Baby Bump Care

Baby Bump Care This is Dr. Selina Akhter
Consulted of Gynecology
DHMS Dhaka
Prof.at R.N Homeopathic Medical College

নবজাতকের যত্নজটিলতা থেকে রক্ষার উপায়✅ শিশুকে প্রতিদিন গোসল করাতে হবে।✅ শিশুর শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে কিছুক্ষণ পরপর নির...
08/08/2023

নবজাতকের যত্ন
জটিলতা থেকে রক্ষার উপায়
✅ শিশুকে প্রতিদিন গোসল করাতে হবে।
✅ শিশুর শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে কিছুক্ষণ পরপর নিরাপদ বিশুদ্ধ পানি, ডাবের পানি, তাজা ফলের শরবত খাওয়াতে হবে।
✅ যেসব শিশু এখনো বুকের দুধ পান করে, তাদের ঘনঘন বুকের দুধ দিতে হবে।
✅ যেসব শিশু কৌটার দুধে অভ্যস্ত, তাদের জন্য মা-বাবাকে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।

মা” পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম একটি নাম ❤️পৃথিবীর সকল মা সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক।❤️❤️🧡
19/07/2023

মা” পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম একটি নাম ❤️
পৃথিবীর সকল মা সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক।
❤️❤️🧡

🤱 🤱 প্রথম মা হওয়ার গল্প লিখে পাঠিয়েছেন ‍আমাদের এক বোন 🤱মা হওয়া মানেই অনাবিল আনন্দ....মা হওয়ার অনুভূতি পৃথিবীর সকল অনুভূ...
17/07/2023

🤱 🤱 প্রথম মা হওয়ার গল্প লিখে পাঠিয়েছেন ‍আমাদের এক বোন 🤱
মা হওয়া মানেই অনাবিল আনন্দ....
মা হওয়ার অনুভূতি পৃথিবীর সকল অনুভূতিকে হার মানায়।
ছোট থেকেই জীবন মানে না বুজতে শিখলেও, জীবনে কিছু হতে হবে এটা জানতাম, পড়াশোনায় ভালই ছিলাম, স্কুল এ খুব ভালো রেসাল্ট ও করতাম,
কিন্ত আল্লাহর ইচ্ছায় খুব অল্প বয়েসেই বিয়ে হয়ে যায়,বিয়ের পাশাপাশি সংসার পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলাম,
কিন্ত পরের বছর ই বুঝতে পারলাম আলহামদুলিল্লাহ মা হতে যাচ্ছি, সন্তান গর্ভধারণ করেও পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলাম,
দীর্ঘ অপেক্ষা ৪০ সাপ্তাহ পর ইমার্জেন্সি সেকশনে প্রথম ছেলেকে কোলে নিতেই আনন্দের অশ্রু চোখ দিয়ে বেয়ে পরছিলো, সে এক অন্য রকম অনুভূতি বলে বোঝানো যাবেনা,
প্রথমবার নারীত্ব আর মাতৃত্ব এক হওয়ার অনুভূতি পৃথিবীর সকল অপ্রেমকে হার মানায়..আমার জীবনে সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মা ছেলের ভালবাসা যা নিয়ে আমি বেঁচে আছি এবং এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছি।
আমার ভালোবাসা এবং দোয়া হলো, আমার ছেলে জীবনে অনেক বড় হবে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে মানুষ হয়ে বেঁচে থাকবে।আলহামদুলিল্লাহ ছেলে সংসার নিয়ে আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

বাবা-মা হওয়ার আনন্দ টা পৃথিবীর সবাই যেন পায়🥰🥰🥰।আমিন
15/07/2023

বাবা-মা হওয়ার আনন্দ টা পৃথিবীর সবাই যেন পায়🥰🥰🥰।
আমিন

✅ প্রসব পরবর্তী সেবা➡️ প্রসবের পর মা ও শিশুর নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা, উপযুক্ত উপদেশ এবং ব্যবস্থাপনা দেয়াকে প্রসব পরবর্তী...
12/07/2023

✅ প্রসব পরবর্তী সেবা

➡️ প্রসবের পর মা ও শিশুর নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা, উপযুক্ত উপদেশ এবং ব্যবস্থাপনা দেয়াকে প্রসব পরবর্তী সেবা বলে। প্রসবের পরে একজন প্রসূতি মায়ের স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে। কারণ, প্রসবের পর মায়ের জরায়ু ও অন্যান্য প্রজনন অঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সাধারণত ৬ সপ্তাহ সময় লাগে। এই সময়কালকে পিউরপেরিয়াম (Pureperium) বলে। পিউরপেরিয়াম সময়ে মায়ের প্রসবোত্তর স্বাস্থ্যসেবা দেয়া প্রয়োজন।

➡️ প্রসূতিকালীন সময়ের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা।
➡️ মায়ের সুস্থ স্বাস্থ্য বজায় রাখা।
➡️ শিশু মায়ের স্তন্যপান করছে কি না তা পরীক্ষা করা।
➡️ পরিবার পরিকল্পনার উপদেশ দেয়া।
➡️ মা ও পরিবারকে শিশুর যত্নের উপদেশ দেয়া।
➡️ শিশুকে টিকাদানের পরামর্শ দেয়া।
➡️ প্রসব পরবর্তী সেবার সময়সূচি।

✅ সন্তানের মস্তিষ্কের বিকাশ মায়ের গর্ভাবস্থায়ই শুরু হয়। সে জন্য এ সময় দরকার মায়ের বাড়তি যত্ন। খাদ্যতালিকায় কিছু বিশেষ খা...
05/07/2023

✅ সন্তানের মস্তিষ্কের বিকাশ মায়ের গর্ভাবস্থায়ই শুরু হয়। সে জন্য এ সময় দরকার মায়ের বাড়তি যত্ন। খাদ্যতালিকায় কিছু বিশেষ খাবার থাকলে গর্ভস্থ শিশুটির মস্তিষ্কের বিকাশ সঠিকভাবে হয়। আসুন জেনে নিই সেসব খাবার সম্পর্কে।

প্রোটিনযুক্ত খাবার

✅ গর্ভাবস্থায় প্রোটিনযুক্ত খাবার যেমন ডিম, মাংস, মাছ, বিনস, পাঁচমিশালি ডাল, সিড নিয়মিত খেলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ভালো হয়।

আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড

✅ কলা, শুকনো ফল, পুদিনাপাতা, সবুজ শাকসবজিতে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড আছে, যা গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে, বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া গর্ভধারণের আগে থেকেই ফলিক অ্যাসিড সেবন অনাগত সন্তানের জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার

✅ সাধারণত গর্ভধারণের চতুর্থ মাস থেকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খাদ্যতালিকায় বেশি রাখতে হবে। কুমড়ার বিচি বা সূর্যমুখীর বিচি, সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যালমন, টুনা, ম্যাকেরেল ও কড লিভার ওয়েলে প্রচুর ওমেগা-৩ থাকে। সামুদ্রিক মাছে ডিএইচএ এবং ইপিএ থাকে, যা পরবর্তী সময়ে শিশুর বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে।

✅ খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত সূর্যের আলোয়ও কিছু সময় করে থাকতে হবে
খাদ্যতালিকায় দুধ বা দইও রাখতে হবে

কোলিনযুক্ত খাবার

✅ ডিমের কুসুমে প্রচুর কোলিন রয়েছে। গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কোলিনের বিকল্প নেই।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার

✅ সবুজ শাকসবজি বিশেষ করে পালংশাক, বাঁধাকপি, ব্রকলি, গাজর, টমেটো, বিনস দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় রাখতে হবে। এগুলোয় লুটেইন নামে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। বাদাম, কালোজামও খেতে পারেন গর্ভাবস্থায়। এগুলোয় বিদ্যমান ভিটামিন ই এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

ভিটামিন ডিযুক্ত খাবার

✅ পনির, গরুর মাংস, কলিজা—এই জাতীয় খাবারে প্রচুর ভিটামিন ডি থাকে। গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরে ভিটামিন ডির অভাব হলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ সঠিকভাবে হয় না। এ জন্য গর্ভবতী মাকে ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত সূর্যের আলোয়ও কিছু সময় করে থাকতে হবে। খাদ্যতালিকায় দুধ বা দইও রাখতে হবে।

কপার ও জিঙ্ক

✅ খাদ্যতালিকায় কপারসমৃদ্ধ খাবার যেমন কাজুবাদাম, অ্যাভোকেডো, মটরশুঁটি, বিনস, বিট ও জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার যেমন শস্যজাতীয় খাবার, ছোলা, গরুর মাংস পরিমাণমতো রাখতে হবে। এতে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের কোষ সঠিকভাবে বাড়ে।

আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার

✅ সন্তানের বুদ্ধিমত্তার বিকাশে আয়োডিন খুবই জরুরি। এ জন্য খাবারের তালিকায় প্রতিদিন আয়োডিনযুক্ত লবণ রাখতে হবে। সামুদ্রিক মাছ, ডিম, কলিজা, গলদা চিংড়ি, ভুট্টা খেতে পারেন।

✅ গর্ভাবস্থায় গরুর মাংস বা লাল মাংস খেলে কি হয়?গরু, ভেড়া ও ছাগলের মাংসে পাওয়া যায় এমন কিছু পুষ্টি উপাদান নারীর গর্ভধার...
04/07/2023

✅ গর্ভাবস্থায় গরুর মাংস বা লাল মাংস খেলে কি হয়?
গরু, ভেড়া ও ছাগলের মাংসে পাওয়া যায় এমন কিছু পুষ্টি উপাদান নারীর গর্ভধারণ ক্ষমতার জন্য উপকারী। তা ছাড়া সন্তান নেওয়ার চিন্তা করছেন, এমন দম্পতিদের সাধারণ স্বাস্থ্যের জন্যও তা ভালো বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই এ অবস্থায় লাল মাংস বা গরু, ভেড়া, ছাগলের মাংস খাওয়া উপকারে আসতে পারে। যুক্তরাজ্যের ফিমেলফার্স্ট সাময়িকী এ খবর জানিয়েছে।

✅ লাল মাংসের গুণাগুণ ও পুষ্টি উপাদান নিয়ে গবেষণা ও তথ্য সরবরাহের কাজে নিয়োজিত স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের সংগঠন ‘মিট অ্যাডভাইজরি প্যানেল’ এ গবেষণা চালিয়েছে।

✅ সংস্থাটির মুখপাত্র ক্যারি রুক্সটন বলেছেন, ‘লাল মাংস খেলে নারীর গর্ভধারণ ক্ষমতা বাড়বে, এমন কথা নানান দেশে যুগ যুগ ধরেই প্রচলিত, লোকগল্পে। এখন আমরা বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে দেখছি যে, লাল মাংসে পাওয়া যায় এমন পুষ্টি উপাদানের সত্যি সত্যিই ভূমিকা আছে সাধারণ প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর।’

✅ গবেষকেরা জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়েই প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্তির স্বল্পতার কারণে নারী-পুরুষদের খাদ্যে ‘সেলেনিয়াম’ গ্রহণের হার কম। কিন্তু অনেক গবেষণাতেই দেখা গেছে, নারী ও পুরুষের প্রজনন সংক্রান্ত নানা জটিলতায় এবং আকস্মিক গর্ভপাত, ভ্রূণের বৃদ্ধি জটিলতা, নির্ধারিত সময়-পূর্ব প্রসবসহ অন্যান্য অনেক রোগের ক্ষেত্রেই সেলেনিয়াম ঘাটতির প্রভাব রয়েছে।

✅ গরু, ভেড়া ও ছাগলের মাংসে যেহেতু প্রচুর সেলেনিয়াম পাওয়া যায়, তাই প্রাপ্তবয়স্কদের প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতিতে এর ভূমিকা থাকতে পারে। এ ছাড়া গর্ভধারণ এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য ‘ভিটামিন বি-৬’ খুবই উপকারী, কেননা তা হরমোনের স্বাভাবিক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর এসব লাল মাংস ‘ভিটামিন বি-৬’-এরও একটি সহজলভ্য ভালো উৎস।

✅ ক্যারি রুক্সটন আরও জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাজ্য সরকার জনসাধারণকে পরামর্শ দিয়ে থাকে যে, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা যেন সপ্তাহে অন্তত ৫০০ গ্রাম রান্না করা লাল মাংস খান। অর্থাত তাঁরা সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ বেলার খাবারে রান্না করা গরু, ভেড়া, ছাগল বা শূকরের মাংস খেতে পারেন।’

✅ তবে, অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, এ ধরনের মাংসে যাদের এলার্জি বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়, তাদের এ অভ্যাস থেকে বিরত থাকতে হবে। আর গর্ভধারণ বা গর্ভকালীন কারও বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা বা অন্য কোনো রোগ থাকলে সে সময়ে এমন মাংস খাওয়া যাবে কি না, তা অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে।

28/06/2023
✅মা হতে চলেছেন, এজন্য আপনাকে অভিনন্দন! অনাগত সন্তান নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে মনে অনেক প্রশ্নও আসছে। তার মধ্যে একটি বিষ...
24/06/2023

✅মা হতে চলেছেন, এজন্য আপনাকে অভিনন্দন! অনাগত সন্তান নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে মনে অনেক প্রশ্নও আসছে। তার মধ্যে একটি বিষয় সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তা হলো: আমার কী খাওয়া উচিত?

✅জীবনের সব পর্যায়েই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গর্ভাবস্থায় এটা বিশেষভাবে জরুরি। সুষম খাবার আপনার সন্তানের বেড়ে ওঠা, তার বিকশিত হওয়া এবং সঠিক ওজন বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

✅পরিবারের নতুন সদস্যের কল্যাণের জন্য কীভাবে আপনার খাবার তালিকায় পরিবর্তন আনবেন, তা জানতে আমাদের টিপসগুলো দেখুন।
✅গর্ভধারণকালে সুষম খাবারের তালিকা কীভাবে অনুসরণ করব?
➡️একটি পুষ্টিকর খাবার তালিকা তখনই নিশ্চিত হয় যখন মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় সবগুলো খাদ্য উপাদানযুক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার প্রতিদিনের খাবার তালিকায় থাকে।
ফলমূল
শাকসবজি
গ্রেইনস বা শস্য
আমিষ
ডেইরি
তেল ও ফ্যাট (স্নেহ)
✅গর্ভাবস্থায় কোন কোন ভিটামিন ও খনিজ দরকার?
➡️আপনার গর্ভধারণের শুরু থেকেই যেসব ভিটামিন ও খনিজ খাদ্য উপাদান প্রয়োজন সেগুলো তুলে ধরা হল-

ক্যালসিয়াম
আয়রন
আয়োডিন
কোলিন
ভিটামিন ‘এ’
ভিটামিন ‘সি’
ভিটামিন ‘ডি’
ভিটামিন ‘বি৬’
ভিটামিন ‘বি১২’
ফলিক এসিড
✅যথেষ্ট পরিমাণে ফলিক এসিড প্রাপ্তি কীভাবে নিশ্চিত করা যায়?
➡️শুধু খাবার থেকে দৈনিক ৬০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড পাওয়াটা কঠিন হওয়ায় আপনি প্রতিদিন সম্পূরক হিসেবে অন্তত ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড সেবন করতে পারেন। তাতে আপনার প্রয়োজনটা পূরণ হবে। আপনি সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করার সময় থেকেই বা গর্ভধারণ নিশ্চিত হলেই এটা নেওয়া শুরু করতে পারেন। আপনার জন্য কোন সম্পূরকটি উপযুক্ত, সেটা বোঝার জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

✅গর্ভাবস্থায় কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত?
গর্ভবতী মায়েদের নির্দিষ্ট কিছু খাবার থেকে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আর তা গর্ভধারণ সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি করতে পারে। গর্ভধারণকালে আপনাকে যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে:

✅কাঁচা, পাস্তুরায়ন ছাড়া দুধ এবং ওই ধরনের দুধ থেকে তৈরি কোমল পনির। এগুলোতে লিসটেরিয়া নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা লিসটেরিওসিস নামের এক ধরনের রোগ তৈরি করতে পারে।
মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার। কারণ সেগুলোতে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
✅কাঁচা ও পুরোপুরি রান্না না হওয়া মাংসজাত পণ্য যেমন সসেজ ও কোল্ড কাট। এগুলোতে টোকসোপ্ল্যাজমা গনডির মতো পরজীবী এবং সালমোনিলা ও লিসটেরিয়ার মতো ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
কাঁচা মাছ ও সিফুড। কারণ এগুলোতে উচ্চমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী থাকতে পারে।
কিছু মাছে উচ্চ মাত্রায় পারদ (মার্কারি) থাকে এবং এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। বেশির ভাগ শিকারি মাছ যেমন হাঙ্গর, সোর্ড ফিশ, মার্লিন ও কিং ম্যাককেরেলে মার্কারি বেশি থাকে।
স্মোকড কিন্তু রান্না না করা মাছ যেমন, স্মোকড স্যালমন।
✅রান্না না করা অঙ্কুরিত বীজ, খাদ্যশস্য ও শিম। কাঁচা মূলা, শিম ও আলফালফার বীজ এবং রেডি-টু-ইট সালাদ এসব খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এগুলোতে লিসটেরিয়া, সালমোনিলা ও ই. কোলির মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
কাঁচা বা কম সিদ্ধ ডিম। এতে সালমোনিলা ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
✅যকৃত (লিভার) ও অন্যান্য অঙ্গের মাংস। যকৃতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকলেও এটা গর্ভধারিণী নারীদের খেতে বলা হয় না। কারণ এতে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ থাকে এবং এই মাংসে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে।

✅গর্ভবতী মার জন্য কীভাবে নিরাপদে খাবার প্রস্তুত করা যায়?
➡️খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
ব্যবহারের পর সব পাত্র ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
মাংস পুরোপুরি রান্না করতে হবে।
রান্না না করা শাকসবজি, সালাদের সবজি ও ফলমূল খুব সতর্কতার সঙ্গে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
যথাযথ তাপমাত্রায় খাবার সংরক্ষণ করতে হবে।
রান্নার পরপরই খাবার খেয়ে নিতে হবে।

✅গর্ভাবস্থায় কতটা বেশি খাওয়া দরকার?
➡️প্রথম তিন মাসে আপনার কোনো বাড়তি খাবারের দরকার নেই। দ্বিতীয় তিন মাসে প্রতিদিন আপনার ৩৪০ ক্যালোরি বাড়তি দরকার হবে। আর শেষ তিন মাসে আপনার প্রতিদিন অতিরিক্ত ৪৫০ ক্যালোরি দরকার হবে। এই বাড়তি শক্তির জন্য হাতের কাছে স্বাস্থ্যকর হালকা খাবার যেমন বাদাম, দই ও তরতাজা ফলমূল রাখবেন। এ বিষয়ে উপযুক্ত পরিকল্পনা পেতে আপনার স্বাস্থ্য সেবাদাতার সঙ্গে কথা বলুন।

গর্ভধারণকালে কি ভেজিটেরিয়ান বা ভিগান ডায়েট মেনে চলা উচিত?
✅আপনি যদি ভেজিটেরিয়ান বা ভিগান ডায়েট অনুসরণ করেন তাহলে আপনাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, আপনি যথেষ্ট পরিমাণে আয়রন, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘বি১২’ ও ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করছেন। এ বিষয়ে সমাধান পেতে আপনার চিকিৎসক বা রেজিস্টার্ড ডায়েটিশিয়ান বা পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলুন।

18/06/2023

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে গর্ভকালীন প্রথম তিন মাস রোজা না রাখাই উত্তম। এই সময় মায়ের গর্ভে অনাগত শিশুর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠিত হতে থাকে। তাই এসময় মায়ের শরীরে সঠিক মাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণে পুষ্টি, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, পানি ইত্যাদির পর্যাপ্ত সরবরাহ জরুরি।

16/06/2023

✅ মা শুধু পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ডাক বা অনুভূতিই নয়, মাতৃত্ব একজন নারীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা। কিন্তু একজন নারী যখন প্রথমবার গর্ভধারণ করেন তখন অনেক কিছুই তার অজানা থাকে। তাই সন্তান ধারণ থেকে শুরু করে শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত একজন মা’কে অনেক বিষয়ে সতর্কতা ও সচেতনতা অবলম্বন করতে হয়। চলুন গর্ভবতী মায়ের যত্ন ও নিরাপদ মাতৃত্ব সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

✅ একজন গর্ভবতী মায়ের যথাযথ যত্ন নিশ্চিতে পরিবারের সদস্য ও কাছের মানুষরাই প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু নিজেরও অসতর্ক হলে চলবে না। কারণ মায়ের সুস্থতার উপরে আগত সন্তানের সুস্থতা নির্ভরশীল। শিশু গর্ভে থাকাকালীন তার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠিত হয়। তাই এসময় মায়ের খাদ্যের উপর বিশেষ যত্ন নিতে হবে। মায়ের খাওয়া খাদ্য প্লাসেন্টা’র মাধ্যমে শিশুর শরীরে প্রবেশ করে। তাই মা যা খাচ্ছে সেটি মা-শিশু উভয়ের জন্যই পর্যাপ্ত পুষ্টির জোগান দিচ্ছে কিনা, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অন্যদিকে মা যদি অসুস্থ হয় বা যদি কোনো বিষয়ে মানসিকভাবে উদ্বিগ্ন থাকে, সেটিও উভয়ের জন্য সমান ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই গর্ভকালীন একজন মায়ের সমানভাবে শারীরিক ও মানসিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। মানসিক চাপমুক্ত থাকা, ভারী কোন ওজন না নেওয়া, উঁচুনিচু স্থান এড়িয়ে চলা, ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

✅ পরিকল্পিত গর্ভধারণ মা ও শিশু উভয়ের জন্যই অত্যন্ত নিরাপদ। সন্তান ধারণের আগে মায়ের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি শারীরিক পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন। সেইসাথে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সন্তান ধারণের তিনমাস আগ থেকে নিয়মিত ফলিক অ্যাসিডসহ অন্যান্য ওষুধ সেবনের প্রয়োজনও হতে পারে। গর্ভবতী মায়েদের পোশাক নিয়েও সচেতন থাকা উচিৎ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আরামদায়ক, সহজে পরিধানযোগ্য ও ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান এবং সঠিক মাপের নরম জুতা পরা এবং উঁচু বা হিল জুতা পরিহার করাই শ্রেয়।

✅ একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর প্রায় প্রতি মাসেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিৎ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি তথ্য অনুযায়ী, একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে অবশ্যই কমপক্ষে চারবার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ। এই চারবার হচ্ছে যথাক্রমে ১৬, ২৮, ৩২ ও ৩৬তম সপ্তাহে। এছাড়া কারও শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

✅ একজন প্রসুতি মায়ের জন্য গর্ভধারণকালীন প্রথম এবং শেষ তিনমাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশু গর্ভে থাকার প্রথম তিন মাসেই তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো পূর্ণ রূপ ধারণ করে। গর্ভাবস্থায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মায়েদের হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি পড়ে যায়। কারণ এ সময় গর্ভস্থ শিশুর শরীরে লৌহের চাহিদা মেটানোর পর মায়েদের রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। এজন্য গর্ভবতী মাকে এসময় প্রয়োজনীয় ওষুধের পাশাপাশি সবুজ শাকসবজি, ফলমূল ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। গর্ভে থাকাকালীন শেষ তিন মাস শিশু খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে। যে কারণে প্রসূতি মায়ের পায়ে পানি আসতে পারে। এছাড়া শেষ তিন মাসে পেট বড় হয়ে যাওয়ার কারণে গর্ভবতী মায়ের অনেক কষ্ট হয়। এই সময়ে কিছু জটিলতাও দেখা দিতে পারে, যেমন অস্বাভাবিক পেট বড় বা ছোট হওয়া, হঠাৎ রক্ত ভাঙা, খুব বেশি জ্বর আসা, রক্তচাপ অতিরিক্ত বেশি হওয়া। এমন পরিস্থিতিতে অনতিবিলম্বে চিকিৎসককে দেখাতে হবে।

✅ সন্তান জন্মের সময় মায়েদের একটি সমস্যার নাম স্ট্রেচ মাকর্স বা ফাটা দাগ। পেটে সাদা বা কালচে ফাটা দাগ পড়ে যাওয়া। পেট ফাটা...
13/06/2023

✅ সন্তান জন্মের সময় মায়েদের একটি সমস্যার নাম স্ট্রেচ মাকর্স বা ফাটা দাগ। পেটে সাদা বা কালচে ফাটা দাগ পড়ে যাওয়া। পেট ফাটা দাগ অনেকের এমনি চলে যায়। অনেকের আবার সহজে যেতে চায় না।
তবে গর্ভাবস্তায় একটু সচেতন থাকলে এই দাগ থেকে মিলবে মুক্তি।

✅ স্ট্রেচ মাকর্স বা ফাটা দাগ পড়ার কারণ:
গর্ভাবস্থায় একজন মা পেটে প্রায় দুই লিটার পানি বহন করে। শিশু-সহ প্রায় চল্লিশ সপ্তাহ এই পেট বহন করে থাকে। শিশুর সাথে পেটও বড় হতে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই পেটে টান পড়ে এর ফলে দাগের সৃষ্টি হয়। প্রথমে লালচে পরে কালো বা সাদা হয়ে যায়।

✅ দাগমুক্ত রাখতে করণীয়:
গর্ভাবস্থায় খাদ্য তালিকায় যোগ করুন মাছ, সবজি এবং নানা রকম শস্যদানা। ভিটামিন 'ই' ও 'সি' যুক্ত খাবার, গাজর বা ব্রোকোলি, চিনি ছাড়া চা খেতে পারেন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

✅ হাঁটাহাঁটি বা নড়াচড়া:
নড়াচড়া করলে শরীরে রক্ত চলাচল ঠিকমতো হয়। ফলে পেটে দাগ হওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারেন। ডাক্তারের পরামর্শে কিছু হলকা ব্যায়াম বা সাঁতার কাটতে পারেন।

✅ ঠাণ্ডা এবং গরম পানি দিয়ে গোসল:
প্রথমে হলকা গরম পানি দিয়ে এবং পরে ঠাণ্ডা পানির গোসল নিলে রক্ত চলাচল ভালো হয়। গর্ভধারণের শুরু থেকেই এটি করলে দাগ পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

✅ তেলের মালিশ:
একজন জার্মান ফার্মাসিস্ট তানিয়া ফ্রানৎস জানিয়েছেন, প্রতিদিন দুই বেলা সুগন্ধি বা রাসায়নিক পদার্থ ছাড়া তৈরি বাদাম তেল করলে দাগ পড়ার সম্ভবনা কম থাকে। বাদাম তেল ত্বক মসৃণ করে। অবশ্যই তেল নাভী থেকে শুরু করে চারদিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করতে হবে। শতভাগ না হলেও অনেকটাই দাগমুক্ত থাকবে।

Address

Hospital Road, Maijdee, Noakhali
Noakhali
3800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Baby Bump Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share