MHS Media

MHS Media নতুন update news পেতে page টাকে follow করুন M H S media all tame gi

16/11/2025

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতাকে হত্যা
করে ফেসবুকে ‘আউট’ লিখে ভিডিও পোস্ট করে ছাত্রদল নেতা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: ১৬ নভেম্বর ২০২৫
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আবুল কালাম (৪৮) নামে বিএনপির একজন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী কাউছার হোসেন হত্যাকাণ্ডের পরপরই ফেসবুকে ‘আউট’ লিখে একটি ভিডিও পোস্ট করায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চন্দ্রগঞ্জের মোস্তফার দোকান এলাকায়। নিহত আবুল কালাম স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

নিহত আবুল কালামকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার প্রায় আধা ঘণ্টা পর রাত ৯টার দিকে অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী কাউছার হোসেন তার ফেসবুক আইডি থেকে একটি ক্রিকেট ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন— “আউট”। নিহতের পরিবার দাবি করছে, এটি হত্যাকাণ্ড ইঙ্গিত করেই পোস্ট করা হয়েছে।

তবে কাউছার হোসেন দাবি করেছেন, তার ভিডিও পোস্টের সঙ্গে হত্যার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “ঘটনার সময় আমি লতিফপুর বাজারের মোস্তফার দোকানে ছিলাম। কালাম ভাই বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমার সাথে বাজারে ঘুরেছেন।”

নিহতের স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার অভিযোগ করে বলেন—
“আমার স্বামীকে খুন করার পর কাউছারের ওই পোস্ট কাকতালীয় নয়। এটি হত্যার ঘটনা ইঙ্গিত করেই দিয়েছে।”

ঘটনার পর রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন:

> “এই হত্যাকাণ্ড যেই করুক, অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ব্যক্তিগত বিরোধে কাউকে নির্মমভাবে হত্যা করা গ্রহণযোগ্য নয়।”

চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মো. ফয়েজুল আজীম জানান:

➡ প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, কাউছার ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত।
➡ হত্যাকাণ্ডে চার-পাঁচজন অংশ নিয়েছে বলে অনুমান পুলিশের।
➡ কাউছারের ফেসবুক পোস্টটিও পুলিশের তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার ১৬ ঘণ্টা পরও কোনো মামলা হয়নি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।

#লক্ষ্মীপুর #চন্দ্রগঞ্জ
#আবুল_কালাম #হত্যাকাণ্ড #বাংলাদেশরাজনীতি

16/11/2025

নোয়াখালীতে প্রাইম হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় নারীর মৃত্যুর অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর মাইজদীতে প্রাইম হসপিটালে ভুল চিকিৎসায় রাবেয়া বেগম (৪৮) নামে এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত পৌনে ১২টার দিকে ওই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে তার মৃত্যু হয়। নিহত রাবেয়া লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের সর্দার বাড়ির শামছুল হুদার স্ত্রী।

রোববার (১৬ নভেম্বর) দুপুরের দিকে নিহতের মেঝো ছেলে মো. রাজন হোসেন সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।

রাজন হোসেন জানান, দুই মাস আগে বাড়ির উঠানে পা পিছলে পড়ে বাম হাতের কব্জির ওপরে ফ্র্যাকচার হয় তার মায়ের। স্থানীয় একজন চিকিৎসকের পরামর্শে ভাঙা স্থানে প্লাস্টার করা হয়েছিল। দুই মাস পর প্লাস্টার খুলে এক্সরে করলে দেখা যায়, হাড় জোড়া লাগেনি। পরে মাইজদীর প্রাইম হসপিটালের চিকিৎসক ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ভাঙা স্থানে পাত বসানোর জন্য ৭৫ হাজার টাকায় চুক্তি হয়।

শনিবার সন্ধ্যায় রাবেয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয় এবং অ্যানেসথেসিয়ান গোলাম হায়দার তাকে অজ্ঞান করেন। রাজনের দাবি, অজ্ঞান করার পর তার মায়ের আর জ্ঞান ফেরেনি। প্রায় ঘন্টাখানেক পর তাকে আইসিইউতে নেওয়া হলেও রাত সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিবারকে জানায় যে রাবেয়া মারা গেছেন।

রাজন অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতাল আমাদের প্রচণ্ডভাবে তালবাহানা করেছে। প্রথমে বলা হয় আমার মায়ের উচ্চ রক্তচাপ ছিল, পরে আবার বলে প্রেসার কমে গিয়েছিল। আসলে অজ্ঞান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার মা মারা যান। সকালবেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় অপারেশন, আইসিইউ কিংবা অ্যাম্বুলেন্সের কোনো খরচ লাগবে না—আমরা মরদেহ নিয়ে যেতে পারি।”

তিনি আরও জানান, রবিবার দুপুরে তার বড় ভাই ও জেঠা এসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে মরদেহ নিয়ে যান। তবে কী সমঝোতা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবহিত নন বলে জানান।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে প্রাইম হসপিটালের সিনিয়র এজিএম শিপন শাহ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “রোগীর অপারেশনের পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। রোগীর স্বজনদের আমরা বলেছি, তারা চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন।”

নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমি বলেন, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে যাচাই-বাছাই করা হবে।”

#নোয়াখালী #মাইজদী #প্রাইম_হসপিটাল #ভুল_চিকিৎসা #রাবেয়া_বেগম #চিকিৎসায়_অবহেলা
#স্বাস্থ্যসেবা #বাংলাদেশ #সংবাদ #হাসপাতাল_দুর্নীতি

11/11/2025
10/11/2025
09/11/2025
09/11/2025

৩১ দফা কর্মসূচির আদর্শ ভুলে যাচ্ছে বিএনপি: আলোচনার প্রতি অনাগ্রহে সমালোচনা
ঢাকা, ৯ নভেম্বর ২০২৫:
বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিতে আলোচনাভিত্তিক নতুন সামাজিক চুক্তির কথা থাকলেও, বাস্তবে দলটির সেই অঙ্গীকারের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না—এমন মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
বিএনপির ৩১ দফার দ্বিতীয় দফায় স্পষ্টভাবে বলা আছে: “অব্যাহত আলোচনা, মতবিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ভবিষ্যতমুখী এক নতুন ধারার সামাজিক চুক্তিতে (Social Contract) পৌঁছাতে হবে।”
কিন্তু সমালোচকদের মতে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংস্কার প্রশ্নে বিএনপির কোনো জেনুইন বা আন্তরিক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
গত বছরের আগস্ট বিপ্লবের পর রাষ্ট্র বিনির্মাণে বিএনপিকে কোনো আলোচনার উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। এ পর্যন্ত যে সামান্য আলোচনা হয়েছে, তা মূলত ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে, বিএনপির নয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের পতনের পর দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির উচিত ছিল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়া—দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উভয় পর্যায়েই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, দলটি ক্ষমতায় যাওয়ার আগে কোনো ধরনের সমঝোতা বা আলোচনায় অংশ নিতে অনীহা প্রকাশ করছে।
একজন বিশ্লেষক মন্তব্য করেন,
“বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের অনেকেই হয়তো ৩১ দফা কর্মসূচি পড়েননি, অথবা নিজেরাই সেই নীতিগুলোতে বিশ্বাস রাখেন না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে একটি “নতুন সামাজিক চুক্তি” অপরিহার্য। সেই লক্ষ্যে বিএনপির ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দিতে না পারলে জনগণের আস্থা অর্জন কঠিন হবে।

বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা ও বাস্তব রাজনৈতিক আচরণের মধ্যে স্পষ্ট অমিল লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

#বিএনপি #৩১দফা #রাজনীতি #সামাজিকচুক্তি #বাংলাদেশরাজনীতি #ঐকমত্যকমিশন #রাজনৈতিকসংস্কার #মির্জাগালিব #বিশ্লেষণ #নতুনবাংলাদেশ

09/11/2025

সালিশে ক্ষমা চাইতে বলায় জামায়াত নেতাসহ ১০ জনকে কুপিয়ে জখম
বেনাপোল প্রতিনিধি | যশোর | ৯ নভেম্বর ২০২৫
যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের লাউতাড়া গ্রামে সালিশ বৈঠকে ক্ষমা চাইতে বলাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ওয়ার্ড জামায়াত সভাপতি জহুরুল ইসলামসহ একই পরিবারের অন্তত ১০ জন গুরুতর জখম হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৮ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেদিন বিকেলে মাছ ধরার ঘুনি (দৌড়) পাতানো নিয়ে গ্রামের ইমরান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুসের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইমরান ইউনুসকে ধাক্কা দিলে বিষয়টি নিয়ে রাতে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড জামায়াত সভাপতি জহুরুল ইসলাম। সেখানে ইমরানকে ক্ষমা চাইতে বলা হলে ইউনুসপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী বাবলু, আব্দুল আলীম, জসিম, শাহিন, বাবলু মিস্ত্রী, আমিন, শরিফুল, ইউনুসসহ ১৫–২০ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
তারা ইমরান ও জহুরুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। হামলার সময় পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—
জহুরুল ইসলাম (৫০), ইমরান (২৭), নুর মোহাম্মদ (৭৩), কদর আলী (৫০), হেলাল (২৮), সালমা (৩৪), রানু (২৫) প্রমুখ।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, জহুরুল ইসলাম ২০২১ সালের হাতেম আলী হত্যা মামলার একজন সাক্ষী ছিলেন। মামলার প্রধান আসামি বাবলু সম্প্রতি জামিনে এলাকায় ফিরে আসেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিশোধমূলকভাবে পরিকল্পিত এই হামলা বাবলু ও তার সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে।
আহতদের স্বজনরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীম বলেন,
“ঘটনাটি শুনেছি। তদন্ত করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সালিশ বৈঠকে ক্ষমা চাইতে বলাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে; রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

#যশোর #শার্শা #জামায়াত #সালিশহামলা #রাজনৈতিকসহিংসতা #বাংলাদেশসংবাদ #উলাশী #বেনাপোল #আইনশৃঙ্খলা #স্থানীয়সংবাদ

07/11/2025

চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় আলোচিত সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেপ্তার
প্রকাশিত: শুক্রবার, চট্টগ্রাম সংবাদ
চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণার সময় আলোচিত যুবদল নেতা সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
র‌্যাব জানায়, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা এই দুই আসামি এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণার সময় এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
এর আগে চট্টগ্রামের চালিতাতলী ও রাউজান এলাকায় সংঘটিত দুইটি গোলাগুলির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে সম্প্রতি উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।
#চট্টগ্রাম #বিএনপি #এরশাদউল্লাহ #র‌্যাব #বাবলা_হত্যা_মামলা #যুবদল #চট্টগ্রাম৮ #গ্রেপ্তার #নির্বাচনী_প্রচার

03/11/2025

চাঁদপুরে মহিলা জামায়াতের কোরআন তালিমে যুবদলের হামলা: জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ
📅 প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর, ২০২৫
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের (গুলিসা) রাড়িগো ফুলের কাছের খাঁন বাড়িতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের নিয়মিত কোরআন তালিমে যুবদলের হামলার অভিযোগ উঠেছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ নভেম্বর (রবিবার) বিকেলে ঐ বাড়িতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে নিয়মিত সাপ্তাহিক ও মাসিক কোরআন তালিম ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে আসছে জামায়াতের মহিলা বিভাগ।
ওইদিন তালিম চলাকালে স্থানীয় যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আছলাম এর নেতৃত্বে একদল যুবক বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করে। পর্দানশীল মহিলারা তাদের প্রবেশে বাধা দিলে, তারা অশালীন ভাষায় গালাগালি শুরু করে এবং উপস্থিত মহিলাদের ভিডিও ধারণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা দরজায় ধাক্কাধাক্কি ও লাথি মেরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। মহিলারা প্রতিবাদ জানালে হামলাকারীরা স্থান ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর সদর উপজেলা আমীর মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,
“জুলাই বিপ্লব-২৪ পরবর্তী স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে এই নব্য স্বৈরাচারী ও সন্ত্রাসী হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। পর্দানশীল মা-বোনদের কোরআন তালিমে হামলা করা ঘৃণ্য কাজ।”
তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন,
“যুবদলের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।”
🕊️ জামায়াতের দাবি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা শাখা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এবং মহিলা সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

#চাঁদপুর #জামায়াতে_ইসলামী #মহিলা_জামায়াত #কোরআন_তালিম #যুবদল #হামলা #নিন্দা #প্রতিবাদ #স্বৈরাচারমুক্ত_বাংলাদেশ #জুলাই_বিপ্লব২৪

30/10/2025

গণভোটের দাবিতে নতুন সুর: নির্বাচনের আগে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান
📅 প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
(নিজস্ব প্রতিবেদক)
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠেছে গণভোটের দাবি। বিভিন্ন দল ও নাগরিক সংগঠন বলছে— নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান পরিমার্জন এবং ভোটিং সিস্টেমে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে।
তাদের মতে, গণভোট আয়োজন এখন কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন হলে জনগণ সরাসরি অংশ নিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ শাসন কাঠামো নির্ধারণের সুযোগ পাবে। এতে করে ভোটারদের আস্থা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দুটোই বৃদ্ধি পাবে।

গণভোটপন্থী রাজনৈতিক মহল মনে করে, নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, প্রশাসন ও সংবিধানে সংস্কার, এবং ভোটিং ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনাই দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মূল শর্ত।
তারা অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক শক্তি এসব সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে গণভোট এড়াতে চাচ্ছে। তাদের দাবি, এতে দেশ আবারও পুরোনো রাজনৈতিক অচলাবস্থায় পড়ে যেতে পারে।

গণভোটের পক্ষে থাকা নেতারা বলছেন, বাংলাদেশের সার্বভৌম অবস্থান ও জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষায় জনগণের সরাসরি মতামত নেওয়া জরুরি।
তারা মনে করেন, গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে বিদেশনির্ভরতা ও রাজনৈতিক দখলদারিত্বের পথ বন্ধ করা সম্ভব হবে।
এক তরুণ রাজনৈতিক কর্মী বলেন,
“যেভাবে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছে, ঠিক সেভাবেই গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত। তারুণ্যের প্রথম ভোট হোক ‘হ্যাঁ’— একটি স্বাবলম্বী, স্বাধীন ও ন্যায়ের বাংলাদেশ গঠনের পক্ষে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন নিয়ে যে জনচাপ তৈরি হচ্ছে, তা এখন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। গণভোট হলে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, আর না হলে এই ইস্যু আগাম নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
#গণভোট #জাতীয়_নির্বাচন #জুলাই_সনদ #সংবিধান_সংস্কার #জনগণের_অংশগ্রহণ #বাংলাদেশ_রাজনীতি

Address

Khaitan
Kuwait City

Telephone

+96567047403

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MHS Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to MHS Media:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category