EPrescription Point - জরুরী স্বাস্থ্যসেবা

EPrescription Point - জরুরী স্বাস্থ্যসেবা Free service health concerns

07/06/2023
26/08/2021
COVID-19
13/07/2021

COVID-19

❤️❤️❤️শুভ সকাল❤️❤️❤️
01/06/2021

❤️❤️❤️শুভ সকাল❤️❤️❤️

Blood transfusion is one type of organ transplantation.... কারন এখানে একজনের শরীরের টিস্যু আরেকজনের শরীরের প্রবেশ করানো ...
22/09/2020

Blood transfusion is one type of organ transplantation.... কারন এখানে একজনের শরীরের টিস্যু আরেকজনের শরীরের প্রবেশ করানো হচ্ছে ।। কোনো টিস্যু অন্যের শরীরে দেয়ার পর দুইটা পক্ষ সেখানে কাজ করে- প্রবেশকৃত টিস্যু যাকে graft বলে, আর যার শরীরে প্রবেশ করানো হয় তাকে Host বলে । অনেক সময় এই গ্রাফট - হোস্ট এর মারা মারিকে Graft Vs Host Reaction বলা হয় ।। এই মারা মারির মূল কারন হলো - Graft এর মধ্যে কিছু Immune Competent Cell থাকা ।। এই সেল গুলো Host শরীরকে ফরেন বডি মনে করে আক্রমন করে বসে। সেখানেই বিপত্তি ।। এই ঘটনা সবচেয়ে বেশি Bone marrow and Kidney Transplantation এর সময় । Transplantation Immunity এর এই ঘটনার পিছনে থাকে HLA System.... এই HLA Matching না হলেই Antigen antibody reaction হয় ; যা খুব সিরিয়াস পর্যায়ে যেতে পারে । যেমন- Husband থেকে Allo Antigen স্ত্রীর শরীরে প্রবেশ করে Baby এর মাধ্যমে । সুতরাং এই প্রিফরমড এন্টিবডি গুলোও রিএকশন করতে পারে । ফ্যামিলি মেম্বারদের মধ্যে এই ধরনের রিএকশন হতে পারে । সুতরাং Graft vs Host reaction প্রতিরোধের উপায় হলো - টিস্যু টাইপিং (HLA Typing) ও Auto Cross Matching করে নেয়া ( এটা MLR বা Mixed Lymphocyte reaction দিয়ে দেখা যায়) ... ।। এই রিএকশন Acute or Chronic হতে পারে । সিম্পটম হিসেবে Rash , Burning , Redness of Mucosa.... যার ফলে অনেকের ডায়রিয়া, ব্লিডীং, রেনাল ফেইলুর ইত্যাদি হতে পারে । এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। এখানে জেনে রাখা ভালো - রিএকশন সবার হবে, এমন কোনো কথা নেই । তবে সতর্কতার জন্য নিজেদের মধ্যে Allo-Antigen মিক্স না করাই ভালো ।।

17/09/2020

লো-ব্লাড প্রেসার

ব্লাড প্রেসার লো হলে যে খাবার খাবেন
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে আমরা কম-বেশি সচেতন হলেও লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে ততটা নই। নিম্ন রক্তচাপের কারণে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা।
মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাব এবং অস্পষ্ট দৃষ্টিশক্তি নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ। নানা করণে নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে। যেমন ডিহাইয়েড্রেশন, রক্তস্বল্পতা, দুশ্চিন্তা, থাইরয়েড, ইত্যাদি। রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে নিজের প্রতি হতে হবে যত্নশীল। যা খেলে নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা দূর হবে।
1.পানি
পানি কম পান করার কারণে দেখা দিতে পারে ডিহাইড্রেশন। এটি রক্তের পরিমাণ হ্রাস করে যার ফলে রক্তচাপ কমে আসে। ব্যায়াম করার সময় নিজেকে হাইড্রেড রাখা আবশ্যক। প্রচুর পানি পান করবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর শরবত, ডাবের পানি পান করবেন। এগুলো আপনাকে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।

2.কফি
ক্যাফেইন সাময়িকভাবে রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে। যদি আপনার রক্তচাপ হঠাৎ কমে আসে এবং মাথা ঝিমঝিম করে তাহলে এককাপ চা কিংবা কফি পান করতে পারেন। ক্যাফেইন আমাদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমকে উদ্দীপ্ত করে এবং হার্ট রেট বৃদ্ধি করে। যা রক্তচাপ পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে।

3.তুলসি পাতা
প্রতিদিন সকালে পাঁচ থেকে ছয়টি তুলসি পাতা চিবিয়ে খেলে রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তুলসি পাতায় উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন সি থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই পাতার মধ্যে ইগেনোল নামে পরিচিত এন্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

4. ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার

5.ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার

6.ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার

7.খাবার স্যালাইন

8.সেদ্ধ ডিম

9.গ্লুকোজ এর শরবত

আজকে আমি একটা খুব পরিচিত  একটা  সমস্যা নিয়ে লিখতে বসলাম।আমরা অনেকেই  এই  সমস্যাটির সাথে পরিচিত,সমস্যাটি  হলো পলিসিস্টিক ...
09/09/2020

আজকে আমি একটা খুব পরিচিত একটা সমস্যা নিয়ে লিখতে বসলাম।আমরা অনেকেই এই সমস্যাটির সাথে পরিচিত,সমস্যাটি হলো পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম। যা আজকাল আমাদের দেশের অনেক মেয়েদের ক্ষেত্রে পাওয়া যাচ্ছে।আসুন, আমরা এই সম্পর্কে কিছু জানার চেষ্টা করি...

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কি?

👉সিস্ট বলতে বুঝায় পানি বা তরল জাতীয় কোন কিছু যখন একটা ছোট থলের মধ্যে থাকে। পলিসিস্টিক ওভারি বলতে বুঝায় ওভারি বা ডিম্বাশয়ে এরকম অনেক সিস্ট থাকে। সাধারণত ১২ টা বা তার বেশি সিস্ট থাকে।

কেন হয়?

👉যখন একজন মেয়ের শরীরে এন্ড্রোজেন নামক একটা হরমোন বেড়ে যায় তখন এ ধরণের সিস্ট তৈরী হয়।উল্লেখ্য , এই হরমোন পুরুষ দের বেশি থাকে।

কাদের হয়?

👉 মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়ার পর থেকে মাসিক বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত যে কোন বয়সেই হতে পারে।সাধারণত ২০-৩০ বছর বয়সে বেশি হয়।প্রতি ১০ জন মেয়ের মধ্যে ১ জন মেয়ের হতে পারে। তবে যাদের ওজন বেশি তাদের বেশি হয়।

কি কি সমস্যা হলে বুঝতে হবে তার পলিসিস্টিক ওভারি হতে পারে?

👉সাধারণত যদি কোন মেয়ের মধ্যে এই তিনটি সমস্যা দেখা দিলে আমরা ধরে নিতে পারি তার পলিসিস্টিক ওভারি থাকতে পারে

১.অনিয়মিত মাসিক/মাসিক বন্ধ থাকা/মাসিক খুব কম পরিমাণে হওয়া

২.মুখে বা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অস্বাভাবিক লোম,ব্রণ।

৩.শরীরের ওজন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন জায়গায় যেমন ঘাড়, চামড়া অস্বাভাবিক কালো হয়ে যাওয়া।

কিভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?
👉১.রোগীর মুখে তার সমস্যার কথা শোনা হয়।যদি তার মধ্যে উপরে উল্লেখিত সমস্যা গুলো পাওয়া যায়।
২.আমরা তলপেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে যদি ওভারি তে ১২ টা বা তার বেশি সিস্ট পাওয়া যায়।
৩.রক্তে এন্ড্রোজেন বেশি পেলে।

পলিসিস্টিক ওভারি থাকলে একজন মেয়ের কি কি সমস্যা হতে পারে?

👉১.ওজন বেড়ে যেতে পারে
২.বন্ধাত্ব
৩.ডায়াবেটিস মেলাইটাস (টাইপ -২)
৪.উচ্চ রক্তচাপ
৫.ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে
৬.স্লিপ এপনিয়া /ঘুমানোর সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে
৭.ডিপ্রেশন এন্ড এনজাইটি( হতাশা ও বিষণ্ণতা)
৮.জরায়ুর ক্যান্সার

পলিসিস্টিক ওভারি হলেই কি বন্ধাত্ব হতে পারে?

👉 না।সব সময় বন্ধাত্ব হয়না।

বন্ধাত্ব হলে কি চিকিৎসা করলে কি বাচ্চা হওয়া সম্ভব?

👉 সম্ভব।অনেক সময় নিয়মিত ও সঠিক চিকিৎসা নিলে এই বন্ধাত্ব থেকে বেড়িয়ে আসা সম্ভব।

বন্ধাত্ব হলে চিকিৎসা কি?

👉১.ওজন কমানো।দেখা গেছে সাধারণত শরীরের ১০% ওজন কমালে তার মাসিক নিয়মিত হয় এবং তার বাচ্চা ধারণ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
২.মেডিকেল ম্যানাজমেন্ট । অর্থাৎ আমরা কিছু ওষুধ দেই। জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল,মেটফরমিন।
৩.সার্জিক্যাল ম্যানাজমেন্ট। অর্থাৎ আমরা কিছু সার্জারী করতে পারি। ল্যাপারোস্কোপিক সিস্ট পাংচার, সিস্টেকটমি, ওভারিয়ান ড্রিলিং।

সবশেষে আমরা ইন ভিট্রো ফারটিলাইজেশন করতে পারি।

শরীরে লোম বেড়ে গেলে চিকিৎসা কি?

👉১.কিছু ফেসিয়াল হেয়ার রিমোভাল ক্রিম আছে, যা অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করতে হবে।
২.লেজার হেয়ার রিমোভাল।
৩.ইলেক্ট্রোলাইসিস ওফ হেয়ার।

কিভাবে আমরা পলিসিস্টিক ওভারি হতে নিজেকে কিছু টা হলেও দূরে রাখতে পারি?

👉 প্রত্যেক মেয়েদের উচিৎ নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।

সবশেষে বলতে চাই, পলিসিস্টিক ওভারি হলে হতাশ না হয়ে ওজন কমান আর ধৈর্য ধরে চিকিৎসা নিন,সুস্থ থাকুন।যেহেতু অনেক দিন চিকিৎসা প্রয়োজন তাই ধৈর্যের বিকল্প কিছু নেই।

Address

91
Dammam
32265

Telephone

+966550025320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EPrescription Point - জরুরী স্বাস্থ্যসেবা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to EPrescription Point - জরুরী স্বাস্থ্যসেবা:

Share