Service Doctors' Forum

Service Doctors' Forum Common Platform for Doctors to Unite for Community Causes

18/04/2026

সম্প্রতি কলকাতার একজন চিকিৎসক ডা: পি কে হাজরা যেভাবে প্রকাশ্যে বিজ্ঞাপন দিয়ে বলেছেন জয় শ্রীরাম ধ্বনি উচ্চারণ করলে কোন রোগীকে ৫০০ টাকা ছাড় দেবেন । এই মর্মে তিনি যে "জয় শ্রীরাম স্কীম " চালু করেছেন তা কার্যত মেডিকেল এথিকস ও কোড অফ কন্ডাক্ট এর বিরোধী । হিপোক্রেটিক ওথ এর পরিপন্থী এবং মেডিকেল কাউন্সিল প্রদত্ত প্রফেশনাল কন্ডাক্ট এথিক্স এন্ড এটিকেট রেগুলেশনেরও ঘোরতর পরিপন্থী। ঐ চিকিৎসক কার্যত তার এই কাজের মধ্য দিয়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত নীতি-নৈতিকতা এবং নিয়ম ভঙ্গ করেছেন। সর্বোপরি তার এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে চিকিৎসা পেশার মহান আদর্শকে ভুলুঠিত করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতীক দেখিয়ে ভোট দেওয়ার কথা ও তিনি বলেছেন ফলে তিনি নির্বাচনবিধিও ভঙ্গ করেছেন।
আমরা মনে করি একজন চিকিৎসকের কাছে রোগীর পরিচয় কেবলমাত্র তার রোগ দিয়েই। তার সামাজিক অবস্থান জাতি ধর্ম ভাষা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে প্রতিটি রোগী একজন চিকিৎসকের কাছে সমান গুরুত্ব পাওয়ার কথা। বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যেভাবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার উভয়েই স্বাস্থ্যকে ব্যবসায়ীদের মুনাফা লুণ্ঠনের জায়গায় পরিণত করেছে, তার পরিণতিতে মেডিকেল এথিক্স পদে পদে লঙ্ঘিত হচ্ছে। সম্প্রতি ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন মেডিকেল শিক্ষার গেরুয়াকরণেরও চেষ্টা চালাচ্ছে। ডাক্তার হাজরার এই কর্মকাণ্ড চিকিৎসা ব্যবস্থার গৈরিকীকরনেরই প্রতীক হিসাবে আমরা দেখছি। যা সমগ্র চিকিৎসা জগতকেই হতচকিত, অপমানিত এবং বিচলিত করে তুলেছে। সমগ্র চিকিৎসা জগতের পক্ষ থেকে তার এই চূড়ান্ত অনৈতিক কাজের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এবং অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আমরা সার্ভিস ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন এবং ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশনের চেয়ারম্যান কে আজ একটি প্রতিবাদ পত্র পাঠালাম। মেডিকেল এথিক্স বিরোধী যে কোন কাজের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য চিকিৎসক সমাজের কাছে আবেদন জানানো হয়।

সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম

সম্প্রতি বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইজিং অথরিটি এক নির্দেশে বলেছে ১লা এপ্র...
13/04/2026

সম্প্রতি বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইজিং অথরিটি এক নির্দেশে বলেছে ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৯০০ টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্যের উপর হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স ০. ৬৫ শতাংশ ওষুধ কোম্পানিগুলি বৃদ্ধি করতে পারবে। এরমধ্যে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, এন্টিবায়োটিকস, অ্যানালজেসিক অর্থাৎ ব্যথা উপশমের ওষুধ, অ্যান্টাসিড, কার্ডিয়াকস্টেন্ট সহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামও রয়েছে। যা প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ মানুষকে ব্যবহার করতে হয়। এইসব ওষুধের মূল্য এক ধাক্কায় এতটা বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হবে।
কেন্দ্রীয় সরকার যতই যুদ্ধের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধির কথা বলুক না কেন আমরা লক্ষ্য করছি প্রতিবছরই ১লা এপ্রিল থেকে হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স বাড়ানো হয়েছে। মেমন ২০২২ সালে এই বৃদ্ধি ছিল ১০.৭৬ শতাংশ, ২০২৩ সালে ১২.১২, ২০১৪ সালের এই বৃদ্ধির হার ছিল . ০ ০৫ শতাংশ এবং ২০২৫ সালের এই বৃদ্ধির হার ছিল ১.৭৪ শতাংশ। ফলে ইতিপূর্বে ওষুধের বাজার মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েই আছে। তার উপরে এ বছর আবার .৬৫% বৃদ্ধি পেলে তা টাকার মূল্যে অনেক বেশি।
ফলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার দফায় দফায় ওষুধের মূল্য যথেচ্ছ ভাবে বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে যার ফলে ওষুধের বাজার মূল্য আজ আকাশ ছোঁয়া হয়ে উঠেছে। বহু মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ধিক্কার জানাচ্ছি প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
সার্ভিস ডক্টরস ফোরাম

02/04/2026

সম্প্রতি বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইজিং অথরিটি এক নির্দেশে বলেছে ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৯০০ টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্যের উপর হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স ০. ৬৫ শতাংশ ওষুধ কোম্পানিগুলি বৃদ্ধি করতে পারবে। এরমধ্যে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, এন্টিবায়োটিকস, অ্যানালজেসিক অর্থাৎ ব্যথা উপশমের ওষুধ, অ্যান্টাসিড, কার্ডিয়াকস্টেন্ট সহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামও রয়েছে। যা প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ মানুষকে ব্যবহার করতে হয়। এইসব ওষুধের মূল্য এক ধাক্কায় এতটা বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হবে।
কেন্দ্রীয় সরকার যতই যুদ্ধের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধির কথা বলুক না কেন আমরা লক্ষ্য করছি প্রতিবছরই ১লা এপ্রিল থেকে হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স বাড়ানো হয়েছে। মেমন ২০২২ সালে এই বৃদ্ধি ছিল ১০.৭৬ শতাংশ, ২০২৩ সালে ১২.১২, ২০১৪ সালের এই বৃদ্ধির হার ছিল . ০ ০৫ শতাংশ এবং ২০২৫ সালের এই বৃদ্ধির হার ছিল ১.৭৪ শতাংশ। ফলে ইতিপূর্বে ওষুধের বাজার মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েই আছে। তার উপরে এ বছর আবার .৬৫% বৃদ্ধি পেলে তা টাকার মূল্যে অনেক বেশি।
ফলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার দফায় দফায় ওষুধের মূল্য যথেচ্ছ ভাবে বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে যার ফলে ওষুধের বাজার মূল্য আজ আকাশ ছোঁয়া হয়ে উঠেছে। বহু মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ধিক্কার জানাচ্ছি প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
অধ্যাপক( ডা:): দুর্গাপ্রসাদ চক্রবর্তী
সার্ভিস ডক্টরস ফোরাম।

28/03/2026

আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি রাজ্যের সর্বত্রই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে শুরু করে মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত ডাক্তার নার্স স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বরাদ্দকৃত কোয়াটার গুলির কি ভগ্নদশা! যেকোনো সময়েই যে কোনো জায়গায় কেতুগ্রাম ব্লক হাসপাতালের মত মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে।

সর্বোপরি আমরা জানতে পারলাম কেতুগ্রাম হাসপাতালের ওই ফার্মাসিস্ট তিনি কর্তৃপক্ষকে বারংবার তার কোয়াটারের ভগ্ন দশার কথা জানিয়েছেন কিন্তু কোন সুরাহা হয়নি। আমরা মনে করি কর্তৃপক্ষ সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে এই ছোট্ট শিশুটির ভয়ংকর তম মৃত্যুর ঘটনা এড়ানো যেত।
তাই আমরা আজ স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে চিঠি দিয়ে দাবী জানিয়েছি -- অবিলম্বে এই ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত করতে হবে। এবং যাদের গাফিলতিতে এই ঘটনা, তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এবং ওই পরিবারকে উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পাশাপাশি আমরা দাবি জানিয়েছি -- রাজ্যজুড়ে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কোয়াটারগুলোর যে ভগ্নদশা অবিলম্বে তা মেরামতের ব্যবস্থা করতে হবে। কোয়ার্টার অনুপযুক্ত হলে কোন স্বাস্থ্য কর্মীর কাছ থেকে হাউস রেন্ট কাটা যাবে না। দাবি মানা না হলে আমরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবো।

সার্ভিস ডক্টরস ফোরাম

23/03/2026

জরুরী বিভাগে রোগীদের বাথরুম না থাকায় শ্বাসকষ্টের রোগী সুলভসৌচালয় ব্যবহার করতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু।
পরিকাঠামো ঘটতি ও চূড়ান্ত অব্যবস্থার জন্যই লিফ্টে আটকে মৃত্যুর পরে আবারো একজনের এই মর্মান্তিক মৃত্যু।
SDF এর তীব্র প্রতিবাদ।

21/03/2026

গত ১৯শে মার্চ গভীর রাতে আরজিকর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য আসা একজন রোগীর পিতার হাসপাতালেরই লিফট দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ওই সময় কোন লিফ্টমেন বা সিকিউরিটি যাদের থাকার কথা ছিল তারা কেউই উপস্থিত ছিল না। এবং দীর্ঘক্ষণ লিফটে আটকে থাকা সত্বেও এবং বাড়ির লোকজন সাহায্যের জন্য চিৎকার করা সত্বেও কেউ উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি।
এই ঘটনা জনমানষে আবারো অভয়া কাণ্ডের স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে। অভয়াকান্ডের পরে স্বতঃস্ফূর্ত ঐতিহাসিক আন্দোলন যা শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয় সারা ভারতবর্ষ জুড়েই ছড়িয়ে পড়েছিল এবং এখনো আমরা আন্দোলনে রয়েছি । সেখানে অভয়ার ন্যায়বিচারের সাথে সাথে ডাক্তার নার্স স্বাস্থ্যকর্মী সহ রোগী, রোগীর বাড়ির লোকজনের সেফটি সিকিউরিটির প্রশ্নটাও উঠে এসেছিল। পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবি এসেছিল ।
কিন্তু আমরা হতবাক হলাম দীর্ঘ ১৯ মাস পরেও ঐ হাসপাতালে রোগী বা তার বাড়ির লোকজনের সেফটি সিকিউরিটির অবস্থা আজ কোন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, যার ফলে লিফট এক্সিডেন্টে একজন রোগীর বাড়ির লোকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে! আমরা এই ঘটনার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের সীমাহীন গাফিলতি ও কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত উদাসীনতা এর পেছনে রয়েছে বলে মনে করি।
পাশাপাশি আমরা লক্ষ্য করছি সম্প্রতি ঐতিহ্যমন্ডিত কলকাতা মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতিতে অত্যন্ত নিম্নমানের যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। যার ফলে ওইসব গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে পড়ছে। যার মধ্যে কার্ডিওলজি বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি এবং শিশু বিভাগের যন্ত্রপাতিও রয়েছে । আমরা উদ্বিগ্ন এই ধরনের ভয়ঙ্করতম দুর্নীতির ফলে বহু রোগীর প্রাণ আজ সংকটাপন্ন। এবং ইতিমধ্যে এই ধরনের ভয়ংকর এবং মারণ দুর্নীতির পরিপ্রেক্ষিতে বহু রোগীর চিকিৎসা বিভ্রাট হয়েছে এবং অনেকের মৃত্যু ঘটেছে । আমরা আরো উদ্বিগ্ন এই ধরনের সীমাহীন এবং নিকৃষ্টতম দুর্নীতি যা মানুষের জীবন মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত তা গোটা স্বাস্থ্য দপ্তর জুড়েই চলছে। উপযুক্ত তদন্ত হলে দেখা যাবে বহু ক্ষেত্রেই এই ধরনের ঘটনার নজির পাওয়া যাবে।

আমরা এই দুটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছি। আমরা দাবি জানাচ্ছি এই দুটি ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিতকরণ এবং তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি আমরা জানাচ্ছি। পাশাপাশি লিফট দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তির পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি।

সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম

17/03/2026
16/03/2026

গতকাল (15/03/26)মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সমাজ মাধ্যমে বকেয়া ডিএ প্রদান সম্পর্কে ঘোষণা করেছেন,আজ গত 13/03/26 তারিখে finance department এর ACS এর সই করা একটি আদেশনামা আজ সমাজ মাধ্যমে দেখা গেছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে সার্ভিস ডক্টরস ফোরামের বিবৃতি-

আমাদের সংগঠন সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম এবং সরকারি কর্মচারী শিক্ষক,ডাক্তার, নার্স দের সংগঠনগুলির সম্মিলিত জয়েন্ট মুভমেন্ট ফোরামের (JMF)পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে বকেয়া ডিএ প্রদানের দাবিতে যে লাগাতার আন্দোলন আমরা চালাচ্ছিলাম তার চাপেই ভোটের মুখে রাজ্য সরকার বকেয়া ডি এ প্রদান করার প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে। যা আমাদের আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক জয় বলে আমরা মনে করি।

এই ঘটনা প্রমাণ করলো ধারাবাহিক আন্দোলনের চাপ বজায় রাখলে জয় সুনিশ্চিত। ফলে এখনো আমাদের ২০১৯ এর রোপা অনুযায়ী ও সমস্ত বকেয়া ডি এ এবং এআইসিপিআই অনুযায়ী ডিএ প্রদানের দাবিতে বিজ্ঞানসম্মতভাবে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। সমস্ত চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মী সরকারি কর্মী শিক্ষক এর কাছে আবেদন আজকের এই জয় থেকে শিক্ষা নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যান।

সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম।

15/03/2026

আজ(15/03/26) মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সমাজ মাধ্যমে বকেয়া ডিএ প্রদান সম্পর্কে যে ঘোষণা করেছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের বিবৃতি-

আমাদের সংগঠন সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম এবং সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক,ডাক্তার, নার্স দের সংগঠনগুলির সম্মিলিত জয়েন্ট মুভমেন্ট ফোরামের (JMF)পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে বকেয়া ডিএ প্রদানের দাবিতে যে লাগাতার আন্দোলন আমরা চালাচ্ছিলাম তার চাপেই ভোটের মুখে আজ রাজ্য সরকার বকেয়া ডি এ প্রদান করার প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে। যা আমাদের আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক জয় বলে আমরা মনে করি।
আশা করব মুখ্যমন্ত্রী তার ঘোষণা অনুযায়ী সমস্ত বকেয়া ডি এ প্রদানকে বাস্তবায়িত করবেন।
এই ঘটনা প্রমাণ করলো ধারাবাহিক আন্দোলনের চাপ বজায় রাখলে জয় সুনিশ্চিত। ফলে এখনো আমাদের ২০১৯ এর রোপা অনুযায়ী ও সমস্ত বকেয়া ডি এ এবং এআইসিপিআই অনুযায়ী ডিএ প্রদানের দাবিতে বিজ্ঞানসম্মতভাবে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। সমস্ত চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মী সরকারি কর্মী শিক্ষক এর কাছে আবেদন আজকের এই জয় থেকে শিক্ষা নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যান।

05/03/2026

কাউন্সিলিং না করে SR posting এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য ভবন উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কাউকে মেডিকেল কলেজ, কাউকে প্রান্তিক অঞ্চলের সাব-ডিভিশন বা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পোস্টিং দিয়েছে। SR পোস্টিং এর ক্ষেত্রে ব্যাপক স্বজন পোষণ ও দুর্নীতি হয়েছে। এর ফলে যে সমস্ত চিকিৎসকেরা মেডিকেল কলেজে পোস্টিং পেল না তারা কিন্তু ভবিষ্যতে ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশনের গাইডলাইন মোতাবেক মেডিকেল এডুকেশন সার্ভিস এ যোগ দিতে পারবে না।আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং কাউন্সিলিং এর মাধ্যমেই পোস্টিং পূনঃবিবেচনার জন্য দাবি জানাচ্ছি। দাবী জানাচ্ছি ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেককে ন্যূনতম এক বছর মেডিকেল কলেজে SR সিপ করার সুযোগ দিতে হবে।

এছাড়া দীর্ঘদিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ বন্ধ রাখার ফলে প্রান্তিক অঞ্চলের হাসপাতাল গুলিতে বিশেষজ্ঞ পদের বেশিরভাগই শূন্য পড়ে রয়েছে। ফলে সেখানে চূড়ান্ত সংকট এবং হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। ভোটের আগে চমক দেওয়ার জন্য সরকার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে SR দের কে ওইসব হাসপাতালে পোস্টিং করে দিল।

সার্ভিস ডক্টরস ফোরাম।

Address

9, Creek Row, Kolkata/
Kolkata
700014

Opening Hours

9am - 5pm

Telephone

+919433438768

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Service Doctors' Forum posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Service Doctors' Forum:

Share