার টাটাতে মেডিকাল অনকোলজি পড়বার কথা তো তিনিও ঠিক ওইরকমই হাসি মুখে গর্ব করে বলেন। তার বয়সও তো আমার রোগিনীর মতোই।
কোন যাদুবলে জানিনা, সেই রোগিনীর মধ্যে আমিও সেই মানুষটাকে পেলাম, নাকি তিনি আমার মধ্যে কোনো এক অস্ট্রেলিয়বাসী কে খুঁজে পেলেন কি জানি, আমার রোগিনীর সাথে গড়ে উঠলো এক নতুন সখ্য। কেমন করে যেন টাকমাথা, বিছানার সাথে প্রায় মিশে যাওয়া মানুষটা সামনে এলেন, ক্যান্সার পেসেন্টকে পিছনে ফেলে। ডাক্তার আর রোগী? নাকি দুটো মানুষ একাকার হয়ে যেতে লাগলো রোজ। রাউন্ডের মাঝে মাঝেই চলতে লাগলো বাড়ির কত গল্প, কত কথা। কেনো এই বিভেদ, কেনো তারা আসেন না, বাংলাদেশের কোথায় তাদের আদি বাড়ি, টাটা মেডিক্যালে আমি কি পড়ি ইত্যাদি ইত্যাদি।

আমি শুনেছি, আমার এই লেখা গুলো পড়ে অনেকে দুঃখ পান। একজন অনকলোজিস্টের জীবন যেন খালি মৃত্যু আর হতাশা পরিবেষ্টিত। কিন্তু বিশ্বাস করুন আমার অভিজ্ঞতার এই রোজনামচার গল্প, মেলোড্রমাটিক, ট্র্যাজিক স্টোরি না, খালি নিজের বিবেকের মুখোমুখি নিজেকে আর পাঠককে দাঁড় করানোর এক প্রচেষ্টা। সত্যি ভেবে বলুন তো? আপনিও কি সত্যি চান, নিজের শেষ সময়ে নিজের প্রিয়জনের থেকে এই আকাশ পাতাল দূরত্ব। পেসেন্ট সত্ত্বার চেয়ে অনেক অনেক আগে যে মানব সত্ত্বা স্থান পায়, তার হদিশ পাওয়াই কি একজন চিকিৎসকের একম অদ্বিতীয়ম লক্ষ্য হওয়া উচিৎ নয়? কী জানি.. জীবন ফকির শেখানো যে কখনোই বন্ধ করেননা।

ওহ হো, ভুলেই গেছি বলতে। আজ সকালে গিয়ে দেখি, প্রাইভেট ওয়ার্ডের রুম নাম্বার থারটি নাইন ফাঁকা। ওনার ছেলে অস্ট্রেলিয়াতেই আছেন। আসতে পারেননি। কিন্তু উনি চলে গেছেন আরো অনেক দূর দেশে। সব জমাটবাঁধা গল্প আর কষ্ট সঙ্গে নিয়ে। রুম থারটি নাইনের বেডশিট চেঞ্জ করা হচ্ছে। রুম ক্লিনিং চলছে পুরোদমে। নতুন পেসেন্ট এডমিট হবেন যে….

অর্কপ্রভ সিনহা

04/02/2026

চেহারা নিয়ে উপহাস আমি যেমন কাউকে করবো না তেমনি কেউ করলে সহ্যও করব না। আমাদের বড়দের উচিত বাচ্চাদেরকে বডি সেমিং থেকে রক্ষা করা এবং তাদেরকে শেখানো যদি কেউ করে তুমি প্রতিবাদ করো।

Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Indranil Saha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Indranil Saha:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram