Health and Fitness by Nantu

Health and Fitness by Nantu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Health and Fitness by Nantu, Medical and health, Santipur, Krishnagar.

সুস্থ জীবনই সফল জীবনের চাবিকাঠি। 🏋️‍♂️
Fitness is not a destination, it's a lifestyle.
🥗 Eat clean | 💪 Train hard | 😌 Stay positive

কেগেল এক্সারসাইজ: শরীরের ভেতরের গোপন শক্তি! 💫আপনি জানেন কি?মাত্র দিনে কয়েক মিনিট দিলেই পেলভিক ফ্লোর মাংসপেশি শক্তিশালী ...
10/11/2025

কেগেল এক্সারসাইজ: শরীরের ভেতরের গোপন শক্তি! 💫

আপনি জানেন কি?
মাত্র দিনে কয়েক মিনিট দিলেই পেলভিক ফ্লোর মাংসপেশি শক্তিশালী করে অনেক সাধারণ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়!
👉 সেই ব্যায়ামটাই হলো কেগেল এক্সারসাইজ 💖

---

💪 কেন করবেন কেগেল এক্সারসাইজ?

✨ প্রস্রাবের অসংযম (leakage) কমায়
✨ সন্তান জন্মের পর পেলভিক শক্তি ফিরিয়ে আনে
✨ যৌনজীবনকে আরও আনন্দময় করে তোলে
✨ প্রোস্টেট স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় (পুরুষদের জন্য)
✨ বয়সজনিত মূত্রনিয়ন্ত্রণ সমস্যার প্রতিরোধ করে

---

🧘‍♀ কিভাবে করবেন? (খুব সহজ 👇)

⿡ প্রথমে বুঝে নিন — প্রস্রাব মাঝপথে বন্ধ করার সময় যে পেশি ব্যবহার করেন, সেটাই হলো পেলভিক ফ্লোর পেশি।
⿢ বসে, দাঁড়িয়ে বা শুয়ে নিন আরামদায়ক অবস্থান।
⿣ ঐ পেশি টানুন, ৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন ⏱
⿤ ধীরে ধীরে ছেড়ে দিন, আবার ৫ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন।
⿥ দিনে ৩ বার, প্রতিবারে ১০ বার করে করুন।

🩷 টিপ: শ্বাস বন্ধ করবেন না, আর পেট বা পা টানবেন না — শুধু পেলভিক ফ্লোরে ফোকাস করুন।

---

🌿 নিয়মিত করলে আপনি পাবেন

✅ মূত্র নিয়ন্ত্রণে উন্নতি
✅ আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি
✅ আরও ভালো শরীরের নিয়ন্ত্রণ

---

💡 মনে রাখবেন: এই ছোট্ট ব্যায়ামটাই আপনার অন্তরঙ্গ স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাসে আনতে পারে বড় পরিবর্তন!
আজ থেকেই শুরু করুন কেগেল এক্সারসাইজ

✅ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: হৃদয় ও মস্তিষ্কের জন্য কেন জরুরি?আপনি কি জানেন, আমাদের শরীরের জন্য কিছু চর্বি আসলেই ভালো? হ্যা...
12/10/2025

✅ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: হৃদয় ও মস্তিষ্কের জন্য কেন জরুরি?

আপনি কি জানেন, আমাদের শরীরের জন্য কিছু চর্বি আসলেই ভালো? হ্যাঁ, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এমনই একটি "ভালো চর্বি" যা আমাদের হৃদয়, মস্তিষ্ক এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এটি ঠিক কী, এবং কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? চলুন, সহজ ভাষায় জেনে নিই!

✅ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড কী?

ওমেগা-৩ এক ধরনের পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা আমাদের শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না। তাই আমাদের খাবারের মাধ্যমে এটি গ্রহণ করতে হয়। এর তিনটি প্রধান ধরন হলো: ALA, EPA, এবং DHA। এগুলো আমাদের শরীরের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে, বিশেষ করে হৃদয় ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষায়।

✅হৃদয়ের জন্য কেন জরুরি?
ওমেগা-৩ হৃদয়ের স্বাস্থ্যের জন্য একটি সুপারহিরো! এটি:
1.রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
2. খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায়।
3. রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমায়, যা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করে।
4. শরীরের প্রদাহ (inflammation) কমায়, যা হৃদরোগের একটি বড় কারণ।

যারা নিয়মিত ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার খান, তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কম থাকে। তাই হৃদয়কে সুস্থ রাখতে ওমেগা-৩ আপনার ডায়েটে যোগ করা জরুরি।

✅মস্তিষ্কের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের কমান্ড সেন্টার, আর ওমেগা-৩ এটিকে শক্তিশালী রাখে। এটি:
1. মেমরি ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
2. ডিপ্রেশন ও উদ্বেগ কমাতে ভূমিকা রাখে।
3. বয়স বাড়ার সাথে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা রক্ষা করে, যেমন আলঝাইমারের ঝুঁকি কমায়।
4. গর্ভাবস্থায় মায়ের ওমেগা-৩ গ্রহণ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে।

✅ওমেগা-৩ কোথায় পাবেন?

আমাদের বাঙালি খাবারে ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ অনেক উপাদান আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
1.মাছ: ইলিশ, রুই, কাতলা, স্যামন, ম্যাকেরেল (এগুলোতে EPA ও DHA প্রচুর থাকে)।
2.বীজ ও বাদাম: তিসি (flaxseeds), চিয়া সিড, আখরোট (এতে ALA থাকে)।
3.তেল: তিসির তেল, সরিষার তেল।
4.শাকসবজি: পালং শাক, ব্রকোলি (সামান্য পরিমাণে ALA)।

সপ্তাহে ২-৩ বার তৈলাক্ত মাছ খাওয়ার চেষ্টা করুন। যদি মাছ না পছন্দ করেন, তাহলে চিয়া সিড বা তিসি মিশিয়ে স্মুদি বা সালাদ খেতে পারেন।

✅সহজ টিপস:
1.প্রতিদিন এক মুঠো আখরোট বা চিয়া সিড খান।
2.রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করুন।
3.সপ্তাহে অন্তত একদিন ইলিশ বা অন্য তৈলাক্ত মাছ রান্না করুন।
4.যদি খাবার থেকে পর্যাপ্ত ওমেগা-৩ না পান, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।

✅শেষ কথা:
ওমেগা-৩ শুধু একটি পুষ্টি নয়, এটি আপনার হৃদয় ও মস্তিষ্কের জন্য একটি প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ। আজ থেকেই ছোট ছোট পরিবর্তন করে আপনার ডায়েটে ওমেগা-৩ যোগ করুন।

✅জিম ছাড়াই বাড়িতে ফিট থাকার ১০টি উপায়ফিট থাকার জন্য জিমে যাওয়া বা দামি সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই। বাড়িতেই সহজ উপায়ে শ...
08/10/2025

✅জিম ছাড়াই বাড়িতে ফিট থাকার ১০টি উপায়

ফিট থাকার জন্য জিমে যাওয়া বা দামি সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই। বাড়িতেই সহজ উপায়ে শরীর সুস্থ ও ফিট রাখা যায়। এখানে ১০টি কার্যকরী টিপস দেওয়া হলো যা আপনাকে ফিট থাকতে সাহায্য করবে।

✅১. ঘরে হাঁটা বা জগিং: বাড়ির উঠানে বা ঘরের মধ্যে দ্রুত হাঁটা বা জায়গায় দাঁড়িয়ে জগিং করুন। দিনে ১৫-২০ মিনিট এটি করলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে এবং ক্যালোরি বার্ন হয়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করাও দারুণ কার্ডিও ব্যায়াম।

✅২. বডি-ওয়েট ব্যায়াম: পুশ-আপ, স্কোয়াট, প্ল্যাঙ্ক এবং লাঞ্জের মতো ব্যায়াম শরীরের পেশি শক্ত করে। প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট এই ব্যায়ামগুলো করুন। এগুলোর জন্য কোনো সরঞ্জাম লাগে না, শুধু আপনার শরীরের ওজনই যথেষ্ট।

✅৩. যোগব্যায়াম: যোগা শরীর ও মন দুটোই ফিট রাখে। সূর্য নমস্কার, ভুজঙ্গাসন বা তাড়াসনের মতো সহজ যোগাসন ঘরে করতে পারেন। ইউটিউবে বিনামূল্যে যোগার ভিডিও দেখে শিখতে পারেন। এটি নমনীয়তা বাড়ায় ও মানসিক চাপ কমায়।

✅৪. নাচ: নাচ শুধু মজার নয়, এটি দারুণ ব্যায়াম। প্রিয় গানের তালে ১৫-২০ মিনিট নাচুন। এটি ক্যালোরি পোড়ায় এবং মেজাজ ভালো রাখে। জুম্বা বা ফ্রি-স্টাইল নাচের ভিডিও অনুসরণ করতে পারেন।

✅৫. ঘরের কাজ: ঘর পরিষ্কার, ঝাড়ু দেওয়া, বাগানের কাজ বা কাপড় ধোয়ার মতো কাজ শরীরচর্চার অংশ হতে পারে। এগুলো শরীর সচল রাখে এবং ক্যালোরি বার্ন করে।

✅৬. স্বাস্থ্যকর খাওয়া: ফিট থাকতে পুষ্টিকর খাবার জরুরি। তাজা ফল, সবজি, ডাল, বাদাম ও পানি বেশি খান। ফাস্ট ফুড ও অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলুন। প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি পান করুন।

✅৭. দড়ি লাফ: দড়ি লাফানো সহজ ও কার্যকর ব্যায়াম। একটি দড়ি কিনে দিনে ৫-১০ মিনিট লাফান। এটি হৃদযন্ত্র ও পেশির জন্য দারুণ।

✅৮. স্ট্রেচিং: প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট স্ট্রেচিং করুন। এটি পেশির শক্তি বাড়ায়, শরীর নমনীয় করে এবং আঘাতের ঝুঁকি কমায়।

✅৯. পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান। ভালো ঘুম শরীরের পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে এবং ফিটনেস ধরে রাখে।

✅১০. নিয়মিত রুটিন: ফিট থাকতে নিয়ম মেনে চলুন। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যায়াম, খাওয়া ও ঘুমের রুটিন তৈরি করুন। ধৈর্য ধরে ছোট ছোট পরিবর্তন আনুন।

বাড়িতে ফিট থাকা কঠিন নয়। এই সহজ টিপসগুলো নিয়মিত অনুসরণ করলে শরীর ও মন দুটোই সুস্থ থাকবে। আজ থেকেই শুরু করুন, ছোট পদক্ষেপই আপনাকে ফিটনেসের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে!

15/09/2025
I've just reached 200 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏...
12/09/2025

I've just reached 200 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗🎉

✅সকালের রুটিন: দিন শুরু করার জন্য পাঁচটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস👌🔥👍❤️তুমি কীভাবে তোমার দিন শুরু করো তা দিনের বাকি সময়কে প্রভ...
11/09/2025

✅সকালের রুটিন: দিন শুরু করার জন্য পাঁচটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস👌🔥👍❤️

তুমি কীভাবে তোমার দিন শুরু করো তা দিনের বাকি সময়কে প্রভাবিত করে। তুমি নিজেই হয়তো লক্ষ্য করেছো যে, যেদিন তুমি নেতিবাচকতা দিয়ে তোমার দিন শুরু করো, সেদিন পুরো দিনটাই নষ্ট হয়ে যায় এবং তুমি ঠিকমতো কোন কাজই করতে পারো না। এই কারণেই একটি ভালো সকালের রুটিন থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সফল ব্যক্তিদের মধ্যে একটি সাধারণ অভ্যাস যা আপনি পাবেন তা হল তাদের সকলেরই একটি নির্দিষ্ট সকালের রুটিন থাকে, যা তারা প্রতিদিন বিরতি ছাড়াই অনুসরণ করে। প্রতিদিনের এই রুটিন তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। যদি তুমিও জীবনে অনেক এগিয়ে যেতে চাও, তাহলে তোমার দিনের শুরুটা আরও ভালো করার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর এবং ধারাবাহিক সকালের রুটিন অনুসরণ করার অভ্যাস করো। এখানে কিছু সকালের অভ্যাস দেওয়া হল যা আপনার রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এখানে সেরা পাঁচটি অভ্যাসের কথা বলছি। এগুলো সহজে অনুসরণ করা যায় এবং উপকারী।

✅ ব্রাহ্ম মুহূর্তে ওঠার অভ্যাস করুন

দিনের সুস্থ ও ইতিবাচক শুরুর জন্য সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগের যুগে মানুষ সূর্যোদয়ের আগে বিছানা ছাড়ত কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এই অভ্যাসটি মানুষের মধ্যে হারিয়ে গেছে। তবে, যদি আপনি আপনার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে চান, তাহলে খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা কেবল স্বাস্থ্যই ভালো রাখে না, বরং দৈনন্দিন রুটিনও ঠিক রাখে। সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার মাধ্যমে, আপনি শান্ত মনে আপনার পুরো দিনের পরিকল্পনা করতে পারেন এবং কোনও তাড়াহুড়ো ছাড়াই আপনার দিনের কাজ সহজেই সম্পন্ন করতে পারেন।

✅ইতিবাচক শক্তি দিয়ে আপনার দিন শুরু করুন

তারা বলে যে পুরো দিনটি আপনার দিনটি যেভাবে শুরু হবে তার মতোই হবে। তাই, সকালটা সবসময় ইতিবাচক শক্তি দিয়ে শুরু করা উচিত। সকালে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা এবং বিভ্রান্তি দূরে রেখে এবং ইতিবাচক শক্তি এবং ভালো চিন্তাভাবনা দিয়ে দিন শুরু করলে, সারা দিন ইতিবাচকতা বজায় থাকবে। তাছাড়া, আপনার এই অভ্যাসটি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও খুব ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই, সকালে চোখ খোলার পর, প্রথমে ঈশ্বরকে নতুন দিনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তারপর ইতিবাচকতা দিয়ে আপনার দিন শুরু করুন।

✅জল খাওয়া

একটি ভালো দৈনন্দিন রুটিনের জন্য, সুস্বাস্থ্য থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিয়ে আপনার সকাল শুরু করুন। এর জন্য সকালে খালি পেটে হালকা গরম জল পান করুন। আসলে, রাতভর ঘুমানোর পর, সকালে শরীরের হাইড্রেশনের প্রয়োজন হয়। সকালে খালি পেটে হালকা গরম জল পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং শরীর হাইড্রেটেড থাকে। ঘুম থেকে উঠেই এক-দুই গ্লাস পানি খান। এতে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়, মেজাজ ভালো থাকে এবং কাজের ক্ষমতা বাড়ে।

✅ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং করা
শরীর সুস্থ ও ফিট রাখার জন্যও ব্যায়াম করা জরুরি। তাই সকালে কিছুটা সময় ব্যায়ামের জন্য বের করুন। সকালে ফ্রেশ হওয়ার পর কিছুক্ষণ ব্যায়াম করো। এতে শরীর ও মন উভয়ই শিথিল হবে। শরীরে নমনীয়তা আসবে এবং শরীর সারাদিনের জন্য শক্তি পাবে। সকালে ১০-৩০ মিনিট হাঁটা, যোগা বা হালকা ব্যায়াম করুন। এতে শক্তি বাড়ে, স্ট্রেস কমে এবং দিনভর ফিট থাকা যায়।

✅মেডিটেশন বা গভীর শ্বাস নেয়া

শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি মনও সুস্থ রাখা জরুরি। এর জন্য, সকালের রুটিনে ধ্যান অন্তর্ভুক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন সকালে ধ্যানের জন্য কিছুটা সময় বের করতে ভুলবেন না। এটি মস্তিষ্ক থেকে চাপ কমায়, মনকে শিথিল করে এবং চিন্তাভাবনা ও বোঝার শক্তিও বৃদ্ধি করে। ৫-১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে শান্তভাবে শ্বাস নিন বা মেডিটেশন করুন। এতে মন শান্ত হয়, উদ্বেগ কমে এবং দিনের জন্য মনোযোগ বাড়ে।

এই অভ্যাসগুলো ধীরে ধীরে শুরু করুন, দেখবেন জীবন আরও ভালো লাগবে।

হাঁটার গুরুত্ব: একটি সহজ পথ সুস্থ জীবনের দিকেআমাদের দৈনন্দিন জীবনে হাঁটা একটি সরল কাজ, যা অনেকেই উপেক্ষা করেন। কিন্তু ভা...
06/09/2025

হাঁটার গুরুত্ব: একটি সহজ পথ সুস্থ জীবনের দিকে

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে হাঁটা একটি সরল কাজ, যা অনেকেই উপেক্ষা করেন।
কিন্তু ভাবুন তো, সকালে বাড়ির সামনে একটু হাঁটাহাঁটি করলে কেমন লাগে? শরীর হালকা হয়ে যায়, মনটা ফুরফুরে হয়। আজকের ব্যস্ত জীবনে জিম যাওয়া বা ভারী ব্যায়াম করার সময় না থাকলেও, হাঁটা তো সবসময় সম্ভব। বিজ্ঞানীরা বলেন, প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট হাঁটলে শরীর ও মনের অনেক সমস্যা দূর হয়।এই কনটেন্টে আমরা হাঁটার উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করব, যাতে আপনি সহজেই রিলেট করতে পারেন এবং এটাকে জীবনে প্রয়োগ করতে পারেন।

১. মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে
নিষ্ক্রিয় থাকার অর্থ শরীরে পেশীর শক্তি কমে যাওয়া। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা এর ফলে মস্তিষ্কও শুকিয়ে মরে যেতে শুরু করে। আমরা যখন হাঁটি তখন পেশীতে তৈরি হওয়া মলিকিউল বা অণু আমাদের মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে।
২. হার্ট ভালো থাকে
হৃৎপিণ্ড ভালো থাকার জন্য হাঁটা খুবই উপকারী। আমাদের পূর্ব-পুরুষরা, যারা শিকার করে জীবন ধারণ করতেন, তারা দিনে ১৫ থেকে ১৭ মাইল হাঁটতেন।"এখনকার মানুষের হার্টের তুলনায় তাদের হার্ট সত্যিই অনেক ভাল ছিল," বলেন শেন ও'মারা।দক্ষিণ আমেরিকার জঙ্গলে সিমানে নামের একটি গোত্র আছে যাদের ৮০ বছর বয়সী ব্যক্তির হার্ট ৫০ বছর বয়সী একজন আমেরিকানের হার্টের মতো কাজ করে। এর কারণ হলো তারা সারাদিনই সক্রিয় থাকে।

৩. হজমে সাহায্য করে
হাঁটা মানুষের পরিপাকতন্ত্রের জন্যেও বন্ধুর মতো কাজ করে। "মানুষ যখন অনেক হাঁটা-চলা করে তখন তার খাবারও বেশি হজম হয়," বলেন শেন।"কোষ্ঠকাঠিন্য কাটাতে ওষুধ না খেয়ে আপনি যদি হাঁটতে বের হন, সেটা অনেক ভাল। এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই হজমের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন।"বিজ্ঞানীরা বলছেন, সক্রিয় থাকলে বিষণ্নতা কম হয়।

৪. সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে
হাঁটা যে আমাদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে সেটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। এর ফলে অনেক সমস্যা সমাধান করাও সহজ হয়।"আপনি যখন কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করছেন তখন হতাশ হয়ে এক জায়গায় বসে না থেকে একটু হাঁটাহাঁটি করলে সেটা সমস্যা সমাধানে অনেক সহায়ক হয়।""অনেক বড় বড় লেখক, দার্শনিক এবং গণিতজ্ঞদের কাছ থেকে আমরা জেনেছি যে হাঁটতে হাঁটতে তারা কিভাবে অনেক জটিল সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছেন।"উদাহরণ হিসেবে বলে যায় ঔপন্যাসিক স্টিফেন কিং এর কথা। তিনি নিয়মিত হাঁটতে বের হন এবং প্রচুর হাঁটেন।দার্শনিক ও লেখক বার্ট্রান্ড রাসেলও যখন হাঁটতে বের হতেন তখন ছোট্ট একটি কাগজে তার অনেক চিন্তাভাবনা টুকে রাখতেন।এবং পরে তিনি এসব ব্যবহার করে দুর্দান্ত সব গদ্য রচনা করেছেন।

৫. বিষণ্ণতা কাটাতে সাহায্য করে
স্নায়ুবিজ্ঞানী শেন ও'মারা বলেছেন, বিষণ্ণতার সঙ্গে বসে থাকার সম্পর্কে রয়েছে।"সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের বেলাতে বিষণ্ণতা দেখা যায় বেশি। অন্যভাবে বললে সহজ করে বলা যায়, যতোই সক্রিয় থাকা যায় ততোই ভালো।রক্ত প্রবাহের সমস্যা থেকেও বিষণ্ণতা তৈরি হয় বলে ধারণা রয়েছে।"আপনি যদি প্রচুর হাঁটেন, রক্ত প্রবাহের ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে সেগুলো কমে যায়। সেটা নাটকীয়ভাবেই হ্রাস পায়," বলেন তিনি।কোন কোন ক্ষেত্রে হাঁটাহাঁটি করা এক ধরনের ভ্যাকসিন বা টীকার মতো কাজ করে। সাহায্য করে বিষণ্ণতা কমাতে।
৬. বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে
আমরা যে খাদ্য গ্রহণ করি সেটা বিভিন্ন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। হাঁটাহাঁটি করা এই রূপান্তর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।পরীক্ষায় দেখা গেছে, সারা দিন ধরে যদি অল্প মাত্রাতেও সক্রিয় থাকা যায় সেটা জিমে গিয়ে শরীর চর্চা করার চাইতেও অনেক বেশি উপকারী।অনেকে এই জিমে যাওয়াকে অনেক বড় করে দেখেন। সারা দিন শুয়ে বসে কাটিয়ে তারা মনে করেন ওই এক ঘণ্টায় জিম করেই তারা সুস্থ থাকবেন।আসলে এধরনের ব্যায়াম মানুষকে নিষ্ক্রিয় থাকার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে পারে।"কারণ শরীর তখন বলতে থাকে তুমি তো তোমার কাজটা করেই ফেলেছ, সুতরাং তুমি এখন বসে থাকতে পারো, খেতে পারো। তখন আসলে বিপাক প্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে যায়।"

৭. শারীরিক গঠন অটুট রাখতে সাহায্য করে
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদেরকে সারাদিন চেয়ারে, সোফায় কিম্বা গাড়িতে বসে কাজ করতে হয়।এর ফলে শারীরিক গঠনে, বিশেষ করে পিঠে - ব্যথা হতে পারে।"মানুষের দেহ এমনভাবে তৈরি নয় যা সারাদিন একটি অবস্থানে থাকতে পারে। এটা আপনার জন্যে খুবই খারাপ।চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করা আপনাকে পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

Address

Santipur
Krishnagar
741404

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health and Fitness by Nantu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share