Nutritionist Nazrin Sultana

Nutritionist Nazrin Sultana Nutritionist and dietitian.

Cholesterol থাকুক নিয়ন্ত্রণেস্বাভাবিক ভাবেই আমাদের শরীরের কোষে cholesterol থাকে এবং তা দুই প্রকার। প্রথমত HDL (High- de...
06/08/2018

Cholesterol থাকুক নিয়ন্ত্রণে

স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের শরীরের কোষে cholesterol থাকে এবং তা দুই প্রকার। প্রথমত HDL (High- density lipoprotein) বা good cholesterol এবং অপরটি LDL (Low-density lipoprotein) বা bad cholesterol. এটি হরমোন তৈরীতে ওবং ভিটামিন ডি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তবে সমস্যা তখনই ঘটে যখন এই cholesterol এর মাত্রা স্বাভাবিক মাত্রা থেকে বেড়ে যায়, বিশেষ করে LDL বা bad cholesterol।

বিভিন্ন কারনেই রক্তে cholesterol এর মাত্রা বাড়তে পারে। যেমনঃ অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর খাবার, ফাস্ট ফুড, এক্সারসাইজ না করা, অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন, জেনেটিক, ধূমপান ইত্যাদি। সতর্কতা এজন্য প্রয়োজন যে, এটি প্রাণঘাতী এবং কোন ধরনের সময় না দিয়েই মৃত্যু ডেকে আনে। তবে আশার কথা হলো খাদ্য নির্বাচন এবং পরিশীলিত জীবন যাপনের মাধ্যমে সহজেই Cholesterol নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব। এবার আমরা সেই খাবারগুলি নিয়ে আলোচনা করবো যা Cholesterol নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

ওটঃ এটি soluble fiber সমৃদ্ধ খাবার যা cholesterol নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় ওটস হতে পারে সঠিক পছন্দ। এর সঙ্গে পছন্দসই ফল যোগ করা যায় যা আরো পুষ্টির আধার হতে পারে। cholesterol নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ওটস ওজন কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সিমের বীজ বা বীজ জাতীয় খাবারঃ এই ধরনের খাবারও soluble fiber এর ভাল উৎস এবং bad cholesterol কমাতে সাহায্য করে। যে কোন খরনের সিমের বীজ বিশেষ করে কিডনী বিন, ডাল, মটরশুঁটি এই তালিকার উদাহরণ।

ঢেঁড়স ও বেগুনঃ এই সবজি দুটোর ক্যালোরির পরিমাণ কম এবং দুটোতেই soluble fiber এর পরিমাণ বেশি থাকায় এরা cholesterol কমায়। সহজলভ্য এই সবজি খাদ্য তালিকায় চাইলেই রাখতে পারেন।

বাদামঃ বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া যায়, নিয়মিত ২ আউন্স করে বাদাম খেলে LDL তথা bad cholesterol এর মাত্রা ৫% কমে আসে। সুতরাং দিনের যে কোন চা এর সঙ্গী হতে পারে আখরোট, কাজুবাদাম, চিনাবাদাম, কাঠবাদাম।

জাম্বুরা, আপেল, আঙ্গুর, স্ট্রবেরী ও অন্যান্য টক জাতীয় ফলঃ এই ফলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পেক্টিন থাকে, যা LDL এর পরিমাণ কমায়। প্রতিদিন ফলের তালিকায় এগুলো স্থান পেতে পারে।

সয়াঃ সয়াবিন ও সয়াফুড যেমন টফু, সয়ামিল্ক cholesterol কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ২৫ গ্রাম করে সয়াপ্রোটিন গ্রহন করলে LDL লেভেল ৫% - ৬% কমানো সম্ভব।

তৈলাক্ত মাছ/ মাছের তেলঃ মাছের তেল বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডের আধার যা ক্ষতিকর triglyceride কমাতে সাহায্য করে। সুতরাং মাংসের পরিবর্তে মাছ হতে পারে cholesterol নিয়ন্ত্রণের জন্য আদর্শ।

উদ্ভিজ তেলঃ মাখন, ঘি এর পরিবর্তে খাদ্যপযোগী নারকেল তেল, সূর্যমুখীর তেল, এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, ক্যানোলা অয়েল রান্নায় ব্যাবহার করা ভাল। এগুলো LDL লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

একটি বিষয় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে যে সুধুমাত্র সঠিক খাবারই সুস্থ্যতার চাবিকাঠি নয়। বরং সময়মত খাবার গ্রহণ, জাঙ্ক ফুড পরিহার, নিয়মিত ব্যায়াম ও হাটা সহ একটি healthy lifestyle এর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই cholesterol নিয়ন্ত্রনে থাকবে, উপভোগ্য হবে সুস্থ জীবন...

"মেয়ে, কলিজা খেতেই হবে"প্রতি মাসে অন্তত ২ বার কলিজা বা অন্য অর্গান মিট খাওয়াটা খুবই জরুরী, বিশেষ করে মেয়েদের। এক্ষেত্রে ...
25/06/2018

"মেয়ে, কলিজা খেতেই হবে"

প্রতি মাসে অন্তত ২ বার কলিজা বা অন্য অর্গান মিট খাওয়াটা খুবই জরুরী, বিশেষ করে মেয়েদের। এক্ষেত্রে পুরুষদের উচিৎ পরিবারের নারী সদস্যদের জন্য বিষয়টি নিশ্চিত করা। প্রশ্ন আসতে পারে ঠিক কি কারনে খেতে হবে? আসুন পুষ্টিগুণ থেকেই এর উত্তর খুজে নিই

কলিজা আয়রণে ভরপুর এবং এর আয়রণ আমাদের শরীর খুব ভাল ভাবে absorb করতে পারে। সুতরাং যারা Iron Deficiency Anemia-তে ভুগছেন তাদের জন্য কলিজা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিসংখ্যান মতে মেয়েরা এই রোগে বেশি ভোগেন। আমরা কলিজা থেকে আমরা প্রচুর পরিমানে এনার্জি, প্রোটিন ও ফ্যাট পেয়ে থাকি। এতে যথেষ্ট পরিমানে ভিটামিন B12-এর পাশাপাশি অন্যান্য সকল ধরনের B ভিটামিন রয়েছে। একই সাথে রয়েছে ফলিক এসিড সহ পর্যাপ্ত ভিটামিন এ।আর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ essential fatty acids যেমন EPA, DHA ও AA-এর জন্য কলিজা আদর্শ খাদ্য।

কলিজা’র প্রোটিন cell repair এর পাশাপাশি কিছু এনজাইম, হরমোন ও এন্টিবডি তৈরিতে সাহায্য করে। কপার, জিংক, ক্রোমিয়াম, সেলেনিয়াম-এর মতো trace elements কলিজা থেকে আমরা পাই। এর মধ্য সেলেনিয়াম free radical-এর বিরুদ্ধে কাজ করে এবং cell damage prevent করে। এক্ষেত্রে প্রোটিন এবং সেলেনিয়াম একত্রে selenoprotein নামের খুবই শক্তিশালী antioxidant তৈরী করে। Selenoprotein ক্যান্সার ও হৃদরোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। একই সাথে সেলেনিয়াম আমাদের রোগপ্রতিরোধ ও থাইরয়েড-এর স্বাভাবিকত্ব বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আমরা আগেই জেনেছি কলিজা এনজাইম ও হরমোন তৈরীতে সহায়তা করে। এর সঙ্গে Breast Milk Production- এর যোগসূত্র রয়েছে। তাই Lactating Mother তথা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন এমন মায়েদের জন্য কলিজা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বাচ্চা দুধ কম পাচ্ছে বলে যে মায়েরা চিন্তিত তাদের জন্য কলিজা সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

সতর্কতাঃ গর্ভাবস্থায় খেয়াল রাখবেন, কোন অবস্থাতেই মাসে ২ বারের বেশি কলিজা খাবেন না। কারন, এতে ভিটামিন এ-এর প্রাচুর্য রয়েছে। অন্যান্য খাবার থেকেও যেহেতু ভিটামিন এ গ্রহণ করা হয় তাই এটি ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম মাসে ভিটামিন এ-এর আধিক্য ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে। আবার কলিজায় ফ্যাট আধিক্যের কারনে Cholesterol ও Fatty Liver –সমস্যায় যারা আক্রান্ত তারা এড়িয়ে চললে উপকার পাবেন।

পরিবারের সবাইকে নিয়ে সুস্থ থাকুন...

ওজন কমানোয় ভ্রান্ত ধারনাওজন নিয়ন্ত্রণ সুস্থতা, দৈহিক সৌন্দর্য ও মানসিক প্রশান্তির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আধুনিক জীবনযাপন...
02/03/2018

ওজন কমানোয় ভ্রান্ত ধারনা

ওজন নিয়ন্ত্রণ সুস্থতা, দৈহিক সৌন্দর্য ও মানসিক প্রশান্তির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আধুনিক জীবনযাপনে মুটিয়ে যাবার প্রবনতা বৃদ্ধি পেলেও একই সঙ্গে বেড়েছে সচেতনতাও। তাই সকলেই চান নিজের ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে । স্বাভাবিক ভাবেই এক্ষেত্রে খাদ্যের ভূমিকাকে আমরা সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি । তবে কিছু প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা, আংশিক বা ভুল তথ্য ও সঠিক নির্দেশনার অভাবে অজান্তেই তৈরী হচ্ছে মারাত্নক স্বাস্থ্য ঝুঁকি। আসুন জেনে নিই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ ভুল যা আমরা হর হামেশাই করে থাকিঃ

!!!না খেয়ে থাকা!!!
অল্প অল্প করেই ওজনটা বেড়ে গেছে!!! না, আর দেরি নয়, আজ থেকেই ডায়েট শুরু......। অর্থাৎ, শুরু হয়ে গেল দিনের বেশির ভাগ সময় না খেয়ে থাকা বা সারাদিনে ২/১ বার খাবার খাওয়া। এই ভুল প্রায় সকলেই করে থাকে। শুরুতে ২/৩ কেজি কমেলেও, তারপর আর কিছুতেই ওজন কমানো সম্ভব হয় না। এর সাথে যোগ হয় ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, চুল পড়া, ত্বকের উজ্জলতা হারানো, কোষ্ঠকাঠিন্য, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, হতাশা ইত্যাদি। একই সাথে ভিটামিন ও মিনারেলস এর ঘাটতি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। আর এর মাঝে যদি কয়েক দিন এই ডায়েট-এর ব্যতিক্রম হলে তো কথাই নেই। যে ওজন নিয়ে ডায়েট শুরু হয়েছিলো তার থেকেও ওজন বেড়ে যাবে খুবই অল্প সময়ে।

!!!কার্বোহাইড্রেট না খাওয়া!!!
“আমিতো স্ট্রিক্ট ডায়েটে আছি, কার্বোহাইড্রেট একেবারেই খাইনা” কথাটি খুব গর্বের সাথে অনেকই হয়তো বলে থাকেন। কিন্তু জানেন কি, এতে আপনি নিজেই নিজের কত বড় ক্ষতি করছেন??? আমাদের সারাদিনের যে ক্যালরির চাহিদা তার প্রায় ৬০% গ্রহন উচিৎ কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার থেকে। কার্বোহাইড্রেট এর এন্ড প্রোডাক্ট হলো গ্লূকোজ যা আমাদের মস্তিস্কের খাবার বলা যায়। একবার ভাবুনতো আপনি আপনার ব্রেইনকে আর কতদিন না খাইয়ে রাখবেন?

!!!বেশি প্রোটিন খাওয়া!!!
হাই প্রোটিন ডায়েট ওজন কমানোর জন্য বহুল প্রচলিত একটি পদ্ধতি। কিন্তু মনে রাখবেন আপনার শরীরে দৈনিক যতটুকু প্রোটিন দরকার, তার থেকে বেশি প্রোটিন যদি আপনি দীর্ঘদিন প্রহণ করতে থাকেন, তাহলে আপনার কিডনি রোগের ঝুকি বাড়তে পারে।

!!!ফ্যাট একেবারেই বাদ দেওয়া!!!
অতিরিক্ত ওজন কমাতে অনেকেই তার খাদ্যতালিকা থেকে ফ্যাট একেবারেই বাদ দিয়ে দেন। এটিও আর একটি ভুল সিদ্ধান্ত। আমাদের কোষের গঠনের জন্য ফ্যাট অত্যন্ত জরুরী। তাই আপনি যদি একেবেরাই ফ্যাট জতীয় খাবার না খান, তাহলে এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আপনার কোষে। বিষয়টি বোঝা যায় ত্বকের রুক্ষতা দেখে। এছাড়াও ফ্যাটের ঘাটতি কিছু ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন যেমন ‘এ’, ‘ডি’, ‘ই’, ‘কে’-এর শোষণ ব্যাহত করে। ফলে শরীরে এই গুরুত্বপূর্ণ নিউট্রিয়েন্টেস এর অভাব দেখে দেয়। সুতরাং খাদ্য তালিকা থেকে bad fat বাদ দিলেও good fat যুক্ত খাবার রাখতেই হবে।

!!!ইমব্যালেন্স ডায়েট!!!
বর্তমানে খুব দ্রুত ওজন কমানোর জন্য এই ধরনের ডায়েট বহুল প্রচলিত। ৫দিনে ৩ কেজি, ৭ দিনে ৫ কেজি ইত্যাদি শিরোনামের কিছু ডায়েট খুব জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এটি কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়া নয় যার সঙ্গে আমাদের শরীর পরিচিত। তাই এই ধরনের প্যাকেজ ডায়েট থেকে যখন আবার স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে আসা হয়, তখন ওজন আরও বেড়ে যায়।

!!!লেবু পানি!!!
অনেকেরই ধারণা, সকাল বেলা খালি পেটে কুসুম গরম পানির সাথে লেবুর রস খেলেই বুঝি শরীর থেকে সব অবাঞ্ছিত চর্বি বের হয়ে যাবে। বিষটি তা নয়। এটি ক্ষুধামন্দার একটি কৌশল। খালি পেটে লেবু পানি পাকস্থলিতে একটি এসিডিক কন্ডিশন তৈরী করে, ফলে ক্ষুধা কম অনুভূত হয়। দীর্ঘদিন এমন অভ্যস আপনাকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

!!!শুধুমাত্র ডায়েট!!!
সকলেই শুধুমাত্র ডায়েট-এর মাধ্যমে ওজন কমাতে বা নিয়ন্ত্রনে রাখতে চান। ভুললে চলবে না ওজন নিয়ন্ত্রন একটি প্রোগ্রাম। সুতরাং নিয়ন্ত্রিত ডায়েটের সাথে প্রয়োজন নিয়মিত শারীর চর্চ্চা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা।

!!!নিজেই নিজের ডায়েট চার্ট করা!!!
আজকাল অনেকেই গুগল, ইউটিউব দেখে নিজেই নিজের ডায়েট চার্ট তৈরি করে থাকেন। কখনওবা পরিচিত কারো জন্য করা নিউট্রিশনিস্ট বা ডায়েটিশিয়ান-এর ডায়েট চার্ট নিয়ে নিজেই ফলো করা শুরু করে দেন। এটি কখনোই সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না। প্রতিটি মানুষ আলাদা এবং তার ডায়েট চার্টও আলাদা হবে এটাই স্বাভাবিক। ব্যক্তির উচ্চতা, ওজন, পরিশ্রমের ধরন, খাদ্যাভ্যাস, কোন রোগ আছে কিনা ইত্যাদির ওপর উপর ভিত্তি করে ডায়েট চার্ট তৈরী করা হয়। সুতরাং ইন্টারনেট অথবা কারো জন্য তৈরি ডায়েট চার্ট ফলো করতে যাবেন না। প্রয়োজনে এক্সপার্ট-এর পরামর্শ নিন।

ওজন কমানোর আগে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওজন বৃদ্ধির কারনগুলো খুজে বের করা। এরপরে সেই অনুযায়ী ক্যালরি নিয়ন্ত্রনে রেখে একটি ব্যালেন্সড ডায়েট প্ল্যান ফলো করা। যে ডায়েট প্ল্যানে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন ও মিনারেলস ইত্যাদি আপনার দৈনিক চাহিদা অনুযায়ী থাকবে। শরীরকে কষ্ট দিয়ে, অসুস্থ করে ওজন কমানো নয়। বরং সুন্দর ও নিয়ম মেনে ওজন নিয়ন্ত্রনে আনুন।

মনে রাখবেন, ওজন নিয়ন্ত্রন প্রক্রিয়াটি হতে পারে খুবই উপভোগ্য...

#খাদ্য #খাদ্যওপুষ্টি #পুষ্টি #পুষ্টিবিদ #নিউট্রিশনিস্ট #হেলথ #ডায়েট #ডায়েটচার্ট #হেলথকেয়ার #ক্র্যাশডায়েট #ডায়েটিং #স্লিম #স্লিমিং #এক্সারসাইজ #বডিবিল্ডিং #ওজনকমানো #ওজন #অসুখ #সুস্থতা #রোগ #ডায়াবেটিস #ওবিসিটি #ওভারওয়েট

মায়ের পুষ্টিই শিশুর পুষ্টিশিশু যখন বুকের দুধ পান করে তখন একজন মায়ের বাড়তি যত্ন ও পুষ্টির প্রয়োজন হয়। এই সময়কে আমরা lacta...
25/01/2018

মায়ের পুষ্টিই শিশুর পুষ্টি

শিশু যখন বুকের দুধ পান করে তখন একজন মায়ের বাড়তি যত্ন ও পুষ্টির প্রয়োজন হয়। এই সময়কে আমরা lactating period বলে থাকি। মায়ের দৈনন্দিন শারীরিক চাহিদা পূরণ এবং বুকের দুধ উৎপাদনের জন্য অতিরিক্ত energy ও nutrition প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে প্রথম ৬ মাস, যাকে আমরা exclusive breast feeding time বলে থাকি। এসময় একজন মায়ের এনার্জির চাহিদা প্রায় 550 kcal বৃদ্ধি পায় । পরবর্তী সময়ে শিশুর weaning food-এ অভ্যস্ততার সাথে সাথে এই চাহিদাও কমতে থাকে।

Lactating period-এ প্রোটিন-এর চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের থেকে অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। এসময়ে যদি মায়ের দৈনিক খাদ্য তালিকায় তার শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমানে প্রোটিন না থাকে তাহলে milk production কমে যাবে। এক্ষেত্রে first class protein এবং second class protein-এর সমন্বয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুধ, মাছ, মাংস, পনির, ডিম ইত্যাদি প্রাণীজ খাদ্য first class বা উচ্চ মানের প্রোটিন -এর উৎস। অপরদিকে বাদাম, শস্য বীজ, ডাল জাতীয় উদ্ভিজ খাবার second class প্রোটিনের উদাহরণ। শিশুর সার্বিক বৃদ্ধি এবং মায়ের সুস্থতায় এর গুরুত্ব সবথেকে বেশি।

প্রোটিন-এর মতো করে ক্যালসিয়ামের চাহিদাও এই সময়ে বেড়ে যায়। এই চাহিদা পূরণ করতে মা-কে প্রতিদিন প্রায় ১/২ লিটার দুধ পান করতে হবে। এছাড়াও দুধের তৈরী খাবারও তালিকায় থাকা জরুরী। আর সহজ লভ্য ফল কলা ক্যালসিয়াম ও এনার্জির ভালো উৎস।

Lactating period-এ প্রায় 50 mcg ভিটামিন ‘বি’ এবং folate প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। মাছ, মাংস, দুধ, ডিম-এর পাশাপাশি টাটকা সবুজ শাক-সবজি যেনো খাদ্য তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। শিশুর চোখের জত্নে ভিটামিন ‘এ’ এর গুরুত্ব অপরিসীম। এই চাহিদা পূরণ করতে কলিজা সহ অন্যান্য organ meat , ছোট মাছ ও মাছের যকৃতের তেল, ডিমের কুসুম, লাল শাক, মিষ্টি কুমড়া, গাজর ইত্যাদি মায়ের খাদ্য তালিকায় রাখা চাই।

একই সাথে milk production এর জন্য প্রচুর পরিমানে fluid intake বাড়াতে হবে । যেমন ফলের রস, স্যুপ, ডাবের পানি ইত্যাদি। পাশাপাশি দুটি বহুল প্রচলিত খাবার যা বুকের দুধ উৎপাদনে-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তা হলো কালোজিরা এবং লাউ...

সুস্থ থাকুক মা, নিশ্চিত হোক শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি...

#মা #শিশু #বেবিফুড #ডায়েট #পুষ্টি #খাদ্য #খাদ্য_ও_পুষ্টি #সুস্থ #সুস্থতা #ওজন ানো #পুষ্টিকর_খাবার #ডায়েটিং #ওয়েট_গেইন #ওভার_ওয়েট #প্রেগনেন্ট #গর্ভকালীন_খাবার #গর্ভবতী_মায়ের_যত্ন #শিশুর_পুষ্টি #পুষ্টি_তথ্য #নিউট্রিশন #ফুড_এন্ড_নিউট্রিশন

"Crash Diet" কে না বলুন  Crash diet, কথাটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত। Crash diet হলো খুব কম সময়ে ওজন কমানোর জন্য স্বল্প পর...
25/12/2017

"Crash Diet" কে না বলুন

Crash diet, কথাটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত। Crash diet হলো খুব কম সময়ে ওজন কমানোর জন্য স্বল্প পরিমাণ এবং সীমিত ক্যালরির খাবার গ্রহন করা। সাধারণত Crash diet এ সারাদিনের খাবার থেকে প্রাপ্ত ক্যালরির পরিমাণ ৭০০ বা তারও কম থাকে।

যদিও crash diet করে অনেকই ওজন কমাতে সক্ষম হন, কিন্তু এটা কোন healthy practice নয়। Crash diet করে যেমন দ্রুত ওজন কমানো যায়, তেমনি সামান্য অবহেলায় দ্রুত ওজনটা ফিরেও আসে। কখনওবা পূর্বের থেকেও ওজন অনেক বেড়ে যায়।

যেহেতু crash diet করতে গেলে খুব কম পরিমানে খাবার খেতে হয়, এবং অনেক ধরনের খাবার মেনু থেকে বাদ দিতে হয়, সেহেতু অনেক পুষ্টিউপাদানও প্রতিনিয়ত বাদ পড়তে থাকে। এর ফলে পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। যেমন মিনারেল এর ঘাটতি, আয়রন স্বল্পতা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। এর ফলে osteoporosis এবং anemia হতে পারে।

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাবে চুল পড়ে যায়, skin dull হয়ে যায়, wrinkle পড়ে, নখ ভেঙ্গে যায় ইত্যাদি।

মনে রাখবেন, Crash diet সবসময় metabolism এর উপরও একটা negative effect ফেলে। Crash diet করলে metabolism process slow হয়ে যায় এবং ফ্যাট deposit বেড়ে যায়।

যখন কেউ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকে, তখন সাময়িক ভাবে মস্তিস্ক খাবার লোভ সংবরণ করে। কিন্তু যখন পুনরায় আবার কিছু খাওয়া হয়, তখন মস্তিস্ক পরবর্তী সময়ের জন্য বেশি খাবার গ্রহন এবং তা সঞ্চয়ের জন্য শরীরকে তৈরি করে। ফলে পরবর্তীতে over eating এর একটা অভ্যাস গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।

Crash diet এর আর একটি ক্ষতিকর দিক হল, এতে প্রচুর energy loss হয় বা ঘাটতি দেখা দেয়। ফল স্বরূপ সবসময় ক্লান্ত বোধ হয় এবং কর্ম উউদ্দীপনা কমে যায়। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া এর অপর অনুসঙ্গ।

সুতরাং, যেহেতু crash diet স্বাহ্যের জন্য পরীক্ষিত ভাবেই ক্ষতিকর। তাই, ওজন কমানোর জন্য crash diet নয়, একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী একটি ব্যালান্স ডায়েট গ্রহণ করা যুক্তিযুক্ত।

শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রন করুন নিয়ন্ত্রিত উপায়ে। উপভোগ করুন উপভোগ্য জীবন...

”আসুন জেনে নেই রং অনুযায়ী খাবারের কিছু গুনাগুন“লাল রংঃ লাল রং-এর ফল এবং শাকসবজিতে Lycopene নামক গুরুত্বপূর্ণ এন্টিঅক্সিড...
15/11/2017

”আসুন জেনে নেই রং অনুযায়ী খাবারের কিছু গুনাগুন“

লাল রংঃ লাল রং-এর ফল এবং শাকসবজিতে Lycopene নামক গুরুত্বপূর্ণ এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা হার্টকে ভালো রাখে এবং ক্যান্সার এর ঝুকি কমাতে সাহায্য করে। যেমনঃ টমেটো, লাল ক্যাপ্সিকাম, স্ট্রবেরি, লাল আপেল ইত্যাদি।

বেগুনী/ নীলঃ বেগুনী ও নীল রং-এর ফল এবং শাকসবজিতে Anthocyanin নামক এক ধরনের পিগমেন্ট থাকে। এই পিগমেন্ট-এর কারনে এরা ণীল বা বেগুনী বর্ণের হয়ে থাকে। Anthocyanin ও এক ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটা cell damage prevent করে, ক্যান্সার, স্ট্রোক সহ অন্যান্য হৃদরোগের ঝুকি কমাতে সাহায্য করে। বিটরুট, বেগুনী বাধাকপি, বেগুন, বেরী ইত্যাদি এই শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত।

কমলা/ হলুদঃ Carotenoid এই বর্ণের জন্য দায়ী। খুব পরিচিত একটি Carotenoid হল Bitacarotine যা কুসুম আলু, মিষ্টিকুমড়া এবং গাজর থেকে পাওয়া যায়। চোখের সুস্থতার জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সবুজঃ সবুজ শাক সবজিতে প্রচুর পরিমানে phytochemicals থাকে, যেমনঃ Carotenoids, Indoles এবং Saponins. এরা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। সবুজ শাক ও ব্রোকলিতে প্রচুর পরিমানে Folateও থাকে।

সাদা/ বাদামীঃ রসুনে Allicine নামক phytochemical থাকে। এই উপাদান ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংসে সহায়তা করে। এছাড়া, কলা ও আলুতে ভালো পরিমাণে পটাসিয়ামও পাওয়া যায়।

বর্ণ ভেদে খাবারের পুষ্টিগুণ ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই আপনার খাবারকে প্রাকৃতিক ভাবে রঙ্গীন করে তুলুন। ঠিক যেমন রঙ্গীণ আপনার সুস্থ সুন্দর জীবন...

"ফ্রেশ ফল নাকি ফ্রেস জুস", কোনটা খাবো?যে কোনো ফল ফ্রেস খাওয়াটাই সবথেকে ভাল। কারণ, যখনই কোন ফল জুস করে অথবা অন্য কোন ভ...
22/10/2017

"ফ্রেশ ফল নাকি ফ্রেস জুস", কোনটা খাবো?

যে কোনো ফল ফ্রেস খাওয়াটাই সবথেকে ভাল। কারণ, যখনই কোন ফল জুস করে অথবা অন্য কোন ভাবে process করে খাওয়া হয়, তখন এর সাথে বাড়তি চিনি, লবন বা অন্যান্য উপাদান মেশানো হয়ে থাকে। ফলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এর ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে যায়। একই সাথে Process এর সময় কিছু কিছু nutrients ও loss হয়, যা কাম্য নয়। তবে শিশু, বৃদ্ধ অথবা অসুস্থ ব্যক্তির (যদি ফল সরাসরি না খেতে পারেন) জন্য ফ্রেশ ফলের জুস করে দেয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে চেষ্টা করতে হবে আনুসঙ্গিক কোন উপাদান যুক্ত না করার। যে কোন ভাবেই হোক প্যাকেটজাত জুস এড়িয়ে চলুন...

প্রতিদিন ফ্রেশ ফল খাবার অভ্যাস গড়ুন, সুস্থ থাকুন.....

Address

Dhaka

Opening Hours

17:00 - 20:00

Telephone

8801643236868

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Nazrin Sultana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nutritionist Nazrin Sultana:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category