WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front

WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front This is the official page of West Bengal Junior Doctors' Front (WBJDF). All the official updates and announcements will be notified here.
(3)

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বহুচর্চিত আর্থিক দুর্নীতি মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা আজ আর “প্রশাসনিক জটিলতা” বলে...
16/02/2026

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বহুচর্চিত আর্থিক দুর্নীতি মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা আজ আর “প্রশাসনিক জটিলতা” বলে চালিয়ে দেওয়া যায় না। এটি স্পষ্টতই একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক বিলম্ব।

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) ৯০ দিনের মধ্যেই নগর দায়রা আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে। অথচ প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের স্যাংশন লেটার ইচ্ছাকৃতভাবে জমা না দেওয়ায় আজ গোটা বিচারপ্রক্রিয়া কার্যত থমকে রয়েছে। চার্জশিট গ্রহণই হচ্ছে না, ফলে চার্জ গঠনও অসম্ভব। অর্থাৎ, সরকার নিজের হাতেই ন্যায়বিচারের দরজা আটকে রেখেছে।
West Bengal Junior Doctors’ Front স্পষ্টভাবে বলছে, আইন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অজুহাত তুলে দুর্নীতির অভিযুক্তদের রক্ষা করার এই কৌশল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক অভিসন্ধির ফল। স্যাংশন লেটারের মতো একটি বাধ্যতামূলক আইনি পদক্ষেপকে ঢাল করে বিচারকে আটকে রাখা মানে ক্ষমতার অপব্যবহারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া।

চার্জশিটে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে। আর্থিক অনিয়ম, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পক্ষপাত, বেআইনি বরাত প্রদান,
চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় দুর্নীতি, এমনকি সরকারি অর্থ ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের অভিযোগ পর্যন্ত সেখানে উল্লেখ রয়েছে।
এতসব গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও একটি প্রশাসনিক অনুমোদনপত্র না দেওয়ার অজুহাতে পুরো বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্নে রাজ্য সরকারের অবস্থান যে কতটা ন্যক্কারজনক সেটাই প্রমাণ করে।

WBJDF-এর স্পষ্ট বক্তব্য
স্যাংশন লেটার ইস্যুতে যে অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বিলম্ব চলছে, তার সম্পূর্ণ দায় রাজ্য প্রশাসনের। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা জেলে থাকলেও বিচার শুরু না হওয়া ন্যায়বিচারের চরম পরিহাস।

স্বাস্থ্যব্যবস্থার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে আর্থিক দুর্নীতি মানে সাধারণ মানুষের চিকিৎসার অধিকার সরাসরি ক্ষুণ্ণ করা।
আমরা মনে করি, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতির কথা আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই আমরা তুলে ধরেছি, তারই প্রেক্ষিতে আর জি করের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ এবং শাসক গোষ্ঠীর লালনপালনে বড় হওয়া তৃণমূলী ছাত্রনেতা আশীষ পাণ্ডের গ্রেফতারি হয়েছিল। আজ যদি প্রশাসনিক জটিলতা ও শাসকের চাতুরির আড়ালে সত্যকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সেই সত্য আরও নগ্নভাবে প্রকাশ্যে আসবে, আসবে জনতার আদালতে।

West Bengal Junior Doctors’ Front স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, ন্যায়বিচারকে আর এভাবে আটকে রাখার অপচেষ্টা চলবে না।
অবিলম্বে স্যাংশন লেটার আদালতে পেশ করতে হবে।
আইনের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যথায়, বৃহত্তর চিকিৎসক সমাজ ও নাগরিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক এবং আইনসম্মত পথে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে আমরা যেতে বাধ্য হব।

দুর্গাপুর সহ রাজ্যের চিকিৎসক সমাজে আবারও নেমে এলো গভীর শোকের ছায়া। Durgapur-এর IQ City Medical College and Hospital-এর ...
15/02/2026

দুর্গাপুর সহ রাজ্যের চিকিৎসক সমাজে আবারও নেমে এলো গভীর শোকের ছায়া। Durgapur-এর IQ City Medical College and Hospital-এর ছাত্রাবাস থেকে দ্বিতীয় বর্ষের এক মেডিক্যাল ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্তম্ভিত সমগ্র চিকিৎসক সমাজ। বিহারের পাটনার বাসিন্দা লাবণ্য প্রতাপ (২২), দুর্গাপুরের এই প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের MBBS ছাত্র, শনিবার গভীর রাতে হস্টেলের কক্ষ থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের তরফ থেকে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি; তদন্তাধীন রয়েছে ঘটনাটি।
প্রাথমিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, ঘটনাস্থলটি ছিল ছাত্রাবাসের নির্দিষ্ট কক্ষ। সহপাঠীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা ও মানসিক বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক স্তরে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে জানা গেলেও, ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট—তা মানসিক চাপ, একাডেমিক চাপ, পারিবারিক কারণ, নাকি অন্য কোনো সম্ভাব্য কারণ—এ মুহূর্তে স্পষ্ট নয়। এই অনিশ্চয়তাই পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

West Bengal Junior Doctors’ Front এই মেডিক্যাল ছাত্রের অকাল ও রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং একই সঙ্গে কঠোর ভাষায় জানাচ্ছে— হোস্টেলের ভিতর একজন মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু কখনোই কেবল ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়; এটি প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তোলে।

আমাদের স্পষ্ট দাবি—
১. ঘটনার পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
২. ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশ করতে হবে এবং পরিবারের কাছে স্বচ্ছ তথ্য পৌঁছে দিতে হবে।
৩. ছাত্রাবাসের সিসিটিভি ফুটেজ, উপস্থিতি নথি, সহপাঠীদের বয়ান—সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতে হবে।
৪. কোনো রকম গাফিলতি, চাপ সৃষ্টি বা তথ্য আড়াল করার চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।
আমরা আরও জোর দিয়ে বলতে চাই—মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উপর একাডেমিক চাপ, মানসিক অবসাদ, বিচ্ছিন্নতা ও র‍্যাগিং-এর মতো সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই নীরবে বিদ্যমান। কেবল ঘটনার পর আনুষ্ঠানিক শোকপ্রকাশ যথেষ্ট নয়; প্রাতিষ্ঠানিক মানসিক স্বাস্থ্য সাপোর্ট সিস্টেম, ২৪ ঘণ্টার কাউন্সেলিং সেল, নিয়মিত মনিটরিং এবং স্বচ্ছ অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে।
এই মৃত্যু যদি আত্মহত্যা হয়—তবে কেন একজন তরুণ চিকিৎসা-শিক্ষার্থী এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হল?

আর যদি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকে—তবে তার পূর্ণ সত্য উদ্ঘাটন হোক অবিলম্বে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা। সহপাঠীদের প্রতি আমাদের আহ্বান—সংহতি বজায় রাখুন, সত্য প্রকাশের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ থাকুন।

প্রয়াত ছাত্রের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমদের বক্তব্য সত্য উদঘাটিত হোক, দায় নির্ধারিত হোক, এবং ভবিষ্যতে এমন একটি প্রাণহানির পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে।

নিপাহ সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর শারীরিক জটিলতা জনিত কারণে ২৫ বছরের এক তরুণী নার্স বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে...
13/02/2026

নিপাহ সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর শারীরিক জটিলতা জনিত কারণে ২৫ বছরের এক তরুণী নার্স বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রয়াত হয়েছেন। এই অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে বেদনাহত।

West Bengal Junior Doctors’ Front এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবারের পাশে থাকার কথা জানাচ্ছে এবং পরিবার-পরিজনের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছে।

একজন সহ-স্বাস্থ্যকর্মীর স্মৃতির প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধার্ঘ্য রইল।

মৃত মায়ের কর্নিয়া দান– একটি মানবিক, নৈতিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে অত্যন্ত মহৎ সিদ্ধান্ত। অথচ সেই মহৎ উদ্যোগকেই ‘চু...
11/02/2026

মৃত মায়ের কর্নিয়া দান– একটি মানবিক, নৈতিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে অত্যন্ত মহৎ সিদ্ধান্ত। অথচ সেই মহৎ উদ্যোগকেই ‘চুরি’ আখ্যা দিয়ে দাতা পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করে গ্রেফতার করার ঘটনা শুধু অমানবিক নয়, চরম লজ্জাজনক এবং প্রশাসনিক সন্ত্রাসের নগ্ন উদাহরণ।

আমরা গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, নিয়ম মেনে কর্নিয়া সংগ্রহ ও আই ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট সমাজকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা অভিযোগে হেনস্তা, গ্রেফতার ও অপরাধী প্রমাণের চেষ্টা চলছে। এটি শুধু একটি পরিবারের উপর আঘাত নয়, এটি সমগ্র দেশ ও রাজ্যব্যাপী অঙ্গদান কর্মসূচিকে অবজ্ঞা ও সরাসরি আক্রমণ বলে West Bengal Junior Doctors’ Front মনে করে। পুলিশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার, চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি অবিশ্বাস সৃষ্টি করে অঙ্গদান কর্মসূচিকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার প্রচেষ্টা এবং নাগরিক অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন বলে আমরা মনে করছি।

তাই পুলিশ প্রশাসনের এই ধরনের অনৈতিক অতিসক্রিয়তাকে আমরা ধিক্কার জানাই।
অঙ্গদান কোনও অপরাধ নয়। এটি জীবন বাঁচানোর শপথ। যারা মৃত্যুর পরও অন্যের চোখে আলো দিতে চান, তাদের ‘চোর’ বলা মানে মানবতার অপমান শুধু নয় এহেন মানবিক কর্তব্যের পথে এগিয়ে আসা অসংখ্য মানুষের প্রচেষ্টাকে বাধাদানও বটে। এ ধরনের অযৌক্তিক ও দমনমূলক পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে অসংখ্য মানুষ অঙ্গদান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন, যার দায় সম্পূর্ণ প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।

আমাদের দাবি:

১. অবিলম্বে ধৃত সকল ব্যক্তির নিঃশর্ত মুক্তি
২. মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহার
৩. পুলিশি হয়রানি ও প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতার নিরপেক্ষ তদন্ত
৪. অঙ্গদান ও কর্নিয়া সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা
৫. ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে স্পষ্ট প্রশাসনিক নির্দেশিকা প্রকাশ।

আজ ৯ই ফেব্রুয়ারি,১৮ টা মাস পেরোলো। ৯ই আগষ্ট কর্মক্ষেত্রে কর্মরতা অবস্থায় নারকীয়ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারান...
09/02/2026

আজ ৯ই ফেব্রুয়ারি,১৮ টা মাস পেরোলো।

৯ই আগষ্ট কর্মক্ষেত্রে কর্মরতা অবস্থায় নারকীয়ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারানো মেয়ের জন্মদিন আজ। আমরা যারা আজও মাটি আঁকড়ে পড়ে আছি রাস্তায়, দাবি জানাচ্ছি ন্যায়বিচারের, We Demand Justice চিৎকারে এই বধির ব্যবস্থার মমর্ভেদ করতে চাইছি, প্রথম দিন থেকেই আমরা অঙ্গীকার নিয়েছি সব রাগ হতাশা ক্ষোভ কে প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত করার। কলকাতা পুলিশ বা সিবিআই এর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। কিন্তু শেষ ভরসা হিসেবে যে বিচারব্যবস্থায় আমরা আস্থা রেখে চলেছি, তার চলনেও কিন্তু আমরা সাধারণ মানুষেরা স্বস্তি পাচ্ছি না খুব একটা।

সুপ্রিম কোর্ট থেকে স্থানান্তরিত হয়ে এখন এই মামলা কলকাতা হাইকোর্টের বিচারাধীন। শিয়ালদা ট্রায়াল কোর্টে এখনও সিবিআই কোনো সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করতে পারে নি। অন্যদিকে কলকাতা হাইকোর্টে সিবিআই এর তদন্তে অসন্তুষ্ট অভয়ার বাবা - মা তদন্তের বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনি লড়াই চালাচ্ছেন। সবরকম ভাবে সেই লড়াই এর পাশে আছি আমরা প্রথম থেকেই। কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হল
গত নভেম্বর থেকে ৩৫ বার হাইকোর্টে তালিকাভুক্ত হওয়ার পরেও একবারও শুনানি হয়ে ওঠেনি অভয়া মামলার। এই অযৌক্তিক বিলম্ব ও দীর্ঘসূত্রিতার প্রতিবাদে আজ ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের জমায়েত, ধর্মতলায় ডোরিনা ক্রসিং এ।

সেই জমায়েত থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৩০০ জন এরও বেশি মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের সই সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হল কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতির কাছে।

অভয়া বিচার না পেলে যে এরকম ঘটনা ঘটতেই থাকবে এবং তার শিকার কাল অন্য কেউ হবে এবং অপরাধীরা আরও সাহস পাবে- এই বাস্তবতা টুকু মনে রাখলেই বোধ হয় এই দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানো যেতে পারে। আজ এই কর্মসূচিতে যেভাবে জুনিয়র ডাক্তার, মেডিকেল পড়ুয়া, স্বাস্থ্যকর্মী সহ সাধারণ মানুষেরা পা মেলালেন, রাজপথ মুখরিত হলো সকলের দৃপ্ত স্লোগানে তাতে এটুকু স্পষ্ট যে এত গুলো মাস কেটে গেলেও অভয়ার ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা সাধারণ মানুষের বুকের ভিতর জ্বলছে অহর্নিশ।

আইনি লড়াই যেমন চলবে, রাজপথের লড়াইও চলতে থাকবে। যাতে শতসহস্র মানুষের ক্ষোভ গর্জন হয়ে পৌঁছে যায় সরকারের কাছে, তদন্তকারী সংস্থাগুলোর যাচ্ছে আর সর্বোপরি এই বিচারব্যবস্থার কাছে, যাতে ন্যায়বিচার দেওয়ার দায়িত্বে যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে তারা তাদের দায়িত্ব পালন করেন। এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের আস্থার ভিত্তি যাতে এতটা ভঙ্গুর না হয়ে যায় যে সেটা এই গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, তা সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে বিচারব্যবস্থা কেই।

09/02/2026
07/02/2026

দেখা হচ্ছে ৯ই ফেব্রুয়ারি।

ডোরিনা ক্রসিং, দুপুর ২:৩০টায়।

ক্রাই অফ দ্য আওয়ার প্রাঙ্গণ, সন্ধ্যে ৭টায়।

"গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বার তালিকাভুক্ত হলেও আজ পর্যন্ত একবারও কার্যকর শুনানি হয়নি।" (সূত্র: কম...
04/02/2026

"গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বার তালিকাভুক্ত হলেও আজ পর্যন্ত একবারও কার্যকর শুনানি হয়নি।" (সূত্র: কমেন্টে)

Justice Delayed is Justice Denied.

প্রায় দেড় বছর আগে সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে অভয়ার ন্যায়বিচারের মামলাকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে তদন্তের গাফিলতি নিয়ে মাননীয় বিচারপতিদের উদ্বেগ মানুষকে আশাবাদী করেছিল। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টে গত নভেম্বর থেকে এই অযৌক্তিক বিলম্ব ও দীর্ঘসূত্রিতায় বাস্তবত ন্যায়বিচারের পথ আজ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দাঁড়িয়ে।

এই অসহনীয় বিলম্বের বিরুদ্ধে এবং যাতে অভয়ার বিচারে আর দেরি না হয়, সেই দাবিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের পক্ষ থেকে, বিশেষত মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের উদ্যোগে, আগামী ৯ই ফেব্রুয়ারি মাননীয় প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে।

দুপুর ২:৩০টা ধর্মতলা চত্বরে জমায়েত, সেখান থেকে প্রতিনিধিদল যাবে কলকাতা হাইকোর্টে। আমরা সাধারণ গণতন্ত্রপ্রেমী প্রতিটি মানুষকে আহ্বান জানাই যে এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে আমাদের দাবি ও কণ্ঠস্বরকে আরও জোরালো করুন।

প্রসঙ্গত, ৯ই ফেব্রুয়ারিই অভয়ার জন্মদিন। বিচারহীন ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও আমরা আমাদের সহকর্মীকে স্মরণ করতে চাই তাঁর কর্মস্থল আর জি কর মেডিকেল কলেজের Cry of the Hour প্রাঙ্গণে, সন্ধ্যে ৭টায়। এ ছাড়াও ওইদিন অভয়ার ন্যায় বিচারের দাবিতে বিভিন্ন সহযোদ্ধা সংগঠনের ডাকে রাজ্যজুড়ে আরও বিভিন্ন কর্মসূচি থাকবে। আমরা চাইব সাধ্যমতো প্রতিটি কর্মসূচিতেই আপনারা অংশগ্রহণ করুন।

02/02/2026

জন্মদিনের অঙ্গীকার
ছিনিয়ে নেব ন্যায়বিচার!

৯ই ফেব্রুয়ারি, সোমবার।

দুপুর ২:৩০টা, ডোরিনা ক্রসিং, ধর্মতলায় জমায়েত। অভয়া মামলায় অযৌক্তিক দীর্ঘসূত্রিতার প্রতিবাদে কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে স্মারকলিপি প্রদান।

সন্ধ্যা ৭টায়, অভয়ার কর্মস্থল আর.জি.কর মেডিকেল কলেজের Cry of the Hour প্রাঙ্গণে অভয়ার স্মরণে ও ন্যায়বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার প্রতিবাদে আমরা একত্রিত হবো।


Justice Delayed is Justice Denied.৯ ই আগস্ট ২০২৪ আর জি কর হাসপাতালে আমাদের সহকর্মী অভয়ার নৃশংস হত্যার পর আমরা রাজপথে নেম...
31/01/2026

Justice Delayed is Justice Denied.

৯ ই আগস্ট ২০২৪ আর জি কর হাসপাতালে আমাদের সহকর্মী অভয়ার নৃশংস হত্যার পর আমরা রাজপথে নেমেছিলাম ন্যায়বিচারের দাবিতে। লক্ষ লক্ষ মানুষ হেঁটেছিল এই বিশ্বাসে যে দেশের বিচারব্যবস্থা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে প্রকৃত অপরাধীদের সামনে আনবে।

আমাদের আশা ছিল, যারা খুন হতে দিল, যারা খুন করল, যারা পরিকল্পিতভাবে তথ্যপ্রমাণ লোপাট করল, সবাই শাস্তি পাবে। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখলাম ঠিক তার উল্টো ছবি। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে আর জি করের প্রিন্সিপাল ও টালা থানার ওসি গ্রেফতার হলেও সিবিআই কোনও সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দিল না, বরং তারা জামিন পেয়ে গেল। শিয়ালদহ কোর্টে বিচার চলাকালীন স্পষ্ট হয়ে গেল, কলকাতা পুলিশের কাছ থেকে তদন্তভার নেওয়ার পর সিবিআই কার্যত বিশেষ কিছুই এগোয়নি। পুরো ঘটনাকে এক জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে শেষ করার দিকেই আগ্রহ দেখা গেল।
ঘটনা ও তদন্ত নিয়ে আজও অসংখ্য প্রশ্ন, অসংখ্য ধোঁয়াশা রয়ে গেল।
বিচার আমরা পেলাম না।
তবু শেষ ভরসাটুকু রেখে অভয়ার বাবা মা আবার আইনি লড়াই শুরু করলেন। প্রাতিষ্ঠানিক হত্যাকাণ্ড ও ত্রুটিপূর্ণ তদন্তের বিরুদ্ধে মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে। আমরা ভেবেছিলাম, অন্তত এখানেই দ্রুত শুনানি হবে।
কিন্তু এখানেও চলছে সেই একই ছবি। দীর্ঘসূত্রিতা। তারিখের পর তারিখ। এমনকি নির্ধারিত দিনেও শুনানি পিছিয়ে যাচ্ছে। একটি ছোট কিন্তু ভয়ংকর হিসেব বলছে সবকিছু। ২৮.০৮.২৫ থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন বেঞ্চ বদল এবং শেষে বেঞ্চ নির্দিষ্ট হওয়ার প্রক্রিয়ায় অভয়া মামলা ৩১ বার Assigned হয়েছে। একবারও শেষ পর্যন্ত শুনানি হয়নি।

যে বিচারব্যবস্থা আন্দোলনের উত্তুঙ্গ সময়ে সুপ্রিম কোর্টে দিনের পর দিন লাইভ স্ট্রিমিংয়ে শুনানি চালিয়ে মানুষের মনে ভরসা জাগিয়েছিল, আজ সেই বিচারব্যবস্থাই এই ঐতিহাসিক গণআন্দোলনের ন্যায়ের আকাঙ্ক্ষাকে কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। আজ দাঁড়িয়ে আমরা এর আর কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাই না। তাহলে কি প্রতিটি খুন, ধর্ষণ, অবিচারের বিচারের জন্য সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নেমেই থাকতে হবে প্রতিদিন?

এই অসহ্য বিলম্ব ও দীর্ঘসূত্রিতার বিরুদ্ধে, যাতে অভয়ার মামলায় বিচার পেতে আরও দেরি না হয়, সেই দাবিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের পক্ষ থেকে বিশেষত মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের একটি ডেপুটেশন আমরা মাননীয় প্রধান বিচারপতির কাছে জমা দিতে চলেছি আগামী ৯ ই ফেব্রুয়ারি, সোমবার। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ধর্মতলা চত্বরে জমায়েত। সেখান থেকে আমাদের প্রতিনিধিদল যাবে কলকাতা হাইকোর্টে।

আমরা চাই, যারা প্রথম দিন থেকে অভয়ার ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন, রাত জেগেছেন, লড়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের কণ্ঠস্বর একসঙ্গে ধ্বনিত হোক ডোরিনা ক্রসিংয়ে। যাতে বিচারব্যবস্থার শীর্ষে থাকা মানুষরা বুঝতে পারেন, এই দীর্ঘসূত্রিতা সাধারণ মানুষের মনে কতটা ক্ষোভ, দুঃখ আর হতাশা জমা করছে। আজ যখন পুলিশ ও সিবিআইয়ের উপর মানুষের আস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে, তখন বিচারব্যবস্থাই শেষ ভরসা। সেই ভরসার জায়গায় যাতে আঘাত না লাগে তা সুনিশ্চিত করা বিচারব্যবস্থারই দায়িত্ব।

প্রসঙ্গত, ওই দিনই অভয়ার জন্মদিন। নারকীয় হত্যার পর বিচারহীন ১৮ মাস কেটে যাওয়ার পরে জন্মদিনের আলাদা কোনও প্রাসঙ্গিকতা থাকে না হয়তো। তবু আমরা আমাদের সহকর্মীকে স্মরণ করতে চাই তাঁর কর্মস্থল আর জি কর মেডিকেল কলেজের Cry of the Hour প্রাঙ্গণে।

দুপুরের কর্মসূচির পরে, সন্ধ্যা ৭টায় আর.জি.কর মেডিকেল কলেজে Cry of the Hour এর সামনে অভয়ার স্মরণে এবং লড়াইয়ের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা আবার জড়ো হবো।

On 9 August 2024, in the grim aftermath of the barbaric murder of our colleague Abhaya at R G Kar Hospital, we poured on...
31/01/2026

On 9 August 2024, in the grim aftermath of the barbaric murder of our colleague Abhaya at R G Kar Hospital, we poured onto the streets, driven by anguish yet anchored in faith. Lakhs walked with the unshaken belief that the judicial conscience of this nation would respond with swiftness and clarity, unmasking and punishing the real perpetrators.

Our expectation was simple and just: that all those culpable would be held to account those who permitted the crime, those who executed it, and those who, with calculated intent, erased evidence to obstruct the truth. What unfolded instead was a cruel inversion of hope. Though the Principal of R G Kar and the Officer in Charge of Tala Police Station were arrested on charges of evidence tampering, the CBI chose not to file a supplementary chargesheet, and both were soon granted bail. Proceedings in the Sealdah Court laid bare an uncomfortable reality: after assuming charge from the Kolkata Police, the CBI made little substantive progress. The investigation appeared eager to compress a complex, deeply troubling case into the narrow frame of a single accused, as though closure mattered more than truth.

To this day, the case remains shrouded in unanswered questions and unresolved doubts.
Justice did not arrive.

Yet, refusing to surrender to despair, Abhaya’s parents embarked once more upon the arduous path of legal struggle. They approached the Calcutta High Court, challenging both the spectre of institutional murder and the manifest deficiencies of the investigation. We believed that here, at least, urgency would prevail.

Instead, we encountered the same disheartening spectacle: delay without end. Dates followed dates, hearings postponed even when scheduled. A stark and chilling statistic captures the malaise. From 28.08.25 to the present day, owing to repeated changes of benches and the prolonged process of bench assignment, the Abhaya case has been assigned no fewer than 31 times. Not once has a hearing actually taken place.

It is painfully ironic. The very judiciary that, at the height of the movement, conducted day after day of live streamed hearings in the Supreme Court, rekindling public faith, now seems to have consigned the demand for justice born of this historic mass uprising to a limbo of uncertainty. Standing at this juncture, we find no satisfactory explanation. Must citizens, then, forever remain on the streets for justice in every case of murder, r**e, and grave injustice?

In protest against this intolerable delay and institutional inertia, and to ensure that Abhaya’s case is not pushed further into oblivion, the West Bengal Junior Doctors Front, with particular participation from women junior doctors, will submit a deputation to the Honorable Chief Justice on Monday, 9 February. We will assemble at 2.30 pm at the Dharmatala area, from where our representative delegation will proceed to the Calcutta High Court.

We seek to unite the voices of all who have, from the very first day, marched for Abhaya’s justice who have stayed awake through sleepless nights and persisted in resistance. Let those voices resound together at Dorina Crossing, so that those occupying the highest echelons of the judiciary may comprehend the depth of anger, grief, and disillusionment accumulating in the public mind. At a moment when faith in the police and the CBI has all but eroded, the judiciary stands as the final sanctuary of trust. Protecting that sanctuary is, above all, the judiciary’s own responsibility.

It is no small coincidence that this day is also Abhaya’s birthday. Perhaps, after eighteen long months of injustice following a brutal killing, a birthday loses its conventional meaning. And yet, we choose remembrance. We will honour our colleague at her workplace, at the Cry of the Hour premises of R G Kar Medical College.

Following the afternoon programme, we shall gather once more at 7.00 pm in front of the Cry of the Hour at R G Kar Medical College, to remember Abhaya and to renew, with quiet resolve, our commitment to the struggle.

Address

Satara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram