Dr Suvajit's Clinic

Dr Suvajit's Clinic Rendering Service to Human

28/09/2021

এখন সোনামুখী তে লোকনাথ মেডিকেল হল-এ (পোস্ট অফিসের কাছে) ক্লিনিকে থাকছি সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত, সোমবার থেকে শনিবার।

02/08/2021

আগামীকাল থেকে সোনামুখীতে চেম্বার (clinic) বন্ধ থাকবে।

21/07/2021

সামনের শণিবার ও সোমবার সোনামুখীতে চেম্বারে রোগী দেখা বন্ধ থাকবে।

20/07/2021

সোনামুখীতে সামনের শণিবার চেম্বারে রোগী দেখা বন্ধ থাকবে।

মাসিকের ব্যথা বা ডিসমেনোরিয়া (Dysmenorrhoea)---------------------------------------------------------------------------...
13/07/2021

মাসিকের ব্যথা বা ডিসমেনোরিয়া (Dysmenorrhoea)
---------------------------------------------------------------------------

•গ্রীক শব্দাংশ 'ডিস' (dys-) কথাটির অর্থ 'যন্ত্রণা বা কষ্ট' এবং ' মেনোরিয়া' কথাটির অর্থ 'মাসিকের রক্তপ্রবাহ'। অর্থাৎ 'ডিসমেনোরিয়া' শব্দটির অর্থ যন্ত্রণা যুক্ত মাসিকের রক্তপ্রবাহ। মাসিক রক্তপ্রবাহের সময়কালে তলপেটে যন্ত্রণা অনুভূত হয়। এই ব্যথা কখনো কখনো কোমরের দিকেও হয়ে থাকে। সঙ্গে বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, স্তনে ব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা ইত্যাদি সমস্যাও থাকতে পারে।

•বিশেষত কম বয়সী মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়ার সময়কালে এই সমস্যা বেশি হয়। তবে ডিসমেনোরিয়া আবার দু'রকমের হয়। প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি ডিসমেনোরিয়া। প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে না, কম বয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। অন্যদিকে সেকেন্ডারি ডিসমেনোরিয়া (Secondary Dysmenorrhoea) একটু বেশি বয়সের মহিলাদের হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে বের করা যায়। ওভারিয়ান সিস্ট (ovarian cyst), এন্ডোমেট্রিওসিস (Endometriosis), ফাইব্রয়েড (Fibroid), প্রসব পথের সংক্রমণ ইত্যাদি কারণে সেকেন্ডারি ডিসমেনোরিয়া হয়।

•রোগনির্ণয়:
সাধারণত প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া নির্ণয়ের জন্য কোনো পরীক্ষা করার দরকার পড়ে না। রোগ লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা করা হয়। অন্যদিকে সেকেন্ডারি ডিসমেনোরিয়া নির্ণয় করার জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়।
1. Pelvic examination
2. Complete Blood Count
3. Ultrasonography
4. Pelvic Laparoscopy
5. Vaginal Cytology etc.
এছাড়াও প্রয়োজনমাফিক অন্যান্য পরীক্ষার দরকার পড়তে পারে।

•করণীয়:

১. ব্যথা কমাতে NSAIDs জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। মেফেনামিক অ্যাসিড, আইবুপ্রোফেন, অ্যাসিক্লোফেনাক ইত্যাদি এই জাতীয় ওষুধ। এইসব ওষুধের সাথে প্যারাসিটামল, কম্বিনেশনে ব্যবহার করা যায়। খাবার পরে এই জাতীয় ওষুধ খেলে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খাওয়ার দরকার পড়ে না। তবে পেপটিক আলসার থাকলে, এই জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করার আগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

২. এই সময়ে শরীরে জলের চাহিদা বেড়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন।

৩. মাসিকের ব্যথা কমাতে আদা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। আদা ব্যথা উদ্রেককারী প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন কমাতে সাহায্য করে এবং মানসিক অবসাদ কমায়। এক কাপ গরম জলে আদা ছেঁচে মিশিয়ে পান করুন।

৪. ব্যথা কমাতে দারুচিনি-রও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এক টেবিল চামচ দারুচিনির গুঁড়ো চা-এর সঙ্গে মিশিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে খেতে হবে। পিরিয়ড শুরু হওয়ার ২-৩ দিন আগে থেকে খেলে মাসিকের ব্যথা অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।

৫. কফি বা অতিরিক্ত চা পান থেকে বিরত থাকুন। কফির উপাদান ক্যাফেইন, রক্তনালীকা সংকুচিত করে দেয়। ফলে জরায়ুর মাংসপেশীতে রক্তসঞ্চালন হ্রাস পায় এবং ব্যথা তীব্রতর হয়।

৬. কম ক্যাফেইন যুক্ত আদা-চা, গ্রীণ টি, কার্ডামম্ টি, পিপারমিন্ট টি, লেমোনগ্রাস্ টি এই জাতীয় হার্বাল চা পান করতে পারেন।

৭. অতিরিক্ত ব্যথা হলে, তলপেটে হট্-ওয়াটার ব্যাগ দিয়ে সেঁক নিতে পারেন।

৮. সুষম নিরামিষ জাতীয় খাবার-দাবার খান। তেল বা চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

৯. পেঁপে, পেয়ারা, নাসপাতি, কলা, আপেল ইত্যাদি ফল বেশি পরিমাণে খান।

১০. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশেষ কিছু ব্যায়াম বা এক্সারসাইজ করলে পিরিয়ডের ব্যথা লাঘব করা যাবে।

১১. মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও যোগব্যায়াম অভ্যাস করুন।

~ ডাঃ শুভজিৎ শীট

15/06/2021

মাঝে মাঝে উপোস করা (intermittent fasting) শরীরের পক্ষে ভালো।
এতে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, ওজন কমে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রিত হয়।

সাদাস্রাব বা লিউকোরিয়া (Leucorrhoea)ঈশিতা আন্টি গত ৬ মাস ধরে সাদাস্রাবের সমস্যায় ভুগছেন। পাড়ার এক বান্ধবীর কাছে জানতে...
07/06/2021

সাদাস্রাব বা লিউকোরিয়া (Leucorrhoea)

ঈশিতা আন্টি গত ৬ মাস ধরে সাদাস্রাবের সমস্যায় ভুগছেন। পাড়ার এক বান্ধবীর কাছে জানতে পারেন, এই ধরণের স্রাব যোনিপথের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। তাঁর পরামর্শ মতো তিনি ডাক্তারের কাছে যান। সারভাইকাল ক্যান্সার ধরা পড়ে।

• সাদাস্রাব মেয়েদের যোনিপথ (va**na) থেকে নিঃসৃত একধরনের তরল। বেশিরভাগ মেয়েদেরই খুব সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা এই সাদাস্রাব। নানাবিধ কারণে সাদাস্রাবের সমস্যা হয়। তবে এই সমস্যা সবসময় রোগ হিসেবে গণ্য করা হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় কারণে সাদাস্রাব হয়ে থাকে।
• স্বাভাবিক সাদাস্রাব সাধারণত পাতলা, চটচটে ও জলের মতো ট্রান্সপারেন্ট হয়, যাতে দুর্গন্ধ থাকে না। তবে জীবাণু সংক্রমণের কারণে বা কোনো রোগের কারণে হলে দুর্গন্ধযুক্ত, গাঢ় এবং হলুদ বা সবুজাভ রংয়ের স্রাব হয়ে থাকে। ঋতুস্রাবের আগে বা পরের সময়ে এই নিঃসরণ হতে পারে।

•প্রকারভেদ:

১. সাধারণ শারীরবৃত্তীয় সাদাস্রাব: জলের মতো ট্রান্সপারেন্ট, সাদা, চটচটে, দুর্গন্ধবিহীন হয়।

২. অতিরিক্ত ঘন সাদাস্রাব: চুলকানি থাকতে পারে। সাধারণত ইস্ট জাতীয় ছত্রাক সংক্রমণের কারণে হয়।

৩. হলদে স্রাব: একেবারেই স্বাভাবিক নয়। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া ঘটিত যৌনসংক্রমণের (s*xually transmitted infection) দরুন হয়ে থাকে। বিশেষত একাধিক যৌনসঙ্গী থেকে থাকলে এই জাতীয় সমস্যার তৈরি হয়।

৪. খয়েরি স্রাব: বিশেষ করে মেনোপজের ঠিক আগের সময়ের দিকে বা পরে এই জাতীয় স্রাব হয়। অতিরিক্ত পরিমাণে এই স্রাব হলে বিপদ সংকেত বুঝতে হবে। অনেক সময়ই, সারভাইকেল ক্যান্সার (cervical cancer) এর অন্যতম লক্ষণ এই খয়েরি স্রাব। সত্ত্বর ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৫. সবুজাভ স্রাব: এটিও একটি অস্বাভাবিক ধরণের স্রাব। ট্রাইকোমোনাস (trichomonas) জাতীয় প্রোটোজোয়া সংক্রমণের ফলে এই জাতীয় স্রাব হয়ে থাকে। এটিও একধরনের যৌনসংক্রমণ বা s*xually transmitted infection (STD)।

•কারণসমূহ:

১. অপুষ্টি (Malnutrition)
২. ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত যৌনসংক্রমণ (Bacterial STD)
৩. গণোরিয়া (Gonorrhoea)
৪. ইস্ট জাতীয় ছত্রাক সংক্রমণ (Yeast infection)
৫. ট্রাইকোমোনাস সংক্রমণ (Trichomonas infection)
৬. রাসায়নিক সাবানের ব্যবহার ( using soap in va**na)
৭. গর্ভনিরোধক বড়ি (Birth control pill)
৮. অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (antibiotic misuse)
৯. একাধিক যৌনসঙ্গী (multiple s*x partners)
১০. সারভাইকাল ক্যান্সার (Cervical Cancer)

•আনুষঙ্গিক উপসর্গ:

১. যোনিপথে চুলকানি
২. তলপেটে ব্যথা
৩. ঘন ঘন প্রস্রাব
৪. জ্বর (সাধারণত নিম্ন মাত্রার জ্বর)
৫. শারীরিক মিলনের সময় অতিরিক্ত ব্যথা
৬. অল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত ক্লান্তিভাব

•পরীক্ষা-নিরীক্ষা:

১. রক্তের হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) পরীক্ষা করান। Complete Blood Count করিয়ে নিলে ভালো।
২. ব্লাড সুগার (Blood Sugar)
৩. প্রস্রাবের রুটিন ও মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষা ( urine RE/ME)
৪. ভ্যাজাইনাল সাইটোলজি (Vaginal Cytology)
৫. সারভাইকাল স্মিয়ার (Cervical Smear)
৬. প্রয়োজন মতো আনুষঙ্গিক কিছু পরীক্ষা করাতে হতে পারে।

•করণীয়:

১. প্রথমেই বলে রাখি, অতিরিক্ত সাদা স্রাব হলে অবহেলা করবেন না। অতি অবশ্যই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
২. জল বেশি করে খান। ফলের রস, স্যুপ ইত্যাদিও বেশি খান।
৩. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যোনিপথে লাগানোর মলম ব্যবহার করবেন বা মুখে খাওয়ার ওষুধ খাবেন।
৪. সারা রাত এক গ্লাস জলে এলাচ ভিজিয়ে সেই জল সকালে খালি পেটে খান। পেয়ারা পাতা সেদ্ধ করে জল খেতে পারেন।
৫. মধু ও তুলসী পাতা খান।
৬. ফ্যান সহযোগে ভাত (মাড়-ভাত) খান।
৭. কলা, নাসপাতি, বেদানা, পেয়ারা ইত্যাদি ফল খান। মাছ, মাংস, ডিম ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খান।
৮. অন্তর্বাস সবসময় শুকনো রাখুন। (প্রতিবার প্রস্রাবের পরে শুকনো নরম কাপড় বা টয়লেট পেপার দিয়ে যৌনাঙ্গ মুছুন)
৯. মাসিকের রক্তক্ষরণের সময়কালে প্রতি ৪-৬ ঘন্টা পরপর স্যানিটারি প্যাড পরিবর্তন করুন। (ভারী রক্তপ্রবাহের ক্ষেত্রে ৩-৪ ঘন্টা পরপর)
১০. সহবাসের পরে অতি অবশ্যই জল দিয়ে যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করুন। (এটি অভ্যাসে পরিণত করুন)
১১. যৌনাঙ্গ ধোয়ার সময় যোনিপথে সাবান ব্যবহার করবেন না। (এতে যোনিপথের pH পরিবর্তিত হয়ে যায়)
১২. যৌনাঙ্গে সুগন্ধিযুক্ত পণ্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
১৩. নিরাপদ যৌন-অনুশীলন করুন। (যৌনক্রিয়ার সময় কোনো তৈলাক্তকর পদার্থ ব্যবহার করবেন না)
১৪. যতটা সম্ভব শিথিল পোশাক পরুন। (সুতির অন্তর্বাস ব্যবহার করুন)
১৫. যৌনাঙ্গ মোছার সঠিক উপায় শিখুন। (যৌনাঙ্গটি সবসময় সামনের থেকে পিছনের দিকে পরিষ্কার করুন, উল্টোদিকে নয়)
১৬. যৌনাঙ্গের চুল শেভ করবেন না। (চুল রোগজীবাণু প্রবেশের হাত থেকে যৌনাঙ্গকে রক্ষা করে, safety net এর মতো)
১৭. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাবেন না। বেশি অ্যান্টিবায়োটিক খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
১৯. নিয়মিত যোগব্যায়াম (meditation), মর্ণিং ওয়াক (morning walk) করুন। এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কম থাকবে।
১৯. সারভাইকাল ক্যান্সার এর জন্য দায়ী মূল ভাইরাস, এইচ.পি.ভি (HPV)। এইচ.পি.ভি ভাইরাস আটকাতে প্রতিষেধক টিকা রয়েছে। ৯ থেকে ১৩ বছর বয়সে এই টিকার ২-৩ টি ডোজ নিলে তা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে। যদিও ৯-১৩ বছরের মধ্যে এই টিকা সবচেয়ে বেশি কার্যকর, তবে এই ডোজ ২৬ বছর বয়স অব্দি দেওয়া যেতে পারে।
২০. একাধিক যৌনসংসর্গ থেকে বিরত থাকুন।

© ডাঃ শুভজিৎ শীট

মুখে ঘা (Oral Ulceration)আমাদের মতো অভাগা দেশে অপুষ্টিজনিত রোগলক্ষণ বিস্তর চোখে পড়ে। মুখে ঘা কোনো একটি বিশেষ রোগ নয়, এ...
03/06/2021

মুখে ঘা (Oral Ulceration)

আমাদের মতো অভাগা দেশে অপুষ্টিজনিত রোগলক্ষণ বিস্তর চোখে পড়ে। মুখে ঘা কোনো একটি বিশেষ রোগ নয়, এটি একটি রোগলক্ষণ।

•নানা কারণে মুখে ঘা হতে পারে। এদের মধ্যে অপুষ্টি (malnutrition), রক্তাল্পতা (anaemia), এইডস্ (HIV), ভাইরাল ইনফেকশন, মধুমেহ বা ডায়াবেটিস (Diabetes), মুখের ক্যান্সার (oral cancer) অন্যতম। এছাড়া গরম খাবারে পুড়ে গেলে বা ধারালো দাঁত দিয়ে হঠাৎ জিভ/গাল কেটে গেলে বা শক্ত টুথব্রাশ দিয়ে খুঁচানো গেলে মুখে ঘা হতে পারে।

•পরীক্ষা-নীরিক্ষা:
রক্তের সুগার (blood sugar), হিমোগ্লোবিন (haemoglobin), HIV পরীক্ষা করিয়ে নিন। একটা ইসিজি করে নিলে ভালো।

•করণীয়:
১. খুব গরম খাবার খাবেন না।
২. ঝালমশলা, টক জাতীয় খাবার খাবেন না।
৩. ঠান্ডা, মিষ্টি জাতীয় খাবার খান।
৪. বিড়ি, সিগারেট বা তামাকদ্রব্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
৫. চকোলেট বা কোল্ড ড্রিংকস খাবেন না।
৬. গরম জলে নুন মিশিয়ে দিনে তিনবার করে কুলকুচি (gargle) করুন।
৭. খাবার খাওয়ার পর প্রত্যেকবার মুখ ও দাঁত ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
৮. দিনে দু'বার ব্রাশ করুন। শক্ত টুথব্রাশ মোটেই ব্যবহার করবেন না। নরম ব্রাশ দিয়ে খুব কম চাপ দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ব্রাশ করুন। অতিরিক্ত দাঁত মাজলে দাঁতের ক্ষয় হয়।
৯. ভালো টুথপেস্ট ব্যবহার করুন ( sodium Lauryl Sulphate থাকলে সেই টুথপেস্ট বর্জন করুন)।
১০. মধু ও হলুদ বাটা মিশিয়ে মুখে বা ঠোঁটের ঘা তে লাগিয়ে রাখতে পারেন। নারকেল তেল ও লাগানো যেতে পারে (তবে রক্ত বের হলে নয়)।
১১. জ্বালা-যন্ত্রনা বেশি থাকলে বরফ লাগাতে পারেন।
১২. যষ্টিমধু দু'কাপ জলে তিন ঘণ্টা ভিজিয়ে খান।
১৩. খিচুড়ি, ঠান্ডা দুধ, মিষ্টি ফল (যেমন: রাঙা আলু, বেদানা, আঙুর ইত্যাদি) খান।
১৪. ভালো না হলে ট্রাইঅ্যামসিনোলোন (0.1% triamcinolone) জাতীয় পেস্ট দিনে দু'-তিন বার করে লাগানো যেতে পারে।
১৫. দাঁত খুব ধারালো হয়ে থাকলে দাঁতের ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
১৬. বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভিটামিন ওষুধ দরকার পড়ে না। প্রয়োজনমাফিক ডাক্তারের পরামর্শ মতো অ্যান্টিবায়োটিক বা ভিটামিন ওষুধ খান।

~ ডাঃ শুভজিৎ শীট

03/06/2021

সন্ধ্যায় ক্লিনিক এখন কিছুদিন বন্ধ থাকছে। সকালে ৯ টা থেকে ১.৩০ টা পর্যন্ত চেম্বার খোলা আছে।

03/06/2021
Take Food as your Medicine...
03/06/2021

Take Food as your Medicine...

Address

Vishnupur
722207

Opening Hours

Monday 9am - 1:30pm
Tuesday 9am - 1:30pm
Wednesday 9am - 1:30pm
Thursday 9am - 1:30pm
Friday 9am - 1:30pm
Saturday 9am - 1:30pm

Telephone

+917065898459

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Suvajit's Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Suvajit's Clinic:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram