Miracle Healing

  • Home
  • Miracle Healing

Miracle Healing Healing Through Iman
(2)

01/02/2026

স্টিফেন হকিংস ইজ ইন এপস্টিন ফাইল ট্যু। সে নিয়মিত জেফ্রি এপস্টিনের সাথে মিট করতো। অধিকাংশই হতো মেয়ে শিশু।

অনেক বিজ্ঞানীরা আসলে স্যাটানিজমে লিপ্ত ছিলো। একদম শুরুর দিকের ধরেন পিথাগোরাস, এরিস্টটল।, কেপলার, গ্যালিলিও ইত্যাদি।

উনিশ শতকের এলজিবিটিকিউ+ এর মুভমেন্টের জনক ড. ম্যাগনাস হার্শফিল্ড। তখন জার্মানিতে এলজিবিটিকিউ+ ব্যান করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই নিষেধাজ্ঞা ফিরিয়ে নিতে ৫০০০ জন হার্শফিল্ডের পিটিশনে সাইন দিয়েছিলো, যার একজন বিজ্ঞানী এলবার্ট আইন্সটাইন।

৯৯% প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় বিজ্ঞানীদের একেকটা জীবনী একেকটা এপস্টিন ফাইলস হবে। আপনি কাউন্ট করে ধরে রাখেন দুই তিন হাজার বছর আগে থেকে যেসব প্রাচীন বিজ্ঞানী ছিলো তা থেকে বর্তমান প্রথিতযশা অনেক বিজ্ঞানী একই ক্যাটাগরির। এর আগেও পেইজে আমরা এসব নিয়ে আলোচনা করেছিলাম।

2800 BC অর্থাৎ ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মের ২৮০০ বছর পূর্বে, চীনের Henan এর luoyang এর কাছে এক নদী ছিলো, নাম বা Luo river ...
31/01/2026

2800 BC অর্থাৎ ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মের ২৮০০ বছর পূর্বে, চীনের Henan এর luoyang এর কাছে এক নদী ছিলো, নাম বা Luo river (the yellow river).

একবার সেই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা শুরু হয়। গ্রামের ফসলাদি, জমি নষ্ট হতে লাগলো, স্বাভাবিক জীবনে ধ্বস পড়ে গেলো। গ্রামের লোকজন নদীর প্রভুর এই রাগ ভাঙ্গাতে প্রতিনিয়ত নদীর পাশে বলিদান করতো নদীর প্রভুর রাগ ভাঙ্গাতে যেন পানি আর না বাড়ে। কিন্তু প্রতিবার পানি বেড়ে যেতো আর একটা কচ্ছপ এসে সেই বলিদানের চারপাশে ঘুরতো। হঠাৎ একদিন এক শিশু দেখতে পায় কচ্ছপের পিঠে কিছুর প্যাটার্ন, বা নকশা। নকশায় ৯ টি ঘরের মত ছিল যার প্রতিটি ঘরে কিছু সংখ্যক বিন্দু দেয়া, এবং বিন্দুগুলো আড়াআড়ি, কোণাকুণি, কিংবা সমান যেভাবেই দেখা হোক না কেনো এর যোগফল দাঁড়ায় ১৫ এবং ৩×৩ গ্রিড প্যাটার্নে সাজানো।যাইহোক, সে গ্রামের সর্দারের কাছে যায়, গ্রামের লোকজন মিলে স্বিদ্ধান্ত নেয় এবার ১৫ টা বলি দিতে হবে।

এরপর আবার পরদিন কচ্ছপ আসলো এবং তাদের দেয়া বলির চারপাশে ১৫ বার ঘুরলো। এরপর নদীর পানি কমে গিয়ে বন্যা থেমে গেলো।

এই পৌরাণিক অকা*ল্ট হিস্ট্রি(গুপ্ত যা*দুর ইতিহাস) আর শি*রকি গল্পের ইতিহাস বলার কারণ হলো 3×3 স্কয়ার (Luo shu magic square) এটার অকা*ল্ট রূট সম্পর্কে জানা। কেনো জানা?

যেই ঘটনা টা বললাম এটা পুরা স্যা*টানিস্ট দের বানানো। এটাই ছিল একটি স্কয়ার(বর্গ) যাতে ৯ টা ঘর যেখানে ১-৯ সংখ্যা এমনভাবে বসে যে যেকোনো দিক থেকেই যোগ করা হোক না কেনো যোগফল হবে ১৫। এটাকে 3×3 luo shu magic square বলে। এছাড়াও 4×4, 6×6....32×32 ও আছে। সব গুলোই ম্যা*জিক স্কয়ার। এবং এদের প্রত্যেকটা রূট অ*কাল্ট, কিংবা যেই ব্যক্তি যেই নির্দিষ্ট ম্যা*জিক স্কয়ার আবিষ্কার করেছে সে কোনো না কোনোদিক দিয়ে স্যা*টানিস্ট বা ম্যা*জিশিয়ান ছিলো। যেমন 4×4 magic square তৈরি করেছে জার্মান দার্শনিক Albrecht durer. (প্রায় সব দার্শনিকই অ*কাল্টিজম নিয়ে পড়ে থাকতো)

কিছু তাবিজের ছবি দিলাম, এটায় যে সংখ্যার ছক গুলো দেখা যাচ্ছে তা অনেকের তাবীজেই পাওয়া যায়, অনেক আলেম, উস্তাদ কিংবা মাদ্রাসার মুহতামিম এই ধরনের তা*বিজ দেয়। তা*বিজের একটা কমন চিত্র এটা। আশ্চর্যজনকভাবে এসব তা*বিজেও ৩×৩ ঘর থাকে এবং প্রতি ঘরের নির্দিষ্ট দিকের যোগফলও ১৫ হয়। ১৫ না হলেও একই সংখ্যা আসে।

রুক্বইয়াহ একমাত্র শারঈ সন্দেহমূক্ত ট্রিটমেন্ট প্রসিডিউর। এর বাইরে যত হালাল বা মুবাহ এর মধ্যে থাকার চেষ্টা করা হোক না কেনো, কোনো না কোনোভাবে এর রূট গুপ্তবিদ্যার দিকেই যাবে। আর আমাদের আলিম মহোদয়গণও এসব জায়েজের মাসআলা দিয়ে যাবে।

বিদ্র: এ-তো জানলাম শুধু সংখ্যার একটি অ*কাল্ট রুট সম্পর্কে। কিন্তু এই সংখ্যার সাথে যাদু কিভাবে করা হয়, কিভাবে যা*দুর মাধ্যমে ছকের মাঝে তা*বিজে এই সংখ্যা বসানো হয়, কিভাবে আবজাদ সংখ্যার সাথে এস্ট্রলজিকে মেশানো হয়, কিভাবেই বা এই সংখ্যা থেকে আবজাদ সংখ্যা বের করা হয় এভাবে একে একে নানান যা*দুর সাথে এই সংখ্যার সন্নিবেশ; ইত্যাদি নিয়ে আমরা ইন শা আল্লাহ পরবর্তীতে জানবো।

কিশোর বয়সে তিনি গোসল করতে নেমেছিলেন বাড়ির পাশের পুকুরে। অন্যান্য দিনের মতই স্বাভাবিকভাবে গোসল করে ফিরে আসেন। কিন্তু রাতে...
28/01/2026

কিশোর বয়সে তিনি গোসল করতে নেমেছিলেন বাড়ির পাশের পুকুরে। অন্যান্য দিনের মতই স্বাভাবিকভাবে গোসল করে ফিরে আসেন। কিন্তু রাতের দিকে শরীর খারাপ শুরু হতে থাকে তার। খুব একটা পাত্তা দেন নি। আস্তে আস্তে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাথা হতে শুরু করে। প্রচন্ড ব্যাথা নিয়ে কবিরাজ, ডাক্তারের কাছে ছুটেছেন। আস্তে আস্তে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। বিছনায় পড়ে যেতে থাকেন; বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যাথা শুরু হতে থাকে।

ধীরে ধীরে শরীরে জড়তা আসা শুরু হয়। হাটুতে, কোমরে, পায়ের পাতায়, মেরুদন্ডের নিচে জড়তা আসতে থাকে।

১০ বছর পর, এখন তার শরীরের নিচের অংশ পুরোই অবশ। কোমর থেকে পা অবধি প্রতিটা জয়েন্টের ফাঁকে ফাঁকে মাংস জমে গিয়েছে। অর্থাৎ এই অসাড়তা এখন স্থায়ী পর্যায়ে চলে গিয়েছে।


পরিবারসহ সাভারে গ্রামের বাড়ি ঘুরতে গেলেন। সাথে তাদের পিচ্চি ছেলেবাবু। বয়স ৩-৪। আত্মীয় স্মজন সবাই যখন সাক্ষাৎ আর কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত, ভর দুপুরে সেই ছেলেকে খুজে পাচ্ছে না কেউ; অথচ তাদের পাশেই ছিল। খোজাখুজি করতে করতে দেখা গেলো পাশের পুকুরের ঠিক মাঝখানে শিশুটি। সবাই হতবাক, বাচ্চাটি কিভাবে সেখানে গেলো, কে নিয়ে গেলো, আর পুকুরের মাঝেই কিভাবে ভেসে আছে??

পরে একজন সাঁতরে গিয়ে বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে।

আজও সেই রহস্য বের করা যায় নি।


স্কুল থেকে ফিরে প্রতিদিনই নদীতে গোসল করতে নামে কিশোর ছেলেটা। সেদিন ছুটি শেষে ক্রিকেট খেলতে খেলতে আছর হয়ে যায়। বাড়ি ফেরার আগে নদীতে দু-তিনটা ঝাপ দিয়ে বাড়ির দিক চললো। হাটতে হাটতে খেয়াল করলো দুই পা প্রচুর চুলকাচ্ছে আর জ্বলছে। ঘরে ফিরে মা খেয়াল করলো ছেলের দুই পা নখের মত আচড় দিয়ে ভরে গেছে।


আগে আমাদেরকে বলা হতো পুকুরে, নদীতে জ্বিন থাকে। সন্ধায় সেখানে যেন গোসল করতে না নামি। তখন রূপকথার গল্প ভেবে উড়িয়ে দিতাম। আবার ভাবতাম জ্বিন যদি হইয় আগুনের, পানিতে থাকবে কিভাবে। নিভেই তো যাবে!

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।

الجنيُّ مشتق من أجنَّ الشيء، أي أكنَّه وأخفاه .

الجن يسكنون الأماكن التي لا يسكنها البشر، أو يقلُّ تردُّدهم عليها. الصحاري والخلاء والخرائب

والمساحات غير المأهولة من البحر

অর্থাৎ, জ্বিন শব্দটি এসেছে আজান্না, অর্থাৎ কোনোকিছুকে গোপন করা বা লুকিয়ে রাখা। জ্বিন সেসব জায়গায় থাকে যেখানে মানুষ থাকে না, কিংবা জনসাধারণের চলাফেরা একেবারেই কম। যেমন, মরূভুমি, নির্জন-প্রাপ্ত এলাকা, সমুদ্রের জনবসতহীন অংশ বা দ্বীপ।

পানিতে যে জ্বিন থাকে এ নিয়ে আমরা ক্বুরআনেই সরাসরি পাই। আল্লাহ ﷻ বলেন,

‎وَٱلشَّيَٰطِي نَ كُلَّ بَنَّآءٍ وَغَوَّاصٍ

"আর (অনুগত করে দিলাম) প্রত্যেক প্রাসাদ নির্মাণকারী ও ডুবুরী শাইত্বান [জ্বিন] সমূহকেও"

Saad -37

আয়াতের غواص শব্দের তাফসীরে,

ইবন কাসীর রা. বলেন,

أي منهم من هو مستعمل في الأبنية الهائلة من محاريب وتماثيل وجفان كالجواب وقدور راسيات إلى غير ذلك من الأعمال الشاقة التي لا يقدر عليها البشر وطائفة غواصون في البحار يستخرجون ما فيها من اللآلئ والجواهر والأشياء النفيسة التي لا توجد إلا فيها.

অর্থাৎ, তাদের(শাইত্বানদের) মধ্যে এমন কিছু ছিল যাদের ব্যবহার করে তিনি(সুলাইমান আ.) উঁচু কক্ষ, আকৃতি, জলাশয়ের মতো বিশাল পাত্র, এবং দৃঢ়-স্থির কড়াই তৈরি করতেন, এবং অন্যান্য কঠিন কাজ করতেন যা মানুষ করতে অক্ষম ছিল। এবং আরেকটি দল ছিল, যারা সমুদ্রে ডুব দিয়ে মুক্তা, রত্ন এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করতো যা অন্য কোথাও পাওয়া যেতো না।

তাফসীর ক্বুরতুবিতে বলা আছে,

"وغواص " يعني في البحر يستخرجون له الدر . فسليمان أول من استخرج له اللؤلؤ من البحر .

""আর ডুবুরি" বলতে বোঝায় যে সমুদ্র থেকে মুক্তা বের করে। তাই, সুলাইমান আলাইহিসসালামই প্রথম যিনি সমুদ্র থেকে মুক্তা বের করেছিলেন।"

ইমাম সাদিক্ব হাসান খান তার তাফসীর জামি'ঊল ক্বুরআনে বলেন,

ويغوصون في البحر فيستخرجون له الدّر منه. وهو أول من استخرج اللؤلؤ من البحر.

"তারা(শাইত্বানরা) সমুদ্রে ডুব দিয়ে তার জন্য মুক্তা বের করত। তিনিই(সুলাইমান আ.) প্রথম যিনি সমুদ্র থেকে মুক্তা বের করেন।"

অর্থ্যাৎ, আল্লাহ ﷻ সুলাইমান আলাইহিসসালামের অধীনস্ত করে দিয়েছিলেন জ্বিন ও শাইত্বানদেরকে। এদের বিভিন্ন ক্যাটাগরি ছিলো। আরো ছিলো শক্তিশালী ইফরিত জ্বিন। আর কিছু জ্বিন তৈরি করতো বিশাল অট্টালিকা। কিছু জ্বিন শাইত্বান সমুদ্রের তলদেশে ডুব দিয়ে রত্ন-মুক্তা নিয়ে আসতো। এরা শুধু সমুদ্রেই যেতো, পানির মাঝে চলাফেরা করতে পারতো।

জনপ্রিয় ইসলামিক সাইট ইসলাম ওয়েবে বলা আছে,

فلا يبعد أن تكون البحار مأوى للشياط*ين، لأنها غيرعامرة بالبشر، ومن المعروف أنهم يسكنون الخرب والخلوات، قال الدكتورعمرالأشقر في ـ عالم الجن والشيا*طين: يكثر تجمعهم في الخراب والفلوات، ومواضع النجاسات كالحمامات والحشوش والمزابل والمقابر. اهـ.

ومما يقوي هذا أن إبلي*س يضع عرشه على الماء، فقد روى الإمام مسلم في صحيحه من حديث جابر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن إبلي*س يضع عرشه على الماء ثم يبعث سراياه، فأدناهم منه منزلة أعظمهم فتنة

"এটি অসম্ভব নয় যে সমুদ্র শাইত্বানদের আশ্রয়স্থল, যেহেতু সেখানে মানুষের বিচরণ খুবই কম। এবং জানা যায় তারা ধ্বংসাবশেষ এবং নির্জন স্থানে বাস করে। ড: ঊমর আল-আশক্বার তার " জ্বিন ও শাইত্বানের জগৎ " বইতে বলেছেন "তারা প্রায়শই ধ্বংসস্তূপ এবং জনশূন্য স্থানে এবং স্নানঘর, পায়খানা, আবর্জনা ফেলার স্থান এবং কবরস্থানের মতো ময়লা-আবর্জনাপূর্ণ স্থানে জড়ো হয়।"

রাসূল ﷺ এর হাদীস আরো সত্যায়িত করে, রসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, ইবলীস পানির উপর তার আরশ স্থাপন করতঃ তার বাহিনী প্রেরণ করে। তন্মধ্যে তার সর্বাধিক নৈকট্য অর্জনকারী সে-ই যে সবচেয়ে বেশী ফিতনাহ সৃষ্টিকারী। " সহীহ মুসলিম ২৮১৩

وإذا احتاج الإنسان للسباحة في وقت أو مكان يُظَن فيه انتشار الشياطي*ن، فليتحصن بذكر الله والاستعاذة به وقراءة آية الكرسي ونحو ذلك.

তাই, যদি কেউ এমন সময় বা এমন স্থানে সাঁতার কাটতে হয় যেখানে জ্বিনের প্রাদুর্ভাব বা অস্তিত্বের লক্ষণ থাকে, তার উচিত নিজেকে আল্লাহর স্মরণ করে তার কাছে আশ্রয় চেয়ে, আয়াতুল কুরসি পড়ে নিজেকে সুরক্ষিত করে এরপর যাওয়া।

অতএব, পানিতে জ্বিন থাকে, এটি বাস্তব ও সত্য।

27/01/2026

কুইজ: সর্বপ্রথম কোন মানুষ সমুদ্রের তলদেশ থেকে মণি-মুক্তা বের করেছেন?

আচ্ছা!! ধরুন আপনি এমন জায়গায় গেলেন, যেটা একেবারেই নতুন। কিন্তু হঠাৎ আপনার কল্পনায় কিছু চিন্তা আসলো, যেটা অই জায়গা নিয়ে। ...
25/01/2026

আচ্ছা!! ধরুন আপনি এমন জায়গায় গেলেন, যেটা একেবারেই নতুন। কিন্তু হঠাৎ আপনার কল্পনায় কিছু চিন্তা আসলো, যেটা অই জায়গা নিয়ে। আপনি তেমন পাত্তা দিলেন না...

অনেকদিন পার হয়ে গেলো, আপনি একদিন কোনোভাবে বুঝলেন আপনি সেইযে অনেক আগে এক জায়গায় গিয়েছিলেন? তখন অবচেতন মস্তিষ্কে কিছু চিন্তা এসেছিলো কল্পনায়!!... তা মূলত কয়েকশো বছর আগে অই জায়গায় ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার দৃশ্য যা কল্পনায় এসেছিলো।

এই ফেনোমেনাকে Retrocognition রেট্রোকগনিশন বলে। এটা কিভাবে হয়?

জিনের মাধ্যমে....কিভাবে??

তার আগে এরকম একটি ঘটনা চলুন জেনে নেই।

১৯০১ সাল। ব্রিটিশ কোনো এক স্কুলের একাডেমিক স্কলার এনি মবার্লি এবং এলিনর জর্ডেইন। তাদের দৃঢ় ইচ্ছা জাগলো তারা ফ্রেঞ্চ রাজা লুইসের শেষ স্ত্রী ম্যারি এন্তইনেত এর ব্যক্তিগত অট্টালিকার অবস্থান খুজে বের করবে। ম্যারি এন্তইনেত তার স্বামী রাজা লুইসের মৃত্যুর পর রাণী হয়ে ক্ষমতায় বসে। ১৭৯৩ সালে ম্যারি এন্তইনেত কে কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দি রাখার পর হ - ত্যা করা হয়েছিলো।

যাই হোক ১৭৯৩ থেকে ১৯০১। একশো বছর পর সেই দুই ব্রিটিশ স্কলার ম্যারির সেই অট্টালিকায় যাওয়ার পর এনি মবার্লি এবং এলিনর জর্ডেইন সাক্ষাৎ পায় সেই রাণী ম্যারির। একশো বছর পর! ম্যারি কিরকম জামা পরিধান করতো, কিভাবে কথা বলতো, চলতো এবং মৃ*ত্যু - দন্ডের পূর্বে কি অবস্থায় ছিল তা সব তারা দেখতে পায়। তারা এ নিয়ে এক বইও লিখে ফেলে। অর্থাৎ তাদের এই রেট্রোকগনিশন সত্যই ছিলো!

এই ঘটনা পড়তে গেলে মিল পাবেন জা /দুকরদের সাথে। তাদের কাছে গেলেই তারা আপনাকে না চিনলেও আপনার অতীত কিভাবে বলে দেয়??

এখন কথা হচ্ছে স্বাভাবিক মানুষ, তার সাথে কিভাবে ঘটে এরূপ ঘটনা?

ব্যাখ্যা হচ্ছে, আমরা জানি জ্বিনরা অনেক বছর বাচে। শত-সহস্র বছর। এখন কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় যদি কোনো জিন থাকে বা কোনো ব্যক্তির শরীরে কোনো জিনের আছর থাকে, অনেক সময় পর সেই জায়গায় কেউ আসলে, বা জ্বিন যেই শরীরে আছর করে ছিলো অই ব্যক্তি মারা গেলে সেই জিন অন্য ব্যক্তির শরীরে পজেস করে তাকে সেই জায়গা বা অই ব্যক্তির ব্যাপারে নানান তথ্য দেয়; কল্পনার মাধ্যমে, স্বপ্নের মাধ্যমে।

এইরকম আরো কিছু বিষয় নিয়ে কমেন্টে দুটি আর্টিক্যাল দিচ্ছি। পড়ুন, (কমেন্টে)

প্রতিটি সৃষ্টিরই নিজস্ব কিছু মৌলিক স্বত্তাগত বৈশিষ্ট্য আছে। তেমনি আছে জিনদেরও। জ্বিন জাতি অন্ধকার পছন্দ করে। এবং 'জিন' শ...
24/01/2026

প্রতিটি সৃষ্টিরই নিজস্ব কিছু মৌলিক স্বত্তাগত বৈশিষ্ট্য আছে। তেমনি আছে জিনদেরও। জ্বিন জাতি অন্ধকার পছন্দ করে। এবং 'জিন' শব্দের উৎপত্তি "জান্ন" "جن" শব্দের প্রাথমিক অর্থই হলো যা অগোচরে থাকে বা লুকিয়ে থাকে(to hide), কিংবা দৃষ্টির পরীসীমার বাইরে। শাইত্বানদের কাছে নোংরা, দূর্গন্ধ, শৌচাগার, অপবিত্র জায়গা খুবই প্রিয়। এছাড়াও সৃষ্টির মাঝে একমাত্র জ্বিন প্রচুর মিথ্যা বলে।

কিছু জ্বিন আকাশে ওড়ে, কিছু জ্বিন সাপ বা কুকুর আকৃতি নেয়, কিছু জ্বিন এক স্থানে বাস করে বা ঘুরে বেড়ায় যা আমরা হাদীসেই পাই। ¹ মানুষ যেমন বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী, জ্বিনদের মাঝেও একইভাবে নানান ধর্মের অনুসারী আছে। এরকম আরো বেশ কিছু স্বত্তাগত বৈশিষ্ট্য জ্বিন শাইত্বানের আছে।

এবং কোনো মানুষ যখন জ্বিনগ্রস্থ হয় বা জ্বিন তাকে আছর করে তখন অই ব্যক্তির মানসিক, শারিরীক অবস্থা, আবেগ অনুভুতির উপর শাইত্বান কর্তৃত্ব স্থাপন করে। হয়ত তার অন্ধকারে থাকতে ভালো লাগা শুরু হয় যার ফলে ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সি হয়, তার একাকিত্ব ভালো লাগে, কিংবা টয়লেটে লম্বা সময় থাকতে ভালো লাগে, বা মন খারাপ হলে টয়লেটে যায়। কেউ হয়ত ভালো ছিলো, কখনো মিথ্যা বলতো না কিন্তু হুট করে প্রচুর মিথ্যা বলে, হুট করেই অদ্ভুৎ আচরণ করে কিংবা অদ্ভুৎ কথাবার্তা বলে, এবং তা স্বাভাবিকভাবেই (অর্থাৎ দেখলে মনে হয় এটা অই ব্যক্তিরই নিজস্ব আচরণ) করে যাকে মেডিক্যাল সাইন্স Bipolar disorder বা এক্সেসিভ মুড সুইং বলে। যা মূলত অই ব্যক্তির শরীরে লুকিয়ে থাকা জিনের বৈশিষ্ট্যের বহিঃপ্রকাশ। অর্থাৎ এটা কোনো মানসিক সমস্যা নয়, বরং শাইত্বান অই ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর প্রভাব খাটাচ্ছে।

মুসলিম কোনো ব্যক্তি হুট করে হিন্দু ধর্ম বা অন্য ধর্মের প্রতি দূর্বলতা চলে আসে, স্বপ্নে মন্দির দেখে, পুজো করতে দেখে (নাউজুবিল্লাহ) অথচ সে অন্য ধর্মকে প্রচন্ড ঘৃনা করতো, কারো ক্ষেত্রে গরুর মাংসের প্রতি প্রচন্ড ঘৃনা কাজ করে কারণ ছাড়াই, গরুর মাংস খেতেই পারে না, খেলেই অসুস্থ হয় বা বমি করে। কারো কারো দা*জ্জাল, ইব*লিস, লুসি*ফার, ব্যাফো*মেট ফ্রিম্যাসন ইত্যাদির প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে; এসবের ব্যাখ্যা হলো শরীরে লুকিয়ে থাকা শাইত্বান এর ধর্ম, আইডিওলজি কিছু সময় ব্যক্তির নিজ ধর্মের ওপর নিয়ন্ত্রণ করে। কেউবা স্বপ্নে প্রচুর সাপ দেখে, বাঘ নেকড়ে দেখে (এবং এই ব্যক্তিদের ঘ্রানশক্তি এতটাই প্রখর হয় যা নেকড়ে,কুকুরের মত, সেটা কিছু কিছু সময়। বাকি সময় অই রকম ঘ্রানশক্তি থাকে না)। আবার ডানাওয়ালা শাইত্বান কাউকে পজেস করলে অই ব্যক্তি মনে করে সে শুণ্যে ভেসে আছে কিংবা স্বপ্নে আকাশে উড়তে দেখে।

জ্বিন শাইত্বান এভাবেই কারো চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, ব্যক্তিত্বের ওপর নিজের ক্যারেক্টারিস্টিক্স কে ডমিনেইট করে। আর এটা সবসময় হয় না। যখন কেউ প্রচন্ড মানসিক চাপে থাকে, কবীরাহ গুনাহের সময় (গান শোনা, নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা, জিনারত অবস্থায় ইত্যাদি) কিংবা প্রচন্ড রাগ, কষ্ট, আবেগের সময় অথবা কোনো শারীরিক অসুস্থতার সময় শাইত্বান প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ অই সময় অই ব্যক্তির দূর্বল অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে শাইত্বান তার ওপর ক্ষমতাবান হয়ে ওঠে।

¹ Reported by al-Tahawi in Mushkil al-Athar, 4/95, and by al-Tabarani in al-Kabir, 22/214. Shaykh al-Albani said in al-Mishkat (2/1206, no. 4148): al-Tahawi and Abul-Shaykh reported it with a sahih isnad

জিন-শাইত্বান শরীরে পজেস করে থাকার একটি লক্ষণ হলো উক্ত ব্যক্তির(পজেসড) মাত্রাতিরিক্ত সাহস কিংবা মাত্রাতিরিক্ত ভয়। কেউ হয়ত...
23/01/2026

জিন-শাইত্বান শরীরে পজেস করে থাকার একটি লক্ষণ হলো উক্ত ব্যক্তির(পজেসড) মাত্রাতিরিক্ত সাহস কিংবা মাত্রাতিরিক্ত ভয়।

কেউ হয়ত কোনো কিছুতেই ভয় পায় না, জঙ্গলে একা বাঘ, ভাল্লুক কিংবা গভীর আধারে জিন ভুত দেখলেও না চমকানো; কিংবা একটুতেই ভয় পাওয়া, এক মুহুর্ত একা থাকলেও ভয় আসা, কিছু হলেই ঘাবড়ে যাওয়া, বুক ধরফর করা, প্রাপ্তবয়স্ক হবার পরেও একা ঘুমাতে না পারা উভয়টিই শরীরে জিন থাকাকে সত্যায়িত করে। প্রচুর সাহস মানে এই না যে অই ব্যক্তির ইমান খুবই উচু পর্যায়ের তাই আল্লাহ বাদে কোনো কিছুকে সে ভয় পায় না, ব্যাপার টা এমন না। অনেক আছে স্বালাত আদায় করে না, ফরজ আমল ঠিকঠাক মত পালন করে না তবুও তার প্রচুর সাহস। এই সাহস ইমানের সাহস হলে অবশ্যই তার অন্তরে তাক্বওয়া থাকতো!

এই কারণে দেখা যায়, যে ব্যক্তি প্রচুর সাহসী, রুক্বইয়ার পর হুট করে সে আগের মত সাহস নিয়ে থাকতে পারে না, কিংবা প্রচন্ড ভীতু, রুক্বইয়াহর পর তার ভয় পাওয়া টা কমে যায়। এইযে মানসিক এই অবস্থার তারতম্য রুক্বইয়াহর আগে এবং পরে, এর মানে হলো শরীরে থাকা শাইত্বান তার যে ক্ষমতা ও শক্তির দ্বারা অই ব্যক্তির অন্তরে, মনে যে অনুভুতি তৈরি করে রেখেছিলো রুক্বইয়াহর ফলে তা বিনষ্ট হয়ে, এতে ব্যক্তি একটা স্বাভাবিক মানসিক অবস্থায় ফিরে আসে।

এবং এই ধরনের রোগীদের বুক,ক্বলবে শাইত্বান গিট দিয়ে রাখে বদনজর কিংবা যাদুর।

অহেতুক কান্না আসা, সামান্য কষ্টে ভেঙ্গে পড়া, কান্না করা, সামান্য বিপদে হতাশ হওয়া ইত্যাদিও একই শ্রেণীবিভাগে পড়ে।

  দয়া করে যারা যোগাযোগ করতে চাচ্ছেন তারা আমাদের নতুন নাম্বারে কল কিংবা ওয়াটস এপ করবেন।
20/01/2026




দয়া করে যারা যোগাযোগ করতে চাচ্ছেন তারা আমাদের নতুন নাম্বারে কল কিংবা ওয়াটস এপ করবেন।

19/01/2026

চট্টগ্রামে এক বোনকে চিনতাম। তার শাশুড়ী বিধবা। একা একা রাতের বেলায় এক হুজুরের(!)বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে যা*দুবিদ্যা শিখে আর গোপন নানান কুকর্ম করে বাড়ি ফেরে। ধনাঢ্য মহিলা। তাই তার বিষয়ে কেউ কিছু বলেও না। যদিও অনেককেই নিজের বশে রেখেছে, যাতে তার বিরোধীতা কেউ না করে।

যা*দুকরদের একটা বৈশিষ্ট্য তারা অযাচারে(মাহরামদের সাথে জিনা) লিপ্ত হয়। অই বোনের শাশুড়িও একই চরিত্রের ছিলো। একদিন শাশুড়ি বউকে বলে বসলো, "শোনো তুমি আমার ছেলে থেকে যেই সুখ পাও, একই সুখ সে আমার থেকেও পায়" নাউজুবিল্লাহ। এই কথা বলতে গিয়ে সেই বোন বারবার ধাক্কা খাচ্ছিলেন। এখন তাদের সংসারও টিকে নেই। তিন ছেলে রেখে তার স্বামী তাকে তালাক দেয়। এর পিছনে ইন্ধনও অই শাশুড়ীই।

একদিন অই বোনের ছোট ছেলেকে নিয়ে শাশুড়ি একটা খোপের মাঝে নিয়ে যায় জোর করে। সেখানে কি হয়েছিলো সেই শাশুড়ীও কাউকে বলে নি, আর শিশুটিও বুঝে নি, প্রকাশও করতে পারে নি।

এরকম বেশ কিছু নিকৃষ্ট ঘটনা তার শাশূড়ী দ্বারা ঘটে। গোপনে এরকম হাজারো ঘটনা ঘটতে থাকে অনেক সংসারে।

এই দুনিয়াতে অধিকাংশ যা*দুকর হয়ত পুরুষ, তবে এসব যা*দুকর টিকেই আছে নারীদের কারণে। নারীর প্রয়োজন পূরণ করার স্বার্থে।

18/01/2026

আমাদের হাতে সেই বহুল পরিচিত রুক্বইয়াহ পেপার হাতে এসেছে। যেই রুক্বইয়াহ পেপার খুলে দেখলাম সেখানে আয়াত লিখায় প্রচুর ভুল এবং সিকোয়েন্স উলটা পালটা.



17/01/2026

ছেলের বিয়ে হলো। এতকাল ছেলে থাকতো মায়ের পাশেই, মায়ের রান্না খেতো, ছেলের খরচও অধিকাংশ হতো মায়ের জন্য। এখন বিয়ে হয়েছে, ছেলে স্ত্রী নিয়ে থাকে। এখন খরচও ভাগাভাগি হয়ে গেছে; স্ত্রীর কাপড়চোপড় কিনে দেয়া, স্ত্রীর পেছনেও ব্যয় করা হচ্ছে এখন। স্বামী স্ত্রী মাঝে মাঝে ঘুরতে যায়, পার্সোনালি সময় কাটানোর জন্য মা থেকে মাঝেমধ্যে দূরে থাকে।

আদরের-স্নেহের ছেলে কেমন যেন মা থেকে দূরে চলে যাচ্ছে মনে হয় মায়ের। যদিও ছেলে খুব করে সমতা বজায় রেখেই চলে। তবুও মায়ের মন মানে না, বউ এর সাথে কত হাসিঠাট্টা, আনন্দ ফুর্তি করে। মা বুঝতে পারে না যে মা আর বউ এক নয়। দুজনের অবস্থান আলাদা। পার্থক্যগত অবস্থানের কারণে তাদের প্রতি ছেলের কার্যক্রম, আবেগ অনুভুতিও ভিন্ন হবে।

একদিন মা এসে দেখে ছেলে আর বউ মিলে বিছানায় বসে ইনডোর গেইম খেলতেছে। এবার মা নড়েচড়ে বসলেন। আমার সোনার ছেলের দুনিয়া ছিলাম আমি, আমার ছেলে আমার কথা ছাড়া কোনো কিছু করতো না, আমার ছেলের টাকা পয়সা সব আমার পিছেই খরচ করতো, আমার হিসাব থাকতো; আর এখন কোন এক মেয়ে পাইসে সব ভাগ বসাইছে!! বিয়ে তো সবাই করে, তাই বলে এমন বদলাবে কেনো। বউ থাকবে বউ এর মত!!

কি করা যায়?? কি করা যায়?? মা চায় সংসার থাকুক সংসারের মত। কিন্তু ছেলে যেন এত বউ পাগল না হয়, ছেলে যেন আগের মতই মায়ের পাগল থাকে।

এক আত্মীয়ের মাধ্যমে খোজ পেলেন এক হুজুরের। হুজুর নাকি কুর'আন দিয়েই সব কিছু করেন। ছেলে মেয়ে বশ, স্বামী স্ত্রী বিচ্ছেদ, কিংবা বাধ্য করা; সব পারেন। হ্যা, তবে কুরআন দিয়েই এসব করেন(!)

হুজুরের কাছে গেলেন মা, সব সমস্যা খুলে বললেন। হুজুর বললেন, আপনার ছেলে বড়ই জুলুম করছে এসব করে, এই ছেলেকে দেখেন অই বউ তাবিজও করতে পারে। আপনি বলেন মা, আমি তাবিজ কাটায় দিয়ে তাদের মাঝে বিচ্ছেদ করে দেই।
মনুষ্যত্ব কিছুটা হলেও আছে বলে মা বললেন, না না বিচ্ছেদ দরকার নাই, একটু ছেলে যেন বউ থেকে দূরে থাকে, মেলামেশা কম করে, আর ছেলে যেন আমার কথা শোনে, আমার বাধ্য হয়। আপনার পারিশ্রমিক যা লাগে আমি দিব।

হুজুর রাজী হলেন। ছেলের ছবি আর একটা শার্ট চাইলেন। ৪১ দিনের মধ্যেই ফলাফল পাবেন বলে সর্বোচ্চ আশ্বাস দিলেন।
..

৩ মাস পর,

ছেলে আর ছেলের বউ এর সাথে দিনরাত তুমূল দ্বন্দ্ব, পান থেকে চুন খসলেই ছেলে তার বউকে অত্যাচার করে। বউ বেচারি একা একা ফুপিয়ে কাঁদে, এই কান্নাও সহ্য হয় না স্বামীর। মারতেও আসে। বউ ভাবে কেন তার স্বামী এত দ্রুত বদলে গেলো? কেন তাকে এখন চেনাই যায় না? কত রাত যায় স্বামী তার সাথে ঘুমায় না। রাত করে বাড়ি ফেরে, এসে মায়ের রুমে যায়, মায়ের সাথে কথাবার্তা বলে, হাত পা টিপে দেয়। একদিন বউ এসে স্বামীকে ডাক দিতে গেলে সে কি ঝাড়ি একসাথে ছেলে আর ছেলের মায়ের! ছেলে চিল্লায়ে বলে, আমার মায়ের সাথে আমি সময় কাটাই, তোমার দেখি এটাও সহ্য হয় না। তুমি কি চাও আমাকে আমার মা থেকে আলদা করতে??

মাঝে মাঝে ডাইনিং এ মা বসে সব শোনে আর সন্তুষ্টির মুচকি হাসি তার ঠোটের কোণায় প্রকাশ পায়। মনে মনে বলে, একদম ঠিক হইছে। আমার ছেলেরে আমার থেকে কাইড়া নিতে চাইছিলি এই জুলুম আল্লাহ সয় নাই। সইবোও না। জামাই তো আমারও ছিলো, আমি কি এমন করছি? নবীজি ﷺ কইসে সবার আগে মা, তিনবার কইসে মা। বউ এর কথা কয় নাই। বউ গেলে বউ আসে। মা আর আসে না।

ছেলে সারাক্ষণ মা মা করে। মা যা বলে তা-ই শোনে। স্ত্রীর খরচ তো দেয়ই না, যা কামাই সব মায়ের হাতে দেয়। হিসাব করে করে দেয়। এটাই তো মা চেয়েছিলো, ঠিক যেন আগের মতই।

একদিন ছেলে মা-কে বলে তার বউ নাকি সন্তান নিতে চায়। মা বাধা দেয়; বলে, এত আগে পোলাপান হইলে বউ অসুস্থ হইবো, ঘরের কাজকর্ম করতে পারব না। তোর এই বৃদ্ধ মারে দিয়ে কি তুই ঘরের কাজ করাইতে চাস? আরো সময় আছে, পরে বাচ্চাকাচ্চা নিস। আমি আর কতদিন আছি দুনিয়ায়। আগে তো মা, এরপর বাকিসব।

হুমম, ছেলের কাছে সব যৌক্তিকই লাগলো। আর বাচ্চাকাচ্চাই কিসের, স্ত্রীকেই তো আর ভাল্লাগে না। পরের টা পরে দেখা যাবে। আরেকবার বাচ্চা নেয়ার কথা বললে খবর আছে বউয়ের!!

(আমাদের এই দেশের হাজারো ঘটনার আয়না এই গল্পটি)

14/01/2026

প্রাপ্তবয়স্ক হবার পরেও বিছানায় প্রস্রাব করা জিনগ্রস্থ হবার লক্ষণ। যদি মেডিক্যালি ফিট থাকে।

Address

375 No. House, Near Puratan Fulkuri School, West Sanarpar, Dhaka

1361

Telephone

+8801883395011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miracle Healing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Miracle Healing:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram