Sadness

Sadness It is not a love story......it's a saga..........:(

আস-সালামু আলাইকুম,রক্ত আমাদের খুবই প্রয়োজনীয় একটা জিনিস। আমাদের অনেকেরই বিভিন্ন সময় রক্তের প্রয়োজন পড়ে তাই আমরা সবা...
25/04/2025

আস-সালামু আলাইকুম,
রক্ত আমাদের খুবই প্রয়োজনীয় একটা জিনিস। আমাদের অনেকেরই বিভিন্ন সময় রক্তের প্রয়োজন পড়ে তাই আমরা সবাই একটি প্লাটফর্মে একত্র হতে চাচ্ছি তাই আমরা যে যার যার রক্তের গ্রুপ এবং ফোন নাম্বার লিখে পাঠান এটা আমাদের এই পেইজে সংরক্ষিত থাকবে এবং ইনশাল্লাহ যে যার প্রয়োজন মত রক্তের আদান প্রদান করতে পারব এতে করে আমাদের আশেপাশে আত্মীয়-স্বজন পাড়া-প্রতিবেশী বন্ধু-বান্ধব সবারই অনেক উপকার হবে। বিশেষ করে আমার বিন্দু বাসিনীর শ্রদ্ধেয় বড় ভাই এবং স্নেহের ছোট ভাই দের কাছে অনুরোধ সবাই অংশগ্রহণ করবেন।

15/01/2025

আমি- জীবন একটাই…তাই সব কিছু একবার করে এক্সপিরিয়েন্স করা উচিৎ! আর তাছাড়া তোরই তো ফ্যান্টাসি যে রিস্ক নিয়ে প্রেম করবি! পূরণ হল তো ফ্যান্টাসি?

সন্তান জন্মের পর আমাদের দেশের বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে। ২ জন বা ৩ জন বাচ্চা হলে তো কথাই নেই। স্বামী স্...
16/05/2024

সন্তান জন্মের পর আমাদের দেশের বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে। ২ জন বা ৩ জন বাচ্চা হলে তো কথাই নেই। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হয়ে যায় ভাইবোনের মতো। বাচ্চার পিছনে দৌড়ে দৌড়ে, সংসারের কাজ করে করে স্বামীর সাথে রোমান্টিক সম্পর্কের মুড আর থাকেনা। সম্পর্কে শুরু হয় তিক্ততা। এদিকে দেশীয় কালচারে বাচ্চা নিয়ে ঘুমানো প্রায় সব পরিবারেই দেখা যায়। বাচ্চার বয়স ৫/৬/৭, কিন্তু মা বাবার সাথে শোয়। যেখানে আড়াই বা তিন হলেই বাচ্চাকে আলাদা করে দেয়া উচিত। কারন এরপর বাচ্চারা বুঝতে পারে অনেককিছুই। রাতে ঘুম ভেংগে সে মা-বাবাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখলে তার মনে যেমন প্রশ্নের উদ্রেক হবে, তেমনি উল্টোদিকে বাচ্চার সাথে একসাথে শোবার কারনে দাম্পত্যে বিঘ্ন তৈরি হয়।

বাচ্চার বয়স আড়াই বা তিন হলেই তাকে আলাদা করে দিন। বাচ্চা কিন্তু কষ্ট পাবেনা, কষ্ট পাবেন আপনি, বাচ্চা দূরে সরে যাবে মনে হবে। কিন্তু না, আসলে বাচ্চা দূরে সরে যায়না। এটা বাচ্চার ভালোর জন্য, আপনাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। বাচ্চার জন্য আলাদা বিছানা রেডি করুন। ওর রুমটাকে ওর পছন্দ মতো সাজিয়ে দিন। রাতে গল্প শুনিয়ে বা বই পড়িয়ে ওকে ঘুম পাড়ান। ঘুমিয়ে গেলে চলে আসুন আপনার রুমে। ও আপনার অনুপস্থিতি টেরও পাবেনা। রাতে ও উঠতে পারে এই ভয় থাকলে একটা বেবি মনিটর কিনে নিন, দাম বেশি নয়। ওর মাথার কাছে মনিটর রেখে রিসিভার আপনার নিজের বালিশের কাছে রাখুন। রাতে উঠলে আপনি সাথে সাথে টের পাবেন, যেমনটা পেতেন আপনার সাথে ঘুমালে। আপনি তো জানেনই সকালে কখন উঠে। তার একটু আগে গিয়ে ওর সাথে শোবেন। ও ঘুম হতে উঠেও আপনাকে পাবে। রাতে যে আপনি ছিলেন না, তা ও বুঝবেইনা।

দ্বিতীয় সন্তান হলে বেশীরভাগ মায়েরা প্রথম সন্তানকে অবহেলা শুরু করে। সব আদর যেন ছোটজনের জন্য, অথচ সে আদরের কিছুই বোঝেনা। আর যে বোঝে সেই বড়জনকে কথায় কথায় ডাক দেয়া, বকা দেয়া চলতে থাকে। মা/ রে*র কথা তো বাদই দিলাম। স্বাভাবিকভাবেই তার মনে ছোট বাচ্চাটার প্রতি বি- দ্বেষ সৃষ্টি হয়। ভাবে, ও না থাকলেই ভালো হতো, মা আদর করতো। অথচ মায়ের উচিত এই সময়ে বড়জনকে বেশি করে সময় দেয়া, আদর করা। বড়জনকে বোঝানো তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা একটুও কমেনি। আপনি আর আপনার স্বামী দুজনেরই দায়িত্ব এটা।

দু বাচ্চার মাঝে তুলনা করবেন না। কারন তারা দুজনই সম্পুর্ন আলাদা মানুষ। দুই বাচ্চার জন্য আলাদা নিয়ম বানাবেন না। একজনকে মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াবেন, আরেকজনকে বলবেন খাওয়ার সময় নো ডিভাইস, তাহলে তো হবেনা। দুজনের বেডটাইম যেন এক হয়। কোনো জিনিস কিনলে একজনের জন্য নয়, দুজনের জন্যই কিনবেন।
ছোটটির বয়স যখন আড়াই হবে তখন ওকেও আলাদা করে দিন, বড়জনের সাথে। দুজন একসাথে ঘুমুবে বা একই রুমে দুটো বিছানায়।

দিনে এক হতে দেড়ঘন্টা আলাদা করে রাখুন যখন পরিবারের সবাই মিলে সময় কাটাবেন। হাসি আনন্দ করবেন। বাচ্চাদের সাথে স্বামী স্ত্রী একসাথে খেলবেন। নিজের পার্টনারের দিকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকাবেন। মেজাজ যদি বেশি খারাপ থাকে অকারণে, সরে যান প্রিয় মানুষগুলোর কাছ হতে তাদের আ*ঘাত করার আগেই। আলাদা রুমে বা বারান্দা বা ছাদে গিয়ে মেডিটেশন করুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে কারনে আপনার মেজাজ খারাপ তা কতটা যুক্তিযুক্ত। গভীর নিঃস্বাস নিন। মন খারাপকে ছড়িয়ে দিন বাতাসে।
সংসার তৈরি হয় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে। সংসারের কাজ করতে করতে এই মানুষগুলোই যেন অবহেলিত না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। ভালোবাসার সম্পর্কগুলো অটুট থাকুক 🙏❤️

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন আর,
পেইজ টা ফলো করে দিবেন সবাই ধন্যবাদ ❤️

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে ক...
03/05/2024

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন?

এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।
কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?

বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।
কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।
সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।
ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।
তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী?

বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।

সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।
সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?

বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।

অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।
সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?

বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।
সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?

বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।
সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?

বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?
সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?

বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?

আচ্ছা বাবা, তোমরা যেইটা দিয়ে হিসু করো, ঐটা মুখে নিলে কী হয়?নিজের ৬ বছর বয়সের বাচ্চা মেয়েটার মুখে এই প্রশ্নটা শুনে আরিফ  ...
01/01/2024

আচ্ছা বাবা, তোমরা যেইটা দিয়ে হিসু করো, ঐটা মুখে নিলে কী হয়?
নিজের ৬ বছর বয়সের বাচ্চা মেয়েটার মুখে এই প্রশ্নটা শুনে আরিফ পুরো থতমত খেয়ে গেল। রিতু এতক্ষন ধরে চিপস খাচ্ছিল আর টিভিতে কার্টুন দেখছিল। হঠাৎই টিভি থেকে চোখ সরিয়ে আরিফের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা করে সে। প্রশ্নটা করেই সে আবার কার্টুন দেখায় মনোযোগী হয়ে পড়ে। আরিফ আম খাচ্ছিল। আরিফের হাত থেকে আমের প্লেট টা ধমাস করে মেঝেতে পড়ে যায়। তার স্ত্রী শান্তা রান্না ঘর থেকে ছুটে এসে জানতে চায়, কী হয়েছে? আরিফ আমতা আমতা করে বলে, কিছু না। হাত থেকে ছুটে পড়ে গেছে। শান্তা মেঝে পরিস্কার করে চলে যায়। আরিফের চোখে-মুখে তখনও ভয়, বিস্ময় আর কৌতূহল। এইটা কী ধরনের প্রশ্ন? রিতুর মাথায় এই প্রশ্ন এল কীভাবে? রিতুর যেন প্রশ্নের উত্তর শোনার ভ্রূক্ষেপ নেই। সে স্বাভাবিক ভাবেই টিভি দেখছে।
মেয়েটার সাথে এই প্রসঙ্গে আর কিছু বলার সাহস হয় না আরিফের । দুপুরে লাঞ্চ ব্রেকে বাসায় এসেছিল সে। দ্রুতই আবার চলে যেতে হলো তাকে অফিসে। কিন্তু অফিসের কাজে কিছুতেই মনোযোগ দিতে পারে না সে। কয়েকজন কলিগ তার অন্যমনস্ক ভাব ধরতে পেরে তাকে জিজ্ঞেস করে, কোনো সমস্যা হয়েছে নাকি? সে মৃদু হেসে কাঁধ ঘুরিয়ে জানায়, তার কোনো সমস্যা নেই। অন্যদিনের মতো অফিস ছুটি হওয়ার সাথে সাথে বাড়িতে যায় না আরিফ । কিছুক্ষণ অন্যমনস্ক হয়ে বাড়িতে যাওয়ার উল্টো পথ ধরে একা একা হাঁটতে থাকে। তার মেয়ের বলা সেই এক লাইন প্রশ্নের তাৎপর্য সে কিছুতেই বের করতে পারছে না। মেয়েটার বয়স সবে পাঁচ পেরিয়ে ছয়ে পড়েছে। এই বছরের শুরুতেই তাকে এলাকার একটা স্কুলের শিশু শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়েছে। এতটুকু একটা বাচ্চা মেয়ের মাথায় এই ধরনের একটা উদ্ভট প্রশ্ন কী করে আসতে পারে তা কিছুতেই মাথায় আসে না আরিফের। এই ধরনের কিছু সামনাসামনি না দেখলে এমন একটা প্রশ্ন মেয়েটার মাথায় আসার কথা না। কিন্তু আরিফ ভাবে, রিতু যখন একটু একটু সব কিছু বুঝতে শুরু করেছে তখন থেকে রিতুর সামনে কখনই সহবাস করে নি তারা। আর তাদের সহবাসে অতিরিক্ত এই নোংরামি গুলো কখনই ছিল না, যেমনটা রিতুর মনে প্রশ্ন জেগেছে।
আরিফ বুঝেছিল, বিষয়টা মোটেও হালকে নয়। তাই বিষয়টাকে সে হালকা ভাবে উড়িয়ে দেয় নি। অনেকক্ষণ ধরে এই বিষয়টা নিয়ে একা একাই চিন্তা করে যায় সে। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয় এই বিষয়ে খোলাখুলি তার মেয়ের সঙ্গেই কথা বলবেন তিনি। একটা ছয় বছরের বাচ্চা শিশুকে আমরা যতটা অবুঝ ভাবি তারা মোটেও ততটা অবুঝ হয় না। এই বয়সে অনেকেরই মানসিক বিকাশ অনেক ভালো হয়। আমরা যতটা ভাবি তারা তার চেয়ে অনেক বেশিই বুঝতে পারে। হয়তো তা তাদের মনের ভেতরেই আবদ্ধ করে রাখে। তাই আমরা ভাবি তারা অবুঝ।
আরিফ যতক্ষণে বাড়িতে ফিরে আসে ততক্ষণে রিতু ঘুমিয়ে গেছে। রাতে একই বিছানায় আরিফ , রিতু আর শান্তা ঘুমায়। রিতু মাঝখানে আর আরিফ এবং শান্তা তার দুইপাশে। ঘরে ডিম লাইট জ্বলছে। সেই আলোতেই আরিফের চোখ হঠাৎ করে শান্তার মুখের ওপর আটকে যায়। কোনো এক অজানা কারণে তার বুকটা ধ্বক করে উঠে। একটা অজানা ভয় আরিফের মনে বাসা বাঁধে। সে শান্তাকে নিজের চাইতেও বেশি বিশ্বাস করে। শান্তা কী কোনোভাবে তাকে ধোকা দিচ্ছে? তার অন্ধ বিশ্বাসের সুযোগ নিচ্ছে? রিতু মেয়েটা তো এর বাইরে আর কারও সাথে মিশে না! তার মনে এই উদ্ভট প্রশ্ন জাগার কারণ কী প্রত্যক্ষ ভাবে শান্তাই? হয়তো শান্তা কে এমন কিছু করতে দেখেছে রিতু, তাই তার মাথায় এই প্রশ্নটা এসেছে। শান্তা কী পরক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত! কিন্তু সে এমনটা কেন করবে? আরিফের মাথায় একের পর এক এমন উদ্ভট সব প্রশ্ন এসে তার মাথার ভেতর ভয়ংকর রকম জটলা বাঁধতে থাকে। অসংখ্য অজানা , অচেনা ভয়, সন্দেহ তার মনে চেপে বসে।
সকাল হতেই আরিফ বাড়ি থেকে রাস্তায় বেড়োয় একটু হাঁটাহাঁটি করতে। তার বাড়ির গেট বরাবর রাস্তার ওপাশেই একটা মুদির দোকান। মুদি পণ্যের পাশাপাশি চাও বিক্রি হয় এখানে। দোকানে বসে চা খেতে খেতে কথা প্রসঙ্গে আরিফ দোকানদারের কাছে জানতে চায় , সে এই বাড়িতে অচেনা কাউকে ঢুকতে দেখে কি না দিনের বেলায়। দোকানদার কিছুক্ষণ ভেবে বলে, সেদিকে তেমন খেয়াল করে না সে। তবে কয়েকদিন একটা কমবয়সী ছেলেকে বাড়ি থেকে বের হতে দেখেছে সে। কথাটা শুনে আবার আরিফের বুকটা ধ্বক করে উঠে!
সে রাস্তায় বেশিক্ষণ না থেকে আবার বাড়িতে ফিরে যায়।
ফোন বন্ধ করে রেখেছে আরিফ । আজ সে অফিসে যাবে না। শান্তা অবাক হয়ে অফিস কামাই দেওয়ার কারণ জানতে চাইল তার কাছে। আরিফ বলল, এমনি টানা অফিস করতে ভালো লাগছে না। তাই অফিসে বলে একদিন ছুটি নিয়েছে। সকালে নাস্তা করার পর অন্যদিন শান্তা রিতুকে স্কুলে দিয়ে যায়। আজ যেহেতু আরিফ বাসায় তাই আরিফ গেল।
রিতু স্কুলের পোশাক পরে তৈরি হয়ে বাবার হাত ধরে বাড়ির বাহিরে বেরিয়ে এল। শান্তা গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে বাড়ির ভেতরে যেতেই আরিফ রিতুকে নিয়ে স্কুলের পথের উল্টো পথে হাঁটা শুরু করল। রিতু কৌতূহলী হয়ে জানতে চাইল, বাবা, আমরা কোথায় যাচ্ছি? আরিফ মিষ্টি করে হেসে বলে, আমরা আজ সারাদিন অনেক ঘুরবো, আর মজা করবো। আজ তোমার স্কুল কামাই। রিতু আনন্দে চেঁচিয়ে উঠল। সত্যি সত্যিই আরিফ রিতুকে নিয়ে প্রায় ঘন্টা খানেক অনেক জায়গায় ঘুরলো। ওকে আইসক্রিম, চকোলেট কিনে দিল। তারপর কাছেরই একটা পার্কে ঢুকল তারা। পার্কের একটা বেঞ্চিতে দুজনেই গিয়ে বসে।
প্রচন্ড উৎকণ্ঠা আর উত্তেজনায় আরিফের শরীর কাঁপছে। রিতু এক মনে আইসক্রিম খাচ্ছে, আর মুগ্ধ হয়ে চারপাশের মানুষ জন দেখছে। আরিফ কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে রিতুকে প্রশ্ন করল, আচ্ছা রিতু মা, একটা কথা বলতো আমি যখন অফিসে থাকি , তখন কী এই বাড়িতে তোমার আম্মুর সাথে দেখা করতে কেউ আসে? রিতু হা করে কিছুক্ষণ ভেবে বলে....

চলবে......

#উ'ল'ঙ্গ_মন
পর্ব ০১

শখ করে একখান পান খেয়ে বাসে উঠছিলাম। জানালা দিয়ে পানের পিক ফেলতে গিয়ে এক স্টাইলিশ সুন্দরী মেয়ের মাথার সিঁথি বরাবর পড়ে যায়...
22/09/2023

শখ করে একখান পান খেয়ে বাসে উঠছিলাম। জানালা দিয়ে পানের পিক ফেলতে গিয়ে এক স্টাইলিশ সুন্দরী মেয়ের মাথার সিঁথি বরাবর পড়ে যায়। 😆😜

মাথায় হাত দিয়ে সুন্দরী মুখ ঘুরিয়ে তাকাতেই দেখি সিঁথি বেয়ে টুপ টুপ করে পানের পিক তার নাকে মুখে পড়তেছে। 😁🤣

তা দেখে সুন্দরী রে/গে আ/গুন হয়ে বাসের দরজার দিকে তে'ড়ে আসছে। 😡😤

এদিক তো ভ/য়ে আমার হাঁটু কাপতেছে। তাড়াহুড়ো করে পানি দিয়ে কুলি করে টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে ফ্রেশ হয়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে সিটে হেলান দিয়ে আরামছে চোখ বন্ধ ঘুমের ভং ধরলাম। 😳😨

সামনের সিটেই এক ভদ্র মহিলা পান চিবুচ্ছিলেন। মেয়েটা এসে সরাসরি ভদ্র মহিলাকে উদ্দেশ্য করে বললেন,"এই বে/দ্দপ মহিলা, তু/ই আমার মাথায় পানের পিক ফেললি কেনো?? 😡😤

তা শুনে ভদ্র মহিলা মেয়েটার গালে ঠা/স করে দুইটা থা/প্পর বসিয়ে দিয়ে বললেন,"এই ডি/স্কু মাইয়া, কাকে বে/দ্দপ মহিলা বলছিস?? ঘো'ড়ার লেজের মতো চুল কালার করে চোখে সরষে ফুল দেখে উল্টাপাল্টা ব'কছিস কেনো, নাকি গা/ঞ্জা টা/ঞ্জা কিছু খাস!! 😡😤

প্রতিউত্তরে মেয়েটা কিছু না বলে ডিরেক্ট মহিলাটার চু/ল ধরলো। মহিলা তো ছে/ড়ে দেবার লোক নয়, উনিও মেয়েটার চু/লের মুঠি ধরলো। 😳😱

এদিকে বাসে থাকা সকল লোকজন দুজনের চুল টা/নাটানির দৃশ্য আরামছে উপভোগ করছিলো। মাঝখান থেকে ভদ্র মহিলার কোলে থাকা ৪ বছরের একটা বাচ্চা মেয়েটার গালে কা/মড় বসিয়ে দিলো। 😱🙄

পরিস্থিতি তখন ভ/য়াবহ তবুও কেউ থামাতে আসছে না। শেষমেষ আমিই দুজনের মাঝখানে ঢুকে থামাতে গেলে দুজনে আমার শার্ট ছিড়ে ফা/তা ফা/তা করে ফেললো। 🥺🥹😳

মানবতার খাতিরে তবুও থেমে থাকতে পারলাম না। দুজনের একজন'কে তো আগে থামাতে হবে। তাই মহিলাকে টে/নে ধরেছিলাম। ওদিকে বাচ্চাটাকে একা পেয়ে কা/মড়ের প্রতিশোধ নিতে মেয়েটি কামড় দেয়ার জন্যে বাচ্চার দিকে এগুচ্ছে। যেই বাচ্চার গালে কা/মড় বসাতে গেলো ওমনি বাচ্চাটা'কে টান দিয়ে সরিয়ে নিয়ে বাচ্চার গালের জায়গায় আমার গাল পেতে দিলাম। যার ফলাফল আমার গালে ২৮টি দাতের ছা/প পড়ে গেলো। 😔😌

এবার পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতে শুরু করলো। মেয়েটি 'সরি' বলে বারবার আমার হাত ধরে মাফ চাচ্ছিলো। আমি তো বাপু নরম মনের মানুষ। নেগেটিভলি না নিয়ে পজেটিভলি নিয়ে ভাবলাম, কা/মড় দিয়েছে তাতে কি!!" সুন্দরী মেয়ের ঠোঁটের ছোঁয়া পেয়েছি এটাই অনেক। 🥰🥰

এটা ভেবে মা'ফ করে দিয়ে বললাম,"ঠিক আছে।"
তারপর মেয়েটি আমার হাত ধরে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করে ফোন নাম্বার দিয়ে বলছিলো,"দরকার হলে কল দিতে। ব্যাস এখন আমরা সাড়ে চার বছরের রিলেশনে আছি।

(সংগৃহীত)

সবার আগে গল্প পেতে ফলো করুন 👉

05/09/2023


Inshallah want to startNeed support from everyone ☺️
11/10/2022

Inshallah want to start
Need support from everyone ☺️

World best place,Like haven ❤️
03/07/2021

World best place,
Like haven ❤️

Rhythm of the night 2ইভান : 😳😳 নৌড়া :  আপনি জানেন কি করেছেন??  আমার এতো দিন এর স্বপ্ন পুরোন করেছেন, আমার ইচ্ছা ছিলো এভাব...
12/03/2021

Rhythm of the night 2

ইভান : 😳😳
নৌড়া : আপনি জানেন কি করেছেন?? আমার এতো দিন এর স্বপ্ন পুরোন করেছেন, আমার ইচ্ছা ছিলো এভাবে কেউ তুলে নিয়ে আসুক😁
ইভান : Seriously??
নৌড়া : ইয়াহ, বাই দা রাস্তা you are so joss, I am totally crush on you, and your voice মাশ আল্লহ, hey omg your eyse blue is it real??

ইভান : রিয়াল

নৌড়া : crush এর ঠেলায় নৌড়া জ্ঞান হারালো....এতো সুন্দর ছেলেটা যার দিকে তাকালেই অজানা অনুভূতি জেগে ওঠে।

ইভান ঘাবড়ে যায় নৌড়া অজ্ঞান হওয়ায়, ও নিজেই ডক্টর সেটা ভুলে গেছে।
ডক্টর কে কল করবে ভাবতেই মাথায় আসে আমি নিজেই তো ডক্টর. … চেক আপ করে বুঝতে পারে না খেয়ে আছে, আর কিছুতে শক খেয়েছে তাই জ্ঞান হারিয়েছে.... চোখে মুখে পানির ছিটা দিলো.... পিটপিট করে তাকালো নৌরা.... আধো চোখে চেয়ে ক্ষিন সরে বলে উঠলো আমি স্বপ্ন দেখছিলাম না?? এটা সত্যি?

ইভান : হুম সত্যি

নৌড়া হুরমুর করে উঠে বসে, এই কয়টা বাজে??

ইভান : বিকাল ৩ টা

নৌড়া : তাহলে বাসার সবাই জেনে গেছে, আমার ফোন কোথায়??

ইভান : রিলেক্স, আমি দেখছি এদিক টা... তার আগে যাও ফ্রেশ হয়ে আসো, লাঞ্চ করতে হবে...

নৌড়া ওয়াসরুমে চলে যায়।

এদিকে...

নাহিন রহমান : কি বলছো?? ও বাসায় ফেরেনি এখনো??

বডিগার্ড হেড : No sir, car park করা কলেজ কেম্পাছেই কিন্তু মেম কোথাও নেই।

নাহিন রহমান : আচ্ছা, আমি আসছি বাসায়।

রিদিমা রহমান বাসায় বসে কাদছে, না জানি কোথায় কিভাবে আছে মেয়েটা। আমারই ভুল হয়েছে বডিগার্ড দের ছাড়া যেতে দেয়া ঠিক হয়নি

নাহিন রহমান : কিহ?? আজ ও বডিগার্ড ছাড়া গিয়েছে মানে??

রিদিমা রহমান : গত ১ মাস ধরে মেয়েটা ঘুরতে যেতে চাচ্ছে, তুমি যাওয়ার পর খুব রেগে যায় ও। তাই গার্ডদের বলেছিলাম একটু পর যেতে ওর পিছে।

নাহিন : Wow, How irresponsible you are stupid women

রিদিমা রহমান মাথা নিচু করে চোখের অশ্রু ফেলছেন। আর নাহিন রহমান থানায় কল দিচ্ছেন।

ইভান : ৭ দিন আপাতত থাকুক আমার কাছে, তারপর আমি জানাবো ততদিন Handle করুন আপনি।

S.P : Ok sir.
ইভান বাকা হাসে,

নৌরা : এই এমন ভিলেন মার্কা হাসি দিলেন কেনো??

ইভান : তোমাকে আমার কাছে কিছুদিন রাখার ব্যাবস্থা করলাম

নৌরা : 😱 কিভাবে করলেন এমন মিরাকল? আমি জন্মের পর মাম্মা বাবাই ছাড়া থাকিনি,

ইভান : আভি তো বাছ শুরু হেয়, আগে আগে দেখো হোতা হ্যায় কেয়া
নৌরা : okay..
ইভান নৌরার মুখের সামনে খাবার ধরলো..
নৌরা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে, ঠোঁটের কোনে মৃদু হাসি, চোখের কার্নিশে পানি চিকচিক করছে।
ইভান : কি হলো নাও?? এভাবে তাকিয়ে আছো কেনো?? ওহ সরি, তুমি নিজের হাতে খাবে তো, আচ্ছা...
ইভান হাত নামাতে নিলে নৌরা টেনে মুখে পুরে নেয় খাবার টুকু। চোখ বন্ধ করে চিবোতে থাকে। আর চোখের কোনার পানি গুলো ঝড়ে পরে বন্ধ পাপরির ভাড়ে।

ইভান : কাঁদছো কেনো তুমি?? খাবার ঝাল হয়েছে? পানি এগিয়ে দিলো
নৌরা : আরে রিলেক্স, আসলে শেষ কবে কেউ খাইয়ে দিয়েছে মনে নেই। আগে কাজের লোক খাইয়ে দিতো, যখন নিজের হাতে খেতে শিখেছি তারপর থেকে একাই খাই।

ইভান ঃ নৌরার চোখের কোন থেকে পানি মুছে দিয়ে বললো, কেনো তোমার বাবা মা?
নৌরা : parents?? they are too busy for me🙂 আমার সাথে ২ মিনিট কথা বলারই সময় নেই তাদের আর তুনুতুনু করে খাইয়ে দিবে?? হাহাহা

নৌরার এই হাসির মাঝে তিব্র কষ্ট লুকিয়ে আছে, যেটা নৌরার জ্বল জ্বল করা চোখ বলে দিচ্ছে।

ইভান : এখন থেকে আমি প্রতিদিন খাইয়ে দিবো তোমাকে , ঠিক আছে?
নৌরা জবাবে কিছু বললো না মিষ্টি করে হাসি দিলো।

ইভান নৌরা কে খাইয়ে দিচ্ছে, আর নৌরা ইভান কে চোখ দিয়ে পারলে গিলে খায় ভাব নিয়ে দেখছে।

ইভান : কি দেখো?
নৌরা : My Dream Prince charming
ইভান : What?
নৌরা : ক কিছু না,, স্যুপ টা খুব ইয়াম্মি
ইভান : হুম I know

নৌরা বারান্দায় যেয়ে দেখলো অনেক বড় একটা গার্ডেন....
একরকম ছুটে রুমে এলো... ইভান ল্যাপটপ নিয়ে বসে ছিলো....

ইভান : সমস্যা কোনো??

নৌরা : গার্ডেনে যাবো।

ইভান : এখন তো রোদ, আর একটু পর যাও??

নৌরা : না এক্ষুনি যাবো, মন খারাপ করে বললো।

ইভান : আরে মন খারাপ করো কেনো? চলো

নৌরা নিচে যেয়ে পাগোল হওয়ার অবস্থা হয়ে যাচ্ছে, একদম ওর মনের মত বাগান টা
একপাশে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ, গোলাপই বেশী, হাত দিয়ে ছুয়ে দেখছে, মুখের কাছে গাল ছুইয়ে ঘ্রাণ নিচ্ছে

এই ওই যে বকুল ফুল আর শিউলি ফুল গাছ না??

ইভান : হুম

নৌরা দৌড়ে গেলো, নিচে ফুল পরে আছে অনেক, পাশে আরও বড় কিছু ফুল গাছ আছে, কামিনী, হাসনাহেনা.....

অন্য আর একটা পাশে বেশ কিছু ফল গাছ। লিচু গাছে বড় লাল লাল লিচু ঝুলছে, নৌরা নিজেকে সামলাতে পারলো না, জিভ দিয়ে লাল ঝরবে এখনই গাছ থেকে লিচু ছিড়ে খাওয়া ধরলো, ২ প্রজতির জামরুল, আম, জাম, পেয়ারা, সফেদা, ডালিম,আতা ফল, জলপাই... আরও বিভিন্ন ধরনের গাছ, আর সব গাছেই ফল আছে

আর একটা সাইড, এটা অনেক বড় সারপ্রাইজ নৌরার জন্য.. খাচার মধ্যে অনেক ধরনের পাখি, পশু আছে
ময়ূর ময়ূরী ১ জোড়া, খরগোশ অনেক গুলা সব গুলোই সাদা, হরিণ, বানর, হাতির পরিবার, বাচ্চা টা অনেক কিউট
বাগানের মাঝে একটা ফাউন্টেন, আর তার পাশে বসার জায়গা।

নৌরা দৌড়ে দৌড়ে সব দেখছে, আমি পাগোল হয়ে যাবো একদম, মনে হচ্ছে আমি আমার Dream Prince charming এর সাথে Dream land এ এসেছি।

ইভান : আস্তে আস্তে, পড়ে যাবা তো
নৌরা : এখানে বৃষ্টি তে ভিজতে কত মজা হবে, প্রকৃতির গভীরে আছি মনে হচ্ছে, আমি কোথাও যাবো না, এখানেই সারাজীবন কাটিয়ে দিবো আচ্ছা আপনার এই বাংলো টা আমার কাছে বেচে দিন, আমি আপনাকে অনেক টাকা দিবো।

ইভান : তুমি চাইলে এই রাজ্যের রানী হয়ে থাকতে পারো, আমার কোনো সমস্যা নেই তবে এর জন্য তোমাকে যে এই রাজ্যের রাজাকে বিয়ে করতে হবে🤗

নৌরা : কিহ??
ইভান : আরে মন খারাপ করো কেনো?? এটা এখন থেকে তোমারই..((আমি জানিতো তোমার এসব কতটা পছন্দ আর তাই এই বাংলো টা তিলে তিলে গড়েছি আমি))

নৌরা : সত্যি??
ইভান : yess

রোদের তাপে নৌরার সাদা মুখটা লাল হয়ে আছে, অনেক কিউট লাগছে, ইভান নৌরার দু গাল টেনে দেয়।

নৌরা হাত ছাড়িয়ে দেয় দৌড়, পেছনে ইভান ও দৌড়াচ্ছে। দুজনের হাসির শব্দে বাগান টা রুনরুন করে উঠেছে, মনে হচ্ছে বাগান টা প্রান ফিরে পেলো।

সন্ধায় ..
নৌরা : আপনার পরিবার এর লোকেরা কোথায়?
ইভান : ওরা তো ঢাকাতে আছে।
নৌরা : আমরা কোথায় আছি তাহলে?? অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো
ইভান : আমার বাংলো তে, যেটা এখন তোমার...
নৌরা কিছু বলতে যাবে তখন ইভান এর ফোনে কল আসে, তাই উঠে চলে যায়..

ইমাদ আহমেদ : সব ঠিক আছে তো বাবা?
ইভান : সব তো আপাতত ঠিক আছে ড্যাড, কিন্তু রাতে আমি কিভাবে থাকবো?? যদি...( অস্থির হয়ে)
ইমাদ আহমেদ : oh my son, Don't be panic. তোমার ড্যাড সব ব্যাবস্থা করেই বলছে।
so Don't worry, and take care of her properly .

ইভান ফুরফুরে মনে রুমে গেলো..যেয়ে দেখে নৌরা আপন মনে একুরিয়াম এর মাছ গুলোর সাথে খেলছে।

ইভান : পছন্দ হয়েছে তোমার?
নৌরা : আমার নিমোর কথা মনে পরছে,
ইভান : নিমো কে??
নৌরা : My favourite Fish Nimo..
ইভান : ও, তোমার প্রকৃতি খুব পছন্দ তাই না?

নৌরা : হুম অনেক, এই কয়টা বাজে??
ইভান : ৭.৩০
নৌরা :Oh sh*t😱😱 আজকে তো Sunday... ইভান কে সরিয়ে দৌড়ে চলে গেলো ড্রইং রুমের দিকে।

ইভান ও পিছু পিছু গেলো, চিন্তিতো হয়ে.... যেয়ে যা দেখলো আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে রইলো নৌরার দিকে...

Rhythm of the night 1আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন, কারা আপনারা?? আমাকে ছাড়ুন,  ছাড়ুন বলছি....  আর কিছু বলতে পারলো না, একটা র...
03/03/2021

Rhythm of the night 1

আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন, কারা আপনারা?? আমাকে ছাড়ুন, ছাড়ুন বলছি.... আর কিছু বলতে পারলো না, একটা রুমাল মুখে চেপে ধরে অজ্ঞান করে ফেললো।
তারপর হাত পা চোখ বেধে নিলো...

সকালে নিজেই ড্রাইভ করে ইউনিভার্সিটি যাচ্ছিলো নৌড়া সকাল বলে আসে পাশে লোকজন কম ছিলো, গোলাপ এর দোকানে তাজা গোলাপে চোখ আটকে যায় রাস্তায় কার সাইডে রেখে দোকানে এগিয়ে যাচ্ছিলো, সামনে বডিগার্ড এর মত দেখতে ৪ জন লোক এসে মাইক্র তে তুলে নিলো ওকে....

চোখ হাত পা বাধা অবস্থা তেই বিছানার মাঝে অজ্ঞান হয়ে আছে নৌরা আর একজন মুগ্ধ হয়ে অপলকে দেখে যাচ্ছে, এভাবেও দারুন লাগছে মেয়েটাকে😍

কিছুসময় পর নৌড়া নরে চরে ওঠে.... উম উম....

ইভান : একটু স্থির হও মুখ এর বাধন খুলে দিচ্ছি...

নৌরা : মুখ খুলে জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে...

ইভান চোখ এর কাপর খুলার জন্য ওকে ধরে উঠে বসালো, তারপর চোখ খুলতে নিলেই. ..

নৌরা : hey stop stop!

ইভান : What??

নৌরা : আমি যখন বলবো তখন আমার চোখের বাধন খুলবেন, Ok mr..
ইভান : ইভান আহমেদ , But why??

নৌরা : ( উফ বাচলাম) আগে আমার কিছু প্রশ্নের উত্তর দিন তারপর।

ইভান : বলো কি জানতে চাও?

নৌরা : আমাকে এখানে কেনো আনা হয়েছে? সর্ট কাটে ডিটেইলস দিন।

ইভান : আমি তুলে আনিয়েছি তোমাকে, বিকজ I love you , you are my love at first site. আমি তোমার সাথে কথা বলার জন্য ১৫ দিন ধরে ঘুরছি কিন্ত সুযোগই পাইনা, তুমি এতো লক্ষি কেনো বলোতো?? ভার্সিটি থেকে সোজা বাসায় চলে যাও, সাথে সবসময় বডিগার্ড থাকে। গাড়ি ছাড়া কোথাও যাও না। আজকে তোমাকে এভাবে একা পাবো ভাবতেই পারিনি ।

নৌরা : আর তাই তুলে আনলেন এই তো?( Aw voice টা কতোগুলা কিউট, )

ইভান : হ্যা।

নৌরা : Now give me your bio Data

ইভান : I am Dr. evan ahmed, পাশা পাশি বাবার ব্যাবসা দেখি। আমরা ২ ভাই বোন। ছোট বোন ইন্টারে পরে।

নৌরা : তার মানে আপনি আমাকে ভালোবাসেন সেটা বলতেই এতো কিছু, যাইহোক... আপনি আগে প্রেম করেছেন?? মানে, এক্স টেক্স?
ইভান : না, তবে মেয়ে ফ্রেন্ড আছে অনেক।

নৌরা : আমাকে কোথায় দেখেছেন??

ইভান : ১৬ দিন আগে, তোমার বাসায়, দুতলার খোলা বারান্দায় বৃষ্টি তে ভিজছিলে, হালকা নীল রং এর চুড়িদার পড়া ছিলে, হাত ভর্তী কাচের চুড়ি গুলো ঝুন ঝুন করে নাচিয়ে খুব ইঞ্জয় করছিলে তুমি। আমি সেদিন লন্ডন থেকে ফিরেছিলাম, প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় ড্রাইভার গাড়ী রাস্তার এক পাশে দাড় করায় আর তখন বাইরে বৃষ্টি দেখতে দেখতে আমার চোখ এক নীল পরি তে আটকে যায়।

নৌরা : হায় হায় তারপর?? পু পুরোটা দেখেছেন??

ইভান: এবার জোরে হেসে দেয় 🤣🤣 হ্যা তারপরই তো ঘটলো মজার কাহিনি টা😁 হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকালো খুব জোরে, ব্জ্রপাতের শব্দে নীল পরি টা এক দৌড়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে গেলো...

নৌরা: ঠোট উল্টে বললো ভয় পাই আমি তাই...

ইভান : বুঝতে পেরেছি।

নৌরা : এবার বলুন আমার সম্পর্কে কি কি জানেন?

ইভান : কিছুই না, আমি তো তোমার নাম টাই জানি না। তোমার নাম কি??,

নৌরা : আরিশফা রহমান নৌরা

ইভান : ওয়াও, So nooura...

নৌরা : হে ওয়েট, আবার বলুন তো নাম টা

ইভান : নৌড়া😍

নৌরা : Once more😍😍
এভাবে বলে বলে ২০ বার ইভান কে দিয়ে নাম টা বলালো...

ইভান : ব্যাপার কি??

নৌরা : Do you know what?? 2nd time and 2nd person you are যে কিনা আমার নাম টা সঠিক ভাবে বলতে পারলো....

ইভান: প্রথম কে?

নৌরা : বাপি

ইভান : ওয়াও

নৌরা : নট ওয়াও, একটা ঝামেলা হয়ে গেলো যে।

ইভান : কি?

নৌরা : আমি সবসময় বলতাম আমার নাম টা যে সঠিক করে বলতে পারবে তাকেই বিয়ে করবো

ইভান : খুশি হয়ে বলে উঠলো তাহলে তো আমার আর চিন্তা নেই

নৌরা : ইশ, আমি তো আপনাকে দেখিইনি এখনো, আমার পছন্দ হতে হবে তারপর, হুহ

ইভান : তাহলে এখনই দেখে নাও, বলেই চোখের বাধন খুলতে গেলো...

নৌরা : এই না, দাড়ান এখনো শেষ হয়নি আমার জানা😑

ইভান : আর কি জানতে চাও? এখন তো মনে হচ্ছে আমি ইইন্টারভিউ দিতে এসেছি।

নৌড়া : চান্দু এটা কোনো এলে বেলে মেয়ে না, নৌড়া কে এনেছেন বুঝতে পেরেছেন মি ইভান

ইভান : ইয়েস , আচ্ছা তার আগে এটা বলো তুমি আজকে একা কেনো ছিলে?

নৌরা : নৌরা মন খারাপ করে মাথা নিচু করে নিলো...

ইভান : এই কি হলো?? এরকম স্যাড হয়ে গেলে যে?

নৌরা : আজকে রাগ করে এসেছি বাসা থেকে তাই।

ইভান : কেনো জানতে পারি?

নৌরা : গত ১ মাস ধরে বাপি মাম্মাম কে বলছি ঘুরতে নিয়ে যেতে, তাদের সময়ই হয়না। হুহ

ইভান : ভেরি ব্যাড। আচ্ছা আমি তোমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবো যদি তুমি চাও।

নৌরা : হিহিহি, হুম কিডনাপ করে নিতে হবে আবার কারন আমার সাথে ২৪/৭ বডিগার্ড, কাজের লোক গিজ গিজ করে।

ইভান : you are very special to your parents.

নৌরা : Maybe or Maybe not. Leave it.... Now tell me did you kissed anyone? 🤨

ইভান : চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইলো সাথে কাশি ও উঠে গেলো ইয়ে মানে না, আমি আমার আম্মু কে কিসি দেই।

নৌরা : ওয়াও, You are so good. One last question. Smoke করেন? অন্য কোনো বদ অভ্যাস?

ইভান : না, ছিগারেট এর গন্ধ তো নিজের কাছেই বাজে লাগে ইয়াক অন্য বদ অভ্যাসও নেই।

নৌরা : গ্রেট। এই আপনি নাক ডাকেন না তো ঘুমোনোর সময়??

ইভান : না🥴🥴

নৌরা : বাচা গেলো।

ইভান : এখন কি চোখ খুলবো তোমার??

নৌরা : Yes you can...

ইভান নৌরার চোখ খুলে দিলো...
মিটিমিটি করে তাকিয়ে ইভান এর মুখ টা দেখলো..... চোখের মনি গুলো আটকে গেলো ইভান এর মাঝে তারপর নৌরা ৩২ পাটি দাত বের করে বলে উঠলো..!Crush😍

চলবে...!

গল্পঃ অভিশাপ(পর্বঃ ০১)(নষ্ট জীবন)-ব্লাড যদি বের হয় তখন?-আরে পাগলী কিচ্ছু হবে না, প্রথম প্রথম একটু কষ্ট সব মেয়েরাই পায়!!-...
02/09/2019

গল্পঃ অভিশাপ
(পর্বঃ ০১)
(নষ্ট জীবন)
-ব্লাড যদি বের হয় তখন?
-আরে পাগলী কিচ্ছু হবে না, প্রথম প্রথম একটু কষ্ট সব মেয়েরাই পায়!!
-তবুও আমার ভয় করছে,,
কায়েস মাধবীলতাকে বুকে টেনে নিয়ে দু'গালে হাত রেখে কপালে চুমু দিলো।ভয়ে মেয়েটার শরীল "ঠক ঠক" করে কাপছে।কায়েস মৃদু হেসে বলল....
-ভয় করছে তোমার?
-হুমমম প্রচন্ড ভয় করছে, বিয়ের আগে এসব না করলেই নায় কি?
-পাগলী মেয়ে! করবো তো বিয়ে।আর মাত্র ১ মাস পরেই বিয়ে করব.,
-এই এক মাসও অপেক্ষা করতে পারবা না!
-প্লীজ মাধবী! না, করো না..
মাধবীলতা আর না করেনি, প্রচন্ড ভয়ে কায়েসের হাতটা শক্ত করে চেপে ধরে ছিলো।একটা দামি কামরা বুকিং করলো তাদের দুজনের জন্য।
কায়েস হাসতে হাসতে রুমের ছিটকেরি লাগিয়ে।নরম গদির বিছানায় বসে আছে মাধবীলতা মেয়েটা।ভয়ে মেয়েটার কালো ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।কায়েস পাশে বসে হাতের উপর হাত রেখে বলল...
-শোন!
-হুম বলো?
-বিয়ের পর আমাদের একটা বাচ্চা হবে তখন এসব কষ্ট আর মনে পরবে না।
-হুমমম
(মাথা ঝাকিয়ে হুম জবাব দিলো)
-আচ্ছা যাও, ড্রেস চেন্জ করে আসো।আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি বসে...
তোয়ালে নিচ দিকে টানতে টানতে রুমে ঢুকলো।কায়েসের শরীরে শুধু একটা শর্ট প্যান্ট।মাধবীলতা আচর্য হয়ে বলল..
-কোনো সেভটি ব্যবহার করবে না!
-আরে বোঁকা! এখন সেভটি লাগবে না।তোমার বাচ্চা নেওয়ার বয়স এখনও হয়নি, চিন্তার কিছুই নেয়..
-তবুও সেভটি নিলে ভালো হতো?
-লাগবে না বললাম তো!!
-রাগছো কেন?
-কই রাগলাম।বিছানায় আসো!
-তাহলে এমন কথা বলতেছো কেন?
মাঝ রাতে মাধবীলতা তোয়ালে বুকে জোরিয়ে, গোসল করতে চলে গেলো।গোসল করতে করতে ভাবছিলো বিয়ের আগেই কি এসব করা ঠিক হলো?
না, না কায়েস তো আমার ভবিষ্যৎ স্বামী হবে।কায়েসের অধিকার আছে আমার শরীরে।
চুল গুলো মাথা নিচু করে মুছতে মুছতে কায়েসের দিকে তাকলো ছেলেটা ঘুমন্ত অবস্তায় কত সুন্দর নিষ্পাপ লাগছে।
কিন্তু কিছুক্ষণ আগে এই ছেলেটাই আমাকে জানোয়ারের খুবলে খাচ্ছিলো।ভালোবাসলে কেউ এরকম ভাবে তার গালফ্রেন্ডকে ব্যবহার করে কিনা জানিনা, তবে তার চোখে নিজেকে খুঁজে পায়।
ধর্ষণ করলো নাকি উপভোগ করলো বোঝা কঠিন।আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজেকে বিশ্বাস হচ্ছিলো না কিছুক্ষণ আগে বয়ফ্রেন্ড তাকে কি ক্ষতি করেছে।
ঠোঁটটা কামরে রক্তারক্তি অবস্তা করে দিছে।
গালেও দাঁত দিয়ে কামরের দাঁগ পরে গেছে।
বিছানার কোণে বসে কায়েসকে ধাক্কা দিয়ে ডাকার চেষ্টা করছে, ঘুমের ঘোড়ে কায়েস বিরক্ত নিয়ে বলল...
-কি হয়েছে নিজেও ঘুমাবে না অন্যকেও ঘুমাতে দিচ্ছো না!
-আমার বাসায় যেতে হবে, আম্মু আব্বু চিন্তা করছে হয়তো!
-একদিন বাসায় না গেলে কিছুই হবে না।আসো ঘুমাও..
-না, কায়েস আমার সারা শরীল প্রচন্ড ব্যাথা করছে।চলো না একটু আমাকে বাসা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসবে.?
-বসো আমি শার্ট প্যান্ট পরে রেডি হয়ে আসতেছি!!
বিরক্তিকর চেহারা নিয়ে কায়েস বের হলো।রাস্তা দিয়ে খুরিয়ে খুরিয়ে হেঁটে যাচ্ছে মাধবীলতা।
কায়েস রাগ দেখিয়ে বলল.....
-অভিনয় করে হাঁটতে হবে না স্বাভাবিক ভাবে হেঁটে চলো!
-সত্যি আমার হাঁটতে অসুবিধা হচ্ছে, পাজাকলা করে নাও না, হাঁটতে পারছি না তো!
-এভাবে গেলে চলো না গেলে এখানেই রাত কাটাও"!
মাধবীলতা যদি ছেলে হতো অবস্যই রাতটা রাস্তাতেই কাটে দিতো।কায়েসের ব্যবহারও কেমন জানি খারাপ হয়ে যাচ্ছে!
প্রথম রুমডেটেই যদি আগ্রহ কমে যায় তাহলে আমার চরিত্রর কালো দাঁগ কোন দিনও মেশাতে পারব না।
বাসার কাছে আসতেই কোন কিছু না বলে, সিগারেট ধরিয়ে টানতে টানতে চলে যাচ্ছে কায়েস।
কায়েসের এমন ব্যবহারে মাধবীলতা অন্যমনস্ক হতে লাগলো।এত অবহেলা কেন করছে আমার প্রতি?
কায়েসের চাহিদা মিটে গেছে বলে কি আমাকে অবহেলা করছে।দরজায় কলিংবেল দিতে হলো না।
হালকা ধাক্কা দিতেই দরজা খুলে গেলো।তার মানে মাধবীলতার আম্মু আব্বু এখনও জেগে আছে..!
টিপ টিপ পায়ে মাধবীলতার রুমে ঢুকার চেষ্টা।তার আব্বু আম্মু সোফায় বসে গালের হাত রাখা।
চিন্তায় পরলে যেন হয় মানুষদের।
না দেখার ভান করে মাধবীলতা সিড়ি বেয়ে উপরের রুমে চলে যাচ্ছিলো হঠাৎ পিছন থেকে ডাক পরলো "মাধবীলতা এত রাত্রী করে বাড়ি ফিরলে কেন? কোথায় ছিলেন সারা রাত?"
মাথা নিচু করে বলে...
-জ্বী, আব্বু বান্ধবীর বাসায় ছিলাম।কিছু পড়া বুঝিয়ে নেওয়ার জন্য.. (মাধবীলতার আব্বু)
মাধবীলতার আম্মু রেগে গিয়ে বলল...
-মাঝ রাতে পড়া বুঝিয়ে নিতে গিয়েছিলি তাহলে খোরাচ্ছিস কেন? (মাধবীলতার আম্মু)
-আহ্ বকছো কেন? একটাই তো মেয়ে হয়তো কোখাও পরে গিয়ে ব্যাথা পেয়ে গেছে! যাও ঘুমিয়ে পরো কাল তো কলেজে আছে সকাল সকাল উঠতে হবে...?
চলবে
=কিছুটা বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।প্রেমের পরিক্ষায় অনেকেই এইভাবে প্রতারিত হতে দেখেছি।

চলবে...

Address

Manali
171009

Telephone

+8801321160884

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sadness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Sadness:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category