23/11/2022
বিশ্বগুরু শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র এবংতাঁর প্রতিষ্টিত সৎসঙ্গের কার্য্যপ্রণালী সম্পর্কে অমৃতবানী বলেগেলেন শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব (বাবামণি)::
"এক নবযুগ সন্মুখে আসছে । সেই যুগে দীক্ষা থাকবে, কিন্তু দীক্ষাদাতা হবেন গৌণ । তিনি অনাদরের পাত্র হবেন না, বরং প্রভূত কৃতজ্ঞতার ভাজনই হবেন, কিন্তু দীক্ষা দান ক'রে তিনি মুণ্ডু কিনে নেবেন না, দীক্ষা দিয়ে তিনি সেই নিত্যগুরুরই শিষ্য তোমাকে করবেন, যাঁর শিষ্য তিনি নিজে । দীক্ষাদাতা সেই যুগে দীক্ষা-গ্রহীতার গুরু নন, গুরুভ্রাতা । সবাই তখন একই পথের যাত্রী মাত্র, কেউ বা অগ্রগামী, কেউ পশ্চাৎবর্ত্তী, কিন্তু সবাই একে অন্যের ভাই বা বোন, কেউ গুরু নন বা শিষ্য বা শিষ্যা নন । বহু-দেববাদে লাঞ্ছিত দেশে অবস্থার স্বাভাবিক পরিণতির যে গুরুবাদ, একলক্ষ্য জাগ্রত সমাজে তার রূপান্তর হবে । সবাই তখন এক গুরুর শিষ্য, শত শত গুরুর তখন প্রয়োজন নেই । সেই শুভদিনের প্রতীক্ষায় আমি এই নর-তনু বহন করে বেড়াচ্ছি ।"
(অখণ্ড-সংহিতা, ৪র্থ খণ্ড, পৃ: ২৬, ২৭)
তাই বলছি, যারা এখনও যুগ পুরুষোত্তম পরমপ্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুরের সৎদীক্ষা পাননি, আসুন সেই আদি বীজনাম, দয়ালধামের সেই সৎনাম গ্রহণ করে এই দুর্লভ মানব জীবন তথা শ্রীশ্রীবাবামণির স্বপ্নটা স্বার্থক করে তুলুন । জয়গুরু ॥