Dr. Rezaul Haider Chowdhury

Dr. Rezaul Haider Chowdhury হরমোন, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

Growth Hormone therapy:
17/04/2022

Growth Hormone therapy:

Learn about the causes and treatment of children with growth failure from Dr Sayan Banerjee, Fellow, Regency CDER.

থাইরয়েড হরমোন নিয়ে চাই সচেতনতা
15/10/2021

থাইরয়েড হরমোন নিয়ে চাই সচেতনতা

থাইরয়েড সমস্যার সমাধানে চিকিৎসকদের জন্য গাইডলাইন তৈরির পাশাপাশি গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি

কোভিড ও ডেঙ্গু:জ্বরের কোন উপসর্গ দেখা দিলে এখন কোভিড এবং ডেঙ্গু দুটোর জন্যই আলাদা পরীক্ষা করাতে হবে। কোভিডের ক্ষেত্রে ঘর...
06/08/2021

কোভিড ও ডেঙ্গু:

জ্বরের কোন উপসর্গ দেখা দিলে এখন কোভিড এবং ডেঙ্গু দুটোর জন্যই আলাদা পরীক্ষা করাতে হবে। কোভিডের ক্ষেত্রে ঘরে অক্সিমিটার দিয়ে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপতে হবে। মাত্রা ৯২ এর নিচে নেমে যায় কিনা সেটি খেয়াল করতে হবে। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে রক্তে প্লাটিলেটের মাত্রা ও রক্তক্ষরণের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখবেন এই দুই রোগের চিকিৎসা ভিন্ন। এজন্যে সঠিক রোগ নির্ণয়ের কোনো বিকল্প নেই।

স্লিপ অ্যাপনিয়া:যেকোনো মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। কিন্তু যাঁদের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তাঁদের বা...
20/06/2021

স্লিপ অ্যাপনিয়া:
যেকোনো মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। কিন্তু যাঁদের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তাঁদের বারবার রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা, ক্লান্তি বা বিষণ্ন লাগে।

ঘুমানোর সময় খুব বেশি নাক ডাকা এ রোগের অন্যতম লক্ষণ। আক্রান্ত ব্যক্তির রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়, আর সারা দিন ঘুম ঘুম ভাব হয়। দিনের
বেলা কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না। এমনকি কাজের সময় বা পড়তে পড়তে ঘুমিয়েও পড়তে পারেন।

চিকিৎসা না নিলে এই রোগীর জীবনে নানা রকম জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এজন্যে এই রোগটি পুষে রাখলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের (স্ট্রোক) ঝুঁকি বাড়ে।

তাই এমন সমস্যাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ থেকে বাঁচার পথ, মত বিশেষজ্ঞদের
28/05/2021

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ থেকে বাঁচার পথ, মত বিশেষজ্ঞদের

.

হরমোন বিশেষজ্ঞরা গ্রোথ হরমোন দিয়ে খাটো লোকদের লম্বা করতে পারেন এ রকম একটা ধারণা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। কিন্তু সাবালক হও...
21/05/2021

হরমোন বিশেষজ্ঞরা গ্রোথ হরমোন দিয়ে খাটো লোকদের লম্বা করতে পারেন এ রকম একটা ধারণা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। কিন্তু সাবালক হওয়ার পর উচ্চতা আর বাড়ে না বললেই চলে। কারণ, শরীর লম্বা হবার জন্য পা ও হাতের লম্বা অস্থিগুলোর যে অংশে হরমোন কাজ করে, তা বিলুপ্ত হয়ে যায়। একারণে যত কম বয়সে হরমোন চিকিৎসা শুরু করা যায় ততই ভালো। হরমোন বিশেষজ্ঞরা কেবল আনুমানিক ১১ বছর বয়সের আগে এলেই গ্রোথ হরমোন দিয়ে ফলপ্রসূ চিকিৎসা করতে পারেন। ১৫-১৬ বছরের পরে কেবল পায়ের সার্জারি করা ছাড়া উচ্চতা বাড়ানোর আর কোনো উপায় থাকে না। গ্রোথ হরমোনের দাম কিছুটা বেশি হওযায় অনেকের পক্ষে এর ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হয় না, তবে শিশুর বয়স কম থাকা অবস্থায় অর্থাৎ আগেভাগে চিকিৎসা শুরু করা গেলে কম ওষুধেই বেশি কাজ হয় এবং বাচ্চার ওজন কম থাকায় এমনিতেই ওষুধ কম লাগে এবং ব্যয় কম হয়। লিওনেল মেসি তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ।

রমজানে রক্তে সুগার পরিমাপ করুনখারাপ লাগলে বা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজ মাপতে হবে। হাইপ...
07/05/2021

রমজানে রক্তে সুগার পরিমাপ করুন

খারাপ লাগলে বা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজ মাপতে হবে। হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণগুলো হচ্ছে দুর্বল লাগা, মাথা ঝিমঝিম করা, চোখে ঝাপসা দেখা, ঘাম হওয়া, হাত কাঁপা, মাথা শূন্য বোধ হওয়া ইত্যাদি।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

* রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ৩.৯ মিলিমোল বা ৭০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের কম হয়ে গেলে

* রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ১৬.৬ মিলিমোল বা ৩০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের বেশি পাওয়া গেলে

এবং যেকোনো আকস্মিক অসুস্থতায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

09/04/2021

ডায়াবেটিস ও রোজা।

লিখেছেন : ডা. Feroz Amin স্যার, সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইন বিভাগ, বারডেম।

রমাদান মোবারাক। বেশির ভাগ ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতি বছরের মত এ বার ও রোজা রাখবেন, ইনশাআল্লাহ । আগের বছরের মত রোগীরা বারডেম, অথবা বিভিন্ন ডাক্তার দের চেম্বারে গিয়ে যেভাবে উপদেশ নিতেন, এবার করোনা পরিস্থিতির কারনে সেটা অত জোড়ালো ভাবে হচ্ছে না। যদি ও বারডেম হাসপাতাল খোলা। কিন্তু লক ডাউনে রোগীরা আসতেই পারছে না। যেহেতু ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাই আমরা ও চাই না, এ পরিস্থিতিতে উনারা বাসার বাহিরে আসুক।
এ বছর রোজায় দিনের প্রায় ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে, তাপমাত্রা ও বেশি থাকবে। রাতের ৯ থেকে ১০ ঘন্টার ভিতরে ইফতার, রাতের খাবার, আর সেহরি খেতে হবে। সামনের ১ মাস সুস্থ থাকতে হলে খাবারের পরিমান ও মোট ক্যালরি, রোজার আগে যা ছিলো তাই রাখতে হবে। বেশি খেলে গ্লুকোজ বেড়ে যাবে, কম খেলে অসুস্থ হয়ে যাবেন। ডায়াবেটিস গাইড বইতে দেখে নিন, আপনার জন্য কত ক্যালরি ঠিক করা আছে। ১৮০০ ক্যালরি থাকলে রোজায় আপনি সে পরিমানই রাতে খাবেন, এবং গাইড বই থেকে রোজার খাদ্য তালিকা বুঝে নিন।

রোজায় সুগার হঠাৎ কমে যাওয়া যাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয় অথবা বেশি খাওয়ার কারনে গ্লুকোজের পরিমান অনেক বেড়ে যাওয়া, পানি শুন্যতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া অথবা ওষুধ বাদ দেওয়ার কারণে অনেক বেড়ে যাওয়া এই রকম জটিলতার কারণে অনেক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। মারা ও যান অনেকে। এই জন্য প্রত্যেক ডায়াবেটিস রোগীকে আমরা very high , high , moderate, low risk এই গ্রুপে ভাগ করি। সমস্ত ইনসুলিন নেয়া রোগী, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হাসপাতালে ভর্তি রোগী, গত তিন মাসের ভিতর খুব সুগার বেড়ে যাওয়া অথবা বেশী কমে যাওয়া, প্রেগনেন্সি, হার্ট , কিডনির জটিলতা থাকলে সবাই high risk . কিছু নিয়ম মানলে, বুঝেশুনে চললে রোজা রাখতে কোনো অসুবিধা হবে না, ইনশাআল্লাহ। যদি ও high risk রোগীদের রোজা না রাখতে আমরা বেশির ভাগ সময় বলে থাকি। আমরা চাই রোজা রাখতে গিয়ে যাতে শরীর বেশি খারাপ না হয়, আবার রাখতে চাইলে কোনো সমস্যা ছাড়াই আপনি যাতে সব রোজা রাখতে পারেন। আসুন, আমারা ব্যাপারগুলো বুঝে নিই।

১. মাগরিবের আজানের সাথে সাথে পানি খেয়ে ওষুধ / ইনসুলিন নিয়ে খাবার খেয়ে নিবেন। আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে না। তবে কিছু ইনসুলিন আছে যেগুলো রক্তে তাড়াতাড়ি মিশে যায়, কিন্তু খরচ বেশি। ( Novorapid, Humalog , Apidra)। রোজার আগে সকাল বেলায় যে ওষুধ গুলো আপনি খেতেন রোজায় তা (ওষুধ, অথবা ইনসুলিন) ইফতারে নিবেন। অনেকে সকালে দুই রকম ইনসুলিন দেখতে ঘোলা অথবা স্বচ্ছ, (, actrapid , insulated / Humulin R , Humulin N ) নিয়ে থাকেন, ইফতারে সময় পুরো ডোজ নিয়ে নিবেন । তার মানে, সকালে নাস্তার আগে ২০ ইউনিট ইনসুলিন নিলে ইফতারে তাই থাকবে।

২. এক টার বেশি খেজুর খাওয়া একেবারেই উচিৎ না। কম মিষ্টির শরবত খাওয়া যাবে। ভাজা পোড়া না খাওয়াই ভালো।
সারা রাত পানি যত বেশি খাওয়া যায়, তা ভালো। বেশি মিষ্টির খাবার খেলে গ্লুকোজ চট করে বেড়ে যায়।

৩. ব্যায়াম করার দরকার নাই, তারাবির লম্বা নামাজই যথেষ্ট। করোনা পরিস্থিতিতে ঘরেই নামাজ পড়বেন। আল্লাহ সব জানেন, বুঝেন।

৪. সন্ধ্যা রাতের খাবার ( যা আমরা তারাবির পর খেয়ে থাকি) না খেলে ইনসুলিন অথবা টেবলেট খাওয়ার দরকার নাই। কম খাবার খেলে ইনসুলিনের ডোজ কম হবে।
৫. সেহরির খাবার কখনই বাদ দিবেন না, শেষ সময়ের দিকে খাবেন। বেশি আগে খাবেন না। অনেকে রাত ১ টায় খেয়ে ঘুমিয়ে যায়, ডায়াবেটিস রোগীদের এরকম করা নিষেধ। ভাত খাওয়া যাবে পরিমান মত। রোজার আগে রাতের বেলা আমরা যে ওষুধ অথবা ইনসুলিন নিতাম, সেহরিতে তার অর্ধেক মাত্রা নিবেন। যেহেতু সারাদিন না খেয়ে থাকবেন, তাই পরিমান কম হবে। অর্থাৎ রোজার আগে রাতে একটা টেবলেট খেলে সেহরিতে তার অর্ধেক খাবেন ইনসুলিনের মাত্রা ২০ ইউনিট ছিলো, এখন সেহরিতে নিবেন ১০ ইউনিট। আর কেউ যদি দুই টা ইনসুলিন নিলে ( actrapid , insulated / Humulin R , Humulin N ) দেখতে ঘোলা অথবা স্বচ্ছ) দুটো থেকেই আগের রাত্রের মাত্রার অর্ধেক কম নিবেন।
অনেকে আছেন খাওয়ার আগে একটা ইনসুলিন তিন বেলা এবং শোয়ার আগে আরেকটা ইনসুলিন মোট ৪ বার ইনসুলিন নিয়ে থাকেন। রোজায় উনি সকালের পুরো ডোজ ইফতারে, দুপুরের ডোজ রাত ১০ টায় যদি খেয়ে থাকেন, না খেলে বাদ, কম খেলে ডোজ কম নিবেন। আর রোজার আগের রাতের খাওয়ার আগে যে পরিমান ইনসুলিন ডোজ নিতেন তার অর্ধেক হয়ে চলে যাবে সেহরির সময়। আর যে ইনসুলিনটা ঘুমানের আগে একটা fixed সময়ে নিতেন সে ইনসুলিন ( Lantus , detemir, tresiba , ) একই সময়ে নিবেন। গ্লুকোজ কমার ভয় থাকলে আগের চেয়ে ৪ অথবা ৬ ইউনিট কমিয়ে দিবেন।

৬. চেষ্টা করবেন একটা গ্লুকোমিটার কিনে নিতে। রোজায় গ্লুকোজ পরীক্ষা করলে রোজা নষ্ট হয় না বলে দেশে বিদেশে অনেক আলেম বলেছেন।
দিনের বেলা গ্লুকোজ ৪ এর কম হলে অবশ্যই রোজা ভেংগে ফেলবেন। এরপর দিন থেকে, ওষুধ অথবা ইনসুলিনের পরিমান কমিয়ে দিবেন। রক্তে গ্লুকোজ ১৬ এর বেশি হলে, শরীরে পানি কমে গেলে, শরীরের চর্বি ভেঙে রক্তে কিটোন চলে আসে, যা খুবই খারাপ। হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। তাই শরীর খারাপ লাগলেই গ্লুকোমিটারে রক্ত পরীক্ষা করবেন। সেহরি, ইফতারের আগে ও ২ ঘন্টা পর, দিনের ১০টা থেকে ৩ / ৪ টার ভিতরে গ্লুকোজ পরীক্ষা করে ওষুধের মাত্রা ঠিক কমবেশি করতে হবে।

৭. জিলিপী, মিষ্টি, চর্বি জাতীয় খাবার খাবেন না।
৮. রক্তচাপ কমে গেলে ব্লাডপ্রেসারের ওষুধের মাত্রা কমাতে হবে।
৯. দিনের বেলা শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম করা যাবে না।
১০. তবে গ্লুকোজ কমে গেলে হাত পা কাপবে, বুক ধড় ফড় করবে, মাথা ঘুড়াবে, ঘাম হবে, চিন্তা করতে অসুবিধা হবে, এমন কি অজ্ঞান হয়ে যাবেন, সাথে সাথে চিনি, মিষ্টি খাবেন। পরদিন যাতে এর কম অবস্থা না হয়, ওষুধের মাত্রা কমিয়ে দিবেন।
১১. ডায়াবেটিস বেড়ে গেলে গলা শুকিয়ে যাবে, মাথা ঘুরাবে, বার বার পস্রাব হবে।
১২. অনেকেই থাইরয়েডের ওষুধ খেয়ে থাকেন, সেহরির ঘুম ভাংগার সাথে সাথে খালিপেটে ওষুধ খেয়ে নিবেন।
১৩. মনে রাখবেন, আগামী বছর রোজার তিন মাস আগে থেকেই রোজার প্রস্তুতি নিবেন, আধ্যাত্মিক ও শারীরিক দুভাবেই, ইনশাআল্লাহ।

ইনশাআল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের সবার এবাদত কবুল করবেন, আমাদের সুস্থ রাখবেন।

Courtesy: Dr. Asif Soikatযেসব মধ্যবিত্ত পরিবার এই কোভিডকে গায়ে মাখতেছেন না , স্বাস্হ্যবিধি না মেনে ভিড় এবং জনসমাগমে দাঁত...
30/03/2021

Courtesy:
Dr. Asif Soikat

যেসব মধ্যবিত্ত পরিবার এই কোভিডকে গায়ে মাখতেছেন না , স্বাস্হ্যবিধি না মেনে ভিড় এবং জনসমাগমে দাঁত কেলায়া সেলফি তুলতেছেন , ক্যাপশানে লিখতেছেন - " ফিলিং নাইস " .........
আমি হলফ করেই বলতে পারি তাদের পরিবারের ১ জন রোগীও যদি কোভিড আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে যায় - পুরো পরিবার জাস্ট ২ সপ্তাহেই পথে বসে যাবে । কোভিড রোগীকে প্রাইভেট আইসিইউতে রেখে ১০-১৫ দিন ট্রিটমেন্ট চালানোর মতো সামর্থ্য ৯০% মধ্যবিত্ত পরিবারের নেই ।

যারা বছরের পর বছর ধরে ডিপিএস করেছেন নিজের , পিতামাতার বা সন্তানদের একটু ভালো ভবিষ্যতের আশায় - ম্যাচিউর হবার আগেই রক্ত পানি করে তিলে তিলে গড়া ডিপিএসগুলাও কোভিড চিকিৎসার জন্য ভেঙ্গে ফেলতে হবে ,

অন্যদিকে - আইসিইউ বেড ক্রাইসিস এখন চরমে।

দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত পরিবারকে অর্থনৈতিক , মানসিকভাবে পিষে ফেলা রোগের নাম কোভিড ।
বিত্তশালীরা হয়তো টাকার বিনিময়ে ভয়াবহ এই কোভিডের সাথে অসম যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন , তথাপি সেটা হবে চরম মানসিক এবং শারিরীক কষ্টের বিনিময়ে , কিন্তু দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণী টিকতে পারবেনা , প্রায় অসম্ভব ।

আমি বাস্তবতা বললাম , আল্লাহ সবাইকে রহম করুন ।
দয়া করে স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলুন ,
নিজের পরিবারকে সুরক্ষার চাদরে ঢেকে ফেলুন ।

প্লিজ ...... 🙏🙏🙏

Diabetes, Hormone, Thyroid and Medicine specialistChamber: LABAID ChittagongLANCET Diagnostic and Research Center Chitag...
26/01/2021

Diabetes, Hormone, Thyroid and Medicine specialist

Chamber:
LABAID Chittagong
LANCET Diagnostic and Research Center Chitagong

কি কি সমস্যা হলে আপনি হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন?
04/12/2020

কি কি সমস্যা হলে আপনি হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন?

26/11/2020

Address

Chittagong

Telephone

+8801717746650

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Rezaul Haider Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Rezaul Haider Chowdhury:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram